যাদের গরমে রোদে দাঁড়িয়ে বা পথেঘাটে কাজ করতে হয়, তারা কীভাবে সুস্থ থাকবেন? তারা মাঝেমধ্যে তরমুজ খাবেন। ফুটি পেলে ফুটিও খান। লেবু রাখবেন সঙ্গে। অন্য কিছু পেলেন না তো বয়েই গেল। যেকোনো ধরনের লেবু হোক, রোজ খান। তেষ্টা পেলে পানিতে একটু লবণ ফেলে খান। আরও ভালো হয়, বাড়ি থেকে পানি নেওয়ার সময় তাতে পুদিনাপাতা ছেঁচে মিশিয়ে শরবতের মতো করে পান করতে পারলে। পিঁয়াজ, লঙ্কা, লবণ, তেল দিয়ে পান্তাভাত খেয়ে ডিউটিতে যান অথবা শুধু পান্তাভাত খেয়ে সারুন সকালের নাশতা। বক্তৃতা, সভা, পাড়া টহল দিতে পান্তা খেয়ে বেরোন। দুপুরের জন্য গরমভাত একটু ঠান্ডা করে তাতে পানি ঢেলে, পিঁয়াজ, তেল দিয়ে খান। লু-র উপদ্রব থেকে বাঁচতে দিনে দুটো কাঁচা পিঁয়াজ খেতে হবে। শসা খাবেন। তাজা শসা পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে একটু মসলা-নুন মাখিয়ে দিনে দুই-তিনবার খান। টকদই-ভাত, ঘোল খান। দইয়ের চেয়ে ঘোল ভালো। বাড়ি থেকে বেরোনোর আগে এক গ্লাস ঘোল খেয়ে বের হোন। আমপোড়ার শরবত খান। পিত্তদোষের প্রকোপ আটকাতে মিছরির পানি খান। ধনে, পলতা ও মৌরি ভেজানো পানির মধ্যে মিছরি মিশিয়ে খান। রোদ যত চড়া হবে, মুখে-চোখে তত পানি দেবেন, হাত দুটো ভিজিয়ে নেবেন, পা দুটো পানিভেজা করবেন।
আফতাব চৌধুরী