শিরোনাম
প্রকাশ: ১৬:৫১, বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল, ২০২৫

বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের আলোকবর্তিকা

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, জাতীয় স্বার্থ ও গণঅভ্যুত্থানের পুনর্জাগরণ

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. একেএম শামছুল ইসলাম
অনলাইন ভার্সন
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, জাতীয় স্বার্থ ও গণঅভ্যুত্থানের পুনর্জাগরণ

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে কিছু ব্যক্তিত্ব সময়ের সীমানা অতিক্রম করে চিরভাস্বর হয়ে উঠেছেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তেমনই একজন নেতা, যিনি কেবল একটি রাজনৈতিক দলের প্রতিষ্ঠাতা নন, বরং একটি আদর্শিক আন্দোলনের পথিকৃৎ-যার নাম বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ। এ জাতীয়তাবাদ এমন এক চেতনার প্রতীক, যা আমাদের রাষ্ট্রীয় স্বাতন্ত্র্য, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ও সার্বভৌমত্বকে নতুন করে সংজ্ঞায়িত করেছে। মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী বাংলাদেশের অস্থির রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে যখন জাতি বিভ্রান্তি ও দিকহীনতার মধ্য দিয়ে পথ খুঁজছিল, ঠিক তখনই জিয়াউর রহমানের জাতীয়তাবাদী দর্শন একটি শক্তিশালী দিক-নির্দেশনা দেয়। এটি একদিকে যেমন বাঙালি জাতির আত্মপরিচয়কে পরিপূর্ণতা দেয়, অন্যদিকে তেমনি বৈশ্বিক রাজনীতিতে বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও স্বমর্যাদাসম্পন্ন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে।

বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের মূল ভিত্তি হলো আঞ্চলিক ঐতিহ্য, ভাষা, ধর্মীয় সহনশীলতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার উপর ভিত্তি করে স্বকীয় জাতীয় পরিচয় গড়ে তোলা। এই আদর্শ বলিষ্ঠভাবে বলে, আমরা কেবল বাঙালি নই, আমরা বাংলাদেশি-একটি ভূখণ্ডভিত্তিক, বহুমাত্রিক জাতিসত্তা। এই স্বাতন্ত্র্যবোধ জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে রাষ্ট্রীয় নীতিতে প্রতিফলিত হয়-যেখানে বিদেশনীতি হোক বা শিক্ষানীতি, অর্থনীতি হোক বা প্রতিরক্ষা কৌশল-সবক্ষেত্রেই ছিল স্বকীয়তা, নিরপেক্ষতা ও দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রবণতা। উদাহরণস্বরূপ, তার সময়েই ‘লুক ইস্ট পলিসি’ অনুসরণ করে বাংলাদেশ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক গড়ে তোলে, যা পরবর্তীতে আঞ্চলিক সহযোগিতার ভিত্তি রচনা করে।

কিন্তু দুঃখজনকভাবে বাংলাদেশের ইতিহাসে বিভিন্ন সময়ে জাতীয়তাবাদবিরোধী শক্তি এ আদর্শকে নানাভাবে আঘাত করেছে। কখনো তা হয়েছে রাজনৈতিক বিভাজনের মাধ্যমে, আবার কখনো হয়েছে মতাদর্শগত বিকৃতির ছায়ায়। উদাহরণস্বরূপ, ২০০৭ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় জাতির শিকড় থেকে বিচ্যুত এক ‘নিরপেক্ষতার’ নামে জিয়াউর রহমানের আদর্শিক ভিত্তিকে কলুষিত করার অপচেষ্টা চালানো হয়। এমনকি কিছু রাজনৈতিক শক্তি তাঁর অবদানকে অস্বীকার করে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে বিকৃত করে উপস্থাপন করেছে, যা জাতির আত্মপরিচয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে।

একইভাবে, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের বিতর্কিত জাতীয় নির্বাচন, যেখানে সাধারণ জনগণের ভোটাধিকার হরণ করা হয়, তা জাতীয়তাবাদী চেতনার পরিপন্থী ছিল। গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসন এই আদর্শের মূল ভিত্তি হলেও, সে সময় গণতন্ত্রকে হত্যা করে একদলীয় কর্তৃত্ববাদ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা হয়। এসব ঘটনা প্রমাণ করে জাতীয়তাবাদবিরোধী অপশক্তির কারণে রাষ্ট্রীয় অগ্রগতি ও জনগণের অধিকার মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হয়েছে।

এই প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বিগত সতেরো বছর ধরে আপসহীনভাবে গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আন্দোলন চালিয়ে গেছে। নির্যাতন, মামলা, গুম, কারাবরণ-সবকিছুকে উপেক্ষা করে নেতাকর্মীরা শহীদ জিয়ার আদর্শে অবিচল থেকেছে। এ সংগ্রাম কেবল একটি দলের নয়, এটি একটি আদর্শিক যুদ্ধ-একটি রাষ্ট্রীয় দৃষ্টিভঙ্গিকে রক্ষা করার লড়াই।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে ছাত্র-জনতার নেতৃত্বে যে গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছে, তা ছিল এই দীর্ঘ সংগ্রামের ফসল। শত বাধা সত্ত্বেও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তরুণ-যুবকেরা ‘স্বাধীনতা মানে ভোটের অধিকার’ ও ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ মানে গণমানুষের রাষ্ট্র’ এই স্লোগান নিয়ে রাজপথে নামে। রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের বিরুদ্ধে এ প্রতিরোধ ইতিহাসের আরেকটি মাইলফলক হয়ে দাঁড়ায়।

বিশেষ করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপপ্রয়োগ, শিক্ষা ও চাকরির ক্ষেত্রে বৈষম্য, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি-এসবের বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ বিস্ফোরিত হয়। বিএনপি এ সময়ে কেবল একটি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম নয়, বরং জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিনিধিতে পরিণত হয়। এ গণঅভ্যুত্থান শুধুমাত্র সরকারের নীতির বিরুদ্ধে ছিল না, বরং এটি ছিল জিয়াউর রহমানের বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদকে নতুন প্রজন্মের মধ্যে আরও গভীরভাবে প্রোথিত করার এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের বীজ বপন করেছিলেন, তা আজ একটি মহিরুহে পরিণত হয়েছে। এই আদর্শ আমাদের জাতীয় জীবনে নৈতিকতা, আত্মমর্যাদা, সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক চেতনার প্রতীক। যদিও সময় সময় বিরুদ্ধ শক্তি এ আদর্শকে ক্ষুণ্ণ করতে চেয়েছে, তবুও জনগণ ও তরুণ প্রজন্মের প্রত্যয়ে তা বারবার পুনর্জাগরিত হয়েছে।

২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান সেই পুনর্জাগরণের সর্বশেষ সাক্ষ্য-যেখানে ছাত্র-জনতা বুক চিতিয়ে বলেছে, ‘আমরা বাংলাদেশি এবং এ পরিচয়ে আমরা গর্বিত’। এখন সময় এসেছে, জাতীয় ঐক্য ও গণতন্ত্রের মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের আলোকে একটি ন্যায্য, মানবিক ও প্রগতিশীল রাষ্ট্র বিনির্মাণে সবাইকে এক কাতারে দাঁড়াতে হবে। কারণ, এই আদর্শ কেবল ইতিহাসের নয়, এটি আমাদের ভবিষ্যতেরও দিশারী। আর এই আদর্শের ধারক ও বাহক তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে আমরা অর্জন করতে পারি আমাদের কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ।

লেখক : সাবেক সেনা কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক।

বিডি প্রতিদিন/এমআই

এই বিভাগের আরও খবর
প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি
প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষিত
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষিত
সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
তামাক নীতিমালা : সংকটে ভোক্তা অধিকার
তামাক নীতিমালা : সংকটে ভোক্তা অধিকার
তুম উধার হাম ইধার
তুম উধার হাম ইধার
সবার উপর একাত্তর, আমাদের স্বাধীনতা
সবার উপর একাত্তর, আমাদের স্বাধীনতা
অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক অনভিপ্রেত
অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক অনভিপ্রেত
সর্বশেষ খবর
সিজার পরবর্তী নরমাল ডেলিভারি কি সম্ভব?
সিজার পরবর্তী নরমাল ডেলিভারি কি সম্ভব?

১ সেকেন্ড আগে | হেলথ কর্নার

স্ক্রিনশট আসল নাকি নকল, বোঝার উপায় কী?
স্ক্রিনশট আসল নাকি নকল, বোঝার উপায় কী?

২১ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

মাদারীপুরে আগুনে পুড়লো ১৯ দোকান
মাদারীপুরে আগুনে পুড়লো ১৯ দোকান

২৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক চলছে
ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক চলছে

২৯ মিনিট আগে | জাতীয়

একাধিক মসজিদের আজান শোনা গেলে যা করব
একাধিক মসজিদের আজান শোনা গেলে যা করব

৩৩ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

‘বড় ইনিংস খেলে সমালোচকদের মুখেই প্রশংসা শুনবেন রোহিত’
‘বড় ইনিংস খেলে সমালোচকদের মুখেই প্রশংসা শুনবেন রোহিত’

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

রাজধানীতে অটোরিকশার ধাক্কায় নারীর মৃত্যু
রাজধানীতে অটোরিকশার ধাক্কায় নারীর মৃত্যু

৫৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

গোপালগঞ্জে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত ১৫
গোপালগঞ্জে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত ১৫

৫৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নগরকান্দায় ফসলি জমিতে পড়েছিল তরুণের মরদেহ
নগরকান্দায় ফসলি জমিতে পড়েছিল তরুণের মরদেহ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সবার কল্যাণে একযোগে কাজ করার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
সবার কল্যাণে একযোগে কাজ করার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সার্ভার জটিলতা, কমলাপুরে কয়েকটি ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয়
সার্ভার জটিলতা, কমলাপুরে কয়েকটি ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয়

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হায়দরাবাদকে হারিয়ে যা বললেন রাহানে
হায়দরাবাদকে হারিয়ে যা বললেন রাহানে

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

২ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

গাজায় একদিনে প্রাণ গেল আরও ১১২ ফিলিস্তিনির
গাজায় একদিনে প্রাণ গেল আরও ১১২ ফিলিস্তিনির

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি
প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি

২ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

বলিউড অভিনেতা মনোজ কুমার মারা গেছেন
বলিউড অভিনেতা মনোজ কুমার মারা গেছেন

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আজ ঢাকার বাতাসের মান ‘অস্বাস্থ্যকর’
আজ ঢাকার বাতাসের মান ‘অস্বাস্থ্যকর’

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সিরিজ হারের পর শাস্তিও জুটল পাকিস্তানের কপালে
সিরিজ হারের পর শাস্তিও জুটল পাকিস্তানের কপালে

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেঘলা থাকতে পারে ঢাকার আকাশ
মেঘলা থাকতে পারে ঢাকার আকাশ

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মুমিন যেভাবে আল্লাহর প্রিয় হয়
মুমিন যেভাবে আল্লাহর প্রিয় হয়

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ইসলামপূর্ব আরবের ধর্মবিশ্বাস
ইসলামপূর্ব আরবের ধর্মবিশ্বাস

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

রমজান-পরবর্তী সময়ে মুমিনের করণীয়
রমজান-পরবর্তী সময়ে মুমিনের করণীয়

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পার্বত্য চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সরকার সবসময় আন্তরিক : সুপ্রদীপ চাকমা
পার্বত্য চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সরকার সবসময় আন্তরিক : সুপ্রদীপ চাকমা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পর্তুগালের রাষ্ট্রপতির কাছে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ
পর্তুগালের রাষ্ট্রপতির কাছে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

৭ ঘণ্টা আগে | পরবাস

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

১৭ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

২০ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির
নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা
ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?
কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা
২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি

২১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস
মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী
গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বয়কটের ডাক, আয় কম, শো বাতিল: বিপাকে ‘সিকান্দার’
বয়কটের ডাক, আয় কম, শো বাতিল: বিপাকে ‘সিকান্দার’

২১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক
শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর
জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর ও ফলাফলমুখী ‘বিমসটেক’-এর ওপর গুরুত্বারোপ পররাষ্ট্র উপদেষ্টার
মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর ও ফলাফলমুখী ‘বিমসটেক’-এর ওপর গুরুত্বারোপ পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এসএসসি পরীক্ষা পেছানোর কোনো সুযোগ নেই : শিক্ষা বোর্ড
এসএসসি পরীক্ষা পেছানোর কোনো সুযোগ নেই : শিক্ষা বোর্ড

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তরুণ প্রজন্মকে উদ্যোক্তা হওয়ার পরামর্শ ড. ইউনূসের
তরুণ প্রজন্মকে উদ্যোক্তা হওয়ার পরামর্শ ড. ইউনূসের

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা
পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা

নগর জীবন

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

সম্পাদকীয়

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত
ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত

পেছনের পৃষ্ঠা

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা
কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা

শোবিজ

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা

শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য

সম্পাদকীয়

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা