শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

সামনের সারির ক’জন নারী ভাষাসৈনিক

এস ডি সুব্রত
প্রিন্ট ভার্সন
সামনের সারির ক’জন নারী ভাষাসৈনিক
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি নারীরাই পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি করে ব্যারিকেড ভেঙে দিয়েছিলেন। আহতদের চিকিৎসায় বিশেষ ভূমিকা রাখেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্রীরা। আহতদের চিকিৎসা সাহায্যের জন্য বাড়ি বাড়ি গিয়ে মেয়েরা চাঁদা তুলে আনেন। পুলিশের তাড়া খাওয়া ছাত্রদের নিজেদের কাছে লুকিয়ে রাখেন। আন্দোলনের খরচ চালানোর জন্য অনেক গৃহিণী অলংকার খুলে দেন। শুধু তাই নয়, ভাষা আন্দোলনে জড়িত হওয়ায় অনেক নারীকে জেলও খাটতে হয়েছে। কেউ হারিয়েছেন সংসার...

ভাষা আন্দোলন ছিল আমাদের অস্তিত্বের চেতনার আন্দোলন। মায়ের ভাষা রক্ষার দাবিতে রাজপথে নেমেছিল ছাত্র-জনতা। বুক পেতে নিয়েছিল ঘাতকের গুলি। অর্জন করেছিল মায়ের ভাষায় কথা বলার অধিকার। সেই আন্দোলনে ছাত্র-যুবা পুরুষের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন দেশের নারীরাও। রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই দাবির আন্দোলনে সহযোদ্ধা হয়ে পুরুষের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন তারা। পাকিস্তানি সেনা ও পুলিশের তাক করা বন্দুকের নল উপেক্ষা করে ভাষার দাবির মিছিলগুলোতে নারীরা ছিলেন সামনের কাতারে। ১৯৪৮ থেকে ১৯৫২ সাল পর্যন্ত পূর্ববাংলার সামাজিক ইতিহাস বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তৎকালীন রক্ষণশীল সামাজিক পটভূমিতে ভাষা আন্দোলনে নারীর অংশগ্রহণ ছিল একটি বৈপ্লবিক পদক্ষেপ। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর লেখনী প্রচেষ্টার মাধ্যমে শুরু হয় নারীর আন্দোলন-সংগ্রামে অংশগ্রহণ। সে সময়ে নারীদের মুখপত্র বেগম পত্রিকা বিভিন্ন প্রবন্ধ, চিঠিপত্র, সম্পাদকীয় প্রভৃতির মাধ্যমে ভাষার প্রশ্নে তাদের মনোভাব ফুটিয়ে তোলে। মোহেসনা ইসলাম, বেগম আফসারুন্নেসা, রুকিয়া আনোয়ার প্রমুখের লেখায় এ সম্পর্কে অনেক কিছু জানা যায়। ১৯৪৭-এ দেশ বিভাগ-পরবর্তী পরিস্থিতিতে বিশিষ্টজনরা বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে যে স্মারকলিপি প্রদান করেন, স্বাক্ষর প্রদানকারী নারীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন আনোয়ারা খাতুন, লিলি খান, লীলা রায়, রুকিয়া আনোয়ার প্রমুখ। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলন সফল করার ক্ষেত্রে মাহমুদা নাসির, মমতাজ বেগম, মালেকা, সুলতানা রাজিয়া আফরোজা, খালেদা খানম প্রমুখের অবদান অনস্বীকার্য। ভাষা আন্দোলনের তৎপরতা ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে নাদিরা বেগম ও শাফিয়া খাতুন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ভাষা আন্দোলনে লায়লা সামাদ, শামসুন নাহার, শাফিয়া খাতুন, সারা তৈফুর, রওশন আরা বাচ্চু, সুফিয়া ইব্রাহিম, রওশন আরা রহমান, হালিমা খাতুন, কায়সার সিদ্দিকী প্রমুখ ছাত্রীর অংশগ্রহণমূলক অবদান ছিল চোখে পড়ার মতো। সেসব নারীর অবদান সম্পর্কে এ প্রজন্মের অনেকেই অবগত নন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীরা রাতে লুকিয়ে ভাষার দাবি আদায়ে বিভিন্ন স্লোগানসংবলিত পোস্টার আঁকতেন। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি নারীরাই পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি করে ব্যারিকেড ভেঙে দিয়েছিলেন। আহতদের চিকিৎসায় বিশেষ ভূমিকা রাখেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্রীরা। আহতদের চিকিৎসা সাহায্যের জন্য বাড়ি বাড়ি গিয়ে মেয়েরা চাঁদা তুলে আনেন। পুলিশের তাড়া খাওয়া ছাত্রদের নিজেদের কাছে লুকিয়ে রাখেন। আন্দোলনের খরচ চালানোর জন্য অনেক গৃহিণী অলংকার খুলে দেন। শুধু তাই নয়, ভাষা আন্দোলনে জড়িত হওয়ায় অনেক নারীকে জেলও খাটতে হয়েছে। কেউ হারিয়েছেন সংসার। কেউ আবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে হয়েছেন বহিষ্কৃত। সে খবর আমরা এখন রাখি না। ভাষা আন্দোলনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নারীদের অনবদ্য ভূমিকা ছিল। ১৯৪৭ সালের আগস্ট মাসে অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে বাংলা ভাষার দাবি চাঙা করতে গঠিত হয় তমুদ্দিন মজলিস। আবুল কাশেমের স্ত্রী রাহেলা, বোন রহিমা এবং রাহেলার ভাইয়ের স্ত্রী রোকেয়া আন্দোলনকারীদের আজিমপুরের বাসায় দীর্ঘদিন রান্না করে খাইয়েছেন। শুধু তাই নয়, বায়ান্নর ২৩ ফেব্রুয়ারি রাত ৪টার দিকে আবুল কাশেমের বাসা ঘিরে ফেলে পুলিশ। ভিতরে আবুল কাশেম ও আবদুল গফুরসহ অন্যরা ভাষা আন্দোলনের মুখপত্র সৈনিক পত্রিকা প্রকাশের কাজে ব্যস্ত। পুলিশ দরজায় বারবার আঘাত করলে মিসেস রাহেলা কাশেম ভদ্র পরিবারের বাসায় রাতে প্রবেশের চেষ্টার বিরুদ্ধে পুলিশের সঙ্গে তর্কবিতর্ক জুড়ে দেন। আর এ সুযোগে আবুল কাশেমসহ অন্যরা পেছনের দেয়াল টপকে পালিয়ে যান। এরপর পুলিশ ভিতরে ঢুকে কাউকে দেখতে না পেয়ে চলে যায়। ভাষা আন্দোলন শুরুর দিকে অন্দরমহলে নারীর এই অবদান আন্দোলন-পরবর্তী কর্মসূচিগুলো এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। কারণ সেই রাতে আবুল কাশেমসহ অন্যরা গ্রেপ্তার হয়ে গেলে প্রচারপত্র হয়তো থেমে যেত। অথচ নারীদের অবদান যেন আড়ালে ঢাকা পড়ে যায় অলক্ষ্যে-অবহেলায়। ১৯৪৮ সালের ৩১ জানুয়ারি ঢাকার বার লাইব্রেরিতে সর্বদলীয় সভায় ছাত্রীদের প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে ইডেন কলেজের ছাত্রী মাহবুবা খাতুন বলেন, বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি স্বীকার করিয়ে নেওয়ার জন্য প্রয়োজন হলে মেয়েরা রক্ত দেবে। আন্দোলনের শুরুর দিকে একজন ছাত্রীর মুখে এমন সাহসী উচ্চারণ কর্মীদের মনে উদ্দীপনা জোগাতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। পরে ১৯৪৮ সালের ঘটনা। ১১ মার্চ ভোরবেলা থেকে শত শত ছাত্রকর্মী ইডেন বিল্ডিং... ও অন্যান্য জায়গায় পিকেটিং শুরু করেন। ... সকাল ৮টায় পোস্ট অফিসের সামনে ছাত্রদের ওপর ভীষণভাবে লাঠিচার্জ হয়। ... কয়েকজন ছাত্রীও মার খেয়েছিলেন সেখানে। ... তখন পূর্ব পাকিস্তান আইনসভার অধিবেশন চলছিল। ... আনোয়ারা খাতুন ও অনেকে মুসলিম লীগ পার্টির বিরুদ্ধে (অধিবেশনে) তীব্র ভাষায় প্রতিবাদ করেন। জিন্নাহর ঘোষণা-পরবর্তী সব কর্মসূচিতেও নারীরা সরব ছিলেন। বায়ান্নর ২৭ জানুয়ারি খাজা নাজিমুদ্দিন কর্তৃক জিন্নাহর ঘোষণা পুনরাবৃত্তি হলে মহান একুশের মূল ক্ষেত্র তৈরিতে ছাত্রীরা সাহসী ভূমিকা রাখেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ইডেন কলেজের ছাত্রীরা আন্দোলন চাঙা করতে অর্থ সংগ্রহ ও রাতভর পোস্টার লেখার কাজ করেন। ২১ ফেব্রুয়ারি পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙার মূল কাজটা রওশন আরা বাচ্চুসহ আরও কয়েকজন ছাত্রীর দ্বারাই হয়। কারণ ১০ জন করে বের হওয়া প্রথম দুটি দলের অনেকেই গ্রেপ্তার হন। ছাত্ররা ব্যারিকেডের ওপর ও নিচ দিয়ে লাফিয়ে চলে যান। পরে তৃতীয় দলে বেরিয়ে ব্যারিকেড ধরে টানাটানির কাজ শুরু করেন ছাত্রীরাই। সেদিন পুলিশের লাঠিচার্জ ও টিয়ার শেলে অনেক ছাত্রী আহত হন। এর মধ্যে রওশন আরা বাচ্চু, সারা তৈফুর, বোরখা শামসুন, সুফিয়া ইব্রাহীম, সুরাইয়া ডলি ও সুরাইয়া হাকিম ছিলেন। সেদিন বর্তমান জগন্নাথ হলে চলা অ্যাসেম্বলিতে পূর্ববঙ্গ আইন পরিষদের সদস্য আনোয়ারা খাতুন প্রতিবাদী বক্তব্যে বলেন, মিস্টার স্পিকার, পুলিশের লাঠিচার্জে মেয়েরা আহত হয়েছে। ... মেয়েদের মোট আহতের সংখ্যা ৮ জন। মন্ত্রিসভা এমন একটা আবহাওয়ার সৃষ্টি করেছে যাতে মেয়েরা পর্যন্ত লাঞ্ছিত হয়েছে। ঢাকার বাইরে নারীরা ভাষা আন্দোলনে একাত্ম হতে গিয়ে পুলিশি নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। নারায়ণগঞ্জের মমতাজ বেগমের কথা সবার জানা। কারা নির্যাতনের একপর্যায়ে সরকারের চাপে স্বামী তাঁকে তালাক দিয়েছিল। মমতাজ বেগমের ছাত্রী ইলা বকশী, বেনু ধর ও শাবানীর মতো কিশোরীকেও পুলিশ গ্রেপ্তার করেছিল। সিলেটের মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার সালেহা বেগম ময়মনসিংহ মুসলিম গার্লস স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্রী থাকাকালীন ভাষাশহীদদের স্মরণে স্কুলে কালো পতাকা উত্তোলন করেন। এ অপরাধে সেখানকার ডিসি ডি কে পাওয়ারের আদেশে স্কুল থেকে তাঁকে তিন বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়। সালেহা বেগমের পক্ষে আর পড়ালেখা করা সম্ভব হয়নি। ভাষা আন্দোলনে নারীর অংশগ্রহণে সবচেয়ে বড় অঘটন ঘটে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি। সেদিন ১৪৪ ধারা ভাঙার দায়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১ ছাত্রী গ্রেপ্তার হন। তাঁদের মধ্যে লায়লা নূর, প্রতিভা মুৎসুদ্দি, রওশন আরা বেনু, ফরিদা বারি, জহরত আরা, কামরুন নাহার লাইলি, হোসনে আরা, ফরিদা আনোয়ার ও তালেয়া রহমান অন্যতম। সে সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের প্রক্টরের অনুমতি নিয়ে এবং প্রক্টরের সামনে পুরুষের সঙ্গে কথা বলতে হতো। গ্রামের নারীরা তো ছিল পর্দা প্রথার আড়ালে বন্দি। এমন সময় সামাজিক, ধর্মীয়, প্রাতিষ্ঠানিক ও রাষ্ট্রীয় বাধা-বিপত্তি ঠেলে বাংলা ভাষার দাবিতে নারীদের রাজপথে নেমে আসা ছিল বিরাট ব্যাপার। আন্দোলনে অংশ নিতে নারীদের সামনে ছিল নানা ঝুঁকি। এসব ঝক্কি-ঝামেলা উপেক্ষা করে মায়ের ভাষা সমুন্নত রাখার দাবিতে আন্দোলনে পুরুষের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন নারীরা। ভাষা সংগ্রামে নারীদেরও অগ্রণী ভূমিকা ছিল কিন্তু অজ্ঞাত কারণে সে ভূমিকা আজও অস্বীকৃতই থেকে গেছে। নারী ভাষাসংগ্রামীদের নাম উচ্চারিতই হয় না বললেই চলে। ভাষা সংগ্রামের ইতিহাস সঠিকভাবে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা সময়ের দাবি। শত প্রতিকূলতার মধ্যেও যেসব সাহসী নারী ভাষা আন্দোলনে অসামান্য অবদান রেখেছেন, তাঁদের নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা জাতির নৈতিক দায়িত্ব।

 

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
বিদায়
বিদায়
ছায়া পড়ে থাকে
ছায়া পড়ে থাকে
দুজনের সম্পর্ক যা
দুজনের সম্পর্ক যা
জসীমউদ্‌দীনের কবর
জসীমউদ্‌দীনের কবর
সুখের নান্দিপাঠ
সুখের নান্দিপাঠ
হলুদ বসন্ত পাখি
হলুদ বসন্ত পাখি
ভালোবেসেছিল
ভালোবেসেছিল
আজমীর সাহেবের অবকাশযাপন
আজমীর সাহেবের অবকাশযাপন
সৈয়দ মুজতবা আলী
সৈয়দ মুজতবা আলী
একটু দাঁড়াও
একটু দাঁড়াও
বালুকাবেলা, পাটুয়ারটেক
বালুকাবেলা, পাটুয়ারটেক
সেদিনও আকাশ ছিল লাল
সেদিনও আকাশ ছিল লাল
সর্বশেষ খবর
রাঙ্গুনিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় একজন নিহত
রাঙ্গুনিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় একজন নিহত

এই মাত্র | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

দুর্নীতির অভিযোগ : পশ্চিমবঙ্গের প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষকের নিয়োগ বাতিল
দুর্নীতির অভিযোগ : পশ্চিমবঙ্গের প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষকের নিয়োগ বাতিল

৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

১৬ মিনিট আগে | বাণিজ্য

লামায় পর্যটকবাহী মিনিবাস দুর্ঘটনায় ২৫ জন আহত
লামায় পর্যটকবাহী মিনিবাস দুর্ঘটনায় ২৫ জন আহত

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এই সরকার ব্যর্থ হলে শহীদের রক্ত বৃথা যাবে: সালাউদ্দিন টুকু
এই সরকার ব্যর্থ হলে শহীদের রক্ত বৃথা যাবে: সালাউদ্দিন টুকু

২৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রশাসনের হস্তক্ষেপে মানিকগঞ্জে বাল্যবিয়ে বন্ধ
প্রশাসনের হস্তক্ষেপে মানিকগঞ্জে বাল্যবিয়ে বন্ধ

৩৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?
কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?

৩৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর
জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর

৩৯ মিনিট আগে | জাতীয়

তুচ্ছ ঘটনায় মা-ভাইকে কুপিয়ে জখম
তুচ্ছ ঘটনায় মা-ভাইকে কুপিয়ে জখম

৩৯ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

নারায়ণগঞ্জে কোকো স্মৃতি সংসদের ঈদ পুনর্মিলনী
নারায়ণগঞ্জে কোকো স্মৃতি সংসদের ঈদ পুনর্মিলনী

৪৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

উল্লাপাড়ায় ট্যাংকলরী-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৪
উল্লাপাড়ায় ট্যাংকলরী-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৪

৪৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নারীদের বিশ্বকাপ বাছাইয়ে দুই বাংলাদেশি আম্পায়ার
নারীদের বিশ্বকাপ বাছাইয়ে দুই বাংলাদেশি আম্পায়ার

৫৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা
২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা

৫৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ভৈরবে শিশুকে বলাৎকারের 
অভিযোগ, গ্রেফতার ১
ভৈরবে শিশুকে বলাৎকারের  অভিযোগ, গ্রেফতার ১

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নারায়ণগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন
নারায়ণগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির
নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্বামীর ছুরিকাঘাতে দ্বিতীয় স্ত্রী খুনের অভিযোগ
স্বামীর ছুরিকাঘাতে দ্বিতীয় স্ত্রী খুনের অভিযোগ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের ছুটিতে পর্যটকের ঢল কুতুবদিয়ার সমুদ্র সৈকতে
ঈদের ছুটিতে পর্যটকের ঢল কুতুবদিয়ার সমুদ্র সৈকতে

১ ঘণ্টা আগে | পর্যটন

নগরকান্দায় গোল্ডকাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত
নগরকান্দায় গোল্ডকাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাবনায় ছুরিকাঘাতে যুবক খুন
পাবনায় ছুরিকাঘাতে যুবক খুন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টাঙ্গাইলে জামায়াতের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
টাঙ্গাইলে জামায়াতের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তেঁতুলিয়ায় বন্ধু ৯৩’ এর ঈদ পুনর্মিলনী
তেঁতুলিয়ায় বন্ধু ৯৩’ এর ঈদ পুনর্মিলনী

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এসএসসি পরীক্ষা পেছানোর কোনো সুযোগ নেই : শিক্ষা বোর্ড
এসএসসি পরীক্ষা পেছানোর কোনো সুযোগ নেই : শিক্ষা বোর্ড

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

টাঙ্গুয়ার হাওরের পরিবেশ রক্ষায় পর্যটকের অনন্য উদ্যোগ, ৫ মণ প্লাস্টিকবর্জ্য অপসারণ
টাঙ্গুয়ার হাওরের পরিবেশ রক্ষায় পর্যটকের অনন্য উদ্যোগ, ৫ মণ প্লাস্টিকবর্জ্য অপসারণ

১ ঘণ্টা আগে | প্রকৃতি ও পরিবেশ

১০০ শয্যার জনবল দিয়ে চলছে ২৫০ শয্যার হাসপাতাল, গাইবান্ধায় ক্ষোভ
১০০ শয্যার জনবল দিয়ে চলছে ২৫০ শয্যার হাসপাতাল, গাইবান্ধায় ক্ষোভ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বগুড়ায় অগ্নিকাণ্ডে গবাদী পশুসহ মালামাল পুড়ে ছাই
বগুড়ায় অগ্নিকাণ্ডে গবাদী পশুসহ মালামাল পুড়ে ছাই

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জনশূন্য দ্বীপেও শুল্ক বসালেন ট্রাম্প
জনশূন্য দ্বীপেও শুল্ক বসালেন ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএলে নতুন উচ্চতায় ভুবনেশ্বর কুমার
আইপিএলে নতুন উচ্চতায় ভুবনেশ্বর কুমার

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শিশু অপহরণের ঘটনায় 
পুলিশের ওপর হামলা, গ্রেফতার ২২
শিশু অপহরণের ঘটনায়  পুলিশের ওপর হামলা, গ্রেফতার ২২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দীর্ঘদিন পর নির্ভয়ে ঈদ করলেন চট্টগ্রামের বিএনপি নেতাকর্মীরা
দীর্ঘদিন পর নির্ভয়ে ঈদ করলেন চট্টগ্রামের বিএনপি নেতাকর্মীরা

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সর্বাধিক পঠিত
নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে
নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের
উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন
ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা
হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা

১৬ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!
১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

২ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন
সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস
শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র
হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কালুরঘাটে রেল ও সড়ক সেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ১৪ মে
কালুরঘাটে রেল ও সড়ক সেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ১৪ মে

২২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের
ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসিনার বিরুদ্ধে গণহত্যা মামলার খসড়া তদন্ত রিপোর্ট পেয়েছে প্রসিকিউশন
হাসিনার বিরুদ্ধে গণহত্যা মামলার খসড়া তদন্ত রিপোর্ট পেয়েছে প্রসিকিউশন

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩ এপ্রিল)

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদের দিন ঘুরতে বেরিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেফতার
ঈদের দিন ঘুরতে বেরিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেফতার

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যে কারণে পরমব্রত’র সঙ্গে কৌশানীর অভিনয়ে আপত্তি ছিল বনির
যে কারণে পরমব্রত’র সঙ্গে কৌশানীর অভিনয়ে আপত্তি ছিল বনির

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে

সম্পাদকীয়

চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই
চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সর্বত্র ভোটের আলোচনা
সর্বত্র ভোটের আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া
সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়
উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়

পেছনের পৃষ্ঠা

ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত
ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত

প্রথম পৃষ্ঠা

ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড
ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড

মাঠে ময়দানে

ঈদের ৬ ছবির হালচাল
ঈদের ৬ ছবির হালচাল

শোবিজ

ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল
ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল

প্রথম পৃষ্ঠা

শাকিবের প্রশংসায় বুবলী
শাকিবের প্রশংসায় বুবলী

শোবিজ

কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন
কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন

পেছনের পৃষ্ঠা

৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের
৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের

প্রথম পৃষ্ঠা

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই

সম্পাদকীয়

রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা
রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা

নগর জীবন

ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়
ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়

প্রথম পৃষ্ঠা

গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে
গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে

প্রথম পৃষ্ঠা

চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা
চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ
বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ

দেশগ্রাম

বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে
বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে

প্রথম পৃষ্ঠা

মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব
মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব

দেশগ্রাম

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

প্রথম পৃষ্ঠা

মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন
মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন

প্রথম পৃষ্ঠা

দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার
দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার

দেশগ্রাম

কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ

সম্পাদকীয়

দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪
দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪

পেছনের পৃষ্ঠা

আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা
আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা

রকমারি নগর পরিক্রমা

ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ
ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন
নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন

পূর্ব-পশ্চিম

ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট
ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট

পেছনের পৃষ্ঠা