নেত্রকোনার মদনে বন্ধুর কাছে পাওনা টাকা চাওয়ায় হামলার চার দিন পর আহত মাজহারুল ইসলাম (৩৫) মারা গেছেন।
শুক্রবার মধ্যরাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। শনিবার দুপুরে ময়নাতদন্তের পর মরদেহ গ্রামের বাড়িয়ে নিয়ে আসা হয়েছে।
এদিকে, মাজহারুলের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে মদনের নায়েকপুর ইউনিয়নের মহড়া গ্রামে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। এরপর পুলিশ এলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৯ মার্চ রাতে জুয়া খেলার একটি আসরে সেকুলের কাছে পাওনা টাকা ফেরত চান মাজহারুল।
তবে অন্য একটি সূত্র জানায়, ইয়াবা ব্যবসার টাকার দ্বন্দ্বে সেকুল ও মাজহারুলের মধ্যে বাগ-বিতণ্ডা হয়। এ নিয়ে রাতে সেকুল তার লোকজন নিয়ে মাজহারুলের বাড়ির সামনে এসে মাজহারুলকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পরিবারের লোকজন মাজহারুলকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। অবস্থার অবনতি হতে থাকলে তাকে ঢামেক হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে শুক্রবার রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাজহারুল মারা যান।
নিহতের চাচাতো ভাই আল মামুন বলেন, পূর্ব শত্রুতার জেরে আমার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর বিচার চাই।
অন্যদিকে, অভিযুক্ত সেকুল বা তার কোনো স্বজনের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
মদন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাঈম মোহাম্মদ নাহিদ হাসান বলেন, পারিবারিকভাবে আলোচনা করে অভিযোগ দিচ্ছেন স্বজনেরা। আমাদের তদন্ত চলছে। কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে তা এখন বলা যাচ্ছে না।
বিডি প্রতিদিন/কেএ