শিরোনাম
প্রকাশ: ১৮:৪৭, বুধবার, ০২ এপ্রিল, ২০২৫

আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার

পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি দখলদারদের অবৈধ বসতির বিজ্ঞাপন প্রচার করছে ফেসবুক! শুধু তাই নয়, গাজায় মোতায়েন করা ইসরায়েলি সেনাদের জন্য অর্থ সহায়তা সংগ্রহের বিজ্ঞাপনও দেখা গেছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক অনুসন্ধানে এই তথ্য উঠে এসেছে।

আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফেসবুকে শতাধিক উগ্র জায়নবাদী বিজ্ঞাপন দেখা গেছে, যার মধ্যে ইসরায়েলি প্রশাসনের প্রতি ফিলিস্তিনিদের অবকাঠামো ভেঙে ফেলারও আহ্বান ছিল। বিশ্লেষকদের মতে, এসব বিজ্ঞাপনের প্রচার আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের শামিল।

আল-জাজিরার তথ্য অনুযায়ী, এসব বিজ্ঞাপনের মধ্যে অন্তত ৫০টি বিজ্ঞাপন ছিল ইসরায়েলি বিভিন্ন রিয়েল এস্টেট কোম্পানির। তারা মূলত পশ্চিম তীরে অবৈধভাবে গড়ে তোলা ইসরায়েলি বসতির আবাসন বিক্রির বিজ্ঞাপন দিয়েছে। ২০২৪ সালের মার্চে প্রথমবারের মতো এই বিজ্ঞাপনগুলো প্রচার করা হয়, যখন গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযান তীব্রতর হচ্ছিল।

বিজ্ঞাপনগুলোর প্রধান লক্ষ্য ছিল ইসরায়েলি নাগরিকরা। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের কিছু ব্যবহারকারীর কাছেও এসব বিজ্ঞাপন পৌঁছেছে। বিজ্ঞাপনদাতাদের মধ্যে ছিল ‘রামাত আদেরেত’ নামের একটি রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠান, যার বর্তমান বাজারমূল্য ৩০০ মিলিয়ন ডলার। প্রতিষ্ঠানটি অর্থায়ন করছে ইসরায়েলের ‘ফার্স্ট ইন্টারন্যাশনাল ব্যাংক’, যা বয়কট, ডাইভেস্টমেন্ট ও স্যাংকশন (BDS) আন্দোলনের লক্ষ্যবস্তু হয়ে আসছে।

বসতি সম্প্রসারণে মেটার ভূমিকা
রামাত আদেরেতের প্রকল্পটি ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সীমানা নির্ধারণকারী গ্রিন লাইনের ২০ কিলোমিটার পূর্বে দখলকৃত পশ্চিম তীরে অবস্থিত। তাদের পৃথক দুটি প্রকল্পের আওতায় সেখানে প্রায় ২৭টি বিলাসবহুল ভবন তৈরি করা হয়েছে।

এই প্রকল্পের বিজ্ঞাপন ইস্যুতে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তারা সাড়া দেয়নি। তবে গাবাই রিয়েল এস্টেট নামের আরেকটি প্রতিষ্ঠান আল-জাজিরাকে জানিয়েছে যে তাদের বাজেট স্বল্পতার কারণে ৪৮টির বেশি বিজ্ঞাপন দেওয়া সম্ভব হয়নি। প্রতিষ্ঠানটির মালিক ইয়ানিভ গাবাই বলেছেন, “যত বেশি ইহুদি পশ্চিম তীরে ফিরবে, আমাদের বাজেট তত বাড়বে এবং আমরা আরও বিজ্ঞাপন দিতে পারব।”

ইসরায়েলি সেনাদের জন্য অর্থ সংগ্রহের বিজ্ঞাপন
আল-জাজিরার অনুসন্ধানে আরও উঠে এসেছে, এসব বিজ্ঞাপনের অন্তত ৫০টি ছিল কট্টর ডানপন্থী রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠান ‘রেগাভিম’-এর। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোত্রিচ, যিনি ২০২৩ সালে ঘোষণা দেন যে পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণের জন্য আর কোনো সামরিক বা রাজনৈতিক অনুমোদনের প্রয়োজন নেই।

রেগাভিমের বেশির ভাগ বিজ্ঞাপনেই ফিলিস্তিনি অবকাঠামো ধ্বংসে ইসরায়েলি প্রশাসন ও দখলদারদের উৎসাহিত করা হয়েছে। একটি বিজ্ঞাপনে একটি ফিলিস্তিনি স্কুল ধ্বংস করার ঘটনায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করা হয়। অন্য একটি বিজ্ঞাপনে পশ্চিম তীরের একটি ওয়াটার পার্ক ভেঙে ফেলার দাবি জানানো হয়েছে। সেখানে লেখা ছিল—“আমাদের টাকায় ফুর্তি করছে ফিলিস্তিনিরা।”

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া ও সমালোচনা
স্কুল ধ্বংসের ঘটনায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ‘হিউম্যান রাইটস ওয়াচ’ নিন্দা জানিয়েছে। মানবাধিকার সংস্থাটি বলছে, এটি বৈষম্যমূলক এবং শিশুদের শিক্ষার অধিকারের লঙ্ঘন।

২০২৪ সালের অক্টোবরে, প্রায় ৯০ জন মার্কিন আইনপ্রণেতা তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে রেগাভিমের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানান। তবে রেগাভিম নিজেদের কট্টর ডানপন্থী বা বসতি স্থাপনকারী গোষ্ঠী হিসেবে স্বীকার করে না। তারা নিজেদের “জনমত জরিপকারী এবং জাতীয় নীতি নির্ধারণ ও বিতর্কের অংশীদার” হিসেবে দাবি করে।

ব্রিটিশ সংসদ সদস্য ব্রায়ান লেইশম্যান বলেছেন, “ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থী গোষ্ঠীগুলো এবং ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী বিষয় প্রচার করছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।”

এই বিষয়ে মেটার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা এটিকে “স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতির একটি ত্রুটি” বলে দাবি করেছে। প্রতিষ্ঠানটির একজন কর্মকর্তা বলেছেন, “আমাদের বিজ্ঞাপন পর্যালোচনার জন্য একটি শক্তিশালী প্রক্রিয়া রয়েছে। তবে এটি মূলত স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীল। যে কারণে কিছু ক্ষেত্রে ম্যানুয়াল পর্যালোচনার প্রয়োজন হয়।”

তবে যুক্তরাজ্যের নর্থামব্রিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘সেন্টার ফর ডিজিটাল সিটিজেন’-এর গবেষক ক্যারোলিনা আরে জানিয়েছেন, “এই বিজ্ঞাপনগুলো সাধারণ রিয়েল এস্টেট বিজ্ঞাপনের মতো উপস্থাপন করা হয়েছে, যে কারণে এটি স্বয়ংক্রিয় পর্যালোচনাকে এড়িয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।”

ফেসবুক কি যুদ্ধাপরাধে সহযোগী? 

আল-জাজিরার অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এসব বিজ্ঞাপনের মধ্যে আগ্নেয়াস্ত্র মডিফিকেশনের উপকরণের বিজ্ঞাপনও রয়েছে। অথচ মেটার বিজ্ঞাপন নীতিমালা অনুযায়ী, বিজ্ঞাপনে অস্ত্র, গোলাবারুদ বা বিস্ফোরকের বিক্রয় বা ব্যবহার প্রচার করা যাবে না।

যুক্তরাজ্যের কুইন মেরি ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক নেভ গর্ডন বলেছেন, “ফেসবুক অপরাধমূলক কার্যকলাপ থেকে মুনাফা করছে। তারা যুদ্ধাপরাধকে স্বাভাবিক, বৈধ এবং গ্রহণযোগ্য করতে ভূমিকা রাখছে।”

আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, পশ্চিম তীরের সব ইসরায়েলি বসতি অবৈধ। দখলদার শক্তির নিজ দেশের নাগরিকদের দখলকৃত অঞ্চলে স্থানান্তরিত করা আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের রোম সংবিধির অধীনে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বিবেচিত।

সূত্র: আল জাজিরা 

বিডি প্রতিদিন/আশিক

এই বিভাগের আরও খবর
জনশূন্য দ্বীপেও শুল্ক বসালেন ট্রাম্প
জনশূন্য দ্বীপেও শুল্ক বসালেন ট্রাম্প
মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস
মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস
ইন্দোনেশিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্প
ইন্দোনেশিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্প
নতুন শুল্ক আরোপ ট্রাম্পের, দেশে দেশে পাল্টা পদক্ষেপের ঘোষণা
নতুন শুল্ক আরোপ ট্রাম্পের, দেশে দেশে পাল্টা পদক্ষেপের ঘোষণা
ভারতে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, পাইলট নিহত
ভারতে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, পাইলট নিহত
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
গাজায় জাতিসংঘের ক্লিনিকে বোমা হামলা
গাজায় জাতিসংঘের ক্লিনিকে বোমা হামলা
গাজার ‘বিস্তীর্ণ এলাকা’ দখলে নিতে চায় ইসরায়েল
গাজার ‘বিস্তীর্ণ এলাকা’ দখলে নিতে চায় ইসরায়েল
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
ইসরায়েলি হামলায় আরও ৭৭ ফিলিস্তিনি নিহত
ইসরায়েলি হামলায় আরও ৭৭ ফিলিস্তিনি নিহত
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
সর্বশেষ খবর
এসএসসি পরীক্ষা পেছানোর কোনো সুযোগ নেই : শিক্ষা বোর্ড
এসএসসি পরীক্ষা পেছানোর কোনো সুযোগ নেই : শিক্ষা বোর্ড

৪২ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

টাঙ্গুয়ার হাওরের পরিবেশ রক্ষায় পর্যটকের অনন্য উদ্যোগ, ৫ মণ প্লাস্টিকবর্জ্য অপসারণ
টাঙ্গুয়ার হাওরের পরিবেশ রক্ষায় পর্যটকের অনন্য উদ্যোগ, ৫ মণ প্লাস্টিকবর্জ্য অপসারণ

৭ মিনিট আগে | প্রকৃতি ও পরিবেশ

১০০ শয্যার জনবল দিয়ে চলছে ২৫০ শয্যার হাসপাতাল, গাইবান্ধায় ক্ষোভ
১০০ শয্যার জনবল দিয়ে চলছে ২৫০ শয্যার হাসপাতাল, গাইবান্ধায় ক্ষোভ

৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বগুড়ায় অগ্নিকাণ্ডে গবাদী পশুসহ মালামাল পুড়ে ছাই
বগুড়ায় অগ্নিকাণ্ডে গবাদী পশুসহ মালামাল পুড়ে ছাই

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জনশূন্য দ্বীপেও শুল্ক বসালেন ট্রাম্প
জনশূন্য দ্বীপেও শুল্ক বসালেন ট্রাম্প

১৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএলে নতুন উচ্চতায় ভুবনেশ্বর কুমার
আইপিএলে নতুন উচ্চতায় ভুবনেশ্বর কুমার

১৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

শিশু অপহরণের ঘটনায় 
পুলিশের ওপর হামলা, গ্রেফতার ২২
শিশু অপহরণের ঘটনায়  পুলিশের ওপর হামলা, গ্রেফতার ২২

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দীর্ঘদিন পর নির্ভয়ে ঈদ করলেন চট্টগ্রামের বিএনপি নেতাকর্মীরা
দীর্ঘদিন পর নির্ভয়ে ঈদ করলেন চট্টগ্রামের বিএনপি নেতাকর্মীরা

২০ মিনিট আগে | রাজনীতি

তরুণ প্রজন্মকে উদ্যোক্তা হওয়ার পরামর্শ ড. ইউনূসের
তরুণ প্রজন্মকে উদ্যোক্তা হওয়ার পরামর্শ ড. ইউনূসের

৩২ মিনিট আগে | জাতীয়

রাজবাড়ীতে প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ, যুবক গ্রেফতার
রাজবাড়ীতে প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ, যুবক গ্রেফতার

৫৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

টেকনাফে এক লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার
টেকনাফে এক লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার

৫৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুড়িগ্রামে মহাসড়ক ও বাস কাউন্টারে জরিমানা আদায়
কুড়িগ্রামে মহাসড়ক ও বাস কাউন্টারে জরিমানা আদায়

৫৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রেনে আগুন : আড়াই ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক
ট্রেনে আগুন : আড়াই ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পাহাড়ে চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
পাহাড়ে চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বরিশালে নছিমন উল্টে তরুণ নিহত
বরিশালে নছিমন উল্টে তরুণ নিহত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

খোকসায় আট বছরের শিশু ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার
খোকসায় আট বছরের শিশু ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কাহারোল নূরানী তা’লীমুল কুরআন মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের 
পুনর্মিলনী
কাহারোল নূরানী তা’লীমুল কুরআন মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের  পুনর্মিলনী

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস
মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গচ্ছিত টাকাও আ.লীগ লুটপাট করে খেয়েছে’
‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গচ্ছিত টাকাও আ.লীগ লুটপাট করে খেয়েছে’

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্ক-আঘাতে ধরাশায়ী এশিয়ার শেয়ারবাজার
ট্রাম্পের শুল্ক-আঘাতে ধরাশায়ী এশিয়ার শেয়ারবাজার

১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা
ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রমজানের অর্জন ধরে রাখা আবশ্যক
রমজানের অর্জন ধরে রাখা আবশ্যক

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ঈদে সেনা-পুলিশের যৌথ টহলে নীলফামারীতে স্বস্তি
ঈদে সেনা-পুলিশের যৌথ টহলে নীলফামারীতে স্বস্তি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বসুন্ধরা শুভসংঘের সেলাই মেশিনে স্বাবলম্বী আনোয়ারা
বসুন্ধরা শুভসংঘের সেলাই মেশিনে স্বাবলম্বী আনোয়ারা

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

সরকারি দেবেন্দ্র কলেজ ছাত্রদলের ঈদ পুনর্মিলনী
সরকারি দেবেন্দ্র কলেজ ছাত্রদলের ঈদ পুনর্মিলনী

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক
শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চসিকের সাবেক কাউন্সিলর গ্রেফতার
চসিকের সাবেক কাউন্সিলর গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

১৮ হাজার টাকার জন্য চাপ, বিষপানে দিনমজুরের আত্মহত্যা
১৮ হাজার টাকার জন্য চাপ, বিষপানে দিনমজুরের আত্মহত্যা

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

চট্টগ্রামে গুলিবিদ্ধ যুবদল নেতার মৃত্যু
চট্টগ্রামে গুলিবিদ্ধ যুবদল নেতার মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সর্বাধিক পঠিত
নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে
নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের
উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন
ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা
হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা

১৪ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ
সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার
আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিয়ানমারের ভূমিকম্প: নামাজরত অবস্থায় ৫ শতাধিক মুসল্লির মৃত্যু
মিয়ানমারের ভূমিকম্প: নামাজরত অবস্থায় ৫ শতাধিক মুসল্লির মৃত্যু

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রেস সচিব
২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রেস সচিব

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!
১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন
সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস
শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র
হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কালুরঘাটে রেল ও সড়ক সেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ১৪ মে
কালুরঘাটে রেল ও সড়ক সেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ১৪ মে

২০ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের
ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাসিনার বিরুদ্ধে গণহত্যা মামলার খসড়া তদন্ত রিপোর্ট পেয়েছে প্রসিকিউশন
হাসিনার বিরুদ্ধে গণহত্যা মামলার খসড়া তদন্ত রিপোর্ট পেয়েছে প্রসিকিউশন

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদের দিন ঘুরতে বেরিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেফতার
ঈদের দিন ঘুরতে বেরিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেফতার

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩ এপ্রিল)

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে

সম্পাদকীয়

চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই
চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সর্বত্র ভোটের আলোচনা
সর্বত্র ভোটের আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া
সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়
উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়

পেছনের পৃষ্ঠা

ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত
ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত

প্রথম পৃষ্ঠা

ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড
ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড

মাঠে ময়দানে

ঈদের ৬ ছবির হালচাল
ঈদের ৬ ছবির হালচাল

শোবিজ

কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন
কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন

পেছনের পৃষ্ঠা

শাকিবের প্রশংসায় বুবলী
শাকিবের প্রশংসায় বুবলী

শোবিজ

ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল
ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল

প্রথম পৃষ্ঠা

৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের
৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের

প্রথম পৃষ্ঠা

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই

সম্পাদকীয়

রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা
রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা

নগর জীবন

ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়
ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়

প্রথম পৃষ্ঠা

গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে
গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে
বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে

প্রথম পৃষ্ঠা

চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা
চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব
মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব

দেশগ্রাম

বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ
বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ

দেশগ্রাম

মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন
মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন

প্রথম পৃষ্ঠা

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

প্রথম পৃষ্ঠা

দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার
দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার

দেশগ্রাম

কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ

সম্পাদকীয়

দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪
দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪

পেছনের পৃষ্ঠা

আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা
আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা

রকমারি নগর পরিক্রমা

ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ
ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট
ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট

পেছনের পৃষ্ঠা

নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন
নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন

পূর্ব-পশ্চিম