শিরোনাম
প্রকাশ: ১০:০৭, শনিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ১০:২৫, শনিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৫

কালের কণ্ঠের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রকাশিত

রাজনীতির আসল শক্তি জনগণ

মোফাজ্জল করিম
অনলাইন ভার্সন
রাজনীতির আসল শক্তি জনগণ

রাজনীতি কথাটি উচ্চারণের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের চিন্তার জগতে আরো কিছু প্রাসঙ্গিক শব্দ হুড়মুড় করে ঢুকে পড়ে। এগুলো একটি আরেকটির সহযাত্রী, কখনো বা পরিপূরক। প্রথমেই আসে পারিপার্শ্বিক জগৎ, সেই জগতের মানুষ, গোষ্ঠী, দল, তাদের কৃষ্টি-সংস্কৃতি ইত্যাদির কথা। কেন? এই জন্য যে রাজনীতি কোনো এক ব্যক্তিকেন্দ্রিক কাব্য-সাহিত্য রচনা নয়, নয় কোনো দার্শনিক চিন্তা বা কল্পনাবিলাস।

রাজনীতি মানুষের জন্য, তার চিন্তা-চেতনা, সুখ-দুঃখ, আশা-আকাঙ্ক্ষা, জীবন-জগজ্জনিত তার হাজারো সমস্যাই রাজনীতির উপজীব্য এবং এ কারণেই রাজনীতি মানেই জনসম্পৃক্ততা।

এখন প্রশ্ন হলো, এই ‘জন’টা কে? তিনি কি শুধু রাজনীতিবিদ সাহেব বা সাহেবার ভাই-বেরাদর, খয়ের খাঁ, ২৪ ঘণ্টা হাত-কচলানো মোসাহেব, কিংবা তাঁর দল বা গোষ্ঠীর সদস্য/সমর্থক। না, নিশ্চয়ই তা না। ওটা হলে তো তাঁর কর্মক্ষেত্র সংকুচিত হয়ে সীমিত হয়ে পড়বে মুষ্টিমেয় কিছুসংখ্যক লোকের মধ্যে।

তারা হতে পারে একটি সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের সদস্য। আবার না-ও হতে পারে। একজন রাজনীতিককে সম্পৃক্ত হতে হয় তাঁর এলাকা এবং বৃহত্তর পরিসরে এলাকা ছাড়িয়ে সমগ্র দেশের মানুষের ভাবনা-চিন্তা, সুখ-দুঃখ, সমস্যা-সম্ভাবনার সঙ্গে। এককথায়, একজন প্রকৃত রাজনীতিকের রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে অবশ্যই থাকবে তাঁর নিজ এলাকার মানুষ ও পারিপার্শ্বিক জগৎ।

কিন্তু বৃহত্তর পরিসরে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিষয়াদিতেও তাঁর ভূমিকা পালন করতে হতে পারে। অবশ্যই তিনি যদি নিজেকে কেবল নিজ এলাকার মানুষ ও তাদের সমস্যাদি নিয়েই ব্যস্ত রাখতে চান; যেমন—আমাদের দেশের ইউনিয়ন বা উপজেলা পর্যায়ের একজন নেতা যদি শুধু নিজ এলাকায়ই নিজেকে সারা জীবন গুটিয়ে রাখতে চান, এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখ, বিপদ-আপদ, সমস্যা নিয়েই কাটিয়ে দিতে চান জীবন, তাহলে সেটাই হবে তাঁর রাজনৈতিক জীবনের কর্মক্ষেত্র। এর বাইরে জেলায় বা রাজধানীতে জাতীয় পর্যায়ে রাজনীতিতে তাঁর কোনো ভূমিকা পালন না করলেও কেউ উচ্চবাচ্য করবে না। তবে হ্যাঁ, যে পরিসরেই রাজনীতি করুন না কেন, আপনার নিজস্ব পরিমণ্ডলে যে মানুষগুলোর সুখ-দুঃখের সঙ্গে আপনি নিজেকে জড়িয়ে ফেলেছেন, যাদের ঝগড়া-ফ্যাসাদ, বিয়ে-শাদি থেকে শুরু করে মরণে-জিয়নে সব কিছুতে যারা আপনাকে ঘোষিত বা অঘোষিত নেতা বলে মানে, তাদের থেকে আপনি কিছুতেই দূরে থাকতে পারবেন না। আপনার ভালো লাগুক বা না-ই লাগুক, আপনি রাজনীতিক হলে অবশ্যই আপনাকে আপনার পারিপার্শ্বিক জগতের মানুষের সঙ্গে একাত্ম হয়ে থাকতে হবে।

তা না হয়ে যদি আপনি কেবল জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিষয়াদির চর্চায় মশগুল থাকেন তাহলে আপনি হবেন আমাদের দেশের অগণিত অনুপস্থিত ভূস্বামীর (ইংরেজিতে যাদের বলা হয় ‘অ্যাবসেন্টি ল্যান্ডলর্ড’) মতো, যাঁরা নিজের ক্ষেতে উৎপন্ন ফসলের ষোলো আনা নিতে চান, অথচ ওই জমি বা তার চাষিকে চেনেন না।
আপনি একটি এলাকার গণ্যমান্য রাজনীতিক, এলাকায় বংশমর্যাদা, শিক্ষাদীক্ষা, বিত্তবেসাত—সব ব্যাপারে আপনার একটা পরিচিতি আছে, স্থানীয় রাজনীতিতে এগুলো খুব কাজে লাগে, কিন্তু আপনি যেকোনো কারণেই হোক লোকজনের সঙ্গে তেমন একটা মেশেন না, আপদে-বিপদে তারা আপনাকে পাশে পায় না। সামাজিক আচার-অনুষ্ঠান, যেমন—বিয়ে-শাদি, দাওয়াত-জিয়াফতও আপনি পারতপক্ষে এড়িয়ে চলেন। এটা কিন্তু স্থানীয় রাজনীতিতে একটা বড় রকমের মাইনাস পয়েন্ট। আপনার সম্পর্কে এলাকার মানুষ বলতে শুরু করবে, ‘ও, উনি? উনি বহুত এলেমদার লোক ঠিকই, তবে নাক উঁচু। উনি তো কাউকে মানুষই মনে করেন না।’

আর এটা তো ঠিক, আপনি আপনার এলাকায় রাজনীতি করবেন, নেতৃত্ব দেবেন, অথচ এলাকাবাসীর সঙ্গে মিশবেন না, তাদের সমস্যা কী জানবেন না, জানলেও তার সমাধানের ব্যাপারে তাদের মতামত নেবেন না—এটা হয় নাকি? একটা রাস্তা বানানো হবে, সেটা কলিমদ্দির বাড়ির পাশ দিয়ে যাবে, না সলিমদ্দির বাড়ির পাশ দিয়ে যাবে সেটা এলাকাবাসীর সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে স্থির না করে স্থানীয় নেতা হিসেবে আপনি বা কোনো প্রশাসনিক কর্মকর্তা সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিলে ওই প্রকল্প বাস্তবায়নে পদে পদে বাগড়ার সম্মুখীন হতে হবে। অথচ সংশ্লিষ্ট সব মহলের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিলে সবাই মনে করবে, এটা আমাদের প্রজেক্ট। একে সফল করতেই হবে। এমন প্রজেক্ট যেটা ওপর থেকে চাপিয়ে না দিয়ে নিচে থেকে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে প্রণয়ন করা হয় সেটাকেই বলা হয় ‘বটম আপ’ প্রজেক্ট। এর বিপরীতে ওপর থেকে যে প্রজেক্ট চাপিয়ে দেওয়া হয় তাকে বলে ‘টপ ডাউন’ প্রজেক্ট।

মোফাজ্জল করিমআমাদের নেতাদের মধ্যে প্রায়ই একটি প্রবণতা লক্ষ করা যায়, সেটা হচ্ছে ‘পরের মুখে ঝাল খাওয়া’। অর্থাৎ যেকোনো বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতামতকে প্রাধান্য না দিয়ে নিজের পছন্দসই চামচাদের পরামর্শমতো সিদ্ধান্ত নেওয়া। যেন এই চামচারাই জনগণ, তারাই সবজান্তা। তারা সারাক্ষণ নেতার পাশে ঘুরঘুর করে, সব কথায়ই পোঁ ধরে। এই টাউটগুলো যে নেতাকে ভাঙিয়ে টু পাইস কামাই করছে, নেতা এটা জেনেও না জানার ভান করেন। আবার কোনো কোনো নেতার সঙ্গে তাঁর টাউটদের দশ আনা ছয় আনার হিসাব-কিতাব থাকে। ফলে তৃণমূল পর্যায়েও দুর্নীতি তার জাল বিস্তার করে চলে।

প্রকৃত নেতাকে হতে হবে উচ্চ-নীচ, ধনী-গরিব, নিজ দল, বিরোধী দল—সবার নেতা। হ্যাঁ, আদর্শগতভাবে বিরোধী দলের জনগণের সঙ্গে তাঁর মতপার্থক্য থাকতেই পারে। তাই বলে তাদের সঙ্গে সাধারণ সৌজন্যমূলক আচার-আচরণ বর্জন করলে তিনি আর যা-ই হোক জননেতা হতে পারবেন না। এলাকার সমস্যাদি দূর করার কাজে আপন-পর সব এলাকাবাসীকে সম্পৃক্ত করা একজন প্রকৃত উদারচিত্ত নেতার লক্ষণ। তেমনি সব ধরনের উন্নয়নমূলক কাজে দল-মত-নির্বিশেষে এলাকাবাসী সবাইকে নিয়ে কাজ করতে হবে। অন্যথায় ভালো কাজ করেও অনেক সময় মিছেমিছি সমালোচনা ও অহেতুক অপবাদের সম্মুখীন হতে হয়।

জনসম্পৃক্ততা না থাকলে নেতা-নেত্রীদের পরিণতি কী হয় তা আমরা জুলাই-আগস্ট ’২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানের সময় দেখেছি। তখনকার স্বৈরাচারী শাসকদের ধারণা ছিল, তাঁরা যা বলবেন বা করবেন তা দেশের আপামর জনসাধারণ চোখ বুজে মেনে নিতে বাধ্য। এ রকম ধারণার বশবর্তী হয়ে তাঁরা তাঁদের মুষ্টিমেয় সুবিধাভোগী দলকানা নেতা-নেত্রী ছাড়া অন্য সবার, বিশেষ করে বিরোধী রাজনীতিকদের ওপর নির্যাতন-নিপীড়নের স্টিম রোলার চালিয়েছিলেন দীর্ঘ দেড় যুগ ধরে। অবশেষে যখন সচেতন ছাত্রসমাজের ডাকে সাধারণ মানুষ তাঁদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াল তখন তাঁরা লোটা-কম্বল ফেলে ভাগলেন। ওই সময় তাঁদের একমাত্র আপ্তবাক্য ছিল, ‘য পলায়তি, স জীবতি।’ গ্রামের লোকের ভাষায়, ‘নিজে বাঁচলে বাপের নাম।’ অথচ যদি তাঁরা শুধু নিজেদের চ্যালা-চামুণ্ডাদের নিয়ে আখের গোছাতে ব্যস্ত না থেকে, দেশে-বিদেশে সম্পদের পাহাড়-পর্বত বানাতে যত প্রকার দুর্নীতি আছে তাতে আকণ্ঠ নিমজ্জিত না হয়ে সাধারণ মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে কাজ করতেন, তাহলে হেলিকপ্টারে চড়ে পগার পার হতে হতো না। ওই সাধারণ মানুষই তাঁদের রক্ষা করার জন্য ছুটে আসত। আফসোসের বিষয়, দীর্ঘ দেড় যুগ তাঁরা জনবিচ্ছিন্ন থাকায় রাজনীতির আসল শক্তি যে জনগণ, সেই জনগণ থেকেই তাঁরা দূরে চলে গিয়েছিলেন।

দেশবাসীর এখন একটাই প্রার্থনা, দেশে যথাশীঘ্র সম্ভব একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হোক, যার ভিত্তি স্থাপিত হবে তাদের স্বপ্নের একটি জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে। আর তা পেতে হলে সর্বাগ্রে যা প্রয়োজন তা জাতীয় ঐক্য, যে ঐক্য হবে সব ধরনের অপশক্তির বিরুদ্ধে। এটা ঠিক, ‘দেশটাকে এলোমেলো করে দে মা, লুটেপুটে খাই’ বলে যারা আবারও মঞ্চে আবির্ভূত হওয়ার পাঁয়তারা করছে, তারা দেশি-বিদেশি সব কুচক্রীর সহায়তায় একটা মরণকামড় দেবেই। কিন্তু তারা বুঝতে পারছে না, তাদের এত বড় অন্যায় ১৭ কোটি মানুষ আর সহ্য করবে না। একবার যখন জনতার ঘুম ভেঙেছে, তখন তারা নিজেদের বাসস্থানের সুরক্ষা নিশ্চিত না করে শয্যামুখো হবে না। তাদের জন্য এখন বাণী একটাই, তোমাদের আর ভয় পাওয়ার কিছু নেই। ‘যার ভয়ে তুমি ভীত সে অন্যায় ভীরু তোমা চেয়ে’। (কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)।

লেখক: সাবেক সচিব, কবি

এই বিভাগের আরও খবর
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি
প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, জাতীয় স্বার্থ ও গণঅভ্যুত্থানের পুনর্জাগরণ
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, জাতীয় স্বার্থ ও গণঅভ্যুত্থানের পুনর্জাগরণ
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষিত
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষিত
সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
তামাক নীতিমালা : সংকটে ভোক্তা অধিকার
তামাক নীতিমালা : সংকটে ভোক্তা অধিকার
তুম উধার হাম ইধার
তুম উধার হাম ইধার
সর্বশেষ খবর
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

১৬ মিনিট আগে | মুক্তমঞ্চ

গাজীপুরে ট্রাকের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
গাজীপুরে ট্রাকের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

৫৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

শাহবাগে ফুলের দোকানের আগুন নিয়ন্ত্রণে
শাহবাগে ফুলের দোকানের আগুন নিয়ন্ত্রণে

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শাহবাগে ফুলের দোকানে আগুন
শাহবাগে ফুলের দোকানে আগুন

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ইয়াসিনের পরিবারের পাশে তারেক রহমান
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ইয়াসিনের পরিবারের পাশে তারেক রহমান

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কু-প্রস্তাবে অসম্মতি জানানোয় বিধবাকে পিটিয়ে আহত, বসতবাড়ি ভাঙচুর
কু-প্রস্তাবে অসম্মতি জানানোয় বিধবাকে পিটিয়ে আহত, বসতবাড়ি ভাঙচুর

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপি ক্ষমতার পাগল নয়, ক্ষমতা বিএনপির প্রাপ্য : ফজলুর রহমান
বিএনপি ক্ষমতার পাগল নয়, ক্ষমতা বিএনপির প্রাপ্য : ফজলুর রহমান

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শুধু মানুষের নয়, বানরও অর্থবহ ভাষা তৈরি করতে সক্ষম : গবেষণা
শুধু মানুষের নয়, বানরও অর্থবহ ভাষা তৈরি করতে সক্ষম : গবেষণা

৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা
শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা

৩ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক
যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ
ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‌‘দেশে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করেছি’
‌‘দেশে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করেছি’

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের
শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র-কানাডার শিক্ষার্থীদের জন্য চ্যাটজিপিটি প্লাস ফ্রি, চলবে মে মাস পর্যন্ত
যুক্তরাষ্ট্র-কানাডার শিক্ষার্থীদের জন্য চ্যাটজিপিটি প্লাস ফ্রি, চলবে মে মাস পর্যন্ত

৩ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বদরগঞ্জে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪০
বদরগঞ্জে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪০

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মাঠজুড়ে সূর্যমুখী ফুলের সমারোহ
মাঠজুড়ে সূর্যমুখী ফুলের সমারোহ

৪ ঘণ্টা আগে | প্রকৃতি ও পরিবেশ

ভুরুঙ্গামারীতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার
ভুরুঙ্গামারীতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাকৃবিতে উন্নত জাতের টমেটোর জাত উদ্ভাবন
বাকৃবিতে উন্নত জাতের টমেটোর জাত উদ্ভাবন

৪ ঘণ্টা আগে | প্রকৃতি ও পরিবেশ

১২ এপ্রিল নিউইয়র্কে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’
১২ এপ্রিল নিউইয়র্কে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’

৪ ঘণ্টা আগে | পরবাস

টাঙ্গাইলে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন
টাঙ্গাইলে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাওনা টাকা চাওয়ায় হামলা, ঘটনার ৪ দিন পর যুবকের মৃত্যু
পাওনা টাকা চাওয়ায় হামলা, ঘটনার ৪ দিন পর যুবকের মৃত্যু

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিলেটে ৯ দিনে ২৮৭ নরমাল ডেলিভারি
সিলেটে ৯ দিনে ২৮৭ নরমাল ডেলিভারি

৫ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

মহাকাশ থেকে পৃথিবীতে পড়েছে ১২০০ বস্তুর ধ্বংসাবশেষ
মহাকাশ থেকে পৃথিবীতে পড়েছে ১২০০ বস্তুর ধ্বংসাবশেষ

৫ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি
ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শরীরে একাধিক কোপ, ডোবা থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার
শরীরে একাধিক কোপ, ডোবা থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অক্টোবরেই অচল ২৪ কোটি কম্পিউটার, বিকল্প কী?
অক্টোবরেই অচল ২৪ কোটি কম্পিউটার, বিকল্প কী?

৫ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

যৌন হেনস্তার অভিযোগে ‘স্কুইড গেম’ তারকার সাজা
যৌন হেনস্তার অভিযোগে ‘স্কুইড গেম’ তারকার সাজা

৫ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

চাঁদপুরে ৬৪ যানবাহনে তল্লাশি ও জরিমানা
চাঁদপুরে ৬৪ যানবাহনে তল্লাশি ও জরিমানা

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে
কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে

৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি
হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি

৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

১৫ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি
ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

২২ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা
পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা
কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার
প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার

১১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা
আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা
ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
দূরত্ব কমছে ঢাকা-দিল্লির!
দূরত্ব কমছে ঢাকা-দিল্লির!

প্রথম পৃষ্ঠা

জটিলতা ৫৫ আসনে
জটিলতা ৫৫ আসনে

পেছনের পৃষ্ঠা

ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ
ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক
বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক

শোবিজ

সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম
সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার
ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার

প্রথম পৃষ্ঠা

ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত
এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত

প্রথম পৃষ্ঠা

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

প্রথম পৃষ্ঠা

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই
ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই

প্রথম পৃষ্ঠা

লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি
লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি

দেশগ্রাম

জরাজীর্ণ ভবন, নষ্ট এক্স-রে মেশিন
জরাজীর্ণ ভবন, নষ্ট এক্স-রে মেশিন

দেশগ্রাম

বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০
বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০

প্রথম পৃষ্ঠা

লাহোরে নিগারদের অনুশীলন
লাহোরে নিগারদের অনুশীলন

মাঠে ময়দানে

যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ
যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ

প্রথম পৃষ্ঠা

সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে
সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার
রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার

পেছনের পৃষ্ঠা

একই দিনে দুই বিয়ে
একই দিনে দুই বিয়ে

শোবিজ

ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে

সম্পাদকীয়

শরীয়তপুরে খোলা মাঠ যেন যুদ্ধক্ষেত্র
শরীয়তপুরে খোলা মাঠ যেন যুদ্ধক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

সুপার লিগে খেলার লড়াই
সুপার লিগে খেলার লড়াই

মাঠে ময়দানে

অভিযোগের জবাবে পরী
অভিযোগের জবাবে পরী

শোবিজ

বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার
বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তার সিংহভাগ যুক্তরাষ্ট্র আর বহন করবে না
বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তার সিংহভাগ যুক্তরাষ্ট্র আর বহন করবে না

পূর্ব-পশ্চিম

ট্রেন্ডিংয়ে শীর্ষে তোমাদের গল্প
ট্রেন্ডিংয়ে শীর্ষে তোমাদের গল্প

শোবিজ

ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা
ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

জংলি নিয়ে দর্শকদের সাড়া দেখে আমি আনন্দিত
জংলি নিয়ে দর্শকদের সাড়া দেখে আমি আনন্দিত

শোবিজ

তেহরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প
তেহরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প

পূর্ব-পশ্চিম