পাহাড় এবং সমতলের অবৈধ অস্ত্র দ্রুত উদ্ধার করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
তিনি বলেন, গত ৫ আগস্টের সময় থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র দিয়ে চাঁদাবাজিসহ দেশেকে অস্থিতিশীল করে তুলার চেষ্টা করছে একটি মহল। কোনো চাঁদাবাজকে ছাড় দেওয়া হবে না। পাহাড় হোক কিংবা সমতল। পাহাড়ের অবৈধ অস্ত্র ও সমতলে থানা থেকে লুট হওয়া হাতিয়ার উদ্ধার অভিযান অব্যাহত আছে।
বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবির রাঙামাটি সেক্টর পরিদর্শনের পর স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীদের এক ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
এ সময় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা, বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দীক, বিজিবির অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সোহরাব হোসেন ভূঁইয়া, ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহেদ কামাল, ঢাকা পিলখানা ব্যুরো চীফ অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. ইয়াছিন জাহান হোসেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব কাজী মো. সাইফুল ইসলাম, রাঙামাটি জেলা প্রশাসক মো. হাবিব উল্লাহ ও জেলা পুলিশ সুপার ড. এসএম ফরহাদ হোসেনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, পাহাড় ও সমতলের সন্ত্রাস দমনের পাশাপাশি চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে আছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি কেউ হাতে নিলে কঠোর শাস্তি পেতে হবে। পাহাড়ের শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিজিবিসহ সব বাহিনীকে দির্শেনা দেওয়া আছে।
তিনি বলেন, সীমান্তের সুরক্ষার পাশাপাশি অবৈধ অস্ত্র ও চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ করতে রাষ্ট্র সব ধরনের সহায়তা করবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে।
এ আগে সম্প্রতি অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ইউনিয়নের পর্যটক কেন্দ্র সাজেক ভ্যালির বর্তমান পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
বিডি-প্রতিদিন/বাজিত