শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ২১ মার্চ, ২০২৫

গল্প

আজমীর সাহেবের অবকাশযাপন

নিলয় মাহমুদুল
প্রিন্ট ভার্সন
আজমীর সাহেবের অবকাশযাপন

আজমীর সাহেব অফিস থেকে এক সপ্তাহের ছুটি নিয়েছেন। এ কয়দিন অফিসে বেশ ঝামেলা গেছে তার ওপর দিয়ে। কদিন রেস্ট নেওয়া দরকার। কিন্তু কোথায় যাবেন? বাড়িতে থেকে ছুটি কাটানো যাবে না। কারণ তার স্ত্রী খুব আমুদে মানুষ। এ মুহূর্তে আমুদের চাইতে একটু নিরিবিলি থাকতে বেশি ইচ্ছে করছে আজমীর সাহেবের। আজমীর সাহেবের স্ত্রী যদি কোনোভাবে জানতে পারে সে এক সপ্তাহের ছুটি নিয়েছে, অমনি গো ধরবে তাকে নিয়ে ঘুরতে যেতে হবে। তাও আবার দেশে না, বিদেশে।

স্ত্রীকে নিয়ে ঘুরতে যাওয়াই যায়। এতে দোষের কিছু নেই। তবে স্ত্রী যদি ঘুরতে এসে কোন মহিলা কী পরল, কাকে কেমন দেখাচ্ছে, কার জামা-কাপড়ের কত দাম হতে পারে- এসব নিয়ে পড়ে থাকে সেই স্ত্রীকে নিয়ে ঘুরতে যাওয়ার কোনো মানে হয়? গত বছর তারা দার্জিলিং বেড়াতে গিয়েছিল। সঙ্গে তার স্ত্রীর বড় বোনও ছিল। দুই বোন একসঙ্গে হলে, পারলে একেকজনকে ডেকে ডেকে বলে, ‘আপা দেখ বুড়িটাকে কেমন লাগছে। ইচ্ছে করছে ডেকে বলি, আপনাকে এই পোশাকে খুবই বাজে লাগছে।’ শুধু ভদ্রতার খাতিরে বলতে পারে না। দুই বোন তখন নিজেরা নিজেরা হাসতে হাসতে শেষ। অথচ দুই বোনেরই বয়স এখন ঢালের দিকে। শরীরে মেদ জমেছে। শাড়ি ছাড়া তাদের অন্য কিছুতে মানায় না। ভারী মেকআপে খুবই অস্বস্তিকর দেখায়। তাও তাদের রূপচর্চায় কোনো কমতি থাকে না। তাদের ঘোরাফেরা শুধু কাপড় আর কসমেটিকসের দোকান পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকে। শেষে দেখা যায়, দুজনের কেনাকাটার ব্যাগ বইতে বইতে আজমীর সাহেবের জীবন যায়। তখন একটা ভিন্ন দেশ দেখার যে আগ্রহ নিয়ে আস্বাদ, তা একেবারেই শেষ হয়ে যায়। এমনিতেই এক মহিলার যন্ত্রণায় অস্থির, তার ওপর আরেকজন। কোনো এক অদ্ভুত কারণে স্ত্রীর ছোট বোনের প্রতি পুরুষদের যে মায়া কাজ করে, বড় বোনদের প্রতি করে, তার উল্টোটা।

আজমীর সাহেব ঠিক করলেন এবারের ছুটিটা তিনি গ্রামে গিয়ে কাটাবেন। তার এক বন্ধু থাকেন গ্রামে। তার নাম ওয়াহিদুর রহমান। বর্তমান সময়ের অন্যতম ব্যস্ত লেখক। শহরে অভিজাত এলাকাতে নিজের কেনা ফ্ল্যাট থাকা সত্ত্বেও বছরের বেশির ভাগ সময় গ্রামেই থাকেন। তিনি বিয়ে করেননি। তবে প্রেম করেছেন প্রচুর। এ নিয়ে বাজারে অনেক চটকদার খবর চালু আছে। বছরখানেক হয় নতুন জায়গা কিনে বাড়ি করেছেন। সেখানে যাওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়ে একটা চিঠিও দিয়েছিলেন।

বন্ধু,

ভালো আছ নিশ্চয়ই। তোমার ৮টা-৫টার জীবন কেমন চলছে? সম্প্রতি একটা নতুন বাড়ি করলাম। একদম নিটল, শান্ত পরিবেশ। দোতলা টিনের ঘর। লাগোয়া বিশাল বারান্দা। বর্ষাকালে বারান্দায় বসে চা খেতে খেতে বৃষ্টি দেখি। কী যে এক অনাবিল শান্তি। না দেখলে বুঝবে না। বাড়ির দক্ষিণ পাশে বিশাল একটা পুকুর কাটিয়েছি। স্বচ্ছ টলটলা পানি। চৈত্রের তপ্ত দুপুরে গাছের ছায়ায় পুকুর পাড়ে যখন বসি, মনটা এত শীতল হয় যে, মনে হয় মায়ের কোলে আছি। একটা বজরার মতো নৌকা বানিয়েছি। জ্যোৎস্না রাতে সেই নৌকায় একা একা ভেসে বেড়াই। এখানে একটা ছেলে আছে। ওর নাম সুমন। চমৎকার গান করে। মাঝে মাঝে ওকে ডেকে নিয়ে গান শুনি। তখন তারাশঙ্কর সাহেবের একটা কথা খুব মনে পড়ে- জীবন এত ছোট কেন?

ঘড়ির কাঁটা হিসাব করে চলা মানুষ তোমরা। একদিন বেহিসাবি হওয়ার আমন্ত্রণ রইল।

আজমীর সাহেব বাড়িতে বললেন, অফিসের কাজে কিছুদিনের জন্য ঢাকার বাইরে যেতে হবে।

শুনে স্ত্রী বললেন, কবে ফিরবে?

সপ্তাহখানেক।

এক সপ্তাহ?

হ্যাঁ। কেন?

বড় আপা বলছিল তিন-চার দিনের জন্য নেপাল যাবে। দুলাভাইও যাচ্ছে সঙ্গে। আপার নামে নতুন কী এক ব্যবসা নাকি দেবে। তাই দেখতে যাচ্ছে। আমাকে জিজ্ঞেস করেছিল যাব কি না। তখন না করেছিলাম। এখন যেহেতু তুমি বাসায় থাকছ না, তাহলে আমিও যাই সঙ্গে? তুমি কী বল?

আদিল, রিপা ওরা বাসায় একা থাকবে?

একা কোথায়? মফিজ ভাই, ছনিয়ার মা, আলাউদ্দিন ওরা তো আছেই। তাছাড়া ওরা এখন যথেষ্ট ম্যাচিউরড।

যাও যেখানে খুশি।

এমনভাবে বলছ যেন আমি তোমার গলার কাঁটা হয়ে আছি।

আমি সেটা বলিনি। বলতে চেয়েছি আরও কোথাও যেতে চাইলে যেতে পার।

আরও কোথাও কীভাবে যাব? এত টাকা আছে আমার কাছে?

টাকা নেই মানে? গত সপ্তায় না এক লাখ টাকা নিলে?

তোমাকে বলিনি, কেনাকাটা করেছি?

আজমীর সাহেব বুঝতে পারেন না একটা মহিলা এত খরুচে স্বভাবের হয় কীভাবে? ছেলেমেয়েগুলোও দিনদিন মায়ের মতো হচ্ছে। এক অজানা কারণে মা আর ছেলেমেয়েদের কাউকে তিনি কিছু বলতে পারেন না। নিজের স্ত্রীর ওপর যতই বিরক্ত হন না কেন, মাঝে মাঝে প্রবল মায়া আর ভালোবাসায় কেমন যেন আটকে যান।

আজমীর সাহেব গাড়ি নিয়ে বের হলেন বিকাল বেলা। প্রথমে ভেবেছিলেন গাড়ি ছাড়াই বের হবেন। পরে ভাবলেন, নতুন অপরিচিত জায়গা, শেষে রাস্তা হারিয়ে ফেললে বিপদ হবে। তাই গাড়ি নিয়েই বের হলেন। আজমীর সাহেবের ড্রাইভারের নাম রমজান। প্রায় সাত বছর হয় আজমীর সাহেবের গাড়ি চালাচ্ছে সে।  অনেকটা পরিবারের সদস্যের মতোই হয়ে গেছে।

পোস্তগোলা ব্রিজ পার হওয়ার পর হাসনাবাদ স্ট্যান্ড। বসুন্ধরা রিভারভিউ রোড ধরে পানগাঁওয়ের কাছাকাছি আসতেই আজমীর সাহেব গাড়ির গ্লাস নামিয়ে ফেললেন। সবকিছু ছবির মতো সুন্দর লাগছে। রাস্তার দুপাশে সারি সারি গাছ। মাঝে মাঝে কিছু বাড়ি, পরপর ছোট ছোট জলাশয়। তীব্র বেগে হাওয়া গা ছুয়ে যাচ্ছে। নিজেকে অনেক হালকা মনে হচ্ছে। ইচ্ছে হচ্ছে পাখির মতো উড়ে যেতে। চলতি পথে সাধারণত তিনি গ্লাস নামান না। ঢাকা শহরে যেই জ্যাম। তার ওপর কোথাও থামলেই ভিক্ষুকদের উৎপাত।

স্যার একটা কথা বলমু? বাড়ি থেকে বের হয়ে আসার পর এই প্রথম রমজান কিছু বলল।

বল।

অনেক দিন ধইরাই ভাবতাছিলাম বলমু, সুযোগ হইতাছিল না।

এত ভনিতা করার কী আছে? তুমি তো আমার সঙ্গেই থাক। চাইলে যে কোনো সময়ই তো বলতে পার।

তারপরেও স্যার, সব কথা সব সময় বলা যায় না।

আচ্ছা বলো দেখি তোমার কী এমন কথা।

কথাটা আসলে ছোট সাহেবরে নিয়া।

আদিলকে নিয়ে আবার কী কথা?

আমার মনে হয় ছোট সাহেব খারাপ ছেলেপেলের পাল্লায় পড়ছে।

মানে? বুঝলাম না ঠিক।

লজ্জার কথা কী বলব স্যার, সেদিন তারে আমি গাঁজা খাইতে দেখছি। এর আগেই আমার একবার সন্দেহ হইছিল, তাই খোঁজখবর নেওয়ার জন্য নজর রাখছিলাম। একদিন দেখি এক মাইয়া মাইনষের কাছ থেইকা নেশাপানি কিনতাছে।

আজমীর সাহেব কী প্রতিক্রিয়া দেখাবেন বুঝতে পারছেন না। চুপ করে রইলেন।

আমারে ক্ষমা করবেন স্যার। অন্য কোনো বিষয় হইলে বলতাম না। আদিল বাবাজিকে আমি সন্তানের মতো দেখি। চোখের সামনে ছেলেটা নষ্ট হইয়া যাইব, এইটা মানা স্যার আমার পক্ষে সম্ভব না।

না না তুমি কেন ক্ষমা চাইছ? বরং ভালোই করেছ। ঠিক আছে আমি           দেখছি।

এতক্ষণ যেই ফুরফুরে আমেজে তিনি ছিলেন তার সবটাই এখন নষ্ট হয়ে গেছে। ছোটবেলা থেকেই ছেলেমেয়ের কোনো ইচ্ছা অপূর্ণ রাখেননি আজমীর সাহেব। যখন যা চেয়েছে একবাক্যে দিয়েছেন। আজকের এই দিনটির জন্য? আজমীর সাহেব মনে মনে ভাবলেন- আজ আমার ড্রাইভার বলছে আমার ছেলে নেশা করে! মেয়েটার চলাফেরাও দিনদিন উচ্ছৃঙ্খল হয়ে যাচ্ছে। রাতে দেরি করে বাড়ি ফেরে। রোকসানাকে কয়েকবার বলেওছিলেন। সে বলে, মেয়ে বড় হয়েছে, কলেজে পড়ে, এখন একটু ঘোরাফেরা করবে না তো কবে করবে? কিন্তু ছেলেটা? শান্তশিষ্ট এ ছেলেটা তলে তলে এসব করে বেড়ায়? কলেজ শেষ করে সবে ইউনিভার্সিটিতে উঠেছে। সামনে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ। আর সে কি না এভাবে সব নষ্ট করছে? কোনো দিন ছেলেমেয়েকে একটা ধমকও দেননি আজমীর সাহেব। আজ তারাই কি না কলিজায় দাগ কেটে যাচ্ছে?

ব্রাহ্মণগাঁওয়ের কাছাকাছি আসতেই হঠাৎ গাড়িটা বন্ধ হয়ে গেল। সন্ধ্যা হবে হবে। ফাঁকা রাস্তা, আশপাশে কয়েকটা ইটের ভাটা, অফ সিজন হওয়ায় সেখানেও কাউকে দেখা যাচ্ছে না।

কী হলো রমজান?

সেইটাই তো বুঝতাছি না স্যার।

রমজান পরপর কয়েকবার গাড়ি স্টার্ট দেওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হলো।

বের হওয়ার আগে গাড়ি চেক করনি?

সবই তো ঠিক ছিল, হঠাৎ কি হইল বুঝতাছি না।

এখান থেকে আর কতদূর বলতে পার?

এক কিলোর মতো হইব।

আজমীর সাহেব গাড়ি থেকে নেমে একটা সিগারেট ধরালেন। পরিবেশটা মন্দ না। মৃদু বাতাস বইছে, চারদিক থেকে ঝিঁঝি পোকার আওয়াজ শোনা যাচ্ছে। দূরে আকাশের তারার মতো মিটমিট করে কিছু আলো জ্বলতে দেখা যাচ্ছে।

আজমীর সাহেব জিজ্ঞেস করলেন, ওটা কি কোনো বাজার নাকি?

রমজান বলল, বাজারের মতোই। কয়েকটা দোকানপাট আছে। জাজিরা বোটঘাট এটা।

তুমি এখানে এত কিছু চেন কীভাবে?

আগে যখন ভাড়া গাড়ি চালাইতাম বিদেশি যাত্রী নিয়া মাঝে মাঝে আসা হইত।

চলো তাহলে সামনে যাই। দেখি কোনো মেকানিক পাওয়া যায় কি না!

এইখানে কোনো মেকানিক পাওয়া যাইব বইলা মনে হয় না। হয় ফতুল্লা ঘাটে যাইতে হইব, না হয় হাসনাবাদ।

গিয়ে দেখি কোনো ব্যবস্থা হয় কি না। না হলে কাল সকালে দেখা যাবে।

এমন সুনসান জায়গায় গাড়িটা রাইখা যাওয়া কি ঠিক হইব স্যার?

এ ছাড়া উপায় কী?

আমি না হয় স্যার সামনে থেইকা আপনারে একটা রিকশা কইরা দেই, আপনে চইলা যান। আমি গাড়ি ঠিক করায়া নিয়া আসতাছি।

অল্প কিছু দূর পরেই একটা ছোট ব্রিজ। ব্রিজের এক কোনায়, নিচে কে একজন জবুথবু হয়ে বসে আছে। কৌতূহলবশত আজমীর সাহেব উঁকি দিলেন। লোকটার মাথা নিম্নমুখী। কারও উপস্থিতি টের পেয়ে ঘাড় ঘুরিয়ে তাকাল। লোকটির চোখেমুখে ভয় ধরানো একটা ব্যাপার আছে। রহস্যময় একটা হাসি দিয়ে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইল। রমজান ভয় পেয়ে বলল, চলেন স্যার।

আজমীর সাহেব লোকটিকে পা থেকে মাথা অবধি এক নজর দেখলেন। এই গরমেও লোকটা চাদর গায়ে দিয়ে আছে। চাদরের ভিতরে কিছু পরে আছে কিনা বোঝা যাচ্ছে না। নিম্নাংশে ধুতি পরিহিত। হাতে লাঠি।

রমজান আবারও বলল, পাগল মনে হইতাছে। এদের কাছে বেশিক্ষণ থাকা ঠিক হইব না। চলেন স্যার।

আজমীর সাহেব চোখে মুখে আগের মতোই কৌতূহল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন।

সেই রহস্যময় লোকটি হাসি হাসি মুখ করে বলল, এ দুনিয়ায় ভালা মানুষ কেডা? কেউ ট্যাকার পাগল, কেউ মাইয়া মাইনষের পাগল, কেউ আবার সরাবের পাগল। কিছু কিছু পাগল আছে সত্যরে মিথ্যা আর মিথ্যারে সত্য জ্ঞান করে।

আজমীর সাহেব অথবা রমজান, তদের কেউ লোকটির কথার আগা মাথা কিছুই বুঝতে পারল না।

লোকটা এবার বিরক্তির ছাপ মুখে নিয়ে বলল, যাহ, আমারে ত্যক্ত করিছ না। অগো লগে আমার কথা আছে।

লোকটি আগের মতোই তার স্থানে বসে পড়ল।

লেখক সাহেবের বাড়ি পৌঁছাতে রাত ৮টা বেজে গেল। আজমীর সাহেব এসেছেন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাতে। রমজান গেছে মেকানিকের সন্ধানে।

নৈশভোজ শেষে দুই বন্ধু বসেছে পুকুর ঘাটে। আজমীর সাহেবের দৃষ্টিনিবদ্ধ হয়ে আছে পুকুরের যেখানটায় চাঁদের আলো এসে পড়েছে সেখানটায়। লেখক সাহেব এক খিলি পান মুখে দিলেন। মুখের ভিতর পিষতে থাকা পানের শব্দে আজমীর সাহেব ফিরে তাকালেন।

তুমি আবার পান খাও কবে থেকে?

লেখক মৃদু হেসে বললেন, সব সময় খাই না। মাঝে মধ্যে। দেব নাকি তোমাকে একটা বানিয়ে?

না, না তুমিই খাও। পান মুখে দিয়ে জাবর কাটতে আমার অসহ্য লাগে।

ঠিক আছে তোমার খেতে হবে না।

কিছুক্ষণের নীরবতা শেষে আজমীর সাহেব বললেন, অনেক দিন পর ঝিঁঝি পোকার ডাক শুনছি। রাস্তা দিয়ে আসার সময়ও শুনতে পেয়েছিলাম। ছোটবেলার কথা মনে পড়ে যাচ্ছে।

তুমি এসবও ভাবো?

শহরের অভ্যস্ত ব্যস্ত জীবনে এসব নিয়ে ভাববার সময় কই?

তা অবশ্য ঠিক। আর সে জন্যই তো এখানে গর্ত খুঁড়লাম। সম্পূর্ণ গর্তজীবী হবো বলে।

তুমি খুব ভালো আছ ভাই।

কেন, তুমি নেই?

ঠিক বুঝতে পারি না।

এই কথা শুনে লেখক সাহেব উচ্চৈঃস্বরে হাসতে লাগলেন। এই হাসির অর্থ বুঝতে পারলেন না আজমীর সাহেব। কেন যেন জিজ্ঞেসও করতে ইচ্ছে করছে না।

প্রসঙ্গ পাল্টে জিজ্ঞেস করলেন, আসার সময় একজন পাগলের সঙ্গে দেখা হলো। কেমন উদ্ভট লাগল।

এটা কেমন কথা বন্ধু? পাগলেরা উদ্ভট হবে সেটাই তো স্বাভাবিক।

সেই স্বাভাবিকের মধ্যেও কেমন যেন একটা অস্বাভাবিক ব্যাপার ছিল।

তুমি হয়তো আমীর সাহেবের কথা বলছ।

‘সাহেব’ বলছ যে।

হুম তিনি শিক্ষক ছিলেন। দশ বছর আগে এক দুর্ঘটনার পর থেকে তার এই অবস্থা।

কেমন দুর্ঘটনা?

আজমীর সাহেব স্থানীয় এক প্রাইমারি স্কুলের হেডমাস্টার ছিলেন। একটা মাত্রই ছেলে ছিল তার। অনেক কষ্টে ছেলেকে ডাক্তার বানিয়েছেন। ছেলে নিজের পছন্দে তারই এক সহপাঠীকে বিয়ে করে। এতে তাদের কোনো আপত্তি ছিল না অবশ্য। ছেলে বউ নিয়ে ঢাকাতেই থাকত। দুজন প্রাক্টিসও করত একই হাসপাতালে। বিয়ের প্রথম বছরেই খুশির সংবাদ পায় সবাই। সেই আনন্দ উদযাপনে স্ত্রীকে নিয়ে একদিন এক রেস্টুরেন্টে খেতে গিয়ে সেখান থেকে আর বের হতে পারেনি তারা। তুমি জানো নিশ্চয়ই গুলশানের বহুতল ভবনের সেই অগ্নিকান্ডের কথা। সেই দুর্ঘটনার কথা শোনার পর আজমীর সাহেবের স্ত্রী স্ট্রোক করে মারা যান। তারপর থেকে তিনিও এলোমেলো হয়ে গেলেন।

আজমীর সাহেব পলকহীন দৃষ্টি নিয়ে কথাগুলো শুনছিলেন। তার চোখের পানি জোছনার আলোয় চিকচিক করছে। লেখক সাহেব খেয়াল করেও কিছু বললেন না।

আজমীর সাহেবের খুব বলতে ইচ্ছে করছে- বন্ধু জানো, সেই ভবনের অনুমোদন আমি দিয়েছিলাম। ছয়তলার অনুমতি নিয়ে বারোতলা ভবন করা হয়েছে জেনেও আমি কোনো পদক্ষেপ নিইনি। করপোরেট ভবনের অনুমতি নেওয়া হলেও ব্যাঙের ছাতার মতো রেস্টুরেন্ট হয়েছে, তাও চুপ থেকেছি। সামান্য কিছু টাকার জন্য। অগ্নিকান্ড ঘটার পর আমার নামে কেস হয়। এত বছর পর গতকাল সেই কেসের নিষ্পত্তি করে তোমার এখানে এসেছি।

কী ভাবছ এমন আনমনে? লেখক সাহেব জিজ্ঞেস করলেন।

কিছু না।

সুমনকে ডেকে পাঠিয়েছি। হয়তো এসে পড়বে এখনই। ওর গান শুনলে ভালো লাগবে। কোনো কিছু নিয়ে এত ভেব না। যদি ভাবতেই হয় সময়মতো ভাববে। তাহলে হয়তো পরবর্তীতে আর কষ্ট পেতে হবে না। জানতো মানুষের ভাগ্য তার কর্মে।

সুমন এসে গান ধরে-

আমি অপার হয়ে বসে আছি

ও হে দয়াময়

পারে লইয়ে যাও আমায়...

ভরা যৌবনের মতো পূর্ণিমার আলোয় ভেসে যায় গান, সঙ্গে কতিপয় প্রাণ।

 

লেখা পাঠানোর ইমেইল ঠিকানা

[email protected]

 

এই বিভাগের আরও খবর
উৎপল
উৎপল
নারিন্দার মেয়ে
নারিন্দার মেয়ে
প্রেম; তোমাকে-আমাকে
প্রেম; তোমাকে-আমাকে
গহিন কাব্য
গহিন কাব্য
অর্থময় সিসিফাস
অর্থময় সিসিফাস
ইরাবতী
ইরাবতী
নির্জন নদী
নির্জন নদী
প্রমার মুখ
প্রমার মুখ
বিদায়
বিদায়
ছায়া পড়ে থাকে
ছায়া পড়ে থাকে
দুজনের সম্পর্ক যা
দুজনের সম্পর্ক যা
জসীমউদ্‌দীনের কবর
জসীমউদ্‌দীনের কবর
সর্বশেষ খবর
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

রড ও কাঠ দিয়ে স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর, স্বামী গ্রেফতার
রড ও কাঠ দিয়ে স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর, স্বামী গ্রেফতার

১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

৬ মিনিট আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার
গাইবান্ধায় ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাগেরহাটে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩
বাগেরহাটে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩

১২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দিনাজপুর জিলা স্কুল এক্স-স্টুডেন্ট সোসাইটির যাত্রা শুরু
দিনাজপুর জিলা স্কুল এক্স-স্টুডেন্ট সোসাইটির যাত্রা শুরু

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যমুনার চরাঞ্চলে আগুনে পুড়ল ৩ দোকান
যমুনার চরাঞ্চলে আগুনে পুড়ল ৩ দোকান

২০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

৩৫ মিনিট আগে | রাজনীতি

ঈদের ছুটিতেও সেবা দিল বগুড়ার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র
ঈদের ছুটিতেও সেবা দিল বগুড়ার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র

৪৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বনদস্যু আতঙ্কের মাঝেই সুন্দরবনে শুরু মধু আহরণ মৌসুম
বনদস্যু আতঙ্কের মাঝেই সুন্দরবনে শুরু মধু আহরণ মৌসুম

৫৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লায় খুন ও ডাকাতি মামলার আসামিকে হত্যা
কুমিল্লায় খুন ও ডাকাতি মামলার আসামিকে হত্যা

৫৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কোটালীপাড়ায় ইউপি সদস্যের পদত্যাগ দাবি
কোটালীপাড়ায় ইউপি সদস্যের পদত্যাগ দাবি

৫৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাদারীপুরে এক ডজন মামলার আসামি গ্রেফতার
মাদারীপুরে এক ডজন মামলার আসামি গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুমকিতে মাকে কুপিয়ে জখম করায় ছেলের বিরুদ্ধে মামলা
দুমকিতে মাকে কুপিয়ে জখম করায় ছেলের বিরুদ্ধে মামলা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ বাণিজ্য সংকটকে আরও গভীর করবে : চীন
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ বাণিজ্য সংকটকে আরও গভীর করবে : চীন

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙ্গায় ভ্যানের নিচে চাপা পড়ে একজনের মৃত্যু
ভাঙ্গায় ভ্যানের নিচে চাপা পড়ে একজনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার সময় যুবক গ্রেফতার
শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার সময় যুবক গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বিমসটেকে তরুণদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে যুব উৎসব আয়োজনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
বিমসটেকে তরুণদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে যুব উৎসব আয়োজনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দেশীয় শিল্পীদের মূল্যায়ন করতেই ‘স্বাধীনতা কনসার্ট’র আয়োজন : টুকু
দেশীয় শিল্পীদের মূল্যায়ন করতেই ‘স্বাধীনতা কনসার্ট’র আয়োজন : টুকু

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাবনায় যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগে জরিমানা
পাবনায় যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগে জরিমানা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি কুয়াকাটা, ভ্রমণ গাইড
অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি কুয়াকাটা, ভ্রমণ গাইড

২ ঘণ্টা আগে | পর্যটন

সাতকানিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে যুবক নিহত
সাতকানিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে যুবক নিহত

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মার্চ মাসেও বৃষ্টির দেখা মেলেনি রংপুরে
মার্চ মাসেও বৃষ্টির দেখা মেলেনি রংপুরে

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্কবার্তা, অবিলম্বে শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি চীনের
যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্কবার্তা, অবিলম্বে শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি চীনের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিমসটেক মহাসচিবের সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিমসটেক মহাসচিবের সাক্ষাৎ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী
গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

১৬ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা
পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা

নগর জীবন

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

সম্পাদকীয়

ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত
ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা
কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা

শোবিজ

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য

সম্পাদকীয়

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা