শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:৫০, রবিবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৫

কালের কণ্ঠের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রকাশিত

রপ্তানি খাত বহুমুখী করতে হবে

আবদুল্লাহ হিল রাকিব
অনলাইন ভার্সন
রপ্তানি খাত বহুমুখী করতে হবে

রপ্তানি আয় বাড়ানোর জন্য আমরা তৈরি পোশাক খাতের ওপর নির্ভরশীল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পোশাক খাতের ওপর নির্ভরতা আরো বাড়ছে। বর্তমানে এই খাত থেকে মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮৪ শতাংশ আসে। একটি জাতীয় রপ্তানি কৌশল তৈরি করে সে অনুযায়ী এগোতে হবে, তা না হলে একক পণ্যের ওপর রপ্তাানিনির্ভরতা কাটবে না। অর্থনীতির স্বার্থে রপ্তানি খাত বহুমুখী করাও অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। বৈশ্বিক ইকোনমিক কমপ্লেক্সিটি র‌্যাংকিংয়ের দিক থেকে আমরা এখনো অনেক পিছিয়ে আছি, অর্থাৎ পণ্যে বৈচিত্র্যের সক্ষমতা আমাদের অনেক কম। আমাদের এই সক্ষমতা বাড়াতে সব দিক নিয়ে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

উদ্যোক্তা তৈরিতে সামাজিক স্বীকৃতি প্রয়োজনআমাদের বেশ কিছু উদীয়মান খাত আছে; যেমন- চামড়াপণ্য, নন-লেদার ফুটওয়্যার, ফার্মাসিউটিক্যালস, আইসিটি, সিরামিকস ইত্যাদি। এগুলোর যথেষ্ট সম্ভাবনা আছে। তবে এর জন্য জ্বালানি, আর্থিক, ব্যাংকিং সহায়তা এবং আমদানি-রপ্তানি ক্ষেত্রে আরো বেশি নীতি সহায়তা প্রয়োজন। ২০২৬-এর পরে কোন বাজারে কোন পণ্য কী ধরনের শুল্ক বাধার সম্মুখীন হবে সে বিষয়টি স্পষ্ট নয়।

চলতি বছর আমরা অনেক ধরনের বাধার সম্মুখীন হয়েছি। আমাদের অভ্যন্তরীণ সংকট, বিশেষ করে গ্যাসসংকট, মুদ্রাস্ফীতি ও উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি, শ্রম খাতে অস্থিরতা, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের মতো বিষয় মোকাবেলা করতে হয়েছে। এর পাশপাশি সরবরাহ শৃঙ্খলে সংকট, ব্যাংকিং খাতে বিপর্যয়, বিনিয়োগ মন্থর হওয়া এবং অন্যদিকে বিশ্বব্যাপী যুদ্ধ ও অর্থনৈতিক সূচকগুলোতে অস্থিরতা চলছে। সব মিলিয়ে আমরা একটি অনিশ্চিত সময় পার করছি।

চলতি অর্থবছরের জুলাই-নভেম্বর সময়ে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় রপ্তানি প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ১১.৭ শতাংশ। তবে ২০২২-২৩ অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এ বছর কোনো প্রবৃদ্ধি নেই। অর্থাৎ গত তিন বছরের বিচারে পোশাক খাতে প্রবৃদ্ধি শূন্য। আপেক্ষিক মানদণ্ডে প্রবৃদ্ধির পরিমাণ মাপলে হয়তো সঠিক চিত্র দেখা যাবে না। একটি বছরে কোনো কারণে কোনো দেশের রপ্তানি কম হতে পারে। সে ক্ষেত্রে পরের বছর রপ্তানি স্বাভাবিক হয়ে এলে প্রবৃদ্ধি বেশি দেখায়। ঠিক এর উল্টোটিও হতে পারে।

জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর সময়ে আমাদের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫.২৭ শতাংশ। ভারতের ৭.৭৫ শতাংশ, ভিয়েতনামের ৯.৯৫ শতাংশ, পাকিস্তানের ১০.৩২ শতাংশ এবং কম্বোডিয়ার ২৩.৬৬ শতাংশ। অর্থাৎ এই সময়ের বিচারে আমরা পিছিয়ে আছি। আগে বলেছি, চলতি বছরে আমরা নজিরবিহীন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছি, বছরের শুরুতেই আমরা ৫৬ শতাংশ মজুরি বাড়ালাম, এরপর ফেব্রুয়ারি মাসেই আমাদের রপ্তানি প্রণোদনা ব্যাপক হারে কমানো হলো, সেই সঙ্গে চলছে গ্যাসসংকট ও বন্দর-কাস্টমসের জটিলতা। তারপর জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থান। গণতন্ত্রের মুক্তির জন্য এই শিল্পের ত্যাগ কম নয়। ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট, আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকা, কারখানা বন্ধ, সরবরাহ শৃঙ্খল বিপর্যস্ত হয়ে পড়া- এসব আমরা দেখেছি জুলাই মাসে। এর পর থেকে শ্রম খাতে অস্থিরতা শুরু হয়। সেপ্টেম্বর মাসজুড়ে অস্থিতিশীল পরিবেশ থাকলেও তা শুধু আশুলিয়া ও গাজীপুরের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। শ্রমিক আন্দোলন সমগ্র শিল্পকে প্রতিনিধিত্ব করে না; বরং নির্দিষ্ট এলাকা এবং কিছু কারখানা এই অবস্থার শিকার হচ্ছে। শ্রমিকদের কিছু দাবি অযৌক্তিক ছিল। 

তবু সব কিছু বিবেচনা করে শিল্প ও শ্রমিকের স্বার্থে ১৮ দফা চুক্তি স্বাক্ষর করেছি, যার মাধ্যমে শিল্পে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে বলে আমাদের প্রত্যাশা। এই চুক্তির অংশ হিসেবে সরকার শ্রমিকদের বার্ষিক মজুরি বৃদ্ধিকে ৫ থেকে ৯ শতাংশ করেছে, যা বাজার ও মুদ্রাস্ফীতির কথা বিবেচনা করে শ্রমিকের স্বার্থে আমরা মেনে নিয়েছি। যদিও আমাদের শিল্প বর্তমানে অর্ডার সংকট, মূল্যপতন, উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি ও ব্যাংকিং সংকটের সম্মুখীন হচ্ছে এবং উল্লেখযোগ্যসংখ্যক কারখানা বন্ধও হয়ে গেছে, তার পরও যখন আমরা ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধির মাত্র ১১ মাসের মধ্যে পুনরায় বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত মেনে নিলাম, তখন এই ধরনের পরিস্থিতি শিল্প, শ্রমিক বা অর্থনীতির জন্য কোনো স্বস্তির বার্তা বহন করে না। ত্রিপক্ষীয় আলোচনার ভিত্তিতে নির্ধারিত বৃদ্ধির ঘোষণা সত্ত্বেও শ্রমিকরা আবারও অযৌক্তিক দাবিতে আন্দোলন করছে, এবং এটি বিশেষ করে আশুলিয়া ও সাভারে দেখা যাচ্ছে, যা অত্যন্ত অনাকাঙ্ক্ষিত। ঠিক এই সময়ে প্রতিযোগী দেশগুলো তাদের সেক্টরকে আরো শক্তিশালী করতে কাজ করছে। ইউরোপের সঙ্গে এফটিএ করেছে ভিয়েতনাম। সেখানে আমরা এলডিসি থেকে উত্তরণের প্রভাব মোকাবেলার প্রস্তুতি নেওয়ার সময়ে একটি নজিরবিহীন সংকট পার করছি। আমাদের শিল্পের প্রণোদনা কমানো হচ্ছে, যা অনাকাঙ্ক্ষিত। এখন মোকাবেলা করছি ব্যাংকিং সংকট। সব মিলিয়ে প্রবৃদ্ধি সহায়ক কোনো পরিবেশ এ বছর আমরা পাইনি। শিল্পের নিরাপত্তা, গ্যাস সরবরাহ অবিচ্ছিন্ন রাখা, ব্যাংকিং খাতের সহায়তাসহ বেশ কিছু বিষয়ে আমাদের খুব দ্রুত উন্নতি দরকার।

আমরা আশা করি, এমন পরিস্থিতিতে শ্রমিক ও ফেডারেশন নেতারা তাঁদের নেতৃত্বের পরিচয় দেবেন এবং শ্রমিকদের মধ্যে যে আস্থার সংকট আছে তা দূর করতে সবাইকে কাজ করতে হবে। শিল্প বন্ধ হলে সেটি কারো জন্যই মঙ্গলজনক হবে না, এটি বোঝাতে হবে। সরল শ্রমিকদের ঘিরে কেউ পরিস্থিতি অশান্ত করছে কি না সে বিষয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে নজরদারি চালাতে হবে। পোশাকশিল্পে সামাজিক সংলাপের গুরুত্ব রয়েছে। প্রতিটি উদ্যোক্তাকে তাঁর কারখানার শ্রমিকদের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে, যাতে কোনো পরিস্থিতিতে কেউ শিল্পের বিরুদ্ধে অবস্থান না নেয়।

রপ্তানি বাড়াতে বৈচিত্র্য জরুরি

বৈশ্বিক পোশাক বাজার অত্যন্ত বৈচিত্র্যময় হয়ে উঠছে, যেখানে শুধু ফ্যাশন বা ট্রেন্ড নয়, বরং পণ্য, কার্যকারিতা, টেকসইতা, ফাইবার এবং সম্প্রতি টেকসই ও পুনর্ব্যবহারযোগ্যতার মতো বিষয়গুলো ফ্যাশন বাজারে বৈচিত্র্য আনছে। আমরা এখন পর্যন্ত পিরামিডের নিচের ধাপেই রয়েছি, অর্থাৎ বেসিক কটন নির্ভর শিল্প এবং টি-শার্ট, ট্রাউজার, সোয়েটার ও ওভেন শার্টে আটকে আছি। তবে গত দশকে আউটার ওয়্যার, ফরমাল ওয়্যার, অ্যাকটিভ ওয়্যার, স্যুট এবং লঁজেরির পণ্যে উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ এসেছে এবং এসব খাতে রপ্তানি বাড়ছে, নন-কটন পণ্যের অংশ আমাদের মোট রপ্তানি আয়ের ২৯ শতাংশ ছাড়িয়েছে, যা কয়েক বছর আগেও ২৫ শতাংশ ছিল। আমি মনে করি, উৎকর্ষের এই দিকগুলোতে সরকারের নীতি সহায়তা পেলে আরো বেশি উদ্যোক্তা এগিয়ে আসবেন। সেই সঙ্গে বন্দর ও কাস্টমস সম্পর্কিত জটিলতাগুলো কমানো গেলে এবং গ্যাস সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন করা গেলে এ ধরনের বৈচিত্র্যময় পণ্য তৈরিতে আমরা আরো এগিয়ে যেতে পারব। পাশাপাশি প্রযুক্তি ও দক্ষ মানবসম্পদের ঘাটতির বিষয়গুলোতে আমাদের শিল্পের আরো কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। বাংলাদেশ সব সময় তার সক্ষমতা ও সম্ভাবনা কাজে লাগানোর অদম্য শক্তি প্রদর্শন করেছে। তবে সব কিছু বিনিয়োগ পরিবেশের ওপর নির্ভরশীল। অবশ্য পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটছে, সেপ্টেম্বর-নভেম্বর সময়ে প্রবৃদ্ধি ইতিবাচক পর্যায় এসেছে। আশা করছি, সরকারের নেওয়া সব পদক্ষেপের সুফল পেতে শুরু করলে আমরা আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারব।

লেখক : সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি, বিজিএমইএ ব্যবস্থাপনা পরিচালক, টিম গ্রুপ।

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ

এই বিভাগের আরও খবর
প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি
প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, জাতীয় স্বার্থ ও গণঅভ্যুত্থানের পুনর্জাগরণ
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, জাতীয় স্বার্থ ও গণঅভ্যুত্থানের পুনর্জাগরণ
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষিত
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষিত
সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
তামাক নীতিমালা : সংকটে ভোক্তা অধিকার
তামাক নীতিমালা : সংকটে ভোক্তা অধিকার
তুম উধার হাম ইধার
তুম উধার হাম ইধার
সবার উপর একাত্তর, আমাদের স্বাধীনতা
সবার উপর একাত্তর, আমাদের স্বাধীনতা
সর্বশেষ খবর
পাপুয়া নিউ গিনিতে ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা
পাপুয়া নিউ গিনিতে ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা

এই মাত্র | পূর্ব-পশ্চিম

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

লাঙ্গলবন্দের স্নান ঘিরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট
লাঙ্গলবন্দের স্নান ঘিরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট

৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চিরচেনা কার্তিককে দেখা গেল অন্যরূপে
চিরচেনা কার্তিককে দেখা গেল অন্যরূপে

৭ মিনিট আগে | শোবিজ

বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কোথাও নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কোথাও নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১২ মিনিট আগে | জাতীয়

অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে দুই ভাইকে কুপিয়ে জখম
অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে দুই ভাইকে কুপিয়ে জখম

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার
প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার

২২ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

কাল থেকে খুলছে সরকারি অফিস
কাল থেকে খুলছে সরকারি অফিস

২৪ মিনিট আগে | জাতীয়

গাজায় প্রতিদিন ১০০ শিশু নিহত বা আহত হচ্ছে: জাতিসংঘ কর্মকর্তা
গাজায় প্রতিদিন ১০০ শিশু নিহত বা আহত হচ্ছে: জাতিসংঘ কর্মকর্তা

৩৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পদ্মায় ঘুরতে গিয়ে নৌকাডুবিতে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু
পদ্মায় ঘুরতে গিয়ে নৌকাডুবিতে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু

৪১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

‘আমাদের শক্তির ওপর জোর দেওয়াই আমার লক্ষ্য’
‘আমাদের শক্তির ওপর জোর দেওয়াই আমার লক্ষ্য’

৪৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

শুল্ক বৃদ্ধি ‘দুর্বল ও দরিদ্রদের ক্ষতি করে’: জাতিসংঘ
শুল্ক বৃদ্ধি ‘দুর্বল ও দরিদ্রদের ক্ষতি করে’: জাতিসংঘ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিঙ্গাপুরে ডেঙ্গু দমনের প্রধান হাতিয়ার ‘ওলবাকিয়া’
সিঙ্গাপুরে ডেঙ্গু দমনের প্রধান হাতিয়ার ‘ওলবাকিয়া’

১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা
পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ম্যান সিটি ছাড়ছেন ডি ব্রুইনা
ম্যান সিটি ছাড়ছেন ডি ব্রুইনা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মাথায় গুলি নিয়ে চলে গেল জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধা হৃদয়
মাথায় গুলি নিয়ে চলে গেল জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধা হৃদয়

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কবে মাঠে ফিরছেন বুমরাহ?
কবে মাঠে ফিরছেন বুমরাহ?

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফের চেন্নাইয়ের অধিনায়কত্ব সামলাতে পারেন ধোনি
ফের চেন্নাইয়ের অধিনায়কত্ব সামলাতে পারেন ধোনি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জেলেনস্কির নিজ শহরে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৮ জন নিহত
জেলেনস্কির নিজ শহরে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৮ জন নিহত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সদরঘাটে রাজধানীমুখী মানুষের ঢল
সদরঘাটে রাজধানীমুখী মানুষের ঢল

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা
ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দৌলতদিয়া ফেরিঘাট দিয়ে নির্বিঘ্নে কর্মস্থলে ফিরছেন মানুষ
দৌলতদিয়া ফেরিঘাট দিয়ে নির্বিঘ্নে কর্মস্থলে ফিরছেন মানুষ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া ছেলের বউ, নিজের মেয়ে নয়; কেন বলেছিলেন জয়া বচ্চন?
ঐশ্বরিয়া ছেলের বউ, নিজের মেয়ে নয়; কেন বলেছিলেন জয়া বচ্চন?

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

কেশবপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের ঈদ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ
কেশবপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের ঈদ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

২ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা
আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কোর্তোয়ার প্রত্যাবর্তনের আশায় রিয়াল, লুনিন নিয়ে শঙ্কা কাটলেও প্রস্তুত গন্সালেস
কোর্তোয়ার প্রত্যাবর্তনের আশায় রিয়াল, লুনিন নিয়ে শঙ্কা কাটলেও প্রস্তুত গন্সালেস

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

১৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

১৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

২১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

৪ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত
দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত

পেছনের পৃষ্ঠা

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে
মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে

মাঠে ময়দানে

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা