থাইল্যান্ডের সুপ্রিম প্রশাসনিক আদালত অবশেষে ৫০ বছরের পুরোনো একটি নির্দেশিকা বাতিল করেছে, যেখানে স্কুলের শিক্ষার্থীদের চুল কাটার ধরন নির্ধারণ করা হয়েছিল। আদালতের এই রায়ের ফলে এখন থেকে ছাত্রছাত্রীরা তাদের ইচ্ছামতো চুল কাটতে ও রাখতে পারবে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানায়, ১৯৭৫ সালে সামরিক জান্তা সরকার একটি নির্দেশিকা জারি করেছিল, যেখানে ছেলেদের জন্য ছোট চুল এবং মেয়েদের জন্য কান পর্যন্ত বব কাট বাধ্যতামূলক করা হয়। তবে গত বুধবার আদালত এই আদেশ বাতিল করে রায় দিয়েছে যে এটি সংবিধান দ্বারা সুরক্ষিত ব্যক্তিস্বাধীনতার লঙ্ঘন এবং বর্তমান সমাজের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ।
এর আগে ২০২০ সালে শিক্ষার্থীদের একটি দল এই নিয়মের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করে। ২০২৫ সালে আদালত তাদের পক্ষে রায় দিয়ে ঘোষণা করে, চুলের দৈর্ঘ্য নিয়ে বিধিনিষেধ আরোপ করা শিক্ষার্থীদের স্বাধীনতার পরিপন্থী।
শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের আন্দোলনের সফলতা
এই আন্দোলনের অন্যতম কর্মী প্যানথিন আদুলথানানুসক বলেন, "আমরা জানতাম, এটি অসম্ভব মনে হলেও আমাদের লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। যদি থাইল্যান্ডের ইতিহাসে কোনো শিক্ষার্থী এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে না দাঁড়াত, তাহলে সেটি চিরকাল লজ্জার কারণ হয়ে থাকত।"
সূত্র: বিবিসি
বিডি প্রতিদিন/আশিক