শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ০৬ এপ্রিল, ২০২৫

দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়

আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু
প্রিন্ট ভার্সন
দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়

রাজনীতি তো কোনো ধর্ম নয় যেকোনো আধ্যাত্মিক ব্যক্তির নেতৃত্বে এর আবির্ভাব ও বিকাশ ঘটেছে। তা সত্ত্বেও বাংলাদেশে ব্যক্তি ও পরিবারকেন্দ্রিক রাজনীতির বিকাশ কীভাবে ও কেন ঘটল? বাংলাদেশে যারাই রাজনীতি করেন, এমনকি যারা ধর্মভিত্তিক রাজনীতিও করেন, কোরআনের আইন চান অথবা রামরাজ্য প্রতিষ্ঠা করতে চান, অবাক করার মতো ব্যাপার হলো, তারাও পাশ্চাত্যের আধুনিক গণতন্ত্র, এক কক্ষ বা দ্বিকক্ষবিশিষ্ট পার্লামেন্ট, এক ব্যক্তি এক ভোট, সংসদীয় ধরনের সরকারব্যবস্থা ইত্যাদির জয়গান করেন। এসবের মাধ্যমে ধর্মীয় লোকজন প্রত্যক্ষভাবে হলেও স্বীকার করেন যে রাজনীতিতে ধর্মের প্রায়োগিক কোনো উপযোগিতা নেই। ধর্ম পৃথিবীতে মানুষকে নীতিনৈতিকতা, শৃঙ্খলাবোধ শেখাতে পারে, যা অন্য সাধারণ মানুষের মতো রাজনীতিবিদদের তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে সৎ, নিষ্ঠাবান ও দুর্নীতির ঊর্ধ্বে থাকার সহায়তা করার অন্যতম গুণাবলি। সব ধর্মের মূল সুর পার্থিব জীবনের চেয়ে সুখের হোক, দুঃখের হোক পরকালীন অনন্ত জীবন।

বাংলাদেশের জনগণের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশই বুঝে হোক, আর না বুঝে হোক, তারা রাষ্ট্রের সুষ্ঠু পরিচালনা ও বিকাশের জন্য সংসদীয় গণতন্ত্র এবং ব্যক্তিগত জীবনের জন্য ধর্ম চায়। জনগণের এই চাওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে রাজনীতিতে ব্যক্তি ও পরিবারপ্রধান হয়ে ওঠার কারণ ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের পর বিগত ৭৭ বছরেও ভারতবর্ষের মানচিত্রের পূর্বাংশে অবস্থিত পূর্ববঙ্গ প্রথমে পাকিস্তান নামে এবং ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ নামে স্বাধীন হলেও ব্যক্তিকেন্দ্রিক প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো কর্তৃক জনগণকে ভোটের মর্ম বোঝানোর ব্যর্থতা। এর ফলে গত পোনে আট দশকে যতগুলো নির্বাচন হয়েছে ভোটাররা অর্থাৎ জনগণ দলে দলে বিনা-খরচায় চা-শিঙাড়া ও পানবিড়ি খেয়ে তাদের পছন্দনীয় দলের প্রার্থী কলাগাছ হলেও তাদের ভোট দিয়ে অথবা ভোট দেওয়ার দায়িত্ব দলের লাঠিয়ালদের ওপর ন্যস্ত করে বিপুল ভোটে জয়ী করে সেসব অসার কদলী বৃক্ষকে মহান জাতীয় সংসদে পাঠিয়েছে।

জনগণ ভোটের মর্ম না বুঝলে এবং একটি পার্লামেন্টের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন নির্বাচন বা বিনা ভোটে নির্বাচিত হলে এবং শীর্ষ ব্যক্তি ও পরিবারকেন্দ্রিক দল অনুরূপ ধরনের নির্বাচনকে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন বলে দাবি করতে কোনো দ্বিধা করে না। যেহেতু ব্যক্তি এবং উক্ত ব্যক্তির পরিবারের আনুগত্য ও বন্দনাই দলের অন্য নেতাদের উচ্চপদ লাভসহ অবাধ লুটপাট করার সুযোগ সৃষ্টির প্রধান যোগ্যতা, সেজন্য কেবল দলের সেই শীর্ষ ব্যক্তিই নয়, এমনকি তার গৃহভৃত্যরাও দলের অন্য নেতা-কর্মীদের তোষামোদের পাত্রে পরিণত হয়। এভাবেই বাংলাদেশে সংসদীয় ধাঁচের গণতন্ত্র ও ভোটের নামে অলিখিত রাজতান্ত্রিক শাসনের সূচনা করেছিলেন বাংলাদেশের অবিসংবাদিত নেতার শিরোপাপ্রাপ্ত মরহুম শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি যে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন, যদি তিনি রূপকথার রাজার মতো হতে না চাইতেন, তাহলে তিনিও বাপুজি-খ্যাত ভারতের জাতির পিতা মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধীর মতো সবার শ্রদ্ধাভাজন থাকতে পারতেন। তিনি কী প্রাচীন গ্রিক রাজনৈতিক দর্শন থেকে রাজা হওয়ার শিক্ষা লাভ করেছিলেন?

my soulপ্রাচীন গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টটল তার গুরু প্লেটোকে অনুসরণ করে সরকারের ধরনের ওপর বলতে গিয়ে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সম্পর্কের বর্ণনা দিয়েছেন। এ ক্ষেত্রে তিনি মানুষ এবং তাদের পোষা  প্রাণী, স্ত্রী, দাস এবং শিশুদের দৃষ্টান্ত তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, ধরা যাক, একটি পরিবারের কাঠামো রাজতান্ত্রিক, কারণ প্রতিটি  পরিবার মাত্র একজন শাসক দ্বারা পরিচালিত। স্বামীরা তাদের স্ত্রীদের ওপর প্রজাতান্ত্রিক আচরণ করে এবং তাদের সন্তানদের ওপর রাজতান্ত্রিক সরকারের আচরণ করে; তারা দাসদের ওপর তাদের রাজনৈতিক অবস্থানকে এবং পরিবারের ওপর তাদের রাজকীয় অবস্থানকে ব্যবহার করে।

কিন্তু অ্যারিস্টটল যখন পারিবারিক সম্পর্কে তারই তৈরি এই রূপককে রাজনৈতিকভাবে প্রয়োগ করতে চেষ্টা করেন, তখন তিনি একইভাবে উপলব্ধি করেন যে এ ধরনের উপমা প্রয়োগের সুযোগ সীমিত অথবা আদৌ কোনো সুযোগ নেই। কিন্তু শেখ মুজিব অ্যারিস্টটলের রূপকের শাসক হতে চেয়েছিলেন এবং তার পরিবার ছিল তার বাগাড়ম্বরপূর্ণ কথামালার রাজনীতির শিকার জনগণ। দেশ, দেশবাসী ও গণতন্ত্রের জন্য তার ভালোবাসার কথা যে প্রকৃতপক্ষে তার নিজের ও দলের স্বার্থ উদ্ধারে জনগণকে ব্যবহার করার উদ্দেশ্যে তার সহজাত বাকচাতুর্যের অংশ ছিল, জনগণ তা উপলব্ধি করার মতো শিক্ষিত বা মেধাসম্পন্ন ছিল না। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে প্রদত্ত বিশাল জনসমাবেশে তিনি বলেছিলেন, আমি, আমি প্রধানমন্ত্রিত্ব চাই না। আমরা এ দেশের মানুষের অধিকার চাই। তিনি ১৯৭৫-এ বাকশাল গঠন ও দেশের সর্বময় ক্ষমতার অধীশ্বর হয়ে প্রমাণ করেছেন যে তিনি যা বলতেন, তা বিশ্বাস করতেন না। কিন্তু জনগণ তাকে বিশ্বাস করেছিল, তাদের সেই বিশ্বাসের অবমাননা করার পরিণতি তাকে করুণভাবে ভোগ করতে হয়েছে। তার পতন ছিল তার রাজনৈতিক অদূরদর্শিতার ফলশ্রুতি।

বদ্বীপ অঞ্চলের মানুষের এ এক সমস্যা, সবাই আবেগের দাস। তাদের ধর্মীয় ও রাজনৈতিক আবেগ প্রবল। তারা বিপুল সংখ্যায় ধর্মীয় সমাবেশে যায়, সারা রাত আলেম-উলামা ও গুরুদের কথা শোনে, নবী-অবতারদের ত্যাগের কাহিনি শুনে চোখের পানি ফেলে; অন্যদিকে রাজনৈতিক নেতাদের জ্বালাময়ী ভাষণে উদ্দীপ্ত হয়ে অস্ত্র হাতে ধেয়ে যায় কারও জীবন নিতে ও নিজের জীবন দিতে। আমার বয়সি মানুষের স্মৃতিতে ১৯৭১-এর দৃষ্টান্ত এখনো উজ্জ্বল। ভিন্ন পরিপ্রেক্ষিতে হলেও ব্যাপক অর্থে অরাজনৈতিক কারণে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে তরুণদের মধ্যে জীবন দেওয়ার যে উন্মাদনা দেখা গেছে, তা ছিল আবেগের বিস্ময়কর প্রতিফলন।

১৯৭৫ সালে পিতার পরিণতি থেকে শেখ হাসিনার শিক্ষা গ্রহণের যথেষ্ট সুযোগ ছিল। কিন্তু ১৯৮১ সালে শেখ হাসিনাকে যেভাবে শেখ মুজিবসর্বস্ব আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচন করে ভারত থেকে আনা হয়েছিল, তাতে তার মধ্যে অহঙ্কার, সপরিবার পিতৃহত্যার প্রতিহিংসা চরিতার্থ স্পৃহা জাগ্রত হওয়া ব্যতিক্রম কিছু ছিল না। তিনি যদি কেবল ব্যক্তি শেখ হাসিনা হতেন, তাহলে প্রতিশোধ গ্রহণে যে জিঘাংসার পরিচয় দিয়েছেন, এমনকি একই কারণে দেশবাসীর ওপর যে হত্যাযজ্ঞ ও তাণ্ডব চালিয়েছেন তা সম্ভব হতো না। ১৯৮১ সালে আওয়ামী লীগের সভাপতি হওয়ার আগে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক পরিচয় বা অবস্থান কী ছিল? কিছুই না। তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির কন্যা ও একজন বিজ্ঞানীর স্ত্রী ছিলেন। তিনি কী আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন বা সভাপতি হওয়ার জন্য আগ্রহী ছিলেন? অথবা তার মাঝে কি আওয়ামী লীগের মতো একটি রাজনৈতিক দলের শীর্ষনেতা হিসেবে দলকে পরিচালনা করার যোগ্যতা ছিল? আদৌ ছিল না। তার এ পদলাভ উত্তরাধিকার সূত্রে ছিল না অথবা শেখ মুজিবুর রহমানের অনুরূপ কোনো ওয়াসিয়তও ছিল না যে তার অবর্তমানে তার জ্যেষ্ঠ সন্তান দলে তার পদাভিষিক্ত হবেন। আওয়ামী লীগ যে গণতন্ত্রের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে সেই গণতন্ত্রে পিতার স্থলে পুত্র-কন্যার অভিষিক্ত হওয়ার সুযোগও নেই। দলের শীর্ষনেতা নির্বাচনের পদ্ধতি অনুসরণ না করেই তাকে আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়েছিল। আওয়ামী লীগ শেখ হাসিনার পিতার নাম ও গুরুত্বকে তাদের রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করেছিল মাত্র।

বাংলাদেশের ভাগ্যনিয়ন্তা হওয়ার জন্য রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করতে শেখ হাসিনাকে খুব বেগ পেতে হয়নি। দৃশ্যত আওয়ামী লীগের প্রতিপক্ষ ও বিএনপির মিত্র জামায়াতে ইসলামী বিএনপির প্রতি বিরাগ পোষণ করে ১৯৯৬ সালে জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আওয়ামী লীগকে বিপুলভাবে বিজয় অর্জনের পথ করে দেয়। ১৯৭৫ সালের ২১ বছর পর আওয়ামী লীগের রাষ্ট্রক্ষমতায় আসা এবং এরই ধারাবাহিকতায় মাঝখানে মাত্র এক মেয়াদ ছাড়া ২০০৯ সাল থেকে টানা সাড়ে ১৫ বছর ক্ষমতা দখলে রেখে দেশবাসীর ওপর তাদের জুলুম ও  জাতীয় সম্পদ লুণ্ঠন এবং সর্বোপরি ক্ষমতার চিরস্থায়ী আওয়ামীকরণের পেছনে ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে জামায়াতের বালসুলভ রাজনৈতিক সিদ্ধান্তকে দায়ী করা হলে, তা বাড়িয়েও বলা হবে না অথবা ঐতিহাসিকভাবেও তা অসত্য হবে না। বিএনপির সঙ্গে জামায়াতের দূরত্ব সৃষ্টির পেছনে জামায়াতের একজন মাত্র ব্যক্তি সম্পর্কে বিএনপি সরকার জামায়াতের অনুকূলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ না করায় অথবা সে সম্পর্কে সরকার নীরবতা পালন করায় জামায়াত নিজেদের পরিণতি ও দেশের ভবিষ্যৎ না ভেবে রাজনৈতিক মূর্খতার পরিচয় দিয়েছিল। অবশ্য জামায়াত এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে স্বীকার করেনি যে কী কারণে ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে তারা বিএনপির ওপর নাখোশ হয়েছিল। জামায়াতের আচরণকে রহস্যজনক মনে হতো না, যদি তারা আবারও ২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপির সঙ্গে গাঁটছড়া না বাঁধত।

ব্যক্তিনির্ভর কোনো রাজনৈতিক দল বা গোষ্ঠী দীর্ঘদিন ক্ষমতায় আসীন থাকলে রাষ্ট্র যে সেই ব্যক্তির জমিদারি এবং জনগণ যে তার প্রজা হয়ে ওঠে, আধুনিক বিশ্বে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০০৯-২০২৪ পর্যন্ত সাড়ে ১৫ বছরের বাংলাদেশ তারই দৃষ্টান্ত। শেখ হাসিনা ছিলেন ৫৬ হাজার বর্গমাইল আয়তনবিশিষ্ট বাংলাদেশের প্রবল পরাক্রমশালী জমিদার, অথবা একচ্ছত্র ক্ষমতার অধিকারী এক রানি এবং দেশের ১৮ কোটি মানুষ তার প্রজা। তার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ এক লাঠিয়াল বাহিনীর নাম। লাঠিয়াল বাহিনীর এমনই দাপট যে তাদের অত্যাচারে ক্ষুব্ধ জনগণের মাঝে ধূমায়িত ক্ষোভের মাত্রা তারা বুঝতে পারেনি। নিজেদের অজেয় ভেবেছিল তারা এবং তাদের জমিদার বা রানিকে ভেবেছিল দশহস্তবিশিষ্ট দেবী মা দুর্গার প্রতিরূপ। সবকিছুর যে বিলয় বা ধ্বংস আছে, তাদের মাথায় তা প্রবেশ করেনি। যদি প্রবেশ করেও থাকে তা এমন এক সময়ে প্রবেশ করেছে যখন তারা ধ্বংসের প্রান্তে চলে গিয়েছিল, যেখান থেকে তাদের আর ফেরার উপায় ছিল না। শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের ক্ষেত্রে এটাই ঘটেছে। নিপীড়িত দেশবাসীর পুষে রাখা ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটে ২০২৪-এর জুলাই-আগস্টে এবং ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা ও তার লাঠিয়াল বাহিনী আওয়ামী লীগের দুঃশাসনের অবসান ঘটে।

শেখ হাসিনার পতন ঘটলেও শাসকের দম্ভ, আত্মগর্ব ও ঔদ্ধত্য বাংলাদেশ ও দেশবাসীর জন্য যে কত সর্বনাশা ও ধ্বংসাত্মক ছিল বাঙালি তা হাড়ে হাড়ে উপলব্ধি করেছে। ভবিষ্যতে যাতে এর পুনরাবৃত্তি না ঘটে, তা শুধু বাংলাদেশ নয়, বাংলাদেশের দৃষ্টান্ত থেকে অন্যান্য দেশেরও শেখা উচিত। কবি জন কিটস তাঁর ওড টু এ নাইটিংগেল কবিতায় বলেছেন, দাম্ভিকতা মানুষকে আত্মগর্বে অন্ধ করে ফেলে, বিষণ্নতায় ঠেলে দেয়। তার মাঝ থেকে নম্রতা, শালীনতা ও ভব্যতার গুণ হারিয়ে যায়। তিনি যা বলেন তা পরিণত হয় অহঙ্কারের প্রলাপে।  অনিয়ন্ত্রিত অহঙ্কার তাকে শ্রেষ্ঠত্বের বিপজ্জনক অনুভূতিতে জাপটে ধরে এবং বেলুনের মতো স্ফীত হতে থাকে। কবি পার্সি শেলি তাঁর এক কবিতায় এই বিভ্রম বা মনোবৈকল্যকে একসময়ের পরাক্রমশালী শাসকের উপড়ে ফেলা মূর্তি হিসেবে বর্ণনা করেছেন, যা ছিল সেই শাসকের অহঙ্কার এবং ক্ষমতার ক্ষণস্থায়ী বৈশিষ্টের প্রমাণ। কবি লিখেছেন : Look on my works, ye mighty, and despair! (আমার কাজগুলো দেখ, হে পরাক্রমশালী এবং আমার হতাশা দেখ)! শাসকের অহঙ্কারের পরিণতি ছিল কারণ তার সাম্রাজ্যের ধ্বংস। পিতা শেখ মুজিব ও কন্যা শেখ হাসিনা রাষ্ট্রক্ষমতা নিজেদের দখলে রাখার যে একগুঁয়েমি করেছেন তাতে দেশ এক পা এগিয়ে বহু পা পিছিয়ে গেছে। স্বাধীনতার ৫৪ বছরের মধ্যে প্রায় ২৫ বছরই বাংলাদেশ শাসন করেছে আওয়ামী লীগ। তারা রাষ্ট্রক্ষমতা দখলে রাখার জন্য যত ব্যগ্র দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার দিকে তারা মনোযোগী না হওয়ায় বাংলাদেশ বারবার মুখ থুবড়ে পড়েছে। 

কবি উইলিয়াম আর্নেস্ট হেনলি তার ইনভিকটাস কবিতায় শাসকের আত্মকেন্দ্রিকতা ও অতি ঔদ্ধত্যের প্রতিধ্বনি করেছেন, তা শেখ হাসিনার ক্ষেত্রে পুরোপুরি প্রযোজ্য। কবিতার শেষ লাইনটি হচ্ছে : I am the master of my fate, I am the captain of my soul. (আমিই আমার ভাগ্য নিয়ন্তা, আমিই আমার আত্মার পরিচালক)। আমাদের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ক্ষেত্রে তা-ই ঘটেছিল। তিনি তাকে মোকাবিলা করতে সক্ষম কোনো প্রতিপক্ষ দেখেননি। দৃশ্যমান সব প্রতিপক্ষকে নির্মূল করে তিনি তার চারপাশে গড়ে তুলেছিলেন সীমাহীন দম্ভের বলয়। কবি টি এস এলিয়টও একইভাবে তার দ্য লাভ সং অব জে আলফ্রেড প্রুফ্রোক-এ বলেছেন যে, অহঙ্কারী ব্যক্তি ভাবতে অক্ষম যে তাকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। তার মনে সন্দেহ উঁকি দেয়। কিন্তু অহঙ্কার ও দম্ভ কাটিয়ে উঠতে পারেন না। তিনি আত্ম-অহঙ্কারে আচ্ছন্ন, তার বিশ্বাস তার কাজের পরিণতি হবে সুদূরপ্রসারী। 

শেষ পর্যন্ত তার অহংবোধের কাছে পরাভূত হতে চান না। কিন্তু পরাজিত হতেই হয়। দুঃশাসনের অনিবার্য পরিণতি পরাজয় ও পলায়ন এবং অদৃষ্ট মন্দ হলে জনরোষে মৃত্যু। শেখ হাসিনা জীবিত আছেন। দিল্লির অজ্ঞাত, কিন্তু নিরাপদ অবস্থান থেকে  তিনি এখনো দম্ভোক্তি করে চলেছেন, সীমাহীন ঔদ্ধত্য প্রদর্শন করছেন। দিনের পর দিন উসকানিমূলক কথাবার্তা বলে তিনি কী দেশকে অস্থিতিশীল করায় ইন্ধন জোগাচ্ছেন এবং দেশবাসীকে কী আবারও বিপদের মধ্যে ফেলতে যাচ্ছেন? এ ব্যাপারে অন্তর্বর্তী সরকার এবং দেশবাসীকে সতর্ক থাকতে হবে, যাতে কোনো আওয়ামী লীগের মতো অশুভ ও বারবার অধঃপতিত রাজনৈতিক শক্তি দেশের কোনো ক্ষতিসাধন করতে না পারে।

    লেখক : নিউইয়র্কপ্রবাসী, সিনিয়র সাংবাদিক

এই বিভাগের আরও খবর
তরমুজ-শসা খান
তরমুজ-শসা খান
আহা! ডিজিটাল বাংলাদেশ
আহা! ডিজিটাল বাংলাদেশ
ইউনূস-মোদি বৈঠক
ইউনূস-মোদি বৈঠক
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
সামাজিক ব্যবসা
সামাজিক ব্যবসা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
রেমিট্যান্সে আশার আলো
রেমিট্যান্সে আশার আলো
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
সর্বশেষ খবর
সাকিব আল হাসানের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলছে: দুদক চেয়ারম্যান
সাকিব আল হাসানের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলছে: দুদক চেয়ারম্যান

এই মাত্র | জাতীয়

মোবাইল চালাতে না দেওয়ায় কিশোরীর আত্মহত্যা
মোবাইল চালাতে না দেওয়ায় কিশোরীর আত্মহত্যা

৮ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

তিন মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে রদবদল
তিন মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে রদবদল

১৪ মিনিট আগে | জাতীয়

দেশে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড, মার্চে এল ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি
দেশে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড, মার্চে এল ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি

১৬ মিনিট আগে | বাণিজ্য

ঢাকাসহ সাত বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস
ঢাকাসহ সাত বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

৫২ মিনিট আগে | জাতীয়

নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ডে প্যারেড ১৩ এপ্রিল
নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ডে প্যারেড ১৩ এপ্রিল

৫৮ মিনিট আগে | পরবাস

যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্পবিরোধী সর্ববৃহৎ সমাবেশ
যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্পবিরোধী সর্ববৃহৎ সমাবেশ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রেমের ফাঁদে ফেলে অপহরণের পর মুক্তিপণ আদায়, আটক ২
প্রেমের ফাঁদে ফেলে অপহরণের পর মুক্তিপণ আদায়, আটক ২

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

৮ দিন পর আখাউড়ায় স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি শুরু
৮ দিন পর আখাউড়ায় স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি শুরু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরিবেশ রক্ষায় ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে কাজের আহ্বান উপদেষ্টার
পরিবেশ রক্ষায় ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে কাজের আহ্বান উপদেষ্টার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সীমান্তে বিজিবি'র অভিযানে ২০ বার্মিজ গরু জব্দ
সীমান্তে বিজিবি'র অভিযানে ২০ বার্মিজ গরু জব্দ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েল সফরে গিয়ে অপমানিত দুই ব্রিটিশ নারী এমপি
ইসরায়েল সফরে গিয়ে অপমানিত দুই ব্রিটিশ নারী এমপি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতুতে ২ কোটি ৬৬ লাখ টাকার টোল আদায়
২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতুতে ২ কোটি ৬৬ লাখ টাকার টোল আদায়

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আইপিএলে ফিরতে প্রস্তুত বুমরাহ!
আইপিএলে ফিরতে প্রস্তুত বুমরাহ!

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদের লম্বা ছুটি শেষে চেনা রূপে ফিরছে রাজধানী, সড়কে যানজট
ঈদের লম্বা ছুটি শেষে চেনা রূপে ফিরছে রাজধানী, সড়কে যানজট

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

এফবিজেএ'র নতুন কমিটি
এফবিজেএ'র নতুন কমিটি

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

সীমানা পুনর্নির্ধারণসহ নির্বাচনের সব কাজ ভালোভাবে এগোচ্ছে: সিইসি
সীমানা পুনর্নির্ধারণসহ নির্বাচনের সব কাজ ভালোভাবে এগোচ্ছে: সিইসি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দুই দফা দাবিতে শহীদ মিনারে চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের অবস্থান
দুই দফা দাবিতে শহীদ মিনারে চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের অবস্থান

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মানবপাচার রোধে বাংলাদেশ নিজ প্রতিশ্রুতিতে অটল: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
মানবপাচার রোধে বাংলাদেশ নিজ প্রতিশ্রুতিতে অটল: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যমুনা সেতুতে ২৪ ঘণ্টায় টোল আদায় দুই কোটি ৬৬ লাখ টাকা
যমুনা সেতুতে ২৪ ঘণ্টায় টোল আদায় দুই কোটি ৬৬ লাখ টাকা

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সন্দেহভাজন ব্যক্তির অনুপ্রবেশের জেরে কানাডার পার্লামেন্ট লকডাউন!
সন্দেহভাজন ব্যক্তির অনুপ্রবেশের জেরে কানাডার পার্লামেন্ট লকডাউন!

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে
বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সোমবার বৈঠকে বসছেন ট্রাম্প-নেতানিয়াহু
সোমবার বৈঠকে বসছেন ট্রাম্প-নেতানিয়াহু

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডায়াবেটিস রোগীদের আতঙ্ক
ডায়াবেটিস রোগীদের আতঙ্ক

২ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

দর্শক পেটাতে যাওয়া খুশদিলকে নিয়ে যা বলছে পিসিবি
দর্শক পেটাতে যাওয়া খুশদিলকে নিয়ে যা বলছে পিসিবি

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কক্সবাজারে জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে নিহত ৩
কক্সবাজারে জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে নিহত ৩

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি
‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সাহারার প্রাচীন মমিতে মিলল ৭০০০ বছর আগের মানব ইতিহাসের সন্ধান
সাহারার প্রাচীন মমিতে মিলল ৭০০০ বছর আগের মানব ইতিহাসের সন্ধান

২ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

১৭ হাজার শিশুর রক্তে রঞ্জিত গাজা, অনাথ ৩৯ হাজারের বেশি
১৭ হাজার শিশুর রক্তে রঞ্জিত গাজা, অনাথ ৩৯ হাজারের বেশি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্রীড়া দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে র‌্যালি
ক্রীড়া দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে র‌্যালি

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর সৌদির সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা
বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর সৌদির সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে
কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ভারতের ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল
ভারতের ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন
আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি
হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে
বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো
ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচার
যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচার

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল
আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদের পঞ্চম দিনেও ‘দাগি’-‘জংলি’র দাপট অব্যাহত, আয় কত?
ঈদের পঞ্চম দিনেও ‘দাগি’-‘জংলি’র দাপট অব্যাহত, আয় কত?

২১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি
ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক
যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের
শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি
সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ
ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব সামাল দেয়া কঠিন নয় : অর্থ উপদেষ্টা
ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব সামাল দেয়া কঠিন নয় : অর্থ উপদেষ্টা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ
গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?
স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত
বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি  তীর্থযাত্রী
ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি তীর্থযাত্রী

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা
শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা

১৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি
‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

প্রিন্ট সর্বাধিক
সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম
সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম

পেছনের পৃষ্ঠা

মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক
মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক

প্রথম পৃষ্ঠা

জটিলতা ৫৫ আসনে
জটিলতা ৫৫ আসনে

পেছনের পৃষ্ঠা

ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ
ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার
ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার

প্রথম পৃষ্ঠা

দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি
দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি

প্রথম পৃষ্ঠা

এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত
এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত

প্রথম পৃষ্ঠা

ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই
ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার
রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার

পেছনের পৃষ্ঠা

বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার
বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার

পেছনের পৃষ্ঠা

যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ
যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ

প্রথম পৃষ্ঠা

বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক
বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক

শোবিজ

বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের ওপর সৌদির ভিসা নিষেধাজ্ঞা
বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের ওপর সৌদির ভিসা নিষেধাজ্ঞা

পেছনের পৃষ্ঠা

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

প্রথম পৃষ্ঠা

সাবেক রেলমন্ত্রীর বাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ
সাবেক রেলমন্ত্রীর বাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

পেছনের পৃষ্ঠা

সুপার লিগে খেলার লড়াই
সুপার লিগে খেলার লড়াই

মাঠে ময়দানে

ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা
ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

একই দিনে দুই বিয়ে
একই দিনে দুই বিয়ে

শোবিজ

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

লাহোরে নিগারদের অনুশীলন
লাহোরে নিগারদের অনুশীলন

মাঠে ময়দানে

ফুটবলেই থাকছেন সালাউদ্দিন
ফুটবলেই থাকছেন সালাউদ্দিন

মাঠে ময়দানে

অভিযোগের জবাবে পরী
অভিযোগের জবাবে পরী

শোবিজ

ডলি সায়ন্তনীর এই জমানার মেয়ে
ডলি সায়ন্তনীর এই জমানার মেয়ে

শোবিজ

সরকারি বই দিতে ঘুষ
সরকারি বই দিতে ঘুষ

পেছনের পৃষ্ঠা

লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি
লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি

দেশগ্রাম

হামজার অন্যরকম মাইলফলক
হামজার অন্যরকম মাইলফলক

মাঠে ময়দানে

বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০
বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০

প্রথম পৃষ্ঠা

আওয়ামী লীগের বিচার চায় বিএনপি
আওয়ামী লীগের বিচার চায় বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা