খাগড়াছড়ির বিভিন্ন উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ১৫টি ইট ভাটা বন্ধ করেছে প্রশাসন। সোমবার সদর উপজেলা, দীঘিনালা, মাটিরাঙা, গুইমারা, রামগড়ে পৃথক পৃথকভাবে অভিযান চালানো হয়। এতে ১৫টি ইটভাটায় ১০ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভিযানের নেতৃত্ব দেন।
দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.মামুনুর রশীদ বলেন," ইটভাটা পরিচালনার জন্য অনুমোদন না থাকায় জেলা প্রশাসকের নির্দেশ মোতাবেক উপজেলার দুইটি ইট ভাটার বন্ধ করা হয়েছে। কর্ণফুলী ব্রিক্স ১ লাখ ও ফোর বি ভাটা’কে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয। এসময় ফায়ার সার্ভিস,বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মোশারফ উপস্থিত ছিলেন। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা পানি ছিটিয়ে চুল্লির আগুন নিভিয়ে দেয়। '
খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুজন চন্দ্র রায় বলেন," জেলা সদরের গঞ্জপাড়া, কমলছড়িসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এবিসি, এসএন্ডবি, আরপিএস ও জেএন ব্রিকস বন্ধ করা হয়। চার ভাটাকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় ইট ভাটার চুল্লি নেভানো হয়েছে।
খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হাসান মারুফ জানান, অভিযানে খাগড়াছড়ির সদরে ৪টি, দীঘিনালায় দুইটি, রামগড়ে ৫টি, মাটিরাঙা ও গুইমারায় ৪টি অবৈধ ইটভাটাকে জরিমানা করা হয়। এসময় ১৫টি ভাটা থেকে প্রায় ১০ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করার পাশাপাশি অনুমোদন না থাকায় ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৩ অনুসারে ইটভাটাগুলো বন্ধ ঘোষণা করা হয়। জরিমানা তাৎক্ষণিক আদায় করা হয়। পরে ফায়ার সার্ভিস পানি দিয়ে ইট ভাটার চুল্লি নিভিয়ে দেয়।
গত ডিসেম্বরে খাগড়াছড়ির ১৫টি ভাটায় মোবাইল কোর্ট চালিয়ে বন্ধ ও জরিমানা আদায় করা হয়। পরে ইটভাটা মালিকেরা এসব ভাটা আবার চালু করলে সোমবারের অভিযানে তা বন্ধ করে দেওয়া হয়।
বিডি প্রতিদিন/নাজমুল