শিরোনাম
প্রকাশ: ১৩:৪৩, বুধবার, ২৬ মার্চ, ২০২৫ আপডেট: ১৪:৪১, বুধবার, ২৬ মার্চ, ২০২৫

বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
অনলাইন ভার্সন
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে

দেশের বুদ্ধিজীবীরা যে পরিমাণে দেশের সাধারণ মানুষের স্বার্থের সঙ্গে নিজেদের স্বার্থকে যুক্ত করতে পেরেছেন, সেই পরিমাণেই তাঁরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা পালন করেছেন বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে অনিবার্য করে তুলতে। কিন্তু বলাই বাহুল্য বুদ্ধিজীবী সমাজের সকল মানুষ সকল সময়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে থাকেননি। তাঁরা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন নিজেদের স্বার্থকে জনসাধারণের স্বার্থ থেকে স্বতন্ত্র হিসেবে দেখে। এটা মোটেই বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামেঅস্বাভাবিক কিছু ছিল না, বিশেষ করে অপেক্ষাকৃত পরিণত বয়সের বুদ্ধিজীবীদের পক্ষে। 

বুদ্ধিজীবীরা ছিলেন এ দেশের উঠতি মধ্যবিত্ত শ্রেণির লোক এবং মধ্যবিত্ত শ্রেণি চিরদিনই আত্মস্বার্থ সচেতন। তরুণ বয়সে আত্মত্যাগের সাহস থাকে, পরিণত বয়সে আসে বিষয়বুদ্ধি। তাই পরিণত বয়সের বুদ্ধিজীবীরা স্বভাবতই সজাগ ছিলেন, ছিলেন আত্মসচেতন। এর আরও একটা কারণ ছিল। উঠতি মধ্যবিত্ত শ্রেণির ভিত্তি ছিল অর্বাচীন ও দুর্বল। তাই এই শ্রেণির লোকদের পক্ষে কোনো ঝুঁকি নেওয়া কঠিন ছিল। পার্টিশনের আগে মুসলমান মধ্যবিত্তরা দেখেছিল অবিভক্ত বাংলার তুলনায় অধিকতর পুরাতন ও প্রতিষ্ঠিত হিন্দু মধ্যবিত্তের সঙ্গে প্রতিযোগিতার কারণে তাদের নিজস্ব শ্রেণিগত বিকাশের সুযোগ খুব সংকীর্ণ : আশা ছিল পাকিস্তানে সেই বিকাশ অনেক সহজ ও দ্রুত হবে। 

পাকিস্তান প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর মধ্যবিত্তদের মধ্যে তাই একটা ব্যস্ততা দেখা গিয়েছিল নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার। বুদ্ধিজীবীরাও ব্যস্ত ছিলেন। কিন্তু সুবিধা যতটা আশা করা গিয়েছিল ততটা পাওয়া যায়নি। সুযোগ অবাধ হয়নি, কিছুটা দ্রুত হয়েছিল যদিও। হিন্দুরা চলে যাওয়ায় চাকরি খালি হয়েছিল, সেইগুলো পাওয়া গেল। কিন্তু ওই পর্যন্তই। হিন্দু মধ্যবিত্তের জায়গায় নতুন প্রতিযোগী এসে জুটেছে, পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যবিত্ত, যারা আগে থেকেই অনেকটা প্রতিষ্ঠিত ছিল। ব্যবসায়-বাণিজ্য তো বটেই, বাংলাদেশের মধ্যবিত্তের প্রধান যে অবলম্বন চাকরি, সেই চাকরির ক্ষেত্রে পশ্চিম পাকিস্তানিরা যে শক্তিশালী প্রতিযোগী হয়ে দেখা দিল তা নয়, চাকরির তারা মালিকও হয়ে রইল। ছোট বড় সব রকমের চাকরির। 

স্পষ্ট সত্য হয়ে দাঁড়াল এই যে, পশ্চিম পাকিস্তানিদের অসন্তুষ্ট করলে জীবিকার্জনের পথ সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যাবে, তুষ্ট করলে উন্নতি কিছু ঘটতে পারে। প্রধানত এই অর্থনৈতিক কারণেই বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবী সমাজের একাংশ সাধারণ মানুষের কাছ থেকে দূরে সরে গিয়েছিল, সরে গিয়ে পাকিস্তানের গুণগানে ব্রতী হয়েছিল। এই কাজ করে তাদের লাভ হয়েছে ব্যক্তিগতভাবে। তা ছাড়া সামনে প্রত্যাশার একটা দিগন্তও দেখা যাচ্ছিল।

বুদ্ধিজীবীদের প্রলোভন দেখানোর কাজ পাকিস্তান সরকার শুরু থেকেই করেছে। উদ্দেশ্যটা সহজ। সরকার চেয়েছে জনসাধারণকে শোষণ করতে বুদ্ধিজীবীরা যদি জনসাধারণের অংশ হয়ে যায়, জনসাধারণের সঙ্গে থাকে, তবে তারা মানুষের চোখ খুলে দিতে পারে, চোখ খুলে দিলে শোষণ করতে অসুবিধা। আর যদি বুদ্ধিজীবীদের দিয়ে পাকিস্তানের মহিমা প্রচার করানো যায় তাহলে শোষণ কাজটা আরও নির্বিঘ্নে হতে পারে। বুদ্ধিজীবীদের জীবনে যেহেতু অভাব ছিল সচ্ছলতার এবং লোভ ছিল স্বাচ্ছন্দ্যের তাই অল্পতেই তারা আকৃষ্ট হতেন। চাকরিতে উন্নতি, পুস্তকের জন্য পারিশ্রমিক পরবর্তীকালে তমঘা ও পুরস্কার, বিদেশ ভ্রমণের সুযোগ এ সবের সাহায্যে জনসাধারণ থেকে বুদ্ধিজীবীদের বিচ্ছিন্ন করার প্রয়াস সরকার করেছে, সক্ষমও হয়েছে, অনেক ক্ষেত্রে। 

বুদ্ধিজীবী সমাজের, লেখক, শিক্ষক, সাংবাদিক, ব্যবহারজীবী এদের মধ্যে বিশিষ্ট যারা পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর তাঁদের প্রায় সকলের জীবনেই সমৃদ্ধি এসেছে। তাই পাকিস্তানের প্রতি তাঁদের কৃতজ্ঞতাবোধ না থেকে পারেনি, তাঁদের জীবন ও সাধারণ মানুষের জীবন বিপরীত দিকে চলেছে, অনিবার্যভাবেই। তুলনায় যাঁরা প্রতিষ্ঠা পেয়েছেন কম তাঁদের পক্ষেও সরকারি বক্তব্য সমর্থন না করে উপায় থাকেনি। এর কারণ তাঁদের জীবনে অর্থনৈতিক নিরাপত্তাবোধের অভাবটা ছিল আরও বেশি, তাঁরা ভয় পেয়েছেন যে সামান্য ধাক্কাতেই তাঁরা গড়িয়ে পড়বেন নিচের খাদে। এবং ধাক্কার আশঙ্কা সব সময়েই ছিল, সরকার শুধু প্রলোভনই দেখায়নি, ভয়ও দেখিয়েছে। এবং প্রলোভনের তুলনায় ভয় কিছু কম শক্তিশালী ভূমিকা পালন করেনি। ভয়ের জন্য ভুলকে ভুল, অন্যায়কে অন্যায় বলে প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি। 

মধ্যবিত্তের মনেও অর্থনৈতিক অসন্তোষ ছিল কিন্তু সেই অসন্তোষ কিংবা তার চেয়েও বড় অসন্তোষ সাধারণ মানুষের অসন্তোষকে উন্মোচিত করার মতো পর্যাপ্ত সাহস বুদ্ধিজীবীদের অনেকের মধ্যেই দেখা যায়নি। ভয়টা কল্পিত ভয় ছিল না। বামপন্থি বলে পরিচিত যাঁরা প্রয়োজনবোধে তাঁদেরকে কারাগারে নিক্ষেপ করার ব্যাপারে সরকার দ্বিধা করেনি। অন্যদিকে অবাধে চিন্তা ও মতামত প্রকাশ করার সুযোগ বা স্বাধীনতা কোনো দিনই ছিল না বাংলাদেশে। যেমন- পত্রপত্রিকা প্রকাশের কথা উল্লেখ করা যায়। এমনিতে এই কাজটা দুরূহ ছিল অর্থনৈতিক কারণে। তদুপরি পত্রিকা প্রকাশ করতে হলে আগে অনুমতি নিতে হতো সরকারের। সরকারের অপছন্দ হলে চালু পত্রিকা যে কোনো সময়ে বন্ধ করা হতো। সম্পাদককে কারাদন্ডাদেশ দেওয়ার উদাহরণও অজানা নয়।

প্রলোভন ও ভীতির সাহায্যে বুদ্ধিজীবীদের বিচ্ছিন্ন করার কাজ পাকিস্তান আমলে অবিরাম চলেছে, এবং সফলতাও এসেছে-এই দরিদ্র দেশে, ভয়ের দেশে। তবে প্রলোভন ও ভীতির বাইরেও, পাকিস্তান যে একটা আদর্শভিত্তিক রাষ্ট্র এই রকম কথা কেউ কেউ বলেছেন নিজেদের বিশ্বাস থেকে। এরা হচ্ছেন আল-বদর বাহিনীর শিক্ষাগুরু। ভুল শিক্ষার কারণে, সংস্কারের বশে, প্রচলিত ধারণার প্রভাবে এরা ইসলামি সমাজব্যবস্থা নামে একটি বাস্তবতার সঙ্গে সম্পর্ক-বিরহিত ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার পরীক্ষাস্থল হিসেবে পাকিস্তানকে কল্পনা করেছেন। তাঁদের মধ্যে এমনকি সাধারণ মানুষের দুঃখে দুঃখিত মানুষও ছিলেন, তাঁরা সমাজতন্ত্র চাইতেন, কিন্তু বলতেন এ হবে ইসলামি সমাজতন্ত্র, অর্থাৎ ভয় যে একেবারে ছিল না তা নয়, ছিল অন্য এক ভয়, ঈশ্বরহীনতার ভয়। 

এই বিশ্বাস গোঁড়ামিতে পরিণত হয়েছে। গোঁড়ামি থেকে জন্ম হয়েছে আল-বদরের। সমাজতন্ত্রের প্রয়োজন জনসাধারণের মঙ্গলের জন্য, কিন্তু ইসলামের মায়া এসে এঁদের চিন্তাকে দূর আরবের এমন একটা মনগড়া রাজ্যে নিয়ে গিয়েছে যেখান থেকে ফিরে আসা সম্ভব হয়নি। তাঁদের বুদ্ধিজীবী কর্মসমূহ গণবিরোধী, অর্থাৎ বাংলাদেশ বিরোধী শক্তিকেই পুষ্ট করেছে।

কিন্তু বিভ্রান্তি আরও ছিল। বিভ্রান্তি ছিল উদ্দেশ্যহীনতা, ছিল তথাকথিত আধুনিকতার। ইসলামি আদর্শের অনুসারীরা ছিলেন অপেক্ষাকৃত প্রবীণ, তুলনায় তরুণ যারা তাঁদের একাংশ এই দ্বিতীয় বিভ্রান্তির করতলগত হয়েছেন আর উভয় বিভ্রান্তির পেছনে হাত ছিল সাম্রাজ্যবাদীদের। পাকিস্তানবাদীরা ভীষণ জোরে বলেছেন যে পাকিস্তানের পুণ্য মাটিতে বিদেশি সংস্কৃতি ও আদর্শের কোনো স্থান নেই। বলাবাহুল্য, বিদেশি সংস্কৃতি বলতে বোঝানো হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতি, বিদেশি আদর্শ বলতে সমাজতন্ত্রের আদর্শ। বিদেশি সংস্কৃতি বলতে সাম্রাজ্যবাদী সংস্কৃতিকে, বিদেশি বলতে ধনতন্ত্রের আদর্শকে এরা প্রায় কখনো বোঝাননি, বরং সাম্রাজ্যবাদ ও ধনতন্ত্রের প্রভাবকে বিশেষ আদরের সঙ্গে স্বাগত জানানো হয়েছে। 

পত্রপত্রিকায়, চলচ্চিত্র, বেতারে, টেলিভিশনে, সভা-সমিতিতে ধনতান্ত্রিক দুনিয়ার মাহাত্ম্য প্রচারের সুযোগ ও সুবিধা করে দেওয়া হয়েছে অবাধে। ফলে এই অতিদরিদ্র ও ভয়ংকর অনগ্রসর দেশে বিলাসের অত্যাধুনিক সাজসরঞ্জাম যেমন এসেছে তেমনি, সঙ্গে সঙ্গে, এসেছে এমন একটা জীবনদৃষ্টি যার পরিচয়চিহ্ন হচ্ছে উদ্দেশ্যহীনতা, জীবনবিচ্ছিন্নতা, আত্মকেন্দ্রিকতা ও নগ্নতা। বুদ্ধিজীবীদের একাংশ বিলাসের উপকরণসমূহ কিছু কিছু পেয়েছেন, কিন্তু তার  চেয়েও বেশি পেয়েছেন ওই জীবনদৃষ্টি, বলা যায় ওর জালে তাঁরা আটকা পড়েছেন। সংস্কারাচ্ছন্ন আল-বদর ও সংস্কারহীন অত্যাধুনিক এর মধ্যে খুব বড় একটা মিল আছে : উভয়েই সাম্রাজ্যবাদের সমর্থনে প্রতিপালিত, উভয়েই দেশের সাধারণ মানুষ থেকে বিচ্ছিন্ন, বিচ্ছিন্ন শুধু নয় সাধারণ মানুষের প্রতি বিশিষ্টও বটে।

লেখক : ইমেরিটাস অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ

এই বিভাগের আরও খবর
সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
তামাক নীতিমালা : সংকটে ভোক্তা অধিকার
তামাক নীতিমালা : সংকটে ভোক্তা অধিকার
তুম উধার হাম ইধার
তুম উধার হাম ইধার
সবার উপর একাত্তর, আমাদের স্বাধীনতা
সবার উপর একাত্তর, আমাদের স্বাধীনতা
অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক অনভিপ্রেত
অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক অনভিপ্রেত
দৃষ্টি এখন প্রধান উপদেষ্টার চীন সফরের দিকে
দৃষ্টি এখন প্রধান উপদেষ্টার চীন সফরের দিকে
চাপে চ্যাপটা শিল্পে খাঁড়ার ঘা
চাপে চ্যাপটা শিল্পে খাঁড়ার ঘা
জাতি ও শ্রেণির প্রশ্নে বিভক্ত সমাজ
জাতি ও শ্রেণির প্রশ্নে বিভক্ত সমাজ
বাংলাদেশ-চীন সুদৃঢ় বন্ধনে জড়ানো আবশ্যক
বাংলাদেশ-চীন সুদৃঢ় বন্ধনে জড়ানো আবশ্যক
সর্বশেষ খবর
ইয়াশ-তিশা জুটির ঈদের নাটক ‌‘খুশি’
ইয়াশ-তিশা জুটির ঈদের নাটক ‌‘খুশি’

৪১ মিনিট আগে | শোবিজ

শৈশবের স্মৃতি আমরা ভুলে যাই, কী বলছে গবেষণা?
শৈশবের স্মৃতি আমরা ভুলে যাই, কী বলছে গবেষণা?

১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

ফ্যাসিবাদ যেন বাংলার মাটিতে আর স্থান না পায়: কাদের গণি চৌধুরী
ফ্যাসিবাদ যেন বাংলার মাটিতে আর স্থান না পায়: কাদের গণি চৌধুরী

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মারা গেলেন তিনবার গোল্ডেন গ্লোবজয়ী রিচার্ড চেম্বারলেইন
মারা গেলেন তিনবার গোল্ডেন গ্লোবজয়ী রিচার্ড চেম্বারলেইন

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ঈদের দিন ভূমিকম্পে কাঁপল পাকিস্তান
ঈদের দিন ভূমিকম্পে কাঁপল পাকিস্তান

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মুম্বাইয়ের কাছে পাত্তাই পেল না কলকাতা
মুম্বাইয়ের কাছে পাত্তাই পেল না কলকাতা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চাঁদা না দেওয়ায় ২ভাইকে হত্যা, পুলিশ বলছে চোর সন্দেহে গনধোলাই
চাঁদা না দেওয়ায় ২ভাইকে হত্যা, পুলিশ বলছে চোর সন্দেহে গনধোলাই

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বড় ধাক্কা খেল সালমানের ‘সিকান্দার’, প্রথম দিনে হতাশাজনক আয়
বড় ধাক্কা খেল সালমানের ‘সিকান্দার’, প্রথম দিনে হতাশাজনক আয়

৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

মাগুরায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় অজ্ঞাত নারী নিহত
মাগুরায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় অজ্ঞাত নারী নিহত

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ওয়ানডের পর টি-টোয়েন্টির দায়িত্বেও হোপ
ওয়ানডের পর টি-টোয়েন্টির দায়িত্বেও হোপ

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার পরিচালক, মহাকুম্ভের মোনালিসাকে নিয়ে সিনেমা স্থগিত
ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার পরিচালক, মহাকুম্ভের মোনালিসাকে নিয়ে সিনেমা স্থগিত

৪ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

এপ্রিলেও জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত
এপ্রিলেও জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদের ২য় দিনেও চলবে ডিএনসিসির ঈদমেলা
ঈদের ২য় দিনেও চলবে ডিএনসিসির ঈদমেলা

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ঈদের খুশি ছড়িয়ে দিতে গলাচিপায় অসহায় নারীদের শাড়ি দিলো শুভসংঘ
ঈদের খুশি ছড়িয়ে দিতে গলাচিপায় অসহায় নারীদের শাড়ি দিলো শুভসংঘ

৫ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

মানিকগঞ্জে বিনোদনকেন্দ্রের দাবি জোরালো হচ্ছে
মানিকগঞ্জে বিনোদনকেন্দ্রের দাবি জোরালো হচ্ছে

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিএনপি নেতাদের সঙ্গে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়
বিএনপি নেতাদের সঙ্গে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিশ্রার ১৭ বছর পর স্টার্ক
মিশ্রার ১৭ বছর পর স্টার্ক

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেহেরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩
মেহেরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বগুড়ায় শহীদ রাতুল ও সিয়ামের পরিবারের পাশে তারেক রহমান
বগুড়ায় শহীদ রাতুল ও সিয়ামের পরিবারের পাশে তারেক রহমান

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

অসহায়দের পাশে শুভসংঘ, দিনাজপুরে ঈদ উপলক্ষে খাবার বিতরণ
অসহায়দের পাশে শুভসংঘ, দিনাজপুরে ঈদ উপলক্ষে খাবার বিতরণ

৬ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

সাতক্ষীরায় খোলপেটুয়া নদীর বাঁধ ভেঙে ঈদের আনন্দ ম্লান
সাতক্ষীরায় খোলপেটুয়া নদীর বাঁধ ভেঙে ঈদের আনন্দ ম্লান

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূসকে ঈদ শুভেচ্ছা মোদির
ড. ইউনূসকে ঈদ শুভেচ্ছা মোদির

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদের দিন ৮ জেলায় সড়কে ঝরল ১৯ প্রাণ
ঈদের দিন ৮ জেলায় সড়কে ঝরল ১৯ প্রাণ

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কক্সবাজারে বিপুল পরিমাণ মালামালসহ আটক ৬
কক্সবাজারে বিপুল পরিমাণ মালামালসহ আটক ৬

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফরিদপুরে ৩ জনকে কুপিয়ে জখম, বাড়িঘর ভাঙচুর
ফরিদপুরে ৩ জনকে কুপিয়ে জখম, বাড়িঘর ভাঙচুর

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিজয়নগরে ছয় দোকানে আগুন
বিজয়নগরে ছয় দোকানে আগুন

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাস-অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ২
বাস-অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ২

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে ঈদ উৎসবের আয়োজন করব : আসিফ মাহমুদ
ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে ঈদ উৎসবের আয়োজন করব : আসিফ মাহমুদ

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লক্ষ্মীপুরে চুরির অপবাদে যুবককে পিটিয়ে হত্যা, আটক ৪
লক্ষ্মীপুরে চুরির অপবাদে যুবককে পিটিয়ে হত্যা, আটক ৪

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বুলেট প্রুফ গ্লাসের ভেতর থেকে ভক্তদের দেখা দিলেন সালমান
বুলেট প্রুফ গ্লাসের ভেতর থেকে ভক্তদের দেখা দিলেন সালমান

৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সর্বাধিক পঠিত
ট্রাম্পের বোমা হামলার হুমকির জবাবে যে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানাল ইরান
ট্রাম্পের বোমা হামলার হুমকির জবাবে যে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানাল ইরান

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃষ্টি নিয়ে সুখবর দিল আবহাওয়া অফিস
বৃষ্টি নিয়ে সুখবর দিল আবহাওয়া অফিস

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইতিহাসে প্রথমবার স্বর্ণের দাম ৩১০০ ডলার ছাড়ালো
ইতিহাসে প্রথমবার স্বর্ণের দাম ৩১০০ ডলার ছাড়ালো

১৪ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

পুতিনের ওপর খুবই রাগান্বিত ও বিরক্ত ট্রাম্প
পুতিনের ওপর খুবই রাগান্বিত ও বিরক্ত ট্রাম্প

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদের খুতবায় ফিলিস্তিন থেকে ইসরায়েলকে উৎখাতের অঙ্গীকার খামেনির
ঈদের খুতবায় ফিলিস্তিন থেকে ইসরায়েলকে উৎখাতের অঙ্গীকার খামেনির

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঐক্যবদ্ধ হওয়া এই সময়ের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ : প্রধান উপদেষ্টা
ঐক্যবদ্ধ হওয়া এই সময়ের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ : প্রধান উপদেষ্টা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স পরিদর্শন করলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স পরিদর্শন করলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিধি ভেঙে তৃতীয়বার প্রেসিডেন্ট হওয়ার ফন্দি ট্রাম্পের!
বিধি ভেঙে তৃতীয়বার প্রেসিডেন্ট হওয়ার ফন্দি ট্রাম্পের!

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজধানীতে সুলতানি আমলের আদলে ঈদ আনন্দ মিছিল
রাজধানীতে সুলতানি আমলের আদলে ঈদ আনন্দ মিছিল

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদের নামাজ পড়তে পারেননি ইমরান খান
ঈদের নামাজ পড়তে পারেননি ইমরান খান

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন না হলে দেশ অস্থিতিশীল হওয়ার শঙ্কা বিএনপির
ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন না হলে দেশ অস্থিতিশীল হওয়ার শঙ্কা বিএনপির

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সবার মধ্যে আরও কঠিন ঐক্য গড়ে তুলতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা
সবার মধ্যে আরও কঠিন ঐক্য গড়ে তুলতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চীনে নতুন তেলের খনি আবিষ্কার
চীনে নতুন তেলের খনি আবিষ্কার

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শোলাকিয়ায় স্মরণকালের বৃহত্তম ঈদজামাত
শোলাকিয়ায় স্মরণকালের বৃহত্তম ঈদজামাত

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানে বোমা হামলার হুমকি ট্রাম্পের
ইরানে বোমা হামলার হুমকি ট্রাম্পের

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে কারাবন্দিদের জন্য থাকছে যেসব খাবার
ঈদে কারাবন্দিদের জন্য থাকছে যেসব খাবার

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গত ১৫ বছরের চেয়ে এবারের ঈদ আনন্দটা আলাদা: মির্জা ফখরুল
গত ১৫ বছরের চেয়ে এবারের ঈদ আনন্দটা আলাদা: মির্জা ফখরুল

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

টাঙ্গাইলে ঈদগাহ মাঠে ১৪৪ ধারা জারি
টাঙ্গাইলে ঈদগাহ মাঠে ১৪৪ ধারা জারি

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গোর-এ-শহীদ ময়দানে দেশের সবচেয়ে বড় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত
গোর-এ-শহীদ ময়দানে দেশের সবচেয়ে বড় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত

১৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জিয়াউর রহমানের সমাধিতে বিএনপি নেতাদের শ্রদ্ধা
জিয়াউর রহমানের সমাধিতে বিএনপি নেতাদের শ্রদ্ধা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আওয়ামী লীগের রাজনীতি করার অধিকার নেই: নাহিদ
আওয়ামী লীগের রাজনীতি করার অধিকার নেই: নাহিদ

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়
বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূসকে ঈদ শুভেচ্ছা মোদির
ড. ইউনূসকে ঈদ শুভেচ্ছা মোদির

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে ঈদ উৎসবের আয়োজন করব : আসিফ মাহমুদ
ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে ঈদ উৎসবের আয়োজন করব : আসিফ মাহমুদ

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাবেক নৌ কমান্ডারকে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা প্রধান করলেন নেতানিয়াহু
সাবেক নৌ কমান্ডারকে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা প্রধান করলেন নেতানিয়াহু

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চিপ নির্মাতা র‌্যাপিডাসে ৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত জাপানের
চিপ নির্মাতা র‌্যাপিডাসে ৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত জাপানের

১৪ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ঈদ শুভেচ্ছা জানালেন শেহবাজ শরীফ
ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ঈদ শুভেচ্ছা জানালেন শেহবাজ শরীফ

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জুলাই-আগস্ট হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচার হতেই হবে: জামায়াত আমির
জুলাই-আগস্ট হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচার হতেই হবে: জামায়াত আমির

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদের দিনেও গাজায় ইসরাইলের হামলা, নিহত ৬৪
ঈদের দিনেও গাজায় ইসরাইলের হামলা, নিহত ৬৪

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে যেসব সিনেমা
ঈদে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে যেসব সিনেমা

১৪ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

প্রিন্ট সর্বাধিক