শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:১১, মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৫

কালের কণ্ঠের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রকাশিত

সম্পদ সংরক্ষণে জনমানুষের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি আবশ্যক

ইশতিয়াক উদ্দিন আহমেদ
অনলাইন ভার্সন
সম্পদ সংরক্ষণে জনমানুষের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি আবশ্যক

ট্রপিক্যাল অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত বাংলাদেশ ইন্দো-বার্মা জীববৈচিত্র্য হটস্পটে অবস্থিত, যা ইন্দো-হিমালয় ও ইন্দো-চায়নিজ উপ-অঞ্চলভুক্ত। এই ভূখণ্ডের উদ্ভিদ ও প্রাণিকুলের ওপর একটি অঞ্চলভিত্তিক প্রভাব বিদ্যমান। বিশ্বে ট্রপিক্যাল অঞ্চল জীববৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ এবং এই অঞ্চলে উদ্ভিদ ও প্রাণী প্রজাতির সংখ্যা সর্বাধিক। কর্কট ও মকরক্রান্তি অভ্যন্তর অঞ্চলকে মেগা ডাইবারস অঞ্চল বলা হয়।

সমগ্র বাংলাদেশের প্রায় ১৭ শতাংশ এলাকায় রয়েছে মিশ্র চিরসবুজ বন পত্রঝরা বন, উপকূলের ম্যানগ্রোভ বন ও মিঠা পানির সোয়াসে বন। আয়তনে ছোট হলেও বাংলাদেশের অবস্থানগত কারণে জীববৈচিত্র্য বেশ সমৃদ্ধ। প্রাকৃতিক সম্পদ ও ভূমির ক্রমবর্ধমান চাহিদা জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে সংকট সৃষ্টি করছে।

বাংলাদেশের ইকোসিস্টেম
সম্পদ সংরক্ষণে জনমানুষের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি আবশ্যকপ্রতিবেশগতভাবে বাংলাদেশে একটা বৈচিত্র্যসমৃদ্ধ ইকোসিস্টেম রয়েছে। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমে রয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন। পূর্বাঞ্চলে রয়েছে ট্রপিক্যাল অঞ্চলের জীববৈচিত্র্যসমৃদ্ধ উদ্ভিদ ও বন্য প্রাণী। দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত জলাভূমি জলজ উদ্ভিদ, মৎস্যসহ জলজ প্রাণীসমৃদ্ধ ও পরিযায়ী পাখির জন্য গুরুত্বপূর্ণ আবাসস্থল। দেশের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ ইকোসিস্টেম হলো ফরেস্ট ইকোসিস্টেম, জলাভূমি ইকোসিস্টেম, উপকলীয় ও সামুদ্রিক ইকোসিস্টেম, গ্রামীণ ইকোসিস্টেম ও কৃষি ইকোসিস্টেম।

বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত পাঁচ হাজারের বেশি উদ্ভিদ প্রজাতির তালিকা রয়েছে, যার মধ্যে একমাত্র পাহাড়ি অঞ্চলেই রয়েছে দুই হাজার ২০০ প্রজাতি। ছোট আয়তনের এই দেশে বন্য প্রাণীর বৈচিত্র্যও বেশ সমৃদ্ধ। বাংলাদেশে রয়েছে ১৩৮ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী, প্রায় ৬৫০ প্রজাতির পাখি, ১৬৭ প্রজাতির সরীসৃপ এবং ৪৯ প্রজাতির উভচর প্রাণী। এ ছাড়া রয়েছে প্রায় ৭০০ প্রজাতির সামুদ্রিক ও মিঠা পানির মাছ, দুই হাজার ৫০০ প্রজাতির কীটপতঙ্গ। আরো আছে মোলাস্থ, কোরাল, কাঁকড়া, অ্যালগি ইত্যাদি।
কৃষি ফসলের বৈচিত্র্যে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্যভাবে সমৃদ্ধ। জনবহুল বাংলাদেশে গ্রামীণ বন ইকোসিস্টেম একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নানা ধরনের ইকোসিস্টেম সেবার পাশাপাশি গ্রামীণ বন অনেক সংকটাপন্ন বন্য প্রাণীর আবাসভূমি হিসেবে বিবেচিত।

জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে ঝুঁকি
সম্পদ সংরক্ষণে জনমানুষের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি আবশ্যকপ্রাকৃতিক ইকোসিস্টেম তথা বন, জলাভূমি, নদী, সমুদ্রের প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর মানুষ তার জীবনধারণের প্রয়োজনে নির্ভরশীল। একদিকে সীমিত সম্পদ, উপরন্তু এই ক্ষয়িষ্ণু প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর নির্ভরশীলতা; অন্যদিকে উন্নয়ন, প্রাকৃতিক বিপর্যয়, মাত্রাতিরিক্ত সম্পদ আহরণের কারণে জীববৈচিত্র্য অবক্ষয়িত হচ্ছে। এ ছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, বিশেষ করে তাপমাত্রা ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিসহ নানা ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে জীববৈচিত্র্যের একটা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ যোগসূত্র রয়েছে। বায়ুর তাপমাত্রা, বৃৃষ্টিপাত, কার্বন নিঃসরণ, ওজোনস্তর ইত্যাদির তারতম্যে উদ্ভিদ ও প্রাণীর জীবনপ্রণালীর ওপর একটা প্রভাব বিস্তার করে। জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত একটি সমীক্ষায় উদ্ধৃত হয়েছে যে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবে ট্রপিক্যাল ফরেস্ট ইকোসিস্টেম। ট্রপিক্যাল অঞ্চলে বাংলাদেশের অবস্থান বিধায় তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাতের প্রকোপ বৃদ্ধির পাশাপাশি লবণাক্ততা বৃদ্ধিসহ বন্যা, ঝড়, খরা প্রভৃতি জীববৈচিত্র্যের ওপর একটা নেতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করবে। বনের সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্য নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতার কারণে আজ বিপর্যস্ত। ইকোসিস্টেমের প্রকৃতিগত পরিবর্তন অবশ্যম্ভাবী, তবে মনুষ্যসৃষ্ট কারণগুলো প্রকৃতিগত কারণে বিপর্যয়কে ত্বরান্বিত করে। নদী, হাওর-বাঁওড়, বিল, হ্রদ ইত্যাদি ইকোসিস্টেম নানা স্থাপনা নির্মাণ, বাঁধ, বসতি ও চাষাবাদ সম্প্রসারণের কারণে বিনষ্ট হচ্ছে। উপকূলীয় ও সামুদ্রিক সম্পদে সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্য লবণাক্ততা, রাসায়নিক ও প্লাস্টিকদূষণ, মাত্রারিক্ত জলজ সম্পদ আহরণও বহু জলজ প্রাণীর আবাসস্থল বিপন্ন করছে।

বন ব্যবস্থাপনা
ব্রিটিশ শাসনাধীন বন ব্যবস্থাপনা মূলত রাজস্ব বৃদ্ধির তাগিদে এবং বিভিন্ন প্রয়োজনে মূল্যবান বৃক্ষ আহরণের মাধ্যমে পরিচালিত হতো। ব্রিটিশ-পরবর্তী সময়েও প্রাকৃতিক বনের বৃক্ষ আহরণ অব্যাহত ছিল এবং উদ্দেশ্য ছিল প্রাকৃতিক মূল্যবান বৃক্ষ প্রজাতির বনায়নের মাধ্যমে নতুন বন সৃষ্টি, বন্য প্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ। এমন টেকসই বন ব্যবস্থাপনা এবং বন-পার্শ্ববর্তী জনগণের সেই বন ব্যবস্থাপনায় অংশগ্রহণ গুরুত্ব পেতে শুরু করেছে। দেশের বৃক্ষাচ্ছাদন বৃদ্ধি এবং একই সঙ্গে জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করাই ছিল সামাজিক বনায়নের মূল লক্ষ্য। মূলত সংরক্ষিত বন বহির্ভূত এলাকায় সামাজিক বনায়নের প্রারম্ভিক কর্মকাণ্ডের সূচনা হয়।

জনগণের উত্সাহ, চাহিদা এবং এই কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণের তাগিদে ১৯২৭ সালের বন আইনে নতুন ধারা সংযোজনের মাধ্যমে সংরক্ষিত বনে সামাজিক বনায়ন কর্মসূচির প্রবর্তন করা হয়। রক্ষিত এলাকা সংরক্ষণে একটু ভিন্ন সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়, যা সহব্যবস্থাপনা নামে অভিহিত করা হয়। প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ ফলপ্রসূ করা এবং এ ব্যাপারে তাদের স্বতঃস্ফূর্ত উত্সাহ-উদ্দীপনা বৃদ্ধি করাই হলো সহব্যবস্থাপনার মূল বিষয়। সহব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সব সহযোগী সংগঠন ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করতে হবে, যাতে সবাই নিজেকে এ উদ্যোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করে। প্রাকৃতিক সম্পদ বা বন শুধু সম্পদের প্রয়োজনে নয়, মানব অস্তিত্ব রক্ষায় এর গুরুত্ব এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য তা কতখানি মূল্যবান তা মূল্যায়ন করার সক্ষমতা অর্জন করতে হবে।

জনগণের অংশগ্রহণকে গুরুত্ব দিয়ে সংরক্ষিত বনের ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন এনে সহযোগিতামূলক বন ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি গ্রহণ করা হয়েছে। এই পদ্ধতির মাধ্যমে গ্রামভিত্তিক একটি সংগঠন সৃষ্টি করে বিভিন্ন আয় বর্ধনমূলক কর্মকাণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। সংগঠনের সদস্যদের নিজ দায়িত্বে সংগঠন পরিচালনার জন্য দক্ষতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। কালের বিবর্তনে প্রথাগত বন ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি বন সংরক্ষণে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখার ক্ষেত্রে যথেষ্ট নয় বলে বিবেচিত হয়েছে। তথ্য সংরক্ষণ ও তথ্যের যথাযথ ব্যবহার বন ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নের পূর্বশর্ত। বনভূমির ‘ভূমি ব্যবহার মানচিত্র’ প্রণয়ন আবশ্যক। বর্তমানে প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ বেড়েছে বহুগুণ এবং তা ব্যয়সাপেক্ষও নয়; তবে দক্ষ ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মিবাহিনীর প্রয়োজন।

মানুষের চাহিদা, উন্নয়ন কর্মকাণ্ড, জনবহুল দেশে ভূমির মূল্য বিবেচনায় প্রাত্যহিকভাবে বনের পরিবীক্ষণ হওয়া প্রয়োজন। বন ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি বনভূমি ব্যবস্থাপনাকেও সমধিক গুরুত্ব দিতে হবে। বনভূমি প্রতিনিয়তভাবে বেদখল হচ্ছে, ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রয়োজনে। অবকাঠামো নির্মাণের তাগিদেও বনভূমি ব্যবহৃত হচ্ছে। বনভূমি বনবহির্ভূত কাজে ব্যবহার সম্পূর্ণভাবে পরিহার করতে হবে। এতে বনগুলো বিচ্ছিন্ন হচ্ছে, বন্য প্রাণী চলাচল বাধাগ্রস্ত করছে, যা বন্য প্রাণীর খাদ্যগ্রহণ, বংশবৃদ্ধিতে মারাত্মক প্রভাব ফেলবে, এমনকি বন্য প্রাণী বিলুপ্তিরও আশঙ্কা তৈরি করবে। প্রতিবেশগত সংবেদনশীল এলাকা চিহ্নিত করে তা সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। বনভূমি দমন রোধ ও দখলকৃত বনভূমি উদ্ধারে কার্যকর ও সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

জবরদখলের প্রবণতা রোধে বনভূমি জরিপ ও সীমানা নির্ধারণ করা আবশ্যক। বনজ সম্পদের সরবরাহ ও চাহিদার সঠিক ও হালনাগাদ তথ্যের ঘাটতি রয়েছে। এ বিষয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ জরিপ হওয়া বাঞ্ছনীয়। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রণয়নে এই তথ্য সঠিক দিকনির্দেশনা ও পরিকল্পনা গ্রহণে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব, বিশেষ করে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ও দুর্যোগ মোকাবেলায় অধিক বনায়নের মাধ্যমে বৃক্ষাচ্ছাদন বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই। বন বিভাগ দেশের বন ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত। কিন্তু বনের অবস্থান এবং এর পারিপার্শ্বিকতা বিবেচনায় সবার সমন্বিত প্রয়াস ছাড়া বন সংরক্ষণ সম্ভব নয়। সর্বোপরি বন বিভাগর সাংগঠনিক কাঠামো যুগোপযোগী করে পর্যাপ্ত জনবল নিয়োগের মাধ্যমে বন বিভাগের দক্ষতা বৃদ্ধির কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে।

সংকট নিরসনে করণীয়
জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব রোধে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায়, খাদ্য নিরাপত্তা বিধানে প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ নিশ্চিতকরণ অত্যন্ত জরুরি। প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ চ্যালেঞ্জ আগেও ছিল, এখনো আছে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সবাইকে সমন্বিত করে প্রকৃতি তথা জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে উদ্যোগ নিতে হবে। বন ও জলাভূমিসহ প্রতিবেশগত স্পর্শকাতর এলাকাগুলো চিহ্নিত করে বিশেষ উদ্যোগে সংরক্ষণের কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে। সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও মনিটরিংয়ের ক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহার ও আহরণে অনিয়ন্ত্রিত কার্যক্রম বন্ধের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া আবশ্যক।

জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে, আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও সম্পদ সংরক্ষণে জনমানুষের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি আবশ্যক। প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর জনগোষ্ঠীর অব্যাহত নির্ভরশীলতা ক্রমাগতভাবে এই সম্পদ সংকুচিত করছে। প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনায় জনগণের সম্পৃক্ততার মাধ্যমে প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনায় নতুন উদ্যোগ যথেষ্ট কার্যকর হয়েছে। জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে এবং এর ব্যবস্থাপনা কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করার কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে। জনগণকে প্রাকৃতিক সম্পদ বা জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন করতে হবে। জনবহুল বাংলাদেশে প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণে এবং এর ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ অত্যাবশ্যক।

বাংলাদেশ যদিও আয়তনে ক্ষুদ্র, তবে প্রতিবেশ বা ইকোসিস্টেম বিবেচনায় এর রয়েছে অনন্য গুরুত্ব। বন ও জলাভুমি জুড়ে রয়েছে প্রাকৃতিক সম্পদের বিস্তার। উদ্ভিদ ও প্রাণিজগতে রয়েছে বৈচিত্র্য। বিশ্বের বিপদাপন্ন ও সংকটাপন্ন কিছু প্রাণীর অস্তিত্ব রয়েছে বাংলাদেশে। বাংলাদেশের বন ও জলাভূমি একদিকে জীববৈচিত্র্যসমৃদ্ধ, অন্যদিকে দেশের অর্থনীতিতে রয়েছে অবদান। দেশের জনগোষ্ঠীর বৃহদংশের জীবিকার তাগিদে এই প্রাকৃতিক সম্পদের সদ্ব্যবহার অত্যন্ত জরুরি।

লেখক : সাবেক কান্ট্রি ডিরেক্টর, ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব নেচার (আইইউসিএন)।

এই বিভাগের আরও খবর
প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি
প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, জাতীয় স্বার্থ ও গণঅভ্যুত্থানের পুনর্জাগরণ
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, জাতীয় স্বার্থ ও গণঅভ্যুত্থানের পুনর্জাগরণ
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষিত
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষিত
সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
তামাক নীতিমালা : সংকটে ভোক্তা অধিকার
তামাক নীতিমালা : সংকটে ভোক্তা অধিকার
তুম উধার হাম ইধার
তুম উধার হাম ইধার
সবার উপর একাত্তর, আমাদের স্বাধীনতা
সবার উপর একাত্তর, আমাদের স্বাধীনতা
সর্বশেষ খবর
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

২ মিনিট আগে | রাজনীতি

সন্ধ্যায় জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
সন্ধ্যায় জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১০ মিনিট আগে | জাতীয়

মুখের গড়ন বুঝে হতে হবে হেয়ার কাট
মুখের গড়ন বুঝে হতে হবে হেয়ার কাট

১৬ মিনিট আগে | জীবন ধারা

অভিনেতাসহ গ্রেপ্তার ১১, তুরস্কে বয়কট আন্দোলন
অভিনেতাসহ গ্রেপ্তার ১১, তুরস্কে বয়কট আন্দোলন

১৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙ্গায় কিশোর ও গৃহবধূর লাশ উদ্ধার
ভাঙ্গায় কিশোর ও গৃহবধূর লাশ উদ্ধার

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গরমে মেকআপ যেন না গলে
গরমে মেকআপ যেন না গলে

১৯ মিনিট আগে | জীবন ধারা

কিশোরগঞ্জে অষ্টমী স্নানে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল
কিশোরগঞ্জে অষ্টমী স্নানে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবালো নিউজিল্যান্ড
পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবালো নিউজিল্যান্ড

২৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

‘স্বতন্ত্র সচিবালয়’ প্রতিষ্ঠার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে : প্রধান বিচারপতি
‘স্বতন্ত্র সচিবালয়’ প্রতিষ্ঠার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে : প্রধান বিচারপতি

৩৪ মিনিট আগে | জাতীয়

বগুড়ায় শহীদ জিয়া ফুটবল টুর্নামেন্টের সেমি-ফাইনাল অনুষ্ঠিত
বগুড়ায় শহীদ জিয়া ফুটবল টুর্নামেন্টের সেমি-ফাইনাল অনুষ্ঠিত

৩৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাস-অটোরিকাশয়ার সংঘর্ষে নারী নিহত, শিশুসহ আহত ৪
বাস-অটোরিকাশয়ার সংঘর্ষে নারী নিহত, শিশুসহ আহত ৪

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কানাডায় ভারতীয় নাগরিক খুন
কানাডায় ভারতীয় নাগরিক খুন

৪৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জয়পুরহাটে রামদেও বাজলা প্রিমিয়ার লীগের ফাইনাল অনুষ্ঠিত
জয়পুরহাটে রামদেও বাজলা প্রিমিয়ার লীগের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

৪৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

৫৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

লাঙ্গলবন্দের স্নান ঘিরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট
লাঙ্গলবন্দের স্নান ঘিরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট

৫৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

৫৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চিরচেনা কার্তিককে দেখা গেল অন্যরূপে
চিরচেনা কার্তিককে দেখা গেল অন্যরূপে

৫৭ মিনিট আগে | শোবিজ

বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কোথাও নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কোথাও নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে দুই ভাইকে কুপিয়ে জখম
অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে দুই ভাইকে কুপিয়ে জখম

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার
প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

কাল থেকে খুলছে সরকারি অফিস
কাল থেকে খুলছে সরকারি অফিস

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজায় প্রতিদিন ১০০ শিশু নিহত বা আহত হচ্ছে: জাতিসংঘ কর্মকর্তা
গাজায় প্রতিদিন ১০০ শিশু নিহত বা আহত হচ্ছে: জাতিসংঘ কর্মকর্তা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পদ্মায় ঘুরতে গিয়ে নৌকাডুবিতে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু
পদ্মায় ঘুরতে গিয়ে নৌকাডুবিতে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘আমাদের শক্তির ওপর জোর দেওয়াই আমার লক্ষ্য’
‘আমাদের শক্তির ওপর জোর দেওয়াই আমার লক্ষ্য’

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শুল্ক বৃদ্ধি ‘দুর্বল ও দরিদ্রদের ক্ষতি করে’: জাতিসংঘ
শুল্ক বৃদ্ধি ‘দুর্বল ও দরিদ্রদের ক্ষতি করে’: জাতিসংঘ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিঙ্গাপুরে ডেঙ্গু দমনের প্রধান হাতিয়ার ‘ওলবাকিয়া’
সিঙ্গাপুরে ডেঙ্গু দমনের প্রধান হাতিয়ার ‘ওলবাকিয়া’

১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা
পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ম্যান সিটি ছাড়ছেন ডি ব্রুইনা
ম্যান সিটি ছাড়ছেন ডি ব্রুইনা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মাথায় গুলি নিয়ে চলে গেল জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধা হৃদয়
মাথায় গুলি নিয়ে চলে গেল জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধা হৃদয়

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

১৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

১৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

২২ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

৫ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত
দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত

পেছনের পৃষ্ঠা

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে
মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে

মাঠে ময়দানে