শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ১৪ মার্চ, ২০২৫ আপডেট: ০০:৪৪, শুক্রবার, ১৪ মার্চ, ২০২৫

সাদত হাসান মান্টো

আঁধার ভেদ করা আলোর শিল্পী

এস ডি সুব্রত
প্রিন্ট ভার্সন
আঁধার ভেদ করা আলোর শিল্পী

উর্দু সাহিত্যের সেরা লেখকের একজন সাদত হাসান মান্টো। তিনি ছিলেন কাশ্মীরি। জন্ম পাঞ্জাবের লুধিয়ানায় ১৯১২ সালের ১১ মে। মান্টোর বাবা গুলাম হাসান পাঞ্জাব সরকারের একজন মুনসেফ ছিলেন, পরবর্তীতে জজ হন। গুলাম হাসানের দ্বিতীয় স্ত্রী সরদার হাসানের ঘরে জন্ম নেন মান্টো। দেশত্যাগের বিরূপ ভাগ্যবরণকারী লেখক সাদত হাসান মান্টো। ভারত-পাকিস্তান মিলে পুরো দক্ষিণ এশিয়ার উর্দু সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গল্পকার তিনি। তাঁকে গণ্য করা হয় আধুনিক উর্দু সাহিত্যের কালজয়ী প্রতিভা হিসেবে। দেশভাগের কথাকার নামেও পরিচিত সাদত হাসান মান্টো। দাঙ্গা, হাঙ্গামা, রাজনৈতিক পালাবদল, দেশান্তর, জীবন সংকট মিলিয়ে ভয়ংকর সব পরিস্থিতি মোকাবিলা করে তিনি বেঁচেছেন মাত্র ৪৩ বছর। গালিবের মতোই ছিল তাঁর পীড়িত জীবন আর দুর্ভাগ্যের নিয়তি। গালিব ও মান্টো উভয়েই দেখেছেন রাজনৈতিক হিংসা, সাম্প্রদায়িকতা, সন্ত্রাসকবলিত, রক্তপ্লাবিত ভারত। আর মান্টোর চোখের সামনে দিয়ে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য ভেঙে সাম্প্রদায়িক রক্তাক্ত হানাহানির পথে বিভক্ত উপমহাদেশে প্রতিষ্ঠা পেয়েছিল ভারত ও পাকিস্তান নামের দুটি রাষ্ট্র। নিজের মৃত্যুর এক বছর আগে যিনি লিখতে পারেন, এখানে সমাধিতলে শুয়ে আছে মান্টো। আর তাঁর বুকে সমাহিত হয়ে আছে গল্প লেখার সমস্ত কৌশল। এ যেন আঁধারের বুকে এক আলোর জীবনশিল্পী সাদত হাসান মান্টো।

সাদত হাসান মান্টোর বিখ্যাত গল্প ঠান্ডা গোশত। দেশভাগের পর একরকম মানসিক বিচ্ছিন্ন অবস্থায় পাকিস্তানে এসে লেখা ঠান্ডা গোশত মান্টোর সাড়া জাগানো গল্প। গল্পটা প্রকাশ পেতেই পুরো পাকিস্তানে হইচই পড়ে যায়। আদালতের কাঠগড়ায় পর্যন্ত যেতে হয় মান্টোকে। চরম বাস্তববাদী সাহিত্যিক মান্টো তাঁর লেখায় মনস্তত্ত্বের যে গভীর বিশ্লেষণ রেখে গেছেন, তা পাঠককে ভাবিয়ে তোলে। সমাজ, রাষ্ট্রব্যবস্থা, প্রশাসনের খামখেয়ালি তাঁকে তাড়িত করেছে সব সময়। নিছক গল্প বলতে নয়, কালের মহা সত্য ফুটিয়ে তুলতেই গল্পের নামে জীবনবোধকে লিখে গেছেন মান্টো। ঠান্ডা গোশত গল্পের পটভূমি ১৯৪৭ সালের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা। ইশের সিং তাঁর প্রণয়িনী কালবন্ত কাউরকে বিছানায় সন্তুষ্ট করতে ব্যর্থ হলে কালবন্ত কাউর তাঁকে বিশ্বাসঘাতকতার দায়ে অভিযুক্ত করে এবং মনে করে সে অন্য কারও সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছে। এরপর কালবন্ত কাউর মাটিতে পড়ে থাকা কৃপাণ দিয়ে ইশের সিংকে আঘাতের পর আঘাত করতে থাকে। মরার সময় ইশের সিং জানায়, সে দাঙ্গার সময় একটি মুসলিম অধ্যুষিত গ্রামে রায়টে যুক্ত ছিল। একটি মুসলিম পরিবারের ছয়জন সদস্যকে সে ওই কৃপাণ দিয়ে খুন করে। এরপর সে বাড়ির ভিতরে ঢোকে এবং একটি মেয়েকে দেখতে পায়। মেয়েটিকে ঘাড়ে করে তুলে বেরিয়ে আসে সে এবং ঝোপের আড়ালে নিয়ে এসে ধর্ষণ করতে উদ্যত হয়। কিন্তু মেয়েটি ছিল মৃত, একদম ঠান্ডা গোশতের মতো। ঠান্ডা গোশত উর্দু ভাষায় রচিত। পাকিস্তানের একটি সাহিত্য সাময়িকীতে ১৯৫০ সালের মার্চে প্রথম প্রকাশ পেয়েছিল। পরবর্তীতে সাঙ-এ-মিল পাবলিকেশন্স কর্তৃক প্রকাশিত হয়েছিল বইটি। বাংলায় বইটি অনুবাদ করেন কাউসার মাহমুদ যেটি পেন্ডুলাম পাবলিশার্স থেকে প্রকাশিত হয়েছিল।

অমৃতসরের মুসলিম হাইস্কুলে লেখাপড়া শুরু হয় মান্টোর। কিন্তু পড়ালেখায় অমনোযোগী মান্টোর স্কুলে দমবন্ধ হয়ে আসত। কেউ বিশ্বাসই করতে চাইবে না, উর্দু সাহিত্যের সেরা এই লেখক তিনবার উর্দুতে ফেল। চতুর্থবারের চেষ্টায় ম্যাট্রিক পাস করেছিলেন। লেখালেখির কারণে কখনো এসেছে ফতোয়া, কখনো আবার অশ্লীলতার অভিযোগে মামলা করা হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। দেশভাগের আগে তিনবার তাঁকে গল্পে অশ্লীলতা ছড়ানোর অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়। একই অভিযোগ দেশভাগের পর পাকিস্তান গিয়েও পেতে হয়েছে তাঁকে। বারবার অভিযুক্ত হওয়ার পর কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে মান্টো বলেছিলেন, একজন লেখক তখনই কলম ধরেন, যখন তাঁর সংবেদনশীলতা বা অনুভূতি আঘাতপ্রাপ্ত হয়! বেঁচে থাকতে ভারত-পাকিস্তান দুই দেশেই অপমান করা হয়েছে মান্টোকে। দেশভাগের সময় নিজের জন্ম শহর বোম্বে ছেড়ে পাড়ি জমাতে হয়েছিল পাকিস্তানের লাহোরে। তবে সেখানে তিনি আজীবন ছটফট করেছেন নিজের জন্মভূমিতে ফিরে যাওয়ার জন্য। মান্টোর কলমে উঠে এসেছে ৪৭-এর দাঙ্গা, দেশভাগ, দেশভাগের সময় মানুষের মনের কদর্যতা। মান্টো একদম চোখের সামনে যেমন ঘটেছে তেমনটাই লিখেছেন অকপটে কোনো পক্ষ অবলম্বন না করে, নির্দ্বিধায়। মান্টোর লেখা পড়তে পড়তে পাঠকের মনে হবে চোখের সামনে কোনো সিনেমা দেখছেন। মাত্র ৪৩ বছরের সময়ে নিজেকে ছোটগল্পের একজন ঈশ্বরে পরিণত করেছিলেন মান্টো। ২২টি ছোটগল্পের সংকলন, একটি উপন্যাস, সাতটি রেডিও নাটক, তিনটি প্রবন্ধ সংকলন আর দুটি স্মৃতিচারণামূলক গ্রন্থ লিখেছিলেন মান্টো। তার্কিক আবদুল বারি আলিগের সঙ্গে ১৯৩৩ সালে তাঁর পরিচয়। এ পরিচয় মান্টোর জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। তিনি মান্টোকে ফরাসি এবং রাশিয়ান ভাষা শিখতে উদ্বুদ্ধ করেন। ফলশ্রুতিতে এ দুটি ভাষা শিখে মান্টো সে ভাষার বিখ্যাত বিভিন্ন গল্প অনুবাদ করতে শুরু করেন। ১৯৩৪ সালে মান্টো ভর্তি হন আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে। এ সময় থেকেই পুরোদমে লেখালেখি শুরু করেন মান্টো এবং ধীরে ধীরে ভারতের প্রভাবশালী সাহিত্যিকে পরিণত হন। কাশ্মীরের মেয়ে সুফিয়াকে বিয়ে করেছিলেন মান্টো। তাদের ঘরে তিনটি মেয়ে এবং একটি ছেলে ছিল। ১৯৪৩ সালের মধ্যে বেশ কিছু রেডিও নাটকও লিখে ফেলেন। মান্টোর জীবনের কালো অধ্যায়ের শুরুও তখন থেকেই। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের ছোঁয়া লাগে তাঁর জীবনেও। মুসলমান হওয়ায় বোম্বে টকিজ ফিল্ম থেকে চাকরি হারান, সেই সঙ্গে পরিবারের নিরাপত্তার কথা ভেবে পালিয়ে যান পাকিস্তানের লাহোরে। শরণার্থী হিসেবে পাকিস্তানে যাওয়ার পর নিজেকে একপ্রকার হারিয়েই ফেলেন মান্টো। কারণ বোম্বের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি আর পাকিস্তানের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে ছিল আকাশপাতাল ফারাক। এ ছাড়া সেখানে তাঁর কোনো বন্ধু ছিল না। সেখানেও লেখালেখির জন্য অপমানিত হওয়া ছিল তাঁর নিত্যনৈমিত্তিক বিষয় ছিল। তখন বাধ্য হয়ে বিভিন্ন পত্রিকা অফিসে রম্যরচনা আর ছোটগল্প লিখে পাঠাতে শুরু করেন। জীবনের প্রতি বিতৃষ্ণ হয়ে মদে বুঁদ হয়ে থাকতেন। সে সময় মদের টাকা জোগাতেই নাকি লিখতেন বলে জানা যায়।

ভালোবাসার শহর বোম্বে থেকে পালিয়ে আসা এবং দেশভাগের যন্ত্রণায় পুরোপুরি অস্থির হয়ে পড়েছিলেন মান্টো। বন্ধু ইসমত চুগতাইয়ের কাছে এক চিঠিতে লিখেছিলেন, কোনোভাবে আমাকে ফেরত নিয়ে যাও, এখানে আমার দম বন্ধ হয়ে আসে। সাদত হাসান মান্টো লেখক হিসেবে পাকিস্তানে খুব একটা সম্মান পাননি। কিন্তু অনেকের মতে, জীবনের শ্রেষ্ঠ লেখাগুলো পাকিস্তানেই লিখেছেন। কারণ, সে সময়টায় তিনি নিজের দেশ হারানো, দেশভাগ, মানুষের বিভেদ আর নতুন পরিবেশের যন্ত্রণায় থেকে একদম নির্মম সত্যগুলো তুলে এনেছিলেন কলমের ডগায় নিখুঁতভাবে বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে। বু, টোবা টেক সিং, ঠান্ডা গোশত, তামাশা এগুলো মান্টোর উল্লেখযোগ্য রচনা। রুশ ও ফরাসি ভাষা আয়ত্তে আসার পর মান্টো ভিক্টর হুগোর বিখ্যাত The last Day of a Condemned Man এর উর্দু অনুবাদ করেছিলেন। যা পরবর্তীতে সারগুজাস্ত-ই-আসির (বাংলায় এক বন্দির গল্প) নামে উর্দুতে প্রকাশিত হয়েছিল। মান্টোর হাতে রাশিয়ান গল্পের উর্দু অনুবাদ রাশি আফ্সানে প্রকাশিত হয়। বিদেশি সাহিত্য উর্দু ভাষায় অনুবাদ করতে গিয়ে মান্টো যেন এক অন্য জগতের সন্ধান পেলেন। কিংবদন্তি সাহিত্যিক ভিক্টর হুগো, অস্কার ওয়াইল্ড, আন্তন চেখভ, ম্যাক্সিম গোর্কির লেখার সঙ্গে আগে খানিক পরিচয় থাকলেও এ সময় তাঁর বিস্তৃতি ঘটেছিল বৃহৎ পরিসরে। 

অনিয়মতান্ত্রিক স্বভাব আর যাযাবর জীবন তাঁর স্বাস্থ্য ভেঙে দেয়। যক্ষ্মা ধরা পড়ে। যক্ষ্মা ধরা পড়ার পর চিকিৎসক তাঁর পূর্ণ সুস্থতার জন্য হাওয়া বদল করতে বললেন। মান্টো চলে গেলেন কাশ্মীরের বতুতে। কাশ্মীরে থাকা অবস্থাতেই ১৯৩৪ সালে মান্টোর জীবনে প্রথম প্রেম এলো। সেই প্রেমটাও ছিল অসম্ভব স্নিগ্ধ। মান্টো কাশ্মীরের বতুতে থাকা অবস্থায় প্রায়ই পাহাড়ি উপত্যকায় ঘুরতে যেতেন। এভাবে ঘুরতে গিয়ে তাঁর সঙ্গে পরিচয় হলো এক কাশ্মীরি মেষবালিকার। যে মেষের পাল চরাত। এ প্রেমটিকে মান্টো বলেছিলেন অপরিপক্ব প্রেম। তবে এ প্রেমের কথা জীবনেও কখনো মান্টো ভুলতে পারেননি। এই মেয়ের পরিচয় ও গল্প মান্টো তুলে এনেছিলেন তাঁর এক টুকরো মিছরি গল্পে। যেখানে মান্টো মেয়েটির নাম দিয়েছিলেন বিত্ত। মান্টোর প্রথম গ্রন্থ ছিল গল্পগ্রন্থ আতিশ পারেআতিশ পারে প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৩৬ সালে। মুসাব্বির পত্রিকায় থাকাকালীন চার বছর অসম্ভব পরিশ্রম করেছেন মান্টো। মূলত এ পত্রিকায় থাকাকালীন চলচ্চিত্র সমালোচনা লিখতেন মান্টো। এ পত্রিকায় থাকা অবস্থায়ই ফের সাহিত্যের প্রতি অসম্ভব এক টান অনুভব করলেন মান্টো। ১৯৪০ সালে মান্টো যোগ দিলেন অল ইন্ডিয়া রেডিওতে। ১৫০ টাকা বেতনে দিল্লিতে চাকরি। এটি ছিল মান্টোর জন্য দারুণ এক সুযোগ। অল ইন্ডিয়া রেডিওতে থাকা অবস্থাতেই ১৯৪১ সালে প্রকাশিত মান্টোর দ্বিতীয় গল্পগ্রন্থ মান্টো কে আফসানে

ফিল্মিস্তান স্টুডিওতে ৩০০ টাকা বেতনে সংলাপ রচয়িতা ও চলচ্চিত্রের কাহিনিকার হিসেবে কাজ করছিলেন মান্টো। এখানে থাকাকালীন তাঁর কাহিনিতে গড়ে উঠেছিল দারুণ কয়েকটি চলচ্চিত্র। এর মধ্যে গালিব চলচ্চিত্রের কথা বলতেই হয়। যদিও এ চলচ্চিত্র মুক্তি পেয়েছিল অনেক পরে। সুপারহিট হয়েছিল চলচ্চিত্রটি। পেয়েছিল জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও। ১৯৪৭ সালের দেশভাগ কেবল উপমহাদেশের পশ্চিম ও পূর্ব অংশকে ভৌগোলিক ও রাজনৈতিকভাবে বিভাজিত করেনি, বরং সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও মানবিক দিক থেকেও চরমভাবে বিপর্যস্ত ও রক্তাক্ত করেছিল। বিশেষত, পশ্চিম প্রান্তে হিন্দু, মুসলিম ও শিখ সম্প্রদায় রাজনৈতিক উন্মাদনায় পরস্পরের রক্তে হোলিখেলায় মেতেছিল। উর্দু সাহিত্যে মান্টো এবং আরও অনেকেই, যেমন খুশবন্ত সিং, অমৃতা প্রীতম, কৃষণ চন্দর, খাজা আহমদ আব্বাস, ইসমৎ চুগতাই, কুদরৎ উল্লাহ সাহাব, রাজিন্দর সিং বেদি প্রমুখ দেশভাগের পরিস্থিতিতে সাম্প্রদায়িক নখরে ক্ষতবিক্ষত মানুষ ও মানবতার কথাকার হয়ে পালন করেছেন ঐতিহাসিক ভূমিকা। আর  মান্টো এ তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছেন নিজের সম্পৃক্ততা, সাবলীলতা ও সাহসিকতার জন্য। জীবদ্দশায় নিজের কাজের তেমন স্বীকৃতি পাননি মান্টো। একপ্রকার অবহেলা আর অভাবকে সঙ্গে নিয়ে ১৯৫৫ সালের ১৮ জানুয়ারি এক শীতের ভোরে মাত্র ৪৩ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন ছোটগল্পের ঈশ্বরখ্যাত লেখক সাদত হাসান মান্টো।

এই বিভাগের আরও খবর
বিদায়
বিদায়
ছায়া পড়ে থাকে
ছায়া পড়ে থাকে
দুজনের সম্পর্ক যা
দুজনের সম্পর্ক যা
জসীমউদ্‌দীনের কবর
জসীমউদ্‌দীনের কবর
সুখের নান্দিপাঠ
সুখের নান্দিপাঠ
হলুদ বসন্ত পাখি
হলুদ বসন্ত পাখি
ভালোবেসেছিল
ভালোবেসেছিল
আজমীর সাহেবের অবকাশযাপন
আজমীর সাহেবের অবকাশযাপন
সৈয়দ মুজতবা আলী
সৈয়দ মুজতবা আলী
একটু দাঁড়াও
একটু দাঁড়াও
বালুকাবেলা, পাটুয়ারটেক
বালুকাবেলা, পাটুয়ারটেক
সেদিনও আকাশ ছিল লাল
সেদিনও আকাশ ছিল লাল
সর্বশেষ খবর
লামায় পর্যটকবাহী মিনিবাস দুর্ঘটনায় ২৫ জন আহত
লামায় পর্যটকবাহী মিনিবাস দুর্ঘটনায় ২৫ জন আহত

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এই সরকার ব্যর্থ হলে শহীদের রক্ত বৃথা যাবে: সালাউদ্দিন টুকু
এই সরকার ব্যর্থ হলে শহীদের রক্ত বৃথা যাবে: সালাউদ্দিন টুকু

৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রশাসনের হস্তক্ষেপে মানিকগঞ্জে বাল্যবিয়ে বন্ধ
প্রশাসনের হস্তক্ষেপে মানিকগঞ্জে বাল্যবিয়ে বন্ধ

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?
কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?

১৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর
জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর

১৯ মিনিট আগে | জাতীয়

তুচ্ছ ঘটনায় মা-ভাইকে কুপিয়ে জখম
তুচ্ছ ঘটনায় মা-ভাইকে কুপিয়ে জখম

২০ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

নারায়ণগঞ্জে কোকো স্মৃতি সংসদের ঈদ পুনর্মিলনী
নারায়ণগঞ্জে কোকো স্মৃতি সংসদের ঈদ পুনর্মিলনী

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

উল্লাপাড়ায় ট্যাংকলরী-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৪
উল্লাপাড়ায় ট্যাংকলরী-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৪

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নারীদের বিশ্বকাপ বাছাইয়ে দুই বাংলাদেশি আম্পায়ার
নারীদের বিশ্বকাপ বাছাইয়ে দুই বাংলাদেশি আম্পায়ার

৩৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা
২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা

৩৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ভৈরবে শিশুকে বলাৎকারের 
অভিযোগ, গ্রেফতার ১
ভৈরবে শিশুকে বলাৎকারের  অভিযোগ, গ্রেফতার ১

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নারায়ণগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন
নারায়ণগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন

৪৭ মিনিট আগে | নগর জীবন

নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির
নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির

৫০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্বামীর ছুরিকাঘাতে দ্বিতীয় স্ত্রী খুনের অভিযোগ
স্বামীর ছুরিকাঘাতে দ্বিতীয় স্ত্রী খুনের অভিযোগ

৫১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঈদের ছুটিতে পর্যটকের ঢল কুতুবদিয়ার সমুদ্র সৈকতে
ঈদের ছুটিতে পর্যটকের ঢল কুতুবদিয়ার সমুদ্র সৈকতে

৫১ মিনিট আগে | পর্যটন

নগরকান্দায় গোল্ডকাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত
নগরকান্দায় গোল্ডকাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত

৫৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাবনায় ছুরিকাঘাতে যুবক খুন
পাবনায় ছুরিকাঘাতে যুবক খুন

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

টাঙ্গাইলে জামায়াতের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
টাঙ্গাইলে জামায়াতের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

৫৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

তেঁতুলিয়ায় বন্ধু ৯৩’ এর ঈদ পুনর্মিলনী
তেঁতুলিয়ায় বন্ধু ৯৩’ এর ঈদ পুনর্মিলনী

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এসএসসি পরীক্ষা পেছানোর কোনো সুযোগ নেই : শিক্ষা বোর্ড
এসএসসি পরীক্ষা পেছানোর কোনো সুযোগ নেই : শিক্ষা বোর্ড

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

টাঙ্গুয়ার হাওরের পরিবেশ রক্ষায় পর্যটকের অনন্য উদ্যোগ, ৫ মণ প্লাস্টিকবর্জ্য অপসারণ
টাঙ্গুয়ার হাওরের পরিবেশ রক্ষায় পর্যটকের অনন্য উদ্যোগ, ৫ মণ প্লাস্টিকবর্জ্য অপসারণ

১ ঘণ্টা আগে | প্রকৃতি ও পরিবেশ

১০০ শয্যার জনবল দিয়ে চলছে ২৫০ শয্যার হাসপাতাল, গাইবান্ধায় ক্ষোভ
১০০ শয্যার জনবল দিয়ে চলছে ২৫০ শয্যার হাসপাতাল, গাইবান্ধায় ক্ষোভ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বগুড়ায় অগ্নিকাণ্ডে গবাদী পশুসহ মালামাল পুড়ে ছাই
বগুড়ায় অগ্নিকাণ্ডে গবাদী পশুসহ মালামাল পুড়ে ছাই

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জনশূন্য দ্বীপেও শুল্ক বসালেন ট্রাম্প
জনশূন্য দ্বীপেও শুল্ক বসালেন ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএলে নতুন উচ্চতায় ভুবনেশ্বর কুমার
আইপিএলে নতুন উচ্চতায় ভুবনেশ্বর কুমার

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শিশু অপহরণের ঘটনায় 
পুলিশের ওপর হামলা, গ্রেফতার ২২
শিশু অপহরণের ঘটনায়  পুলিশের ওপর হামলা, গ্রেফতার ২২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দীর্ঘদিন পর নির্ভয়ে ঈদ করলেন চট্টগ্রামের বিএনপি নেতাকর্মীরা
দীর্ঘদিন পর নির্ভয়ে ঈদ করলেন চট্টগ্রামের বিএনপি নেতাকর্মীরা

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

তরুণ প্রজন্মকে উদ্যোক্তা হওয়ার পরামর্শ ড. ইউনূসের
তরুণ প্রজন্মকে উদ্যোক্তা হওয়ার পরামর্শ ড. ইউনূসের

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাজবাড়ীতে প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ, যুবক গ্রেফতার
রাজবাড়ীতে প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ, যুবক গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকনাফে এক লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার
টেকনাফে এক লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে
নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের
উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন
ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা
হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা

১৫ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ
সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!
১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন
সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

২ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস
শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র
হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কালুরঘাটে রেল ও সড়ক সেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ১৪ মে
কালুরঘাটে রেল ও সড়ক সেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ১৪ মে

২১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের
ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাসিনার বিরুদ্ধে গণহত্যা মামলার খসড়া তদন্ত রিপোর্ট পেয়েছে প্রসিকিউশন
হাসিনার বিরুদ্ধে গণহত্যা মামলার খসড়া তদন্ত রিপোর্ট পেয়েছে প্রসিকিউশন

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩ এপ্রিল)

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদের দিন ঘুরতে বেরিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেফতার
ঈদের দিন ঘুরতে বেরিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেফতার

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যে কারণে পরমব্রত’র সঙ্গে কৌশানীর অভিনয়ে আপত্তি ছিল বনির
যে কারণে পরমব্রত’র সঙ্গে কৌশানীর অভিনয়ে আপত্তি ছিল বনির

২১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

প্রিন্ট সর্বাধিক
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে

সম্পাদকীয়

চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই
চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সর্বত্র ভোটের আলোচনা
সর্বত্র ভোটের আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া
সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়
উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়

পেছনের পৃষ্ঠা

ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত
ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত

প্রথম পৃষ্ঠা

ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড
ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড

মাঠে ময়দানে

ঈদের ৬ ছবির হালচাল
ঈদের ৬ ছবির হালচাল

শোবিজ

ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল
ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল

প্রথম পৃষ্ঠা

শাকিবের প্রশংসায় বুবলী
শাকিবের প্রশংসায় বুবলী

শোবিজ

কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন
কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন

পেছনের পৃষ্ঠা

৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের
৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের

প্রথম পৃষ্ঠা

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই

সম্পাদকীয়

রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা
রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা

নগর জীবন

ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়
ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়

প্রথম পৃষ্ঠা

গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে
গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে

প্রথম পৃষ্ঠা

চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা
চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে
বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে

প্রথম পৃষ্ঠা

বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ
বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ

দেশগ্রাম

মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব
মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব

দেশগ্রাম

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

প্রথম পৃষ্ঠা

মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন
মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন

প্রথম পৃষ্ঠা

দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার
দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার

দেশগ্রাম

কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ

সম্পাদকীয়

দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪
দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪

পেছনের পৃষ্ঠা

আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা
আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা

রকমারি নগর পরিক্রমা

ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ
ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট
ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট

পেছনের পৃষ্ঠা

নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন
নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন

পূর্ব-পশ্চিম