শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ০৬ এপ্রিল, ২০২৫ আপডেট: ০২:১৯, রবিবার, ০৬ এপ্রিল, ২০২৫

গলার কাঁটা সাড়ে ১৩ লাখ

এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত

দেশে ফিরতে খাদ্য ও বাসস্থানের নিরাপত্তা চায় তারা
মুহাম্মদ সেলিম, চট্টগ্রাম ও হাসানুর রশীদ, কক্সবাজার
প্রিন্ট ভার্সন
এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত

থাইল্যান্ডে বিমসটেক সম্মেলনের পর বাংলাদেশ থেকে প্রাথমিক পর্যায়ে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে রাখাইনে ফেরত নেওয়ার ঘোষণা এলেও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে এখনো রয়েছে নানান চ্যালেঞ্জ। মিয়ানমার সরকারের পক্ষ থেকে ঘোষণা এলেও দেওয়া হয়নি স্পষ্ট রূপরেখা। নিজ ভূখণ্ডে ফিরতে মরিয়া হলেও খাদ্য ও বাসস্থানের নিরাপত্তা ছাড়া রোহিঙ্গারা আদৌ ফিরবে কি না, সে বিষয়েও রয়েছে অনিশ্চয়তা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রোহিঙ্গাদের আবাসভূমি রাখাইন এখন মিয়ানমার সরকারের দখলে না থাকায় রোহিঙ্গাদের ফেরাতে জান্তা সরকার কতটুকু ভূমিকা রাখতে পারবে সে বিষয়েও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। রোহিঙ্গাদের ফেরাতে হলে মিয়ানমার জান্তা সরকার ও আরাকান আর্মির সঙ্গে আলোচনার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তাই সে ক্ষেত্রে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন যতটা সহজ মনে হচ্ছে ততটা না-ও হতে পারে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাবেক কূটনীতিক ও সামরিক বিশ্লেষক মেজর (অব.) এমদাদুল ইসলাম বলেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ইস্যু বলতে গেলে এখন জটিল বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। রোহিঙ্গাদের আবাসস্থলের বর্তমান নিয়ন্ত্রণ করছে আরাকান আর্মি। কিন্তু সরকার আলোচনা করছে মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে। একই সঙ্গে আরাকান আর্মির সঙ্গেও আলোচনা করতে হবে। মিয়ানমারের ফেরত তালিকার অবস্থাও হযবরল। প্রত্যাবাসন নিয়ে নেই কোনো রোডম্যাপ। জানা মতে ফেরত নেওয়া রোহিঙ্গাদের আবাস্থল ও খাদ্যনিরাপত্তার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়নি। বলতে গেলে প্রত্যাবাসন এখনো অনিশ্চিত যাত্রা।

ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. মিজানুর রহমান বলেন, ২০১৮ সালে আমরা মিয়ানমার সরকারকে ৮ লাখ রোহিঙ্গার একটি তালিকা দিয়েছি। ওই তালিকা থেকেই তারা কিছু রোহিঙ্গা ফেরত নেওয়ার কথা বলছে। আমরা চেষ্টা করছি তালিকায় থাকা সব রোহিঙ্গাকে ফেরত দিতে। এখন মিয়ানমার সরকারের পক্ষ থেকে যেহেতু ঘোষণা এসেছে, আমাদেরও প্রস্তুতি রয়েছে তাদের ফেরত দেওয়ার।

আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যানরাইটসের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জুবায়ের বলেন, আমাদের ঘরবাড়ি এখন আরাকান আর্মির দখলে। কিন্তু সরকার বলছে আমাদের ফিরিয়ে নেবে। এটা কীভাবে সম্ভব? সেফ জোন ও আমাদের ভিটেমাটি ফেরত দিলে রোহিঙ্গারা ফেরত যাবে।

কুতুপালং ক্যাম্পের ১৪ নম্বর ব্লকের হেডমাঝি হামিদ হোছন বলেন, আমরা অবশ্যই ফিরে যাব। না যাওয়ার কোনো কারণ নেই। কিন্তু আমাদের বসতভিটা এলাকা তো আরাকান আর্মির দখলে। কীভাবে যাব তা আগে জানা দরকার। রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের খবরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন কুতুপালং এলাকার স্থানীয় মেম্বার হেলাল উদ্দিন। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের ফেরত নেওয়ার খবরে তাদের মাঝে উচ্ছ্বাস লক্ষ করা যাচ্ছে। রোহিঙ্গা নেতাদের সঙ্গে কথা বলেও একই রকম তথ্য পাওয়া গেছে।

জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার ওয়েবসাইটের তথ্যানুযায়ী, মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অভিযানের মুখে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর ৭ লাখ ৭৩ হাজার ৯৭২ জন রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। তবে রোহিঙ্গাবিষয়ক জাতীয় টাস্কফোর্সের তথ্যমতে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গার উপস্থিতি ছিল। ক্যাম্পগুলোয় প্রতি বছর ৩০ হাজার রোহিঙ্গা শিশু জন্মগ্রহণ করছে। সে হিসেবে ছয় বছরে ক্যাম্পে রোহিঙ্গা শিশুর জন্ম হয়েছে ১ লাখ ৮০ হাজারের মতো। এ ছাড়া ২০২৪ সালের আগস্ট-পরবর্তী আরকান আর্মি ও মিয়ানমার সেনাবাহিনীর যুদ্ধের জেরে রাখাইন থেকে পালিয়ে আসে আরও ১ লাখ রোহিঙ্গা। গত ছয় বছরে রোহিঙ্গার সংখ্যা বেড়ে হয়েছে সাড়ে ১৩ লাখের বেশি। জানা যায়, ২০২৪ সালের শুরুতে রাখাইন অঞ্চলে নতুন করে শুরু হয় মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও আরাকান আর্মির মধ্যে যুদ্ধ। চলতি বছরের শুরুতে এসে রাখাইনের সিংহভাগ এলাকায় নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে আরাকান আর্মি। তাদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া ভূমির সিংহভাগই একসময় ছিল বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের আবাসস্থল। যেখানে রয়েছে রোহিঙ্গাদের সহায়সম্পত্তি। কিন্তু সম্প্রতি জান্তা সরকার ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দেয়। আরাকান আর্মির দখলে থাকা ভূমিতেই রোহিঙ্গাদের ফেরানোর কথা বলছে জান্তা সরকার। অথচ বাংলাদেশের গলার কাঁটা হিসেবে রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পগুলোয় রয়েছে সাড়ে ১৩ লাখ রোহিঙ্গা। জান্তা সরকারের এ ঘোষণার পরপরই কক্সবাজারের ক্যাম্পগুলোয় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ৩৪টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আলোচনার বিষয় এখন প্রত্যাবাসন ইস্যু। খাদ্য ও আবাসস্থলের নিশ্চয়তা ছাড়া রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন রোহিঙ্গা নেতারা। আরাকান আর্মির দখলে থাকা ভূমিতে জান্তা সরকার কীভাবে রোহিঙ্গাদের ফেরাবে তা নিয়েও দেখা দিয়েছে নানান প্রশ্ন। এর আগে ২০১৮ সালে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন আলোচনা শুরু করে বাংলাদেশ। ২০১৮-২০ সালে মিয়ানমার সরকারকে ছয় দফায় ৮ লাখ রোহিঙ্গার তালিকা দেয় বাংলাদেশ সরকার। এর মধ্যে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরতযোগ্য মনে করছে জান্তা সরকার। এ ছাড়া চূড়ান্ত যাচাইবাছাইয়ের পর্যায়ে ৭০ হাজার রোহিঙ্গার নাম ও ছবি আরও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এর বাইরে আরও সাড়ে ৫ লাখ রোহিঙ্গার যাছাইবাছায়ের কাজ জরুরি ভিত্তিতে করবে বলে জানায় জান্তা সরকার। ওই সময় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও সরব ছিল এ ইস্যুতে। চীনের নেতৃত্বে ত্রিপক্ষীয় বৈঠকসহ প্রত্যাবাসনের রূপরেখাও তৈরি হয়েছিল। কিন্তু করোনা প্রাদুর্ভাব এবং ইউক্রেনসংকট শুরু হলে কার্যত চাপা পড়ে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ইস্যু।

এই বিভাগের আরও খবর
আওয়ামী লীগের বিচার চায় বিএনপি
আওয়ামী লীগের বিচার চায় বিএনপি
ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা
ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা
বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০
বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০
যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ
যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ
মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক
মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক
ঢাকায় আইএমএফ প্রতিনিধিদল
ঢাকায় আইএমএফ প্রতিনিধিদল
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
টালমাটাল বিশ্ববাণিজ্য
টালমাটাল বিশ্ববাণিজ্য
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে
সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে
সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে
ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার
ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার
ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
সর্বশেষ খবর
এসএসএফের সাবেক ডিজির ফ্ল্যাট-জমি জব্দ, ৩৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
এসএসএফের সাবেক ডিজির ফ্ল্যাট-জমি জব্দ, ৩৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

নীলফামারীতে দুই মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট আফতাব উদ্দিন
নীলফামারীতে দুই মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট আফতাব উদ্দিন

২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি ফাঁস: তদন্তে নেমেছে ইউক্রেন
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি ফাঁস: তদন্তে নেমেছে ইউক্রেন

৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, যাত্রীদের ফেরত দিলেন ইউএনও
ঈদে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, যাত্রীদের ফেরত দিলেন ইউএনও

৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আকিকার দাওয়াত খেয়ে অসুস্থ দুই শতাধিক মানুষ, হাসপাতালে ভর্তি ৫২
আকিকার দাওয়াত খেয়ে অসুস্থ দুই শতাধিক মানুষ, হাসপাতালে ভর্তি ৫২

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জয়পুরহাট অতিরিক্ত বাস ভাড়া নেওয়ায় জরিমানা
জয়পুরহাট অতিরিক্ত বাস ভাড়া নেওয়ায় জরিমানা

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এপ্রিলে অপরিবর্তিত থাকছে এলপি গ্যাসের দাম
এপ্রিলে অপরিবর্তিত থাকছে এলপি গ্যাসের দাম

২৫ মিনিট আগে | বাণিজ্য

শরীয়তপুরে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় গ্রেফতার ৭
শরীয়তপুরে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় গ্রেফতার ৭

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ভারতে ওয়াকফ বিল পাস হওয়ায় যে প্রতিক্রিয়া জানাল বিএনপি
ভারতে ওয়াকফ বিল পাস হওয়ায় যে প্রতিক্রিয়া জানাল বিএনপি

৩৩ মিনিট আগে | রাজনীতি

শাবির প্রথম বর্ষের ভর্তি শুরু ১৫ এপ্রিল
শাবির প্রথম বর্ষের ভর্তি শুরু ১৫ এপ্রিল

৩৬ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

‘শিগগিরই দ্বিতীয় ট্রাইব্যুনালের যাত্রা শুরু হবে বলে আমরা আশাবাদী’
‘শিগগিরই দ্বিতীয় ট্রাইব্যুনালের যাত্রা শুরু হবে বলে আমরা আশাবাদী’

৩৮ মিনিট আগে | জাতীয়

আমিরাতের সহযোগিতায় ৮ বিভাগে হবে স্পোর্টস হাব : ক্রীড়া উপদেষ্টা
আমিরাতের সহযোগিতায় ৮ বিভাগে হবে স্পোর্টস হাব : ক্রীড়া উপদেষ্টা

৪২ মিনিট আগে | জাতীয়

সাকিব আল হাসানের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলছে: দুদক চেয়ারম্যান
সাকিব আল হাসানের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলছে: দুদক চেয়ারম্যান

৫৬ মিনিট আগে | জাতীয়

মোবাইল চালাতে না দেওয়ায় কিশোরীর আত্মহত্যা
মোবাইল চালাতে না দেওয়ায় কিশোরীর আত্মহত্যা

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

তিন মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে রদবদল
তিন মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে রদবদল

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দেশে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড, মার্চে এল ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি
দেশে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড, মার্চে এল ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি

১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ঢাকাসহ সাত বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস
ঢাকাসহ সাত বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ডে প্যারেড ১৩ এপ্রিল
নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ডে প্যারেড ১৩ এপ্রিল

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্পবিরোধী সর্ববৃহৎ সমাবেশ
যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্পবিরোধী সর্ববৃহৎ সমাবেশ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রেমের ফাঁদে ফেলে অপহরণের পর মুক্তিপণ আদায়, আটক ২
প্রেমের ফাঁদে ফেলে অপহরণের পর মুক্তিপণ আদায়, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

৮ দিন পর আখাউড়ায় স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি শুরু
৮ দিন পর আখাউড়ায় স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি শুরু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরিবেশ রক্ষায় ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে কাজের আহ্বান উপদেষ্টার
পরিবেশ রক্ষায় ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে কাজের আহ্বান উপদেষ্টার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সীমান্তে বিজিবি'র অভিযানে ২০ বার্মিজ গরু জব্দ
সীমান্তে বিজিবি'র অভিযানে ২০ বার্মিজ গরু জব্দ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েল সফরে গিয়ে অপমানিত দুই ব্রিটিশ নারী এমপি
ইসরায়েল সফরে গিয়ে অপমানিত দুই ব্রিটিশ নারী এমপি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতুতে ২ কোটি ৬৬ লাখ টাকার টোল আদায়
২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতুতে ২ কোটি ৬৬ লাখ টাকার টোল আদায়

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আইপিএলে ফিরতে প্রস্তুত বুমরাহ!
আইপিএলে ফিরতে প্রস্তুত বুমরাহ!

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদের লম্বা ছুটি শেষে চেনা রূপে ফিরছে রাজধানী, সড়কে যানজট
ঈদের লম্বা ছুটি শেষে চেনা রূপে ফিরছে রাজধানী, সড়কে যানজট

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

এফবিজেএ'র নতুন কমিটি
এফবিজেএ'র নতুন কমিটি

২ ঘণ্টা আগে | পরবাস

সীমানা পুনর্নির্ধারণসহ নির্বাচনের সব কাজ ভালোভাবে এগোচ্ছে: সিইসি
সীমানা পুনর্নির্ধারণসহ নির্বাচনের সব কাজ ভালোভাবে এগোচ্ছে: সিইসি

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দুই দফা দাবিতে শহীদ মিনারে চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের অবস্থান
দুই দফা দাবিতে শহীদ মিনারে চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের অবস্থান

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর সৌদির সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা
বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর সৌদির সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে
বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভারতের ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল
ভারতের ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে
কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন
আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচার
যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচার

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদের পঞ্চম দিনেও ‘দাগি’-‘জংলি’র দাপট অব্যাহত, আয় কত?
ঈদের পঞ্চম দিনেও ‘দাগি’-‘জংলি’র দাপট অব্যাহত, আয় কত?

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল
আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো
ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি
ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক
যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি
সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ
ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের
শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব সামাল দেয়া কঠিন নয় : অর্থ উপদেষ্টা
ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব সামাল দেয়া কঠিন নয় : অর্থ উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি
‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি

৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?
স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?

৭ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি  তীর্থযাত্রী
ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি তীর্থযাত্রী

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ
গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত
বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা
শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা

১৯ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ইভ্যালির রাসেল-শামীমার তিন বছরের কারাদণ্ড
ইভ্যালির রাসেল-শামীমার তিন বছরের কারাদণ্ড

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অক্টোবরেই অচল ২৪ কোটি কম্পিউটার, বিকল্প কী?
অক্টোবরেই অচল ২৪ কোটি কম্পিউটার, বিকল্প কী?

২০ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

প্রিন্ট সর্বাধিক
সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম
সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম

পেছনের পৃষ্ঠা

মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক
মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক

প্রথম পৃষ্ঠা

জটিলতা ৫৫ আসনে
জটিলতা ৫৫ আসনে

পেছনের পৃষ্ঠা

ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ
ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার
ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার

প্রথম পৃষ্ঠা

দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি
দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি

প্রথম পৃষ্ঠা

ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই
ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত
এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার
রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার

পেছনের পৃষ্ঠা

বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার
বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার

পেছনের পৃষ্ঠা

বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক
বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক

শোবিজ

যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ
যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের ওপর সৌদির ভিসা নিষেধাজ্ঞা
বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের ওপর সৌদির ভিসা নিষেধাজ্ঞা

পেছনের পৃষ্ঠা

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

প্রথম পৃষ্ঠা

সাবেক রেলমন্ত্রীর বাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ
সাবেক রেলমন্ত্রীর বাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

পেছনের পৃষ্ঠা

সুপার লিগে খেলার লড়াই
সুপার লিগে খেলার লড়াই

মাঠে ময়দানে

ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা
ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

একই দিনে দুই বিয়ে
একই দিনে দুই বিয়ে

শোবিজ

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

লাহোরে নিগারদের অনুশীলন
লাহোরে নিগারদের অনুশীলন

মাঠে ময়দানে

ফুটবলেই থাকছেন সালাউদ্দিন
ফুটবলেই থাকছেন সালাউদ্দিন

মাঠে ময়দানে

অভিযোগের জবাবে পরী
অভিযোগের জবাবে পরী

শোবিজ

ডলি সায়ন্তনীর এই জমানার মেয়ে
ডলি সায়ন্তনীর এই জমানার মেয়ে

শোবিজ

সরকারি বই দিতে ঘুষ
সরকারি বই দিতে ঘুষ

পেছনের পৃষ্ঠা

হামজার অন্যরকম মাইলফলক
হামজার অন্যরকম মাইলফলক

মাঠে ময়দানে

লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি
লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি

দেশগ্রাম

বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০
বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০

প্রথম পৃষ্ঠা

আওয়ামী লীগের বিচার চায় বিএনপি
আওয়ামী লীগের বিচার চায় বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা