শিরোনাম
প্রকাশ: ১৪:৫৮, শুক্রবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ১৫:৩৪, শুক্রবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৫

কালের কণ্ঠের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রকাশিত

সংস্কারের ঐকমত্য হতে হবে নাগরিকের সঙ্গে সামাজিক চুক্তি

অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ
অনলাইন ভার্সন
সংস্কারের ঐকমত্য হতে হবে নাগরিকের সঙ্গে সামাজিক চুক্তি

স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের রাজনীতির সবচেয়ে উত্তাল সময় পার করছি আমরা। জুলাইয়ের অভূতপূর্ব গণ-অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে এক অস্থির ও সম্ভাবনার সময় উপস্থিত হলেও এই অবস্থায় এসে উপনীত হওয়ার পেছনে আছে বাংলাদেশের ৫৩ বছরের রাজনীতি ও শাসনব্যবস্থার ধারাবাহিকতা। এই ধারাবাহিকতার প্রেক্ষাপটেই রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের প্রশ্নটি বিবেচনা করতে হবে। অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজবাংলাদেশের রাজনীতি ৫৩ বছর ধরেই এক ধরনের দোলাচলের মধ্যে কাটিয়েছে।

সংকট ও সম্ভাবনার, আশা ও আশাভঙ্গের মধ্যে বাংলাদেশের মানুষ জীবন যাপন করেছে। এই সময়ে শাসনব্যবস্থায় পরিবর্তন ঘটেছে বহুবার। ১৯৭২ সালে সংসদীয় ব্যবস্থা দিয়ে যাত্রা শুরু হলেও সেই ব্যবস্থার অবসান ঘটে সাড়ে তিন বছরের মাথায়- বাংলাদেশ একটি একদলীয় রাষ্ট্রপতিশাসিত ব্যবস্থায় প্রবেশ করে। তার অবসান ঘটে সেনা অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে। সেনাশাসনের দীর্ঘ দেড় দশকের ইতিহাস শেষে এক গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে সংসদীয় ব্যবস্থার প্রত্যাবর্তন ঘটে ১৯৯১ সালে।

কিন্তু যে সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিয়ে নতুন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের পুনর্যাত্রা, তা ক্রমান্বয়ে ফিকে হয়ে যায়। এই সময় একদিকে রাজনীতিতে একটি দ্বিদলীয় ব্যবস্থার উদ্ভব ঘটে, অন্যদিকে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার বদলে এক ধরনের ‘প্রধানমন্ত্রীর শাসনব্যবস্থার’ সূচনা হয়। ক্ষমতা কেন্দ্রীকরণের এই ব্যবস্থা, যার বীজ ১৯৭২ সালের সংবিধানের ভেতরেই নিহিত ছিল, তা বিভিন্ন সংশোধনীর মধ্য দিয়ে আরো বেশি প্রকাশ্য হয়ে পড়ে।

১৯৯১-২০০৬ পর্বে ক্ষমতার এই কেন্দ্রীকরণ সত্ত্বেও একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনব্যবস্থা, গণমাধ্যম ও বিচার বিভাগের তুলনামূলক স্বাধীনতা এবং নাগরিকদের মধ্যে বিদ্যমান আশাবাদ একটি দুর্বল কিন্তু কার্যকর শাসনপ্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছিল। এই ব্যবস্থা একদিকে নাগরিকের ভোটাধিকার নিশ্চিত করেছিল, অন্যদিকে ক্রমাগতভাবে রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরো বেশি ভঙ্গুর করে ফেলেছিল। কিন্তু ২০০৬ সালের শেষ নাগাদ রাজনৈতিক দলগুলোর কলহ, সহিংসতা এবং ক্ষমতায় টিকে থাকা ও ক্ষমতায় অধিষ্ঠানের আগ্রহ এমন এক পর্যায়ে এসে উপনীত হয় যে এই প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতার সম্ভাবনাই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে।

যে সীমিত গণতন্ত্র ছিল এই সময়ের বৈশিষ্ট্য, তার অবসান ঘটে এবং বাংলাদেশের রাজনীতির দৃশ্যপটে সেনাবাহিনীর আবির্ভাব ঘটে। সামরিক বাহিনীর সমর্থনপুষ্ট বেসামরিক তত্ত্বাবধায়ক সরকার এই আশাবাদ তৈরি করে যে শাসনব্যবস্থার যে কাঠামোগত দুর্বলতাগুলো বাংলাদেশের রাজনীতিকে এক ধরনের বৃত্তচক্রের মধ্যে নিয়ে গেছে, তারা সে বিষয়ে মনোনিবেশ করবে এবং ওই কাঠামোগুলো তারা ‘সংস্কার’ করবে।

শাসনব্যবস্থা নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের যে প্রত্যাশাগুলো দীর্ঘদিন ধরে লালিত ছিল, তার এক ধরনের প্রকাশ ঘটে সরকারের পক্ষ থেকে সংস্কারের প্রতিশ্রুতিতে। কিন্তু অভ্যন্তরীণ ও বৈশ্বিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অবস্থা, শাসকদের চরিত্র, ক্ষমতা প্রয়োগে তাঁদের সীমা নির্ধারণে ব্যর্থতা এবং এক ধরনের বিরাজনীতিকরণের চেষ্টার ফলে সরকারের সংস্কারের বিষয়টি জনগণের কাছে ফাঁকা বুলিতে পরিণত হয়।

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে শেখ হাসিনার সামনে ছিল দুটি বিকল্প। প্রথমত, ১৯৯১ থেকে ২০০৬ এই ১৫ বছরে শাসনের কাঠামোগত যে দুর্বলতা এবং ২০০৭-০৮ সালের সেনা সমর্থিত শাসনের অভিজ্ঞতার আলোকে রাষ্ট্রকাঠামোর সংস্কার, গণতান্ত্রিক প্রতিঠানগুলো তৈরি ও শক্তিশালী করা এবং জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য সচেষ্ট হওয়া। দ্বিতীয় বিকল্প ছিল ২০০৬ সালের আগের ধারায় ফিরে যাওয়া, অর্থাৎ এক ধরনের ভঙ্গুর রাষ্ট্র ও গণতান্ত্রিক কাঠামো অব্যাহত রাখা, যেখানে রাজনৈতিক কলহ অব্যাহত থাকবে, কিন্তু প্রতি পাঁচ বছরে ক্ষমতার হাতবদলের সম্ভাবনা বিরাজ করবে, ক্ষমতা ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ কিছু মানুষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। শেখ হাসিনা এর কোনোটাই বেছে না নিয়ে শুধু বিরোধী দল ও ভিন্নমতাবলম্বীদের দমনই বেছে নিলেন না, বরং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস করে দিয়ে ক্ষমতার এককেন্দ্রীকরণের দিকেই অগ্রসর হলেন। এই পদক্ষেপের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হচ্ছে পঞ্চদশ সংশোধনী। এই বিচারে বাংলাদেশে গণতন্ত্রের পশ্চাদযাত্রার প্রথম মাইলফলক হচ্ছে ২০১১ সাল। এরপর আইন ও আইনবহির্ভূত ব্যবস্থা; যেমন- গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা, গায়েবি মামলাগুলো প্রবল হয়ে ওঠে, ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টের মতো আইন প্রণীত হয়।

২০১৪ সাল থেকে উপর্যুপরি দিবালোকে ডাকাতির ভোট, ভোট ছাড়াই বিজয়ী হওয়া এবং নিশিরাতের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণের কোনো রকমের ম্যান্ডেট ছাড়াই শেখ হাসিনা ক্ষমতায় উপবিষ্ট থাকেন। এখানে যেটা লক্ষণীয় তা হচ্ছে, ২০১১ সালের পর থেকেই একটি স্বৈরাচারী ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হলেও তার একটা বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটে ২০১৪ সালের নির্বাচনের পরবর্তী সময়ে- শেখ হাসিনার শাসন কেবল আরো বেশি স্বৈরাচারীই হয়ে ওঠে তা নয়, হয়ে ওঠে ব্যক্তিতান্ত্রিক।

অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজব্যক্তিতান্ত্রিক স্বৈরাচারী ব্যবস্থায় ক্ষমাতসীন ব্যক্তি তার শাসনকে দীর্ঘায়িত, সম্ভব হলে আজীবন, বহাল রাখার জন্য একাদিক্রমে রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠানকে একেবারেই ধ্বংস করে দিয়ে সেখানে অনুগত ব্যক্তিদের দিয়ে দেশ শাসন করে, ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু হয় পরিবার এবং অর্থনীতি হয়ে ওঠে ক্লেপ্টোক্রেটিক বা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের সমর্থনপুষ্ট বিরাট আকারের চুরির পথ। বাংলাদেশে ২০১৪ সাল থেকে দৃশ্যত সীমিত গণতন্ত্রের আড়ালে এই পদ্ধতিই চালু হয়, যা ২০১৮ সালের পর খোলামেলাভাবে একটা বল প্রয়োগ নির্ভর ব্যবস্থায় পরিণত হয়। ফলে ২০১৪ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানগুলো, যার মধ্যে আইনসভা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী, বিচার বিভাগ—সবই কার্যত এক ব্যক্তির প্রতিই অনুগত থেকেছে। আর ক্ষমতার নৈতিক বৈধতার অভাবে, এমনকি আইনি বিবেচনায়ও বৈধতার অভাবে, বল প্রয়োগ ছাড়া আর কোনোভাবেই সে ক্ষমতায় থাকতে পারেনি। ২০১৪ সালের এক দশক পরে গণ-অভ্যুত্থানের পর যেটা সহজেই চোখে পড়ছে তা হচ্ছে, রাষ্ট্রীয় কাঠামোই অনুপস্থিত হয়ে গেছে। এটা এক দিনে বা এক বছরে ঘটেনি, দৈব দুর্বিপাকেও ঘটেনি। যার একটি ফল হচ্ছে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব দুর্বল করে ফেলা। এইসব করা সম্ভব হয়েছে কারণ বিরাজমান সংবিধানের ভেতরেই এক ব্যক্তির ক্ষমতার পথ উন্মুক্ত ছিল এবং আছে, জবাবদিহির প্রাতিষ্ঠানিক কোনো ব্যবস্থা তৈরি করা হয়নি, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অনুপস্থিত থেকেছে এবং জনগণের হাতে ক্ষমতা থাকেনি।

এ কারণেই ২০২৪ সালে অভূতপূর্ব গণ-অভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্রের সংস্কারের প্রশ্নটি সবার সামনে এসে  দাঁড়িয়েছে। বলা আবশ্যক যে রাষ্ট্রের প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের এই তাগিদ সমাজের ভেতরে দীর্ঘদিন ধরেই ছিল। ২০০৭ সালে সেনা সমর্থিত সরকার এর একটি সীমিত দিক—রাজনৈতিক দলের দিকে নজর দেয় এবং সে বিষয়ে জনগণের উৎসাহ থাকলেও তা বাস্তবায়ন করতে পারেনি। কেননা রাষ্ট্রকাঠামো, শাসনব্যবস্থা, সাংবিধানিক ও আইনি ব্যবস্থার মৌলিক দিকগুলো এড়িয়ে যে সংস্কারের কথা বলা হয়েছিল, তা দৃশ্যত চমক সৃষ্টি করলেও তার বাস্তবায়ন সম্ভব ছিল না; ক্ষমতাসীনদের কোনো সুস্পষ্ট ধারণাও ছিল না এবং ক্ষমতায় যাঁরা ছিলেন, তাঁদের উত্থান জনগণের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে ঘটেনি।

সংস্কারের এই তাগিদ শুধু রাষ্ট্র ও সরকারের কাছ থেকে এসেছে তা নয়, বরং এক দশকের বেশি সময় ধরে বিভিন্ন সিভিল সোসাইটি সংগঠন এবং কয়েক বছর ধরে বিদ্যমান স্বৈরতান্ত্রিক শাসনের মধ্যেও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল বলে এসেছে, তাদের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেছে। আগস্ট মাস থেকে সারা দেশে বিভিন্নভাবে যেসব আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে, তাতেও যেসব মতামত প্রকাশিত হয়েছে, তাতে এটাই সবচেয়ে বেশি লক্ষণীয় যে মানুষের আগ্রহ শুধু আশু পরিবর্তনের মধ্যে সীমিত নয়। তারা চাইছে, গত প্রায় সাড়ে ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা তাদের এই শিক্ষা দিয়েছে যে এর পুনরাবৃত্তি রোধের উপায় কেবল আশু একটি নির্বাচন নয়, বরং আরো বেশি। এই অভিজ্ঞতাকে তারা দেড় দশকের নিপীড়নের বা জুলাই-আগস্টের ম্যাসাকারের মধ্যেই সীমিত রাখছে না, কেননা এটা তাদের কাছে সহজেই বোধগম্য যে বিদ্যমান শাসনকাঠামো, সাংবিধানিক ব্যবস্থা ও নির্বাচনী প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকলে এমনকি আরেকটি সুষ্ঠু, অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন সম্ভব হলেও তা ভবিষ্যতে স্বৈরাচারী শাসকের উত্থান রোধ করতে সক্ষম নয়।

জুলাই অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকার এবং এই অভ্যুত্থানের নেতৃত্বে থাকা শিক্ষার্থীরা সংস্কার ও নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের কথা বললেও আজকের সংস্কারের প্রশ্নকে অবশ্যই সরকারের বা শিক্ষার্থীদের ‘প্রত্যাশা’ বলে বিবেচনা করার উপায় নেই। কেননা ভেঙে পড়া রাষ্ট্রকাঠামো পুনর্গঠনের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোগুলোকে নতুন করে ঢেলে সাজানো দরকার। এই প্রক্রিয়া স্বল্প সময়ের কাজ নয়, কিন্তু তার সূচনা করা জরুরি। তার চেয়েও জরুরি যা তা হচ্ছে, স্বৈরাচারী ব্যবস্থার উত্থানের উৎসগুলো চিহ্নিত করা এবং কী কী আশু ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার, যা এই ধরনের শাসনের উত্থান রোধ করবে সে বিষয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক শক্তিগুলোর ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা।

এই ঐকমত্যকে কোনো অবস্থায়ই ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর সমঝোতা বলে বিবেচনা করা সঠিক হবে না। এই ধরনের ঐকমত্যকে নাগরিকদের সঙ্গে রাজনৈতিক শক্তিগুলোর ‘সামাজিক চুক্তি’ বলেই বিবেচনা করতে হবে। এই ঐকমত্যকে যদি এইভাবে বিবেচনা করা না যায় এবং এই মর্যাদায় উন্নীত না করা যায় তাহলে তা শুধু কাগুজে বিষয়ে পরিণত হবে। এই বিবেচনায় অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা একার্থে সাহায্যকারীর। কিন্তু এটাও মনে রাখা দরকার যে এই সরকার দায়িত্ব নিয়েছে জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিভূ হিসেবে। ফলে এই প্রক্রিয়ায় সাহায্যকারীর অবস্থান আর দশটি ক্ষেত্রে সাহায্যকারীর ভূমিকা ও অবস্থান থেকে ভিন্ন। তাঁরা সেই নাগরিকদেরও প্রতিনিধিত্ব করেন, যাঁদের প্রাণ ও রক্তের বিনিয়ে এই সংস্কারের এবং নতুন সামাজিক চুক্তির সুযোগ ও সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

লেখক : সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান এবং ডিস্টিঙ্গুইশড প্রফেসর, রাজনীতি ও সরকার বিভাগ ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটি, যুক্তরাষ্ট্র, আটলান্টিক কাউন্সিলের অনাবাসিক সিনিয়র ফেলো।

এই বিভাগের আরও খবর
প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি
প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, জাতীয় স্বার্থ ও গণঅভ্যুত্থানের পুনর্জাগরণ
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, জাতীয় স্বার্থ ও গণঅভ্যুত্থানের পুনর্জাগরণ
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষিত
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষিত
সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
তামাক নীতিমালা : সংকটে ভোক্তা অধিকার
তামাক নীতিমালা : সংকটে ভোক্তা অধিকার
তুম উধার হাম ইধার
তুম উধার হাম ইধার
সবার উপর একাত্তর, আমাদের স্বাধীনতা
সবার উপর একাত্তর, আমাদের স্বাধীনতা
সর্বশেষ খবর
পাপুয়া নিউ গিনিতে ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা
পাপুয়া নিউ গিনিতে ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা

এই মাত্র | পূর্ব-পশ্চিম

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

লাঙ্গলবন্দের স্নান ঘিরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট
লাঙ্গলবন্দের স্নান ঘিরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট

৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চিরচেনা কার্তিককে দেখা গেল অন্যরূপে
চিরচেনা কার্তিককে দেখা গেল অন্যরূপে

৭ মিনিট আগে | শোবিজ

বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কোথাও নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কোথাও নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১২ মিনিট আগে | জাতীয়

অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে দুই ভাইকে কুপিয়ে জখম
অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে দুই ভাইকে কুপিয়ে জখম

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার
প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার

২২ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

কাল থেকে খুলছে সরকারি অফিস
কাল থেকে খুলছে সরকারি অফিস

২৪ মিনিট আগে | জাতীয়

গাজায় প্রতিদিন ১০০ শিশু নিহত বা আহত হচ্ছে: জাতিসংঘ কর্মকর্তা
গাজায় প্রতিদিন ১০০ শিশু নিহত বা আহত হচ্ছে: জাতিসংঘ কর্মকর্তা

৩৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পদ্মায় ঘুরতে গিয়ে নৌকাডুবিতে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু
পদ্মায় ঘুরতে গিয়ে নৌকাডুবিতে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু

৪১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

‘আমাদের শক্তির ওপর জোর দেওয়াই আমার লক্ষ্য’
‘আমাদের শক্তির ওপর জোর দেওয়াই আমার লক্ষ্য’

৪৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

শুল্ক বৃদ্ধি ‘দুর্বল ও দরিদ্রদের ক্ষতি করে’: জাতিসংঘ
শুল্ক বৃদ্ধি ‘দুর্বল ও দরিদ্রদের ক্ষতি করে’: জাতিসংঘ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিঙ্গাপুরে ডেঙ্গু দমনের প্রধান হাতিয়ার ‘ওলবাকিয়া’
সিঙ্গাপুরে ডেঙ্গু দমনের প্রধান হাতিয়ার ‘ওলবাকিয়া’

১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা
পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ম্যান সিটি ছাড়ছেন ডি ব্রুইনা
ম্যান সিটি ছাড়ছেন ডি ব্রুইনা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মাথায় গুলি নিয়ে চলে গেল জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধা হৃদয়
মাথায় গুলি নিয়ে চলে গেল জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধা হৃদয়

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কবে মাঠে ফিরছেন বুমরাহ?
কবে মাঠে ফিরছেন বুমরাহ?

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফের চেন্নাইয়ের অধিনায়কত্ব সামলাতে পারেন ধোনি
ফের চেন্নাইয়ের অধিনায়কত্ব সামলাতে পারেন ধোনি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জেলেনস্কির নিজ শহরে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৮ জন নিহত
জেলেনস্কির নিজ শহরে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৮ জন নিহত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সদরঘাটে রাজধানীমুখী মানুষের ঢল
সদরঘাটে রাজধানীমুখী মানুষের ঢল

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা
ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দৌলতদিয়া ফেরিঘাট দিয়ে নির্বিঘ্নে কর্মস্থলে ফিরছেন মানুষ
দৌলতদিয়া ফেরিঘাট দিয়ে নির্বিঘ্নে কর্মস্থলে ফিরছেন মানুষ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া ছেলের বউ, নিজের মেয়ে নয়; কেন বলেছিলেন জয়া বচ্চন?
ঐশ্বরিয়া ছেলের বউ, নিজের মেয়ে নয়; কেন বলেছিলেন জয়া বচ্চন?

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

কেশবপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের ঈদ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ
কেশবপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের ঈদ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

২ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা
আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কোর্তোয়ার প্রত্যাবর্তনের আশায় রিয়াল, লুনিন নিয়ে শঙ্কা কাটলেও প্রস্তুত গন্সালেস
কোর্তোয়ার প্রত্যাবর্তনের আশায় রিয়াল, লুনিন নিয়ে শঙ্কা কাটলেও প্রস্তুত গন্সালেস

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

১৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

১৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

২১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

৪ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত
দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত

পেছনের পৃষ্ঠা

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে
মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে

মাঠে ময়দানে

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা