শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ০৬ এপ্রিল, ২০২৫

ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে

ড. ইকবাল কবীর মোহন
প্রিন্ট ভার্সন
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে

বিশ্ব মোড়ল আমেরিকার গত নির্বাচনের প্রচারণার সময় থেকেই নানা উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় নড়েচড়ে বসেছিল তাবৎ বিশ্ব। তার কারণ কী? এর মূলে ছিল রিপাবলিকান দলের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্বেগজনক স্লোগান। ট্রাম্প নির্বাচিত হলে আমেরিকার অভ্যন্তরীণ নীতি ও পররাষ্ট্র নীতি কী হবে, তা নিয়ে সবার কৌতূহলের অন্ত ছিল না। বিশেষ করে ট্রাম্পের আমেরিকা ফার্স্ট এই উগ্র জাতীয়তাবাদী স্লোগান (?) বিশ্বনেতাদের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। নির্বাচনের ঠিক আগমুহূর্তে প্রেসিডেন্ট বাইডেনের নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো এবং সেই দলের দ্বিতীয় নেতা কমলা হ্যারিসের দুর্বল প্রার্থিতা ট্রাম্পের দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচিত হওয়াকে যখন প্রায় নিশ্চিত করে ফেলেছিল তখন আমেরিকার ভবিষ্যৎ নিয়ে বিশ্বনেতাদের উদ্বেগ আরও বেড়ে যায়। ২০ জানুয়ারি ট্রাম্প শপথ গ্রহণের পর তিনি যেসব কর্মকাণ্ড শুরু করেন তা সবার আশঙ্কাকে আরও ঘনীভূত করে তোলে। ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে ট্রাম্প বিশ্বকে এমনকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রবাসীকে তাক লাগিয়ে এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৭৯টি নির্বাহী আদেশে সই করেছেন, যা ১৯৩৭ সালের পর থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে বিরল ঘটনা। এসব আদেশের মধ্যে ২৭টি শুল্ক, জীবাশ্ম জ্বালানি সহায়তা ও অর্থনীতিবিষয়ক, ১৪টি কর্মক্ষেত্রে বর্ণবাদ, লিঙ্গ বৈষম্য, ট্রান্সজেন্ডারবিষয়ক, ১৫টি অভিবাসন বিষয়ে, স্বাস্থ্যবিষয়ক ১৩টি এবং প্রযুক্তিবিষয়ক ১০টি আদেশ। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসা, ক্যাপিটলে দাঙ্গায় অভিযুক্ত দেড় হাজার নিজ দলের সমর্থকের মুক্তি, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ত্যাগ, মেক্সিকো সীমান্তে জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা, জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকত্ব বাতিল, জাতীয় স্তরে কর্মী নিয়োগ বন্ধ রাখা, ১০ হাজার স্বাস্থ্যকর্মীর চাকরিচ্যুতি, বিভিন্ন দেশের অভিবাসীদের বিতাড়নসহ আরও অনেক সিদ্ধান্ত। ইতোমধ্যে ব্যাপক অভিবাসীকে দলে দলে বিভিন্ন দেশে পাঠানোর কাজও শুরু করা হয়েছে। ফলে বিশ্বজুড়ে এসব বিষয় নিয়ে এক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এসব কারণে অনেকেই মনে করছেন ট্রাম্প ক্রমশ কর্তৃত্ববাদের দিকে ধাবিত হচ্ছেন।

এরই মাঝে সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট পারস্পরিক শুল্কনীতি ঘোষণা করেছেন। এই নীতি ২ এপ্রিল থেকে কার্যকর শুরু হয়েছে। এই শুল্কনীতি কার্যকর করার দিনকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আমেরিকার বাণিজ্যের লিবারেশন ডে হিসেবে ঘোষণা করেছেন। এর আগে ১৩ ফেব্রুয়ারি ঘোষণা করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানি পণ্যের ওপর অন্যান্য দেশের আরোপিত শুল্ক এবং বাণিজ্যনীতি তিনি বিবেচনা করবেন। এটাকে তিনি ন্যায্যতা ও পারস্পরিক পরিকল্পনা হিসেবে উল্লেখ করেন। শুল্কনীতির আওতায় তিনি সব দেশের পণ্যে গড়ে ন্যূনতম ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন। বাড়তি শুল্ক আরোপ করেছেন প্রায় ৬০টি দেশের ওপর। এতে দেখা যায়, এশিয়ার দেশগুলোর ওপর ১০ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ৪৮ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য বেশি শুল্ক আরোপ করা হয়েছে যেসব দেশের ওপর তাদের মধ্যে চীন ৩৪ শতাংশ, ভিয়েতনাম ৪৬ শতাংশ, তাইওয়ান ৩২ শতাংশ, ইন্দোনেশিয়া ৩২ শতাংশ, জাপান ২৪ শতাংশ, দক্ষিণ কোরিয়া ২৫ শতাংশ, থাইল্যান্ড ৩৬ শতাংশ, মালয়েশিয়া ২৪ শতাংশ, কম্বোডিয়া ৪৯ শতাংশ, বাংলাদেশ ৩৭ শতাংশ, ভারত ২৬ শতাংশ, পাকিস্তান ২৯ শতাংশ, ফিলিপাইন ১৭ শতাংশ, শ্রীলঙ্কা ৪৪ শতাংশ, মিয়ানমার ৪৪ শতাংশ ও লাওস ৪৮ শতাংশ। বাড়তি শুল্ক আরোপের ফলে এসব দেশ থেকে আমেরিকায় রপ্তানি পণ্যের দাম বেড়ে যাবে। ফলে এসব দেশের রপ্তানি বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আর দেশগুলোর অর্থনীতি ও প্রবৃদ্ধি স্থবির হয়ে পড়তে পারে।

শেয়ার বাজারে তাৎক্ষণিক অস্থিরতা : ৩ এপ্রিল ট্রাম্পের শুল্কনীতি ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে বিশ্ববাণিজ্য, অর্থনীতি এবং পণ্যবাজার ও শেয়ার বাজারে চরম অস্থির অবস্থা তৈরি হয়েছে। মার্কিন উচ্চহার শুল্কের ধাক্কায় দেশে দেশে পুঁজিবাজারে ধস নামে। আমেরিকাসহ ইউরোপ, এশিয়ার শেয়ার বাজারে বড় দরপতন শুরু হয়। ফলে লন্ডনের এফটিএসই হান্ড্রেড সূচক ১.৩% কমে যায়, জার্মানির ডিএএক্স ১.৬% এবং ফ্রান্সের সিএসি ১.৮% হ্রাস পায়। জাপানের নিক্কাই সূচক ৩.৩% এবং টপিক্স সূচক ৩.৩% পড়ে যায়। হংকংয়ের হ্যাং স্যাং সূচক ১.৯% হ্রাস পায় আর ভিয়েতনামে সূচক ৬.৭% নিচে নেমে যায়। মার্কিন শুল্ক আরোপের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রযুক্তি খাত। এর ফলে নাসডাক ফিউচার ৩.৫%, অ্যাপল ৭%, নাইকি ৭.৩%, এনভিডিয়া ৫.৬% এবং টেসলা ৮% দর হারায়। বাড়তি শুল্ক ধার্যের ফলে মুদ্রাবাজারেও অস্থিরতা দেখা গেছে। শুল্ক আরোপের জেরে মার্কিন ডলার ১.১% হ্রাস পায় আর ব্রিটিশ পাউন্ড ০.৯% বেড়ে ১.৩১ ডলারে উত্তীর্ণ হয়। এ প্রসঙ্গে জেনাস হেন্ডার্সন ইনভেস্টরসের পোর্টফোলিও ম্যানেজার অ্যাডাম হেটস মনে করছেন, বাজারের এই অস্থিরতা সহসাই কমবে না। বরং বাজার আরও চাপের মধ্যে পড়বে।

বিশ্বনেতাদের প্রতিক্রিয়া : বিভিন্ন দেশের নেতারা বিশেষ করে বড় অর্থনীতির দেশগুলো মার্কিন প্রেসিডেন্টের বাড়তি শুল্ক আরোপের ঘোষণায় তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। তাদের অনেকেই এটাকে বাণিজ্যযুদ্ধ ঘোষণার শামিল বলে উল্লেখ করেছেন। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ মার্কিন প্রেসিডেন্টের পদক্ষেপকে অন্যায় বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, এই অন্যায়ের জন্য মার্কিন জনগণকে অনেক চড়া মূল্য দিতে হবে। ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি। তিনি বলেন, অ্যালুমিনিয়াম, ইস্পাত এবং গাড়ির ওপর মার্কিন শুল্কের কারণে কানাডার লাখ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্টারমার ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, আমাদের বাণিজ্যযুদ্ধের প্রতি কোনো আগ্রহ নেই। বরং সব পরিস্থিতির জন্য আমরা প্রস্তুত রয়েছি। জার্মানির প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ বলেছেন, তার দেশ নিজ দেশের কোম্পানি এবং কর্মীদের রক্ষা করতে প্রস্তুত রয়েছে। সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী উল্ফ ক্রিস্টারসন বলেন, আমরা বাণিজ্যযুদ্ধ চাই না। ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনিও, আইরিশ বাণিজ্যমন্ত্রী সাইমন হ্যারিস, ফ্রান্সের মুখপাত্র ট্রাম্পের শুল্কনীতিকে অন্যায় বলে অভিহিত করেছেন। ইউরোপিয়ান কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন মার্কিন শুল্কনীতিকে চ্যালেঞ্জ করে বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন শুল্কের জবাব দিতে অনেক বিকল্প আছে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের। আমরা প্রতিশোধ নিতে চাই না। তবে প্রয়োজন হলে প্রতিশোধ নেওয়ার শক্তিশালী পরিকল্পনা আমাদের আছে। তার এ বক্তব্যে একদিকে ক্ষোভ অন্যদিকে হুমকির আভাসও রয়েছে। তবে সার্বিকভাবে তাতে বিরোধের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে আমেরিকা ও ইউরোপের মধ্যে, যা বিশ্ব অর্থনীতিকে অস্থির করে তুলতে পারে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্প যে দিনটিকে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা দিবস বলে ঘোষণা করেছেন, সেদিনই তিনি বিশ্ব অর্থনীতিকে দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্যযুদ্ধে ঠেলে দিয়েছেন। এভাবে বিভিন্ন দেশের ব্যবসাবাণিজ্যেও মার্কিন শুল্কনীতির মারাত্মক প্রভাব পড়বে বলে সবাই আশঙ্কা করছেন। অর্থনীতি বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বর্তমান মার্কিন শুল্কনীতির কারণে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে বিশ্বের উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলো। এর মধ্যে বাংলাদেশও রয়েছে।

বাংলাদেশের ওপর কতটা প্রভাব পড়বে : মার্কিন প্রেসিডেন্টের শুল্ক বাড়ানোর ঘোষণায় বাংলাদেশের ওপর শুল্ক আরোপ করা হয়েছে ৩৭ শতাংশ, যা আগে গড়ে ছিল ১৫ শতাংশ। বাংলাদেশ থেকে পণ্য রপ্তানির মধ্যে আছে তৈরি পোশাক, জুতা, টেক্সটাইলসামগ্রী ও কৃষিপণ্য। তবে রপ্তানির সিংহভাগই তৈরি পোশাক। শুল্ক আরোপের তালিকা থেকে দেখা যায় এশিয়ার দেশগুলো থেকে যেসব দেশ তৈরি পোশাক যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করে তার মধ্যে সবচেয়ে শুল্ক কম আরোপ করা হয়েছে ভারতের ওপর (২৬%)। এর পরে রয়েছে পাকিস্তান (২৯%)। সবচেয়ে বেশি ৪৬ শতাংশ শুল্ক ধার্য করা হয়েছে ভিয়েতনামের ওপর। ২০২৪ সালের পোশাক রপ্তানির তালিকা থেকে দেখা যায়, চীন পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষস্থানে রয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে আছে বাংলাদেশ, তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে আছে যথাক্রমে ভিয়েতনাম ও ভারত। আর এই চারটি প্রতিযোগী দেশের ওপর শুল্ক ধার্য করা হয়েছে ৩৪% (চীন), ৩৭% (বাংলাদেশ), ৪৬% (ভিয়েতনাম) এবং ২৬% (ভারত)। এই তালিকা পর্যালোচনা করলে ভারতের ওপর কম শুল্ক ধার্য হওয়ার কারণে রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ পাবে দেশটি। ফলে বাংলাদেশ পোশাক রপ্তানির একটি অংশের বাজার হারাবে আর তা দখল করবে ভারত। এরই প্রেক্ষাপটে বিশ্বব্যাংক ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশের ওপর আরোপিত নতুন শুল্ক রপ্তানি খাতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বিকেএমই-এর প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ হাতেম বলেন, নতুন শুল্ক আরোপের ফলে দেশের পোশাক খাত সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এই আশঙ্কা যদি সত্যি হয়, তা হলে দেশের চলমান যেসব পোশাক কারখানা রয়েছে, সেগুলোর উৎপাদন কমে যেতে পারে। ফলে শ্রমিক ছাঁটাইয়ের পরিস্থিতি তৈরি হলে দেখা দেবে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতা। এর প্রভাব পড়বে ব্যাংকিং খাতেও। ব্যাংকের ঋণ পরিশোধে জটিলতা দেখা দেবে এবং এর ফলে ঋণ বিরূপ শ্রেণিমানে পড়লে ব্যাংক খাত সংকটে পড়বে। তা ছাড়া রপ্তানি কমে যাওয়ার কারণে ব্যাংকের মুনাফাও কমে যাবে।

তবে বর্তমান শুল্কনীতির প্রভাব নিয়ে নানা শঙ্কার মধ্যেও আশার আলোও দেখছেন অনেকে। উল্লেখ্য, ভিয়েতনামের ওপর ৪৬ শতাংশ এবং চীনের ওপর ৩৪% শুল্ক আরোপ করার কারণে দেশ দুটির রপ্তানি সবচেয়ে বেশি কমে যেতে পারে এবং এদিক থেকে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ার সুযোগও তৈরি হতে পারে। এসব বিবেচনায় আমাদের রপ্তানির ওপর প্রভাব না পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে অনেকে মনে করছেন। তাই অনেকে আমাদের রপ্তানি বাড়ার সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তাদের বক্তব্য হচ্ছে, বাংলাদেশ মূলত মধ্যম ও কম দামের পণ্য রপ্তানি করে। আর ভারত, ভিয়েতনাম, চীন সাধারণত উচ্চমূল্যের পোশাক রপ্তানি করে। ফলে দ্বিতীয় পোশাক রপ্তানিকারক দেশ বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি তেমন একটা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। বিকেএমই-এর সাবেক সভাপতি ফজলুল হক বলেন, পাল্টা শুল্ক আরোপ করার কারণে যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে ধস নামবে, সেটা এখনই মনে করছি না। বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি আনোয়ার-উল-আলম চৌধুরী পারভেজ একটি মৌলিক বিষয় তুলে ধরে পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে দেশের সম্ভাবনার আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেছেন, আমাদের প্রতিযোগী দেশগুলোর ওপর প্রায় সমান হারে শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। বরং এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ লাভবান হতে পারে দরকষাকষির সুযোগ কাজে লাগিয়ে। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে আমেরিকার পণ্যের ওপর বাংলাদেশ ৭৪ ভাগ শুল্ক আদায় করে থাকে। আমেরিকার পণ্যের কোনোটাই মৌলিক পণ্য নয়। ফলে বাংলাদেশ চাইলে আমেরিকার পণ্যের শুল্ক অর্ধেকে নামিয়ে আনতে পারে এবং তাদের বাজারে প্রবেশে নতুন ঘোষিত শুল্ক ছাড় নিতে পারে। এটি সম্ভাবনার দুয়ার তৈরি করবে। একই আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি সুরাহা করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

উল্লেখ্য, মার্কিন প্রেসিডেন্ট তার শুল্কনীতি ঘোষণা করেছেন মাত্র। এই নীতির ফলে বিভিন্ন দেশই ক্ষতিগ্রস্ত হবে এমনটি নয়, এই নীতির কারণে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়বে আমেরিকার জনগণ। এখন তাদের বেশি দামে পোশাক এবং অন্যান্য পণ্য ক্রয় করতে হবে। ফলে সে দেশে কী প্রতিক্রিয়া দেখা দেবে, তা-ও বিবেচনায় রাখতে হবে। এমনও হতে পারে শুল্কের এই উচ্চহার নিয়ে আলোচনা ও পুনর্বিবেচনার দ্বারও উন্মুক্ত হতে পারে। তবে সেটি ভবিষ্যতের বিষয়। আমাদের ততক্ষণ সেই ভবিষ্যতের আশায় অপেক্ষা করতে হবে বৈ কি!

লেখক : কবি, প্রাবন্ধিক ও ব্যাংকার

এই বিভাগের আরও খবর
তরমুজ-শসা খান
তরমুজ-শসা খান
আহা! ডিজিটাল বাংলাদেশ
আহা! ডিজিটাল বাংলাদেশ
ইউনূস-মোদি বৈঠক
ইউনূস-মোদি বৈঠক
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়
দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়
সামাজিক ব্যবসা
সামাজিক ব্যবসা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
রেমিট্যান্সে আশার আলো
রেমিট্যান্সে আশার আলো
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
সর্বশেষ খবর
মোবাইল চালাতে না দেওয়ায় কিশোরীর আত্মহত্যা
মোবাইল চালাতে না দেওয়ায় কিশোরীর আত্মহত্যা

এই মাত্র | চায়ের দেশ

তিন মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে রদবদল
তিন মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে রদবদল

৫ মিনিট আগে | জাতীয়

দেশে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড, মার্চে এল ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি
দেশে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড, মার্চে এল ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি

৭ মিনিট আগে | বাণিজ্য

ঢাকাসহ সাত বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস
ঢাকাসহ সাত বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

৪৩ মিনিট আগে | জাতীয়

নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ডে প্যারেড ১৩ এপ্রিল
নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ডে প্যারেড ১৩ এপ্রিল

৪৯ মিনিট আগে | পরবাস

যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্পবিরোধী সর্ববৃহৎ সমাবেশ
যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্পবিরোধী সর্ববৃহৎ সমাবেশ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রেমের ফাঁদে ফেলে অপহরণের পর মুক্তিপণ আদায়, আটক ২
প্রেমের ফাঁদে ফেলে অপহরণের পর মুক্তিপণ আদায়, আটক ২

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

৮ দিন পর আখাউড়ায় স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি শুরু
৮ দিন পর আখাউড়ায় স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি শুরু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরিবেশ রক্ষায় ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে কাজের আহ্বান উপদেষ্টার
পরিবেশ রক্ষায় ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে কাজের আহ্বান উপদেষ্টার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সীমান্তে বিজিবি'র অভিযানে ২০ বার্মিজ গরু জব্দ
সীমান্তে বিজিবি'র অভিযানে ২০ বার্মিজ গরু জব্দ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েল সফরে গিয়ে অপমানিত দুই ব্রিটিশ নারী এমপি
ইসরায়েল সফরে গিয়ে অপমানিত দুই ব্রিটিশ নারী এমপি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতুতে ২ কোটি ৬৬ লাখ টাকার টোল আদায়
২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতুতে ২ কোটি ৬৬ লাখ টাকার টোল আদায়

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আইপিএলে ফিরতে প্রস্তুত বুমরাহ!
আইপিএলে ফিরতে প্রস্তুত বুমরাহ!

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদের লম্বা ছুটি শেষে চেনা রূপে ফিরছে রাজধানী, সড়কে যানজট
ঈদের লম্বা ছুটি শেষে চেনা রূপে ফিরছে রাজধানী, সড়কে যানজট

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

এফবিজেএ'র নতুন কমিটি
এফবিজেএ'র নতুন কমিটি

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

সীমানা পুনর্নির্ধারণসহ নির্বাচনের সব কাজ ভালোভাবে এগোচ্ছে: সিইসি
সীমানা পুনর্নির্ধারণসহ নির্বাচনের সব কাজ ভালোভাবে এগোচ্ছে: সিইসি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দুই দফা দাবিতে শহীদ মিনারে চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের অবস্থান
দুই দফা দাবিতে শহীদ মিনারে চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের অবস্থান

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মানবপাচার রোধে বাংলাদেশ নিজ প্রতিশ্রুতিতে অটল: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
মানবপাচার রোধে বাংলাদেশ নিজ প্রতিশ্রুতিতে অটল: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যমুনা সেতুতে ২৪ ঘণ্টায় টোল আদায় দুই কোটি ৬৬ লাখ টাকা
যমুনা সেতুতে ২৪ ঘণ্টায় টোল আদায় দুই কোটি ৬৬ লাখ টাকা

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সন্দেহভাজন ব্যক্তির অনুপ্রবেশের জেরে কানাডার পার্লামেন্ট লকডাউন!
সন্দেহভাজন ব্যক্তির অনুপ্রবেশের জেরে কানাডার পার্লামেন্ট লকডাউন!

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে
বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সোমবার বৈঠকে বসছেন ট্রাম্প-নেতানিয়াহু
সোমবার বৈঠকে বসছেন ট্রাম্প-নেতানিয়াহু

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডায়াবেটিস রোগীদের আতঙ্ক
ডায়াবেটিস রোগীদের আতঙ্ক

২ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

দর্শক পেটাতে যাওয়া খুশদিলকে নিয়ে যা বলছে পিসিবি
দর্শক পেটাতে যাওয়া খুশদিলকে নিয়ে যা বলছে পিসিবি

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কক্সবাজারে জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে নিহত ৩
কক্সবাজারে জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে নিহত ৩

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি
‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সাহারার প্রাচীন মমিতে মিলল ৭০০০ বছর আগের মানব ইতিহাসের সন্ধান
সাহারার প্রাচীন মমিতে মিলল ৭০০০ বছর আগের মানব ইতিহাসের সন্ধান

২ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

১৭ হাজার শিশুর রক্তে রঞ্জিত গাজা, অনাথ ৩৯ হাজারের বেশি
১৭ হাজার শিশুর রক্তে রঞ্জিত গাজা, অনাথ ৩৯ হাজারের বেশি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্রীড়া দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে র‌্যালি
ক্রীড়া দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে র‌্যালি

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউরোপ-আমেরিকার মধ্যে শুল্কমুক্ত বাণিজ্য চাইলেন ইলন মাস্ক
ইউরোপ-আমেরিকার মধ্যে শুল্কমুক্ত বাণিজ্য চাইলেন ইলন মাস্ক

২ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

সর্বাধিক পঠিত
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর সৌদির সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা
বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর সৌদির সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে
কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ভারতের ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল
ভারতের ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন
আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি
হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে
বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো
ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচার
যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচার

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল
আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদের পঞ্চম দিনেও ‘দাগি’-‘জংলি’র দাপট অব্যাহত, আয় কত?
ঈদের পঞ্চম দিনেও ‘দাগি’-‘জংলি’র দাপট অব্যাহত, আয় কত?

২১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি
ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক
যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের
শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি
সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ
ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব সামাল দেয়া কঠিন নয় : অর্থ উপদেষ্টা
ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব সামাল দেয়া কঠিন নয় : অর্থ উপদেষ্টা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ
গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?
স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত
বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি  তীর্থযাত্রী
ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি তীর্থযাত্রী

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা
শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা

১৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি
‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

প্রিন্ট সর্বাধিক
সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম
সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম

পেছনের পৃষ্ঠা

মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক
মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক

প্রথম পৃষ্ঠা

জটিলতা ৫৫ আসনে
জটিলতা ৫৫ আসনে

পেছনের পৃষ্ঠা

ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ
ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার
ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার

প্রথম পৃষ্ঠা

দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি
দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি

প্রথম পৃষ্ঠা

এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত
এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত

প্রথম পৃষ্ঠা

ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই
ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার
রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার

পেছনের পৃষ্ঠা

বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার
বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার

পেছনের পৃষ্ঠা

যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ
যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ

প্রথম পৃষ্ঠা

বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক
বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক

শোবিজ

বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের ওপর সৌদির ভিসা নিষেধাজ্ঞা
বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের ওপর সৌদির ভিসা নিষেধাজ্ঞা

পেছনের পৃষ্ঠা

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

প্রথম পৃষ্ঠা

সাবেক রেলমন্ত্রীর বাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ
সাবেক রেলমন্ত্রীর বাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

পেছনের পৃষ্ঠা

সুপার লিগে খেলার লড়াই
সুপার লিগে খেলার লড়াই

মাঠে ময়দানে

ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা
ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

একই দিনে দুই বিয়ে
একই দিনে দুই বিয়ে

শোবিজ

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

লাহোরে নিগারদের অনুশীলন
লাহোরে নিগারদের অনুশীলন

মাঠে ময়দানে

ফুটবলেই থাকছেন সালাউদ্দিন
ফুটবলেই থাকছেন সালাউদ্দিন

মাঠে ময়দানে

অভিযোগের জবাবে পরী
অভিযোগের জবাবে পরী

শোবিজ

ডলি সায়ন্তনীর এই জমানার মেয়ে
ডলি সায়ন্তনীর এই জমানার মেয়ে

শোবিজ

সরকারি বই দিতে ঘুষ
সরকারি বই দিতে ঘুষ

পেছনের পৃষ্ঠা

লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি
লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি

দেশগ্রাম

হামজার অন্যরকম মাইলফলক
হামজার অন্যরকম মাইলফলক

মাঠে ময়দানে

বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০
বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০

প্রথম পৃষ্ঠা

আওয়ামী লীগের বিচার চায় বিএনপি
আওয়ামী লীগের বিচার চায় বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা