রাশিয়ার ড্রোন হামলায় ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় মাইকোলাইভে একটি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে ৪৬ হাজার গ্রাহক তাপ ছাড়া রয়েছেন, যখন তাপমাত্রা শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে গেছে। এদিকে তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে নেমে যাওয়ায় শীতে কাঁপছেন বহু মানুষ।
ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা তাদের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।
খবরে বলা হয়, ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী ডেনিস শ্যামিহাল এ তথ্য জানিয়েছেন।
শ্যামিহাল টেলিগ্রাম অ্যাপে বলেন, ‘এটি ইচ্ছাকৃতভাবে করা হয়েছে, যাতে শূন্য (ডিগ্রি সেলসিয়াস) তাপমাত্রায় মানুষকে তাপ ছাড়া রেখে মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি করা যায়।’
আল জাজিরার প্রতিবেদন বলছে, রাতভর ১৪৩টি ড্রোন দিয়ে ইউক্রেনে হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। তবে কিয়েভের বাহিনী বলেছে, তারা ৯৫টি ড্রোন গুলি করে ভূপাতিত করেছে।
টেলিগ্রাম মেসেঞ্জার অ্যাপে শামিহাল বলেন, শূন্যের নিচে তাপমাত্রায় মানুষকে তাপহীন রাখতে এবং মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টির জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে এই হামলা করা হয়েছে।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, এই হামলার প্রভাব অনেক বেশি ছিল। শহরটির এক লাখ মানুষ তীব্র শীতের মধ্যে পড়েছে।
তিনি বলেন, এটি একটি সাধারণ ইউক্রেনীয় শহর। সাধারণ বেসামরিক অবকাঠামো। এর সঙ্গে শত্রুতা বা ফ্রন্টলাইন পরিস্থিতির কোনো সম্পর্ক নেই। রাশিয়ানরা আমাদের জনগণের বিরুদ্ধে এবং ইউক্রেনের জীবনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালাচ্ছে, এটি তার স্পষ্ট প্রমাণ।
কিয়েভ থেকে আল জাজিরার প্রতিবেদক চার্লস স্ট্রাটফোর্ড বলেছেন, সাধারণভাবে কয়েক মাস ধরে রুশ বাহিনীর বড় কোনো অগ্রগতি আমরা দেখিনি। কিন্তু লড়াই কমারও কোনো ইঙ্গিত আমরা দেখিনি। সূত্র: রয়টার্স, আল-জাজিরা
বিডি প্রতিদিন/নাজিম