শেরপুর সীমান্ত এলাকার সিংগাবরুণা ইউনিয়নের শয়তান বাজার (মেঘাদল)। অবৈধভাবে বালু তোলা, মাদক চোরাকারবারিসহ বিভিন্ন অপরাধ এখানে ওপেন সিক্রেট। স্থানীয় কিছু অসাধু লোক এসব করছেন বিএনপির নাম ভাঙিয়ে। প্রশাসন প্রায়ই অভিযান পরিচালনা করলেও থামছে না দুর্বৃত্তপনা। ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভু্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে কিছু যুবক। তারা বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত পরিচয় দিয়ে করে যাচ্ছেন নানা অপরাধ। এসব অপকর্মে নেতৃত্ব দিচ্ছেন মাসুদ, আবু রায়হান বাবুল, আল আমিন, আকবর দাবি এলাকাবাসীর।সূত্র জানায়, শ্রীবরদী উপজেলায় কোনো বালুমহাল সরকারিভাবে ইজারা দেওয়া হয়নি। অভিযুক্তরা বিএনপির নাম করে ইজারা ছাড়াই বালু লুটপাট করছে রাতের আঁধারে। রাত যত গভীর হয় অপতৎপরতা তত বাড়ে। প্রশাসন বহু চেষ্ট করেও ওদের দমাতে পারছে না। প্রতিট্রাক ৫০-৬০ হাজার টাকা দরে প্রতিদিন বিক্রি হচ্ছে শতাধিক ট্রাক বালু। বালুর ট্রাকের আড়ালে চোরাচালান হয় বিভিন্ন মাদকদ্রব্য। স্থানীয়রা জানান, মাসুদ আওয়ামী লীগের শাসনামলে ছাত্রলীগের সঙ্গে মিশে সীমান্তে চোরাই পথে গরু, মাদক ব্যবসা ও ডাকাতিতে জড়িত ছিলেন। চতুর স্বভাবের মাসুদ নেপথ্যে থেকে এসব অপকর্ম করাতেন অন্যদের দিয়ে। কেউ ধরা পড়লে আইন আদালত করে ছাড়িয়ে আনতেন তিনি। ৫ আগস্টের পর খোলস বদলে নিজেকে ইউনিয়ন যুবদল সাধারণ সম্পাদক পরিচয় দেন। সব অভিযোগ অস্বীকার করে মাসুদ জানন, ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে তার বিরুদ্ধে করা হয়েছে ১৭টি রাজনৈতিক মামলা। সরেজমিনে জানা যায়, ওই এলাকায় শতাধিক যুবক নিয়ে বিশাল গ্রুপ তৈরি হয়েছে। নির্ভয়ে অপরাধ করতে রাতে পাহাড়ি সড়কের মোড়ে মোড়ে পাহারা বসান তারা। কেউ এলাকায় ঢুকলে খবর মোবাইল ফোনে মুহূর্তেই পৌঁছে যায় ওদের কাছে। কেউ প্রতিবাদ করলে শিকার হন হয়রানির। কোনো সংবাদকর্মী তথ্য সংগ্রহে গেলে হয় তারা ‘ম্যানেজ’ করে ফেলেন না হলে সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হন। সবশেষ গত বুধবার রাতে একদল সাংবাদিক মাসুদ ও বাবুল বাহিনীর কবলে পড়েন। হামলার শিকার সাংবাদিকরা হলেন শেরপুর প্রেস ক্লাবের কার্যকরী সভাপতি রফিক মজিদ, সাধারণ সম্পাদক মাসুদ হাসান বাদল, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি সম্পাদক মনিরুজ্জামান রিপন, দেশ রূপান্তরের শফিউল আলম সম্রাট। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার থানায় মামলা হয়েছে। শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার জাহিদ বলেন, মাসুদ গংরা চিহ্নিত অপরাধী। বিগত সরকারের সময় মাসুদের নামে কোনো রাজনৈতিক মামলা কখনো ছিল না। মাসুদ গংদের বিরুদ্ধে বালু ও মাদক পাচারের মৌখিক অভিযোগ পেয়েছি। লিখিতভাবে কেউ জানায়নি। শেরপুর পুলিশ সুপার আমিনুল ইসলাম জানান, অপরাধীদের ধরতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অপরাধ করে কেউ ক্ষমা পাবে না।
শিরোনাম
- ঈদের ছুটিতে সোনারগাঁয়ে পর্যটকদের উপচেপড়া ভিড়
- চতুর্থ দিনে কত আয় করল সিকান্দার?
- কোটালীপাড়ায় মেধাবী শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা
- ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
- পঞ্চগড়ে বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে মানুষের ঢল
- ‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী
- ধলেশ্বরী নদীতে সেনা অভিযান: দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৭
- চাঁদপুরে উন্মুক্ত বিনোদন কেন্দ্র মোলহেডে দর্শনার্থীদের ভিড়
- বনশ্রীতে নারী সাংবাদিককে হেনস্তা, গ্রেফতার ৩
- ভাঙ্গায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত অন্তত ১০
- কুষ্টিয়ায় সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাষ্টের চেক বিতরণ
- নোয়াখালীতে জমজ ২ বোনকে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১
- নিষ্প্রভ মেসি, হারল মায়ামি
- তাপপ্রবাহে পুড়ছে ১০ জেলা
- ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
- টি-টোয়েন্টি বোলারদের নতুন রাজা কিউই পেসার
- ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
- গাজায় জাতিসংঘের ক্লিনিকে বোমা হামলা
- আতলেতিকোকে বিদায় করে ফাইনালে বার্সা
- যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
শেরপুর সীমান্ত
অপরাধ যেখানে ওপেন সিক্রেট
নদীর বালু লুট ও মাদক চোরাকারবারিরা এলাকা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে
মাসুদ হাসান বাদল, শেরপুর
প্রিন্ট ভার্সন

এই বিভাগের আরও খবর