শিরোনাম
প্রকাশ: ১০:৪৫, শনিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ১১:৪৪, শনিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৫

কালের কণ্ঠের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রকাশিত

কোন পথে হাঁটবে শিক্ষার্থীরা

ড. মাহরুফ চৌধুরী
অনলাইন ভার্সন
কোন পথে হাঁটবে শিক্ষার্থীরা

বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষা স্তরে ছাত্ররাজনীতির দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে, যে ইতিহাস কিছুটা গৌরবোজ্জ্বল ও কিছুটা কলুষিত। বাংলা মুলুকে শুরুর দিকে ছাত্ররাজনীতি ছিল একটি ঐতিহাসিক ও শক্তিশালী সামাজিক আন্দোলনের অংশ। ছাত্ররাজনীতির গৌরবোজ্জ্বল দিকটি হলো ঔপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই, দেশের স্বাধীনতাসংগ্রাম, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনসহ নানা ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে বিশেষ করে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় ছাত্রসমাজের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখা। আর ছাত্ররাজনীতির কলুষিত দিকটি হলো সহিংসতা, হল দখল, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, ভর্তি বাণিজ্য, নিয়োগ বাণিজ্যসহ ক্যাম্পাসে নানা অপকর্ম করা।

সে যা-ই হোক, বর্তমান সময়ে ছাত্ররাজনীতি তার গৌরবময় অধ্যায় থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়েছে। সামাজিক ও রাজনৈতিক অপসংস্কৃতির কারণে সংকটে রয়েছে ছাত্ররাজনীতি। দলীয় রাজনীতির সীমাবদ্ধতায় লেজুড়বৃত্তির মাধ্যমে ছাত্রদের নেতৃত্ব দানের প্রকৃতি ও কল্যাণমুখী রাজনৈতিক চিন্তার জগেক সংকুচিত করছে, যা তাদের মধ্যে মুক্তচিন্তা ও সামাজিক নেতৃত্বের বিকাশে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। আর সে কারণেই  বর্তমান বাস্তবতায় চলমান লেজুড়বৃত্তির ছাত্ররাজনীতি দেশের সাধারণ মানুষকে বীতশ্রদ্ধ করে তুলেছে।

ছাত্ররাজনীতির প্রকৃত উদ্দেশ্য কী—এই প্রশ্নে সহজ-সরল উত্তর কিন্তু এখন আর সহজে আমাদের মাথায় ঢুকবে না। কারণ ছাত্ররাজনীতি বললেই যে চিত্রটা আমাদের মানসপটে কিংবা চোখের সামনে ভেসে ওঠে সেটা হলো, দলীয় রাজনীতির ছত্রচ্ছায়ায় গোষ্ঠীস্বার্থের হোলিখেলা আর পেশিশক্তির প্রাবল্যে সহিংসতার কুিসত চিত্র। কোনো দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো সে দেশের জ্ঞানচর্চা, গবেষণা এবং জীবন ও জীবিকার জন্য নানা কলাকৌশল শেখার কেন্দ্র। তাই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে জানা, শেখা ও চর্চার পরিধি কেবল একাডেমিক পড়াশোনার গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং একজন শিক্ষার্থীকে চিন্তাশীল, মুক্তমনা ও সমাজসচেতন ব্যক্তিতে রূপান্তর করতে এই প্রতিষ্ঠানগুলো সব আয়োজন করে থাকে।

রাজনীতির চর্চা এখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি শিক্ষার্থীদের সমাজ ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা, সমালোচনা ও পর্যালোচনা করে সমাধানের পথ খোঁজার সুযোগ করে দেয়। তাই প্রাতিষ্ঠানিক পরিমণ্ডলে রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের সুযোগের মধ্য দিয়ে ছাত্ররাজনীতির প্রাথমিক উদ্দেশ্য হচ্ছে শিক্ষার্থীদের সমাজসচেতন করে তোলা এবং তাদের মধ্যে ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের গুণাবলি তৈরি করা।

এখন প্রশ্ন হলো, শিক্ষার্থীরা রাজনীতি করলে কী ধরনের রাজনীতি করবে? ছাত্ররাজনীতির প্রকৃত উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের চিন্তাশীল, মুক্তমনা ও মানবিক নেতৃত্ব তৈরির সুযোগ দেওয়া। অধ্যয়নের পাশাপাশি জাতীয়-রাজনৈতিক ইস্যুতে মতামত তৈরি করা, সামাজিক সমস্যা নিয়ে আন্দোলন গড়ে তোলা এবং জাতির উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখাই হওয়া উচিত ছাত্ররাজনীতির মূল লক্ষ্য। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, বর্তমানে উচ্চশিক্ষা স্তরে, বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ছাত্ররাজনীতি দলীয় লেজুড়বৃত্তির মাধ্যমে দলীয় স্বার্থসিদ্ধির মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে।

ছাত্রাবস্থায় কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত হয়ে পড়লে শিক্ষার্থীদের চিন্তা-চেতনার বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়। তারা একদিকে যেমন দলীয় মতবাদের মধ্যে আটকে যায় এবং দলীয় নেতাদের সেবাদাসে পরিণত হয়, তেমনি অপরের ভিন্ন মতামত সহ্য করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। ফলে তারা ভিন্নমতাবলম্বীদের প্রতি আক্রমণাত্মক হয় এবং অন্য মতের লোকজনকে ঘৃণা করতে শেখে। এই বয়সে রাজনৈতিক চিন্তাধারার পুরো স্পেকট্রাম জানা, বোঝা ও শেখার সময়, কিন্তু লেজুড়বৃত্তির কারণে শিক্ষার্থীরা নিজেদের মধ্যে দলাদলিতে জড়িয়ে পড়ে। এতে তাদের মধ্যে মুক্ত ও সৃজনশীল চিন্তা, পরমতসহিষ্ণুতা এবং মতামতের বৈচিত্র্যকে শ্রদ্ধা করার ক্ষমতা কমে যাচ্ছে।

দলীয় লেজুড়বৃত্তি ছাত্রদের নিজেদের সমস্যার কথা বলার সুযোগ কমিয়ে দিয়েছে। তাই ছাত্ররাজনীতি যে একটি সামাজিক দায়িত্ব, সেই ভাবনা অনেকাংশে লোপ পেয়েছে। প্রকৃতপক্ষে একটি আদর্শিক ছাত্রসংগঠন শিক্ষার্থীদের সমস্যাগুলো নিয়ে আলোচনা করে এবং তাদের উন্নয়নের জন্য কাজ করে। কিন্তু বর্তমানে ছাত্ররাজনীতি শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধান থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। যেমন—শিক্ষায় বরাদ্দ কমিয়ে দেওয়া হলে ছাত্ররা সেই বিষয়ে আন্দোলন গড়ে না তুলে বরং ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গে থাকার কারণে আনন্দ মিছিল করে। এমন পরিস্থিতিতে তারা ছাত্ররাজনীতির মূল দায়দায়িত্ব থেকে সরে যায় এবং ছাত্রসংগঠনগুলো অনুসারী দলগুলোর রাজনৈতিক ক্যাডার তৈরির কারখানায় পরিণত হয়।

শিক্ষার্থীদের জন্য রাজনীতি শুধু দলীয় সমর্থন বা আনুগত্য প্রকাশের মাধ্যম হওয়া উচিত নয়। ছাত্ররাজনীতি এমন একটি ক্ষেত্র হওয়া উচিত, যেখানে তারা বিভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শ সম্পর্কে জানবে, মুক্তমনে আলোচনা করবে এবং দেশের উন্নয়নের জন্য কার্যকর ভূমিকা রাখতে শিখবে। তা ছাড়া শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক স্বার্থ রক্ষা বা তাদের সামাজিক দায়িত্ব পালনের সুযোগ এনে দেবে। এটি এমন একটি পরিবেশ তৈরি করবে, যেখানে শিক্ষার্থীরা নিজেদের চিন্তা ও মত প্রকাশের মাধ্যমে স্বাধীনভাবে দেশ ও সমাজের সমস্যা নিয়ে আলোচনা করতে পারবে। ফলে তারা শুধু নির্দিষ্ট একটি দল বা মতবাদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং পুরো জাতীয় ও আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট সম্পর্কে ধারণা লাভ করবে।

পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ছাত্ররাজনীতি তার প্রকৃত উদ্দেশ্যে ফিরে আসা জরুরি। দলীয় লেজুড়বৃত্তির ছাত্ররাজনীতির নেতিবাচক প্রভাব থেকে মুক্ত হওয়ার পথটা হবে মুক্তচিন্তার বিকাশ ও কল্যাণমুখী রাজনৈতিক নেতৃত্বের দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টির মধ্যে দিয়ে। ছাত্ররা যাতে রাজনৈতিক ইস্যুতে মুক্ত আলোচনা করতে পারে, তাদের নিজস্ব মতামত গঠন করতে পারে এবং নানা সামাজিক ইস্যুতে দাবি তুলে নেতৃত্বের ভূমিকা নিতে পারে। এটি তাদের পরবর্তী সময়ে জাতীয় নেতৃত্বে ইতিবাচকভাবে ভূমিকা রাখতে সাহায্য করবে। ছাত্ররাজনীতি থেকে দলীয় লেজুড়বৃত্তি দূর করার মধ্য দিয়ে এক নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। সেই সংস্কৃতিতে শিক্ষার্থীরা জাতীয় ও সামাজিক ইস্যুতে সরাসরি অংশগ্রহণ করতে পারবে এবং দেশ ও দশের কল্যাণে দায় ও দরদের ভিত্তিতে নৈতিক নেতৃত্ব গড়ে তুলবে। সে যা-ই হোক, এখন আমাদের সামনে দুটি পথ খোলা—একদিকে দলীয় লেজুড়বৃত্তির সংকীর্ণ রাজনৈতিক অপসংস্কৃতির অনুসরণ, অন্যদিকে মুক্তচিন্তা ও কল্যাণমুখী রাজনীতির নেতৃত্বের বিকাশের সুযোগ সৃষ্টির জন্য সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতির চর্চা। এখন প্রশ্ন হলো, কোন পথে হাঁটবে আমাদের ছাত্রসমাজ?

ছাত্ররাজনীতিকে দলীয় লেজুড়বৃত্তি থেকে মুক্ত করতে হলে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিতে হবে। প্রথমত, শিক্ষার্থীদের মধ্যে মুক্তচিন্তার প্রসার ঘটাতে হবে এবং দলীয় আনুগত্য থেকে তাদের মুক্তি দিতে হবে। শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক চিন্তা-ভাবনা গঠনের সুযোগ দিতে হবে, যাতে তারা নিজস্ব মতামত প্রকাশ করতে পারে এবং স্বাধীনভাবে সামাজিক ও রাজনৈতিক সমস্যা নিয়ে আলোচনা করতে পারে। দ্বিতীয়ত, বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনীতি করার জন্য একটি নৈতিক কাঠামো গড়ে তুলতে হবে। এই কাঠামোতে শিক্ষার্থীদের নিজেদের সমস্যা নিয়ে আলোচনা করার সুযোগ থাকতে হবে এবং তারা দলীয় স্বার্থের বাইরে গিয়ে শিক্ষার্থীদের স্বার্থে উন্নয়নমূলক কাজ করতে পারবে। এটি করার জন্য প্রয়োজন রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্বশীলতা, যাতে তারা ছাত্রসংগঠনগুলোকে ব্যবহার না করে, বরং শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক শিক্ষা ও নেতৃত্ব গঠনে সহায়তা করে। তৃতীয়ত, ছাত্ররাজনীতিকে দলীয় ক্যাডার তৈরি করার পাটাতন হিসেবে নয়, বরং নেতৃত্বের গুণাবলি ও দক্ষতা অর্জন করার সূতিকাগার হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক ইস্যুতে মতামত গঠন এবং তা প্রকাশ করার স্বাধীনতা দিতে হবে, যাতে তারা দেশের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

মাথা ব্যথা বলে আমরা যেমন মাথা কেটে ফেলি না, তেমনি আমাদের ভাবতে হবে, কিভাবে প্রকৃত সামষ্টিক কল্যাণের রাজনীতি করার সুযোগ রেখে ছাত্ররাজনীতির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ রাজনীতির জন্য তৈরি করা যায়। ছাত্ররাজনীতিকে দলীয় লেজুড়বৃত্তি থেকে মুক্ত করতে চাইলে উচ্চশিক্ষা স্তরে শিক্ষার্থীদের জন্য রাজনীতি করার একটি সঠিক পথ খোলা রাখতে হবে। এখানে মূল লক্ষ্য হবে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের গুণাবলি গড়ে তোলা, যা তাদের ভবিষ্যতে দেশ ও দশের উন্নয়নে কাজ করতে সহায়ক হবে। এই লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের মাধ্যমে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ দেওয়া যেতে পারে। বিভিন্ন ইস্যুতে তারা আন্দোলন গড়ে তুলতে পারে, যেমন—শিক্ষার মান উন্নয়ন, শিক্ষাক্ষেত্রে বৈষম্য, সামাজিক ন্যায়বিচার, দুর্নীতি, সন্ত্রাস, পরিবেশ সংরক্ষণ, নারীর অধিকার, বেকারত্ব ইত্যাদি। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বাস্তব জীবন সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারবে এবং তাদের নেতৃত্বের দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মিত রাজনৈতিক ও সামাজিক ইস্যুতে মুক্ত আলোচনার আয়োজন করা যেতে পারে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের মুক্তচিন্তা ও ভিন্নমত প্রকাশ করতে পারবে এবং বিভিন্ন ইস্যুতে নিজেদের মতামত গঠন করতে পারবে। এসব আলোচনায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি এবং সমাজের বিশিষ্টজনদের আমন্ত্রণ জানানো যেতে পারে, যাতে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে সমাজ ও রাজনীতি সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভের পাশাপাশি শ্রদ্ধার সঙ্গে মতানৈক্যের চর্চা করতে পারে।

ছাত্ররাজনীতি জাতির ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গঠনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। কিন্তু দলীয় লেজুড়বৃত্তির কারণে ছাত্ররাজনীতি তার মূল উদ্দেশ্য থেকে সরে গিয়ে নানা সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দলীয় রাজনীতির বাইরে গিয়ে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব গঠনের পথ তৈরি করতে হবে এবং তাদের মাঝে মুক্তচিন্তা ও মুক্তবুদ্ধির উদ্বোধনের মাধ্যমে মতামত প্রকাশের সুযোগ করে দিতে হবে। এ জন্য প্রয়োজন রাজনৈতিক দলগুলোর সদিচ্ছা ও দায়িত্বশীলতা এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে নৈতিক রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ। আমরা যদি রাষ্ট্র বিনির্মাণে শিক্ষা সংস্কার প্রক্রিয়ায় সঠিক পথে হাঁটি, তাহলে ছাত্ররাজনীতি আমাদের জাতির ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পাটাতন হয়ে উঠতে পারে।

লেখক : ভিজিটিং ফ্যাকাল্টি, ইউনিভার্সিটি অব রোহ্যাম্পটন, যুক্তরাজ্য।

এই বিভাগের আরও খবর
প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি
প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, জাতীয় স্বার্থ ও গণঅভ্যুত্থানের পুনর্জাগরণ
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, জাতীয় স্বার্থ ও গণঅভ্যুত্থানের পুনর্জাগরণ
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষিত
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষিত
সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
তামাক নীতিমালা : সংকটে ভোক্তা অধিকার
তামাক নীতিমালা : সংকটে ভোক্তা অধিকার
তুম উধার হাম ইধার
তুম উধার হাম ইধার
সবার উপর একাত্তর, আমাদের স্বাধীনতা
সবার উপর একাত্তর, আমাদের স্বাধীনতা
সর্বশেষ খবর
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

২ মিনিট আগে | রাজনীতি

সন্ধ্যায় জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
সন্ধ্যায় জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১০ মিনিট আগে | জাতীয়

মুখের গড়ন বুঝে হতে হবে হেয়ার কাট
মুখের গড়ন বুঝে হতে হবে হেয়ার কাট

১৬ মিনিট আগে | জীবন ধারা

অভিনেতাসহ গ্রেপ্তার ১১, তুরস্কে বয়কট আন্দোলন
অভিনেতাসহ গ্রেপ্তার ১১, তুরস্কে বয়কট আন্দোলন

১৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙ্গায় কিশোর ও গৃহবধূর লাশ উদ্ধার
ভাঙ্গায় কিশোর ও গৃহবধূর লাশ উদ্ধার

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গরমে মেকআপ যেন না গলে
গরমে মেকআপ যেন না গলে

১৯ মিনিট আগে | জীবন ধারা

কিশোরগঞ্জে অষ্টমী স্নানে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল
কিশোরগঞ্জে অষ্টমী স্নানে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবালো নিউজিল্যান্ড
পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবালো নিউজিল্যান্ড

২৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

‘স্বতন্ত্র সচিবালয়’ প্রতিষ্ঠার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে : প্রধান বিচারপতি
‘স্বতন্ত্র সচিবালয়’ প্রতিষ্ঠার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে : প্রধান বিচারপতি

৩৪ মিনিট আগে | জাতীয়

বগুড়ায় শহীদ জিয়া ফুটবল টুর্নামেন্টের সেমি-ফাইনাল অনুষ্ঠিত
বগুড়ায় শহীদ জিয়া ফুটবল টুর্নামেন্টের সেমি-ফাইনাল অনুষ্ঠিত

৩৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাস-অটোরিকাশয়ার সংঘর্ষে নারী নিহত, শিশুসহ আহত ৪
বাস-অটোরিকাশয়ার সংঘর্ষে নারী নিহত, শিশুসহ আহত ৪

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কানাডায় ভারতীয় নাগরিক খুন
কানাডায় ভারতীয় নাগরিক খুন

৪৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জয়পুরহাটে রামদেও বাজলা প্রিমিয়ার লীগের ফাইনাল অনুষ্ঠিত
জয়পুরহাটে রামদেও বাজলা প্রিমিয়ার লীগের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

৪৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

৫৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

লাঙ্গলবন্দের স্নান ঘিরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট
লাঙ্গলবন্দের স্নান ঘিরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট

৫৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

৫৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চিরচেনা কার্তিককে দেখা গেল অন্যরূপে
চিরচেনা কার্তিককে দেখা গেল অন্যরূপে

৫৭ মিনিট আগে | শোবিজ

বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কোথাও নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কোথাও নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে দুই ভাইকে কুপিয়ে জখম
অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে দুই ভাইকে কুপিয়ে জখম

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার
প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

কাল থেকে খুলছে সরকারি অফিস
কাল থেকে খুলছে সরকারি অফিস

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজায় প্রতিদিন ১০০ শিশু নিহত বা আহত হচ্ছে: জাতিসংঘ কর্মকর্তা
গাজায় প্রতিদিন ১০০ শিশু নিহত বা আহত হচ্ছে: জাতিসংঘ কর্মকর্তা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পদ্মায় ঘুরতে গিয়ে নৌকাডুবিতে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু
পদ্মায় ঘুরতে গিয়ে নৌকাডুবিতে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘আমাদের শক্তির ওপর জোর দেওয়াই আমার লক্ষ্য’
‘আমাদের শক্তির ওপর জোর দেওয়াই আমার লক্ষ্য’

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শুল্ক বৃদ্ধি ‘দুর্বল ও দরিদ্রদের ক্ষতি করে’: জাতিসংঘ
শুল্ক বৃদ্ধি ‘দুর্বল ও দরিদ্রদের ক্ষতি করে’: জাতিসংঘ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিঙ্গাপুরে ডেঙ্গু দমনের প্রধান হাতিয়ার ‘ওলবাকিয়া’
সিঙ্গাপুরে ডেঙ্গু দমনের প্রধান হাতিয়ার ‘ওলবাকিয়া’

১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা
পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ম্যান সিটি ছাড়ছেন ডি ব্রুইনা
ম্যান সিটি ছাড়ছেন ডি ব্রুইনা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মাথায় গুলি নিয়ে চলে গেল জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধা হৃদয়
মাথায় গুলি নিয়ে চলে গেল জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধা হৃদয়

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

১৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

১৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

২২ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

৫ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত
দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত

পেছনের পৃষ্ঠা

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে
মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে

মাঠে ময়দানে