প্রায় আড়াই শ কিলোমিটার দীর্ঘ সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক দিয়ে সিলেট থেকে রাজধানীতে পৌঁছাতে একসময় লাগত ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা। এখন লাগে প্রায় দ্বিগুণ সময়। ছয় লেনে সম্প্রসারণের কাজ ও বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দের কারণে রীতিমতো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে মহাসড়কটি। বিশেষ করে মহাসড়কের হুমায়ূন রশীদ চত্বর থেকে চণ্ডীপুল পয়েন্ট পর্যন্ত প্রায় ২ কিলোমিটার অংশেই ভোগান্তির শুরু। সড়কের এ অংশেই শুরু হয় ঢাকা পর্যন্ত আড়াই শ কিলোমিটার যাত্রার ভোগান্তি। স্থানীয়দের অভিযোগ, সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীতকরণের কাজে ধীরগতির কারণেই এ ভোগান্তি। সিলেট কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল থেকে প্রতিদিন সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক হয়ে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে যাতায়াত করে কয়েক হাজার গাড়ি। টার্মিনাল ছেড়ে গাড়িগুলো হুমায়ূন রশীদ চত্বর হয়ে চণ্ডীপুল দিয়ে বিভিন্ন গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা হয়। যাত্রার শুরুতেই চালক ও যাত্রীদের পড়তে হয় ভোগান্তিতে। বছরখানেক আগেও সিলেট থেকে বাসযোগে ঢাকায় যেতে ৫-৬ ঘণ্টা লাগত। এখন লাগে প্রায় দ্বিগুণ সময়। মহাসড়কজুড়ে সম্প্রসারণ কাজ, স্থানে স্থানে খানাখন্দ ও ভাঙাচোরার জন্য ধীরগতিতে চলতে হয় যানবাহনকে। ঝুঁকিপূর্ণ সড়কের কারণে বেড়েছে দুর্ঘটনাও। স্থানীয়রা জানান, ২০২২ সালের বন্যায় হুমায়ূন রশীদ চত্বর থেকে চণ্ডীপুল পর্যন্ত সড়কের বিভিন্ন স্থান তলিয়ে গিয়ে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়। এরপর সড়ক ও জনপথ বিভাগ মাঝেমধ্যে জরুরি মেরামত করলেও স্থায়ী সংস্কার করেনি। ফলে প্রায় এক বছর ধরে মহাসড়কের শুরুর এ অংশ যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে আছে। সড়কের পিচ উঠে গেছে। তৈরি হয়েছে বড় বড় গর্তের। সম্প্রতি সড়কের এক অংশ বন্ধ রেখে আরেক অংশে আরসিসি ঢালাইয়ের কাজ শুরু করে সওজ। এতে ভোগান্তি আরও বেড়েছে। বাসচালকরা জানান, মহাসড়কের ওই ২ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করতে আগে ৫ মিনিটও লাগত না। এখন লাগে ৪০ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা। এদিকে, সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক ছয় লেনের কাজ ধীরগতিতে চলায় মারাত্মক ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে যাত্রীদের। আগের চেয়ে দ্বিগুণ সময় লাগছে গন্তব্যে পৌঁছাতে। খানাখন্দের কারণে বয়স্ক ও অসুস্থরা মহাসড়ক দিয়ে যাতায়াত করতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। প্রায় আড়াই শ কিলোমিটার মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে লেগে থাকে দীর্ঘ যানজট। যানজটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে হয়। এ বিষয়ে হানিফ পরিবহনের চালক আবদুল হামিদ জানান, একসময় সাড়ে ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা ঢাকা থেকে সিলেট আসা যেত অনায়াসে। এখন গাড়ি ছাড়ার পর কখন গন্তব্যে পৌঁছানো যাবে তা বলা মুশকিল হয়ে দাঁড়িয়েছে। এদিকে, ছয় লেনে উন্নীতকরণের কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত দুর্ভোগ চলবে জানিয়ে সওজ, সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আমির হোসেন বলেন, ‘হুমায়ূন রশীদ চত্বর থেকে চণ্ডীপুল পর্যন্ত বেশি ভাঙা অংশের এক পাশের কাজ শেষ হয়েছে। দু-এক দিনের মধ্যে ওই অংশ খুলে দিয়ে অন্য অংশে কাজ শুরু হবে। মহাসড়কটি ছয় লেনে উন্নীতকরণের জন্য সিলেটের নাজিরবাজার থেকে শেরপুর পর্যন্ত কাজ চলছে। এ কারণে ওই অংশে যাত্রীভোগান্তি বেশি। কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ দুর্ভোগ শেষ হবে না।’
শিরোনাম
- আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা
- গাজায় ইসরায়েলের বিমান হামলায় একদিনে নিহত ৮৬
- আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
- নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা
- গ্রীষ্মকালে খাবার গ্রহণ নিয়ে কিছু কথা
- মাথাব্যথার কারণ ও প্রতিকার
- ৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
- রোনালদোর জোড়া গোল, আল-হিলালকে হারালো আল-নাসর
- হাঁটুর চোটে ১৪ সপ্তাহ মাঠের বাইরে স্টোন
- পাপুয়া নিউ গিনিতে শক্তিশালী ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা
- ২২ বছর পর বাংলা সিনেমায় ফিরছেন রাখী
- ছুরিকাঘাতে ব্যবসায়ী নিহত, অভিযুক্তকে পিটিয়ে হত্যা
- নেপালে ৫.২ মাত্রার ভূমিকম্প
- আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
- কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
- বরগুনা সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মনির গ্রেফতার
- সেচ পাম্পে গোসল করতে যাওয়ায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা
- আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
- ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার
- কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
দুই কিলোমিটার অংশেই শুরু দীর্ঘ যাত্রার ভোগান্তি
হুমায়ূন রশীদ স্কয়ার থেকে চণ্ডীপুল পর্যন্ত অংশে অসংখ্য খানাখন্দ ও বিশাল গর্ত
নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট
প্রিন্ট ভার্সন

এই বিভাগের আরও খবর
সর্বশেষ খবর

কোর্তোয়ার প্রত্যাবর্তনের আশায় রিয়াল, লুনিন নিয়ে শঙ্কা কাটলেও প্রস্তুত গন্সালেস
২০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
৪০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম