গাজায় জাতিসংঘের ক্লিনিকে ইসরায়েলি বোমা হামলায় অন্তত ২২ ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। আহত অনেকের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় নিহতের সংখ্যা বাড়তে পারে। তুরস্কের সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি এ তথ্য জানিয়েছে।
গাজার স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, বুধবার (২ এপ্রিল) উত্তর গাজায় জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থী সংস্থা (ইউএনআরডব্লিউএ) পরিচালিত একটি স্বাস্থ্য ক্লিনিকে ইসরায়েলি বিমান হামলা চালায়। কোনো ধরনের পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই হামলাটি করা হয়। নিহতদের মধ্যে নারী, শিশু এবং বয়স্ক ব্যক্তিরাও রয়েছেন।
গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে। তারা এই হামলাকে সম্পূর্ণ যুদ্ধাপরাধ বলে উল্লেখ করে বিশ্ব সম্প্রদায়ের হস্তক্ষেপ কামনা করে।
একটি মেডিকেল সূত্র জানিয়েছে, জাতিসংঘ পরিচালিত ক্লিনিকটিতে জাবালিয়া শহরের শত শত বাস্তুচ্যুত বেসামরিক নাগরিক আশ্রয় নিয়েছিলেন। নিহতদের মধ্যে ৯ জন শিশু রয়েছে। ক্লিনিকটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় আহতদেরও পর্যাপ্ত চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, হামলার ফলে ভবনটিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ফলে বেশ কয়েকজন নিহতের মৃতদেহ পুড়ে গেছে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী হামলার কথা স্বীকার করেছে এবং দাবি করেছে যে হামাস সদস্যরা ক্লিনিকের ভেতরে সন্ত্রাসী কাজ করছিল। তবে তারা কোনো প্রমাণ দিতে পারেনি।
অন্যদিকে, হামাস তাদের পক্ষ থেকে ইসরায়েলি দাবিগুলোকে ‘অপরাধকে ন্যায্যতা দেওয়ার জন্য স্পষ্ট মিথ্যাচার’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।
বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ