শিরোনাম
প্রকাশ: ১৫:৩৬, বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ, ২০২৫

তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?

এনামুল কবির শিশির
অনলাইন ভার্সন
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?

ইতিহাসের চাকা কখনো উল্টো ঘুরে না। আশ্চর্যের বিষয় হলো, পৃথিবীতে শুধু সময় পাল্টায়, কিন্তু ঘটনা বা পরিস্থিতি প্রায় একই রকম থাকে। সহজভাবে দেখলে মনে হবে, আমরা সবাই একই ধরনের প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছি, শুধু সময়ের ব্যবধান ভিন্ন। যুগে যুগে বিপ্লব ঘটেছে, বিপ্লবীদের আত্মত্যাগের ফলে একসময় সাধারণ স্থান ইতিহাসের অংশ হয়ে উঠে অসাধারণ রূপে। কিন্তু আমরা কি কখনো ভেবে দেখেছি, বিপ্লব কেন সংঘটিত হয় ?

প্রতিটি বিপ্লবের পেছনে অসংখ্য কারণ থাকতে পারে, তবে একটি কারণ সর্বদা সাধারণ—তা হলো নিপীড়ন। মানুষ জন্মগতভাবে স্বাধীন; তার সহজাত প্রবৃত্তি হলো, শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তার স্বাধীনতার জন্য লড়াই করা। বাংলাদেশও এক অনন্য বিপ্লব দেখল ২০২৪ সালে, যখন ৫ আগস্ট দীর্ঘ দুই দশকের স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটে। আমরা সবাই জানি, এই বিপ্লব সহজে আসেনি—কোটি মানুষের নিপীড়িত আত্মা, ক্ষোভ, কষ্ট, যন্ত্রণা, গ্লানি এবং একঝাঁক অদম্য সাহসী তরুণের বুকের তাজা রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয় এই স্বাধীনতার নতুন সূর্যোদয়।  সেই বিকেলে মানুষ রাস্তায় নেমে আসে উল্লাসে, ভয়হীন পরিবেশে, স্বৈরাচারের আতঙ্ক থেকে মুক্ত হয়ে। 

কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়—এই বিপ্লব জনগণকে কীভাবে উপকৃত করবে? যারা এত বছর নির্যাতিত ছিল, তারা কীভাবে বিপ্লব-পরবর্তী সুবিধাভোগী শ্রেণিতে পরিণত হবে? আমরা স্বাধীনতাকে গণতন্ত্রের প্রতীক হিসেবে দেখি, যেখানে মানুষের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা, শিক্ষার পাশাপাশি মত প্রকাশের অধিকার নিশ্চিত থাকবে। তারা নিজেদের জনপ্রতিনিধি বেছে নিতে পারবে, যারা তাদের দুঃখ-কষ্ট বুঝবে এবং প্রকৃত প্রতিনিধিত্ব করবে। সুতরাং, একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের আয়োজন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যাতে মানুষ স্বাধীনভাবে তাদের মতামত দিতে পারে। 
সংস্কার নাকি নির্বাচন ?

বর্তমানে বাংলাদেশে বিপ্লব-পরবর্তী নতুন বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হলো—সংস্কার নাকি নির্বাচন? সুকৌশলে এই দুটি বিষয়কে পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী বানিয়ে তোলা হচ্ছে, যা একপ্রকার কৃত্রিম প্রতিযোগিতা। সহজভাবে চিন্তা করলে বোঝা যায়, সংস্কার একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া, যা সময়ের সাথে সাথে জনগণের ইচ্ছা ও মতামতের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়।

তাহলে কেন আমরা সংস্কারকে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমায় বেঁধে দিচ্ছি? সংস্কার কোনো ব্যক্তি বা নির্দিষ্ট সময়ের ওপর নির্ভরশীল নয়। 

পৃথিবী তার নিজস্ব নিয়মে প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে। আজকের বিশ্বে উষ্ণায়ন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের পরিবর্তন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা এবং অন্যান্য প্রযুক্তিগত অগ্রগতি আমাদের সামনে নতুন বাস্তবতা হাজির করেছে। প্রতিটি পরিবর্তন সময়ের প্রয়োজনে এবং মানুষের কল্যাণের স্বার্থে হয়েছে। তাহলে একটি দেশ কেন সময় ও মানুষের ঊর্ধ্বে থাকবে? সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া, যা সময়ের চাহিদা অনুযায়ী পরিচালিত হওয়া উচিত। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার জন্য নির্বাচনের বিকল্প নেই। যেকোনো পরিবর্তন বা পরিবর্ধন নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমেই যৌক্তিকভাবে হওয়া উচিত। 

কেন সংস্কার প্রত্যাশা অনুযায়ী হচ্ছে না ?

বাংলাদেশে সংস্কার প্রত্যাশা অনুযায়ী হচ্ছে না, তার পেছনে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ রয়েছে:
১. রাজনৈতিক মতানৈক্য ও বিভাজন—বিপ্লব-পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য স্পষ্ট হয়ে উঠেছে । সংস্কার নিয়ে একমত না হয়ে, তারা নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। 
২. প্রশাসনিক জটিলতা ও আমলাতান্ত্রিক বাধা—দীর্ঘদিনের স্বৈরাচারী শাসনের ফলে প্রশাসনের ভেতরে দুর্নীতি, অদক্ষতা ও স্বচ্ছতার অভাব দেখা দিয়েছে।  সংস্কার কার্যকর করতে হলে প্রশাসনিক কাঠামোর ভেতরে ব্যাপক পরিবর্তন প্রয়োজন, যা সহজ কাজ নয়। 
৩. স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর বাধা—দীর্ঘদিনের সুবিধাভোগী কিছু শক্তিশালী গোষ্ঠী সংস্কারের বিরুদ্ধে কাজ করছে, কারণ এতে তাদের ক্ষমতা ও প্রভাব কমে যেতে পারে। তারা কৌশলে সংস্কারের অগ্রগতি ধীর করে দিচ্ছে। 
৪. আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক প্রভাব—বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সংস্কার শুধু দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় নয়, বরং আন্তর্জাতিক রাজনীতির সাথেও গভীরভাবে সংযুক্ত। বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থ বাংলাদেশের সংস্কার প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করছে। আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোর মধ্যে যাদের বাংলাদেশে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থ রয়েছে, তারা সংস্কারের গতিপথ নির্ধারণে প্রভাব বিস্তার করছে। 
৫. জনগণের হতাশা ও অস্থিরতা—জনগণ বিপ্লবের মাধ্যমে স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়ে একটি সুস্পষ্ট পরিবর্তন আশা করেছিল। কিন্তু ধীর সংস্কার প্রক্রিয়া, মূল্যস্ফীতি, বেকারত্ব ও বাজারের অস্থিতিশীলতা তাদের মধ্যে হতাশা তৈরি করছে। 
৬. নেতৃত্বের দ্বিধা—মধ্যবর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বারবার বলেছেন, সংস্কার করতে হলে সময় লাগবে। কিন্তু এই প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ, দ্রুত ও গণমুখী করা প্রয়োজন ছিল, যা এখনও হয়নি। 
৭. সংস্কার নীতির স্বচ্ছতা ও গণশুনানি নেই—একটি বড় সমস্যা হলো, সংস্কার নীতিগুলো কীভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে, সে সম্পর্কে জনগণকে নিয়মিত অবহিত করা হচ্ছে না। যদি মাসিক সংস্কারপত্র প্রকাশ করা হতো, তাহলে জনগণ পরিবর্তনের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে পারত এবং সরকারের প্রতি আস্থা রাখতে পারত। 

ইতিহাসের দিকে ফিরে তাকানো যাক:
ফরাসি বিপ্লব (১৭৮৯-১৭৯৯) আমাদের শেখায়, কীভাবে বিপ্লব পরবর্তী শাসন কাঠামো গঠিত হয়।  ষোড়শ লুইসকে গ্রেফতার করার পর এক বছরের মধ্যেই ফ্রান্সে প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করা হয় এবং জাতীয় কনভেনশনের মাধ্যমে নতুন শাসন ব্যবস্থা গড়ে ওঠে। একইভাবে, ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব, ১৯৭৯ সালের ইরানি বিপ্লব, ১৯৮৯ সালের রোমানিয়ান বিপ্লব এবং সাম্প্রতিক আরব বসন্তের ঘটনাগুলোর দিকে তাকালে দেখা যায়, স্বৈরাচার পতনের পর নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠা করতে এক বছর সময়ের বেশি লাগেনি। 
এই ইতিহাস প্রমাণ করে, নির্বাচিত প্রতিনিধি এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে কোনো দেশ সত্যিকারের উন্নতি করতে পারে না।  জনগণের মতামত ও কল্যাণের সিদ্ধান্ত নেওয়ার একমাত্র বৈধ পথ হলো নির্বাচন। অনির্বাচিত সরকারের কোনো দায়বদ্ধতা থাকে না, কারণ তাদের জনগণের কাঠগড়ায় দাঁড়ানোর প্রয়োজন পড়ে না। 

তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?

উইনস্টন চার্চিল খুব মারাত্মক একটি উক্তি করেছিলেন—“রাজনীতি প্রায় যুদ্ধের মতোই উত্তেজনাপূর্ণ, এবং বেশ বিপজ্জনক। যুদ্ধে, আপনি কেবল একবার হত্যা করতে পারেন। তবে রাজনীতিতে অনেকবার।” এদেশের মানুষের স্বপ্ন বারবার নিহত হচ্ছে রাজনৈতিক মারপ্যাঁচে পড়ে। কী চাই, কীভাবে চাই এবং কেন চাই এই বিষয়টা আমরা জাতিগতভাবে বুঝতে বেশ দেরি করি। শত আশা ভঙ্গের কারণ থাকার পরেও আমরা অত্যন্ত আশাবাদী একটি জাতি। সেই অপার আশা নিয়েই যাত্রা শুরু করে ৫ আগস্ট পরবর্তী সরকার এবং জনগণের এই আশা তারা কীভাবে পূরণ করবে তা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। সরকার গঠনের আট মাস পার হয়ে গেছে, কিন্তু জনগণ এখনো সংস্কারের দৃশ্যমান ফলাফল দেখতে পাচ্ছে না। 

কেন এই মধ্যবর্তী সরকারের পক্ষে সম্পূর্ণ সংস্কার বাস্তবায়ন করা বেশ কঠিন হয়ে যাবে তার কারণ হলো—বিপ্লব পরবর্তী সময়ে দেশের যে অস্থিতিশীল অবস্থা বর্তমানে বিরাজ করছে সেখানে সরকার তার আস্থার জায়গা পুরোপুরি অর্জন করতে পারেনি। শুরুতেই সরকারের বর্তমান প্রধানের উপদেষ্টা ঘোষণা দিলেন তার প্রাথমিক নিয়োগকর্তা ছাত্ররা যা পরবর্তীতে সর্ব মহলে বেশ সমালোচনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। উনি তাহলে নিজের অবস্থাকে চিহ্নিত করেননি অথবা ছাত্রজনতা যে বিশাল অসাধ্যকে সাধ্য করেছেন তার মাহাত্ম্য তারা পরবর্তীতে এখন আর বুঝতে পারছেন না। যদি সংস্কারই মূল এজেন্ডা হয়ে থাকে, তাহলে সরকারের উচিত ছিল প্রতিমাসে একটি সংস্কারপত্র প্রকাশ করা, যাতে জনগণ নিয়মিত আপডেট পায়। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি। পরিবর্তে, সংস্কারের নামে নতুন রাজনৈতিক দল গঠিত হচ্ছে, ক্ষমতার জন্য সকল পক্ষ ছুটছে অবাধে।

জুলাই বিপ্লবের অগ্রণী নেতারা এখন পুরোদস্তুর রাজনীতিবিদ হয়ে উঠেছেন, নিম্ন আয়ের জনগণের দুশ্চিন্তা প্রতিনিয়ত বাজারের উচ্চমূল্যের ব্যাগে হারিয়ে যাচ্ছে। এই সকল বিষয়ের বাইরে যে ব্যাপারটা গুরুত্বপূর্ণ তা হলো বর্তমান দায়িত্বশীলরা কতটুকু অভিজ্ঞতা রাখেন এমন একটি বিশাল পরিবর্তন অথবা সংস্কার করার জন্য, ইতিমধ্যে প্রধান উপদেষ্টা এটি অকপটে স্বীকার করেছেন যা অন্যরা করছেন না। যদি আপনার জনগণের কাছে দায়বদ্ধতা না থাকে তাহলে আপনি কীভাবে তাদের চাহিদাগুলো বুঝবেন।  দেখুন সংস্কারের আরও একটি অন্যতম ব্যাপার হতে পারত সাধারণ মানুষের কোন কোন বিষয়গুলোতে আগ্রহ আছে সেগুলোকে চিহ্নিত করা এবং সেখানে সংস্কার প্রয়োজন আছে কিনা তার উপর জনগণের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করা।

তবুও এই সরকার চেষ্টা করে যাচ্ছে সেই ব্যাপারে সন্দেহের কোনো অবকাশ নেই। হয়তো বিগত ১৫ বছরের এত এত ঝামেলা, দুর্নীতি ছয় মাস কিংবা এক বছরে সমাধান করা সম্ভব না এটি একটি দীর্ঘমেয়াদী কার্যকলাপ। সেই সাথে বিভিন্ন গোষ্ঠী, রাজনৈতিক দলগুলো তাদের নিজস্ব এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছে এবং সবাই একটি সমূহ সম্ভাবনা দেখছে ক্ষমতা আস্বাদনের জন্য অথচ কেউ পরিষ্কারভাবে বলছে না আগামীতে তারা দেশে এবং জনগণের জন্য কি করবে? তার ফলস্বরূপ এই সরকারকে ব্যর্থ করারও চেষ্টা অব্যাহত আছে। সেই সূত্রে ধরেই দেশের আইন-শৃঙ্খলার ব্যাপক অবনতি হয়েছে এখন, স্বেচ্ছাচারিতা, নিরাপত্তাহীনতা, নারীর উপর হামলা, গণপিটুনি এই সমস্ত কিছুর প্রভাব বেড়ে গেছে। কারণ কোনো সরকারি প্রতিষ্ঠান পুরোপুরি কাজ করছে না। সবার একই ধারণা এই মধ্যবর্তীকালীন সরকারের মেয়াদ যেহেতু বেশি নয় তাহলে নির্বাচনী সরকারের সাথেই তারা পুরোদস্তুর কাজ করতে চায় যা বর্তমান সরকারের জন্য অত্যন্ত কঠিন অবস্থার তৈরি করেছে।

অতএব, প্রশ্ন থেকেই যায়—আমরা কি সত্যিই স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে এগোচ্ছি, নাকি সংস্কারের নামে এক নতুন বিভ্রান্তির বেড়াজালে আটকে যাচ্ছি? বিশাল স্বাধীনতা ডুবে যাচ্ছে কারো পুকুরের ঘাটে। বাংলাদেশে প্রধান দুইটি বড় রাজনৈতিক দলের মধ্যে যেহেতু একটি দল তার রাজনীতি করার সকল নৈতিক অবস্থান হারিয়েছে তার নিজের কর্মের কারণে সুতরাং জনগণের পাশে গত সতের বছর যে দলটি ছিল তা হলো বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) তাই সবাই বোধহয় তাদের উপর ভরসা করছে অনেকাংশে বর্তমানে।  সেই সূত্র ধরে সামাজিক মাধ্যমে বিএনপি এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের একটি কথা নজর কেড়েছে তা হলো—“সংসদের মাধ্যমে জনগণের কাছে জবাবদিহিতা করতে যে সরকার বাধ্য থাকবে, একমাত্র সেই সরকারের পক্ষেই সম্ভব মানুষের জন্য ভালো কিছু করা, দেশের জন্য ভালো কিছু করা।”

এই উক্তির মতো অবস্থান যদি তৈরি করা সম্ভব হয় সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার মাধ্যমে তাহলে আগামীর বাংলাদেশ হবে দায়বদ্ধতা এবং সমৃদ্ধির। এই সংকটময় মুহূর্তে, জনগণের সজাগ দৃষ্টি এবং সক্রিয় অংশগ্রহণই পারে স্বাধীনতাকে রক্ষা করতে। আসুন, আমরা সবাই মিলে সজাগ থাকি, যেন আমাদের কষ্টার্জিত স্বাধীনতা সংস্কারের নামে কোনো পুকুরে ডুবে না যায়। 

লেখক:  এনামুল কবির শিশির, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও স্ট্র্যাটেজিস্ট

বিডি প্রতিদিন/মুসা
 

এই বিভাগের আরও খবর
সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
তামাক নীতিমালা : সংকটে ভোক্তা অধিকার
তামাক নীতিমালা : সংকটে ভোক্তা অধিকার
তুম উধার হাম ইধার
তুম উধার হাম ইধার
সবার উপর একাত্তর, আমাদের স্বাধীনতা
সবার উপর একাত্তর, আমাদের স্বাধীনতা
অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক অনভিপ্রেত
অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক অনভিপ্রেত
দৃষ্টি এখন প্রধান উপদেষ্টার চীন সফরের দিকে
দৃষ্টি এখন প্রধান উপদেষ্টার চীন সফরের দিকে
চাপে চ্যাপটা শিল্পে খাঁড়ার ঘা
চাপে চ্যাপটা শিল্পে খাঁড়ার ঘা
জাতি ও শ্রেণির প্রশ্নে বিভক্ত সমাজ
জাতি ও শ্রেণির প্রশ্নে বিভক্ত সমাজ
বাংলাদেশ-চীন সুদৃঢ় বন্ধনে জড়ানো আবশ্যক
বাংলাদেশ-চীন সুদৃঢ় বন্ধনে জড়ানো আবশ্যক
সর্বশেষ খবর
ইয়াশ-তিশা জুটির ঈদের নাটক ‌‘খুশি’
ইয়াশ-তিশা জুটির ঈদের নাটক ‌‘খুশি’

৫০ মিনিট আগে | শোবিজ

শৈশবের স্মৃতি আমরা ভুলে যাই, কী বলছে গবেষণা?
শৈশবের স্মৃতি আমরা ভুলে যাই, কী বলছে গবেষণা?

১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

ফ্যাসিবাদ যেন বাংলার মাটিতে আর স্থান না পায়: কাদের গণি চৌধুরী
ফ্যাসিবাদ যেন বাংলার মাটিতে আর স্থান না পায়: কাদের গণি চৌধুরী

৩ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মারা গেলেন তিনবার গোল্ডেন গ্লোবজয়ী রিচার্ড চেম্বারলেইন
মারা গেলেন তিনবার গোল্ডেন গ্লোবজয়ী রিচার্ড চেম্বারলেইন

৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ঈদের দিন ভূমিকম্পে কাঁপল পাকিস্তান
ঈদের দিন ভূমিকম্পে কাঁপল পাকিস্তান

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মুম্বাইয়ের কাছে পাত্তাই পেল না কলকাতা
মুম্বাইয়ের কাছে পাত্তাই পেল না কলকাতা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চাঁদা না দেওয়ায় ২ভাইকে হত্যা, পুলিশ বলছে চোর সন্দেহে গনধোলাই
চাঁদা না দেওয়ায় ২ভাইকে হত্যা, পুলিশ বলছে চোর সন্দেহে গনধোলাই

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বড় ধাক্কা খেল সালমানের ‘সিকান্দার’, প্রথম দিনে হতাশাজনক আয়
বড় ধাক্কা খেল সালমানের ‘সিকান্দার’, প্রথম দিনে হতাশাজনক আয়

৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

মাগুরায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় অজ্ঞাত নারী নিহত
মাগুরায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় অজ্ঞাত নারী নিহত

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ওয়ানডের পর টি-টোয়েন্টির দায়িত্বেও হোপ
ওয়ানডের পর টি-টোয়েন্টির দায়িত্বেও হোপ

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার পরিচালক, মহাকুম্ভের মোনালিসাকে নিয়ে সিনেমা স্থগিত
ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার পরিচালক, মহাকুম্ভের মোনালিসাকে নিয়ে সিনেমা স্থগিত

৪ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

এপ্রিলেও জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত
এপ্রিলেও জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদের ২য় দিনেও চলবে ডিএনসিসির ঈদমেলা
ঈদের ২য় দিনেও চলবে ডিএনসিসির ঈদমেলা

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ঈদের খুশি ছড়িয়ে দিতে গলাচিপায় অসহায় নারীদের শাড়ি দিলো শুভসংঘ
ঈদের খুশি ছড়িয়ে দিতে গলাচিপায় অসহায় নারীদের শাড়ি দিলো শুভসংঘ

৫ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

মানিকগঞ্জে বিনোদনকেন্দ্রের দাবি জোরালো হচ্ছে
মানিকগঞ্জে বিনোদনকেন্দ্রের দাবি জোরালো হচ্ছে

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিএনপি নেতাদের সঙ্গে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়
বিএনপি নেতাদের সঙ্গে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিশ্রার ১৭ বছর পর স্টার্ক
মিশ্রার ১৭ বছর পর স্টার্ক

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেহেরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩
মেহেরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বগুড়ায় শহীদ রাতুল ও সিয়ামের পরিবারের পাশে তারেক রহমান
বগুড়ায় শহীদ রাতুল ও সিয়ামের পরিবারের পাশে তারেক রহমান

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

অসহায়দের পাশে শুভসংঘ, দিনাজপুরে ঈদ উপলক্ষে খাবার বিতরণ
অসহায়দের পাশে শুভসংঘ, দিনাজপুরে ঈদ উপলক্ষে খাবার বিতরণ

৬ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

সাতক্ষীরায় খোলপেটুয়া নদীর বাঁধ ভেঙে ঈদের আনন্দ ম্লান
সাতক্ষীরায় খোলপেটুয়া নদীর বাঁধ ভেঙে ঈদের আনন্দ ম্লান

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূসকে ঈদ শুভেচ্ছা মোদির
ড. ইউনূসকে ঈদ শুভেচ্ছা মোদির

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদের দিন ৮ জেলায় সড়কে ঝরল ১৯ প্রাণ
ঈদের দিন ৮ জেলায় সড়কে ঝরল ১৯ প্রাণ

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কক্সবাজারে বিপুল পরিমাণ মালামালসহ আটক ৬
কক্সবাজারে বিপুল পরিমাণ মালামালসহ আটক ৬

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফরিদপুরে ৩ জনকে কুপিয়ে জখম, বাড়িঘর ভাঙচুর
ফরিদপুরে ৩ জনকে কুপিয়ে জখম, বাড়িঘর ভাঙচুর

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিজয়নগরে ছয় দোকানে আগুন
বিজয়নগরে ছয় দোকানে আগুন

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাস-অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ২
বাস-অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ২

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে ঈদ উৎসবের আয়োজন করব : আসিফ মাহমুদ
ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে ঈদ উৎসবের আয়োজন করব : আসিফ মাহমুদ

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লক্ষ্মীপুরে চুরির অপবাদে যুবককে পিটিয়ে হত্যা, আটক ৪
লক্ষ্মীপুরে চুরির অপবাদে যুবককে পিটিয়ে হত্যা, আটক ৪

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বুলেট প্রুফ গ্লাসের ভেতর থেকে ভক্তদের দেখা দিলেন সালমান
বুলেট প্রুফ গ্লাসের ভেতর থেকে ভক্তদের দেখা দিলেন সালমান

৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সর্বাধিক পঠিত
ট্রাম্পের বোমা হামলার হুমকির জবাবে যে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানাল ইরান
ট্রাম্পের বোমা হামলার হুমকির জবাবে যে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানাল ইরান

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃষ্টি নিয়ে সুখবর দিল আবহাওয়া অফিস
বৃষ্টি নিয়ে সুখবর দিল আবহাওয়া অফিস

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইতিহাসে প্রথমবার স্বর্ণের দাম ৩১০০ ডলার ছাড়ালো
ইতিহাসে প্রথমবার স্বর্ণের দাম ৩১০০ ডলার ছাড়ালো

১৪ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

পুতিনের ওপর খুবই রাগান্বিত ও বিরক্ত ট্রাম্প
পুতিনের ওপর খুবই রাগান্বিত ও বিরক্ত ট্রাম্প

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদের খুতবায় ফিলিস্তিন থেকে ইসরায়েলকে উৎখাতের অঙ্গীকার খামেনির
ঈদের খুতবায় ফিলিস্তিন থেকে ইসরায়েলকে উৎখাতের অঙ্গীকার খামেনির

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স পরিদর্শন করলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স পরিদর্শন করলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঐক্যবদ্ধ হওয়া এই সময়ের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ : প্রধান উপদেষ্টা
ঐক্যবদ্ধ হওয়া এই সময়ের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ : প্রধান উপদেষ্টা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিধি ভেঙে তৃতীয়বার প্রেসিডেন্ট হওয়ার ফন্দি ট্রাম্পের!
বিধি ভেঙে তৃতীয়বার প্রেসিডেন্ট হওয়ার ফন্দি ট্রাম্পের!

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজধানীতে সুলতানি আমলের আদলে ঈদ আনন্দ মিছিল
রাজধানীতে সুলতানি আমলের আদলে ঈদ আনন্দ মিছিল

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদের নামাজ পড়তে পারেননি ইমরান খান
ঈদের নামাজ পড়তে পারেননি ইমরান খান

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন না হলে দেশ অস্থিতিশীল হওয়ার শঙ্কা বিএনপির
ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন না হলে দেশ অস্থিতিশীল হওয়ার শঙ্কা বিএনপির

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সবার মধ্যে আরও কঠিন ঐক্য গড়ে তুলতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা
সবার মধ্যে আরও কঠিন ঐক্য গড়ে তুলতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চীনে নতুন তেলের খনি আবিষ্কার
চীনে নতুন তেলের খনি আবিষ্কার

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শোলাকিয়ায় স্মরণকালের বৃহত্তম ঈদজামাত
শোলাকিয়ায় স্মরণকালের বৃহত্তম ঈদজামাত

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানে বোমা হামলার হুমকি ট্রাম্পের
ইরানে বোমা হামলার হুমকি ট্রাম্পের

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে কারাবন্দিদের জন্য থাকছে যেসব খাবার
ঈদে কারাবন্দিদের জন্য থাকছে যেসব খাবার

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গত ১৫ বছরের চেয়ে এবারের ঈদ আনন্দটা আলাদা: মির্জা ফখরুল
গত ১৫ বছরের চেয়ে এবারের ঈদ আনন্দটা আলাদা: মির্জা ফখরুল

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

টাঙ্গাইলে ঈদগাহ মাঠে ১৪৪ ধারা জারি
টাঙ্গাইলে ঈদগাহ মাঠে ১৪৪ ধারা জারি

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গোর-এ-শহীদ ময়দানে দেশের সবচেয়ে বড় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত
গোর-এ-শহীদ ময়দানে দেশের সবচেয়ে বড় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত

১৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আওয়ামী লীগের রাজনীতি করার অধিকার নেই: নাহিদ
আওয়ামী লীগের রাজনীতি করার অধিকার নেই: নাহিদ

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জিয়াউর রহমানের সমাধিতে বিএনপি নেতাদের শ্রদ্ধা
জিয়াউর রহমানের সমাধিতে বিএনপি নেতাদের শ্রদ্ধা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়
বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে ঈদ উৎসবের আয়োজন করব : আসিফ মাহমুদ
ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে ঈদ উৎসবের আয়োজন করব : আসিফ মাহমুদ

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূসকে ঈদ শুভেচ্ছা মোদির
ড. ইউনূসকে ঈদ শুভেচ্ছা মোদির

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাবেক নৌ কমান্ডারকে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা প্রধান করলেন নেতানিয়াহু
সাবেক নৌ কমান্ডারকে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা প্রধান করলেন নেতানিয়াহু

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চিপ নির্মাতা র‌্যাপিডাসে ৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত জাপানের
চিপ নির্মাতা র‌্যাপিডাসে ৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত জাপানের

১৪ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ঈদ শুভেচ্ছা জানালেন শেহবাজ শরীফ
ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ঈদ শুভেচ্ছা জানালেন শেহবাজ শরীফ

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জুলাই-আগস্ট হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচার হতেই হবে: জামায়াত আমির
জুলাই-আগস্ট হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচার হতেই হবে: জামায়াত আমির

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদের দিনেও গাজায় ইসরাইলের হামলা, নিহত ৬৪
ঈদের দিনেও গাজায় ইসরাইলের হামলা, নিহত ৬৪

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে যেসব সিনেমা
ঈদে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে যেসব সিনেমা

১৪ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

প্রিন্ট সর্বাধিক