সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশের বহির্গমন ছাড়পত্রের আবেদন সরাসরি না নেওয়ায় জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোতে (বিএমইটি) আন্দোলন করেছে রিক্রুটিং এজেন্সিদের সংগঠন বায়রার সদস্যরা। এ সময় বিএমইটি কর্মকর্তাদের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের হট্টগোল, বাগবিতণ্ডা ও ধাক্কাধাক্কি হয়।
গতকাল বিএমইটির প্রধান কার্যালয়ের নিচে এই ঘটনা ঘটে। পরে বায়রার সাবেক যুগ্ম মহাসচিব ফখরুল ইসলামের নেতৃত্বে এজেন্সির প্রায় ৩০ জন সদস্য বিএমইটি মহাপরিচালক সালেহ আহমদ মোজাফফরের দপ্তরে আলোচনায় বসেন।
এ সময় বায়রার সাবেক যুগ্ম মহাসচিব ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘বিএমইটি ক্লিয়ারেন্সে নিয়ে বারবার সমস্যা তৈরি হচ্ছে। আজও কোনো ফাইল জমা নেয়নি। হঠাৎ করে সব ফাইল অনলাইনে জমা দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে, ম্যানুয়ালি কোনো ফাইল আজ গ্রহণ করেনি। যে কোনো নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে ন্যূনতম কিছু দিন সময় দিতে হয়। কিন্তু কিছু কর্মকর্তা তা না করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে।’ রিক্রুটিং এজেন্সির প্রতিনিধিরা বলেন, বিএমইটি হঠাৎ করে সৌদি ভিসার ক্ষেত্রে সত্যায়ন চায়। কিন্তু এটা এক মাস আগে জানালে হতো। গতকাল থেকে হঠাৎ তারা অনলাইনে একটা করে আবেদন জমা নিচ্ছে। আগে প্রতিদিন ৪০ থেকে ৫০টা আবেদন করা যেত।
ব্রাদার্স ম্যানপাওয়ার সার্ভিসের কর্মী দেলোয়ার হোসেন জানান, গতকাল থেকে বিএমইটি ক্লিয়ারেন্সের আবেদন ম্যানুয়ালি নিচ্ছে না। আজ থেকে অনলাইনে জমা নিচ্ছে। কিন্তু অনলাইনে দিনে একটার বেশি আবেদন দেওয়া যায় না। এই মুহূর্তে আমাদের এজেন্সির এত আবেদন কীভাবে করব। তিনি বলেন, আমাদের অনেক কর্মীর টিকিট কাটা হয়ে গেছে। এখন ক্লিয়ারেন্স কার্ড নিতে না পারলে তাদের ফ্লাইট মিস হয়ে যাবে। তারা হঠাৎ এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অন্তত এক মাস আগে থেকে জানালে সেভাবে প্রস্তুতি নিতাম। বিএমইটি অতিরিক্ত মহাপরিচালক (কর্মসংস্থান) মোহাম্মদ আবদুল হাই বলেন, আমরা এ বিষয়ে বায়রার নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত জানাব।