শিরোনাম
প্রকাশ: ১৫:২৮, শুক্রবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৫

কালের কণ্ঠের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রকাশিত

নতুন বাংলাদেশের সংবিধান : একটি নির্মোহ বিশ্লেষণ

অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী
অনলাইন ভার্সন
নতুন বাংলাদেশের সংবিধান : একটি নির্মোহ বিশ্লেষণ

জুলাই বিপ্লবের প্রধান দাবি ছিল এবং এখনো আছে যে বাংলাদেশে একটি নতুন রাজনৈতিক ব্যবস্থাপনার প্রয়োজন। এর অর্থ হলো, বিপ্লব-পরবর্তী বাংলাদেশে পুরনো (১৯৭২-২০২৪) রাজনৈতিক ব্যবস্থা ব্যাপক পরিবর্তন করে এক নতুন ব্যবস্থাপনার সূচনা করতে হবে। এবং তার জন্য অন্যান্য পরিবর্তনের পাশাপাশি আনতে হবে একটি নতুন সংবিধান। কিভাবে ও কোন কার্যপ্রণালীর দ্বারা এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজটির সমাধান হবে তা-ই এ লেখার উদ্দেশ্য।

নির্মোহ বিশ্লেষণসংবিধান যেকোনো জাতি ও দেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল। যদি জনগণ একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাপনায় বসবাস করতে চায়, তাদের অবশ্যই একটি গণতান্ত্রিক সংবিধান থাকতে হবে। গণতান্ত্রিক সংবিধান দেশে আইনের শাসন, মানবাধিকার, মুক্তচিন্তা ও মুক্তবিবেকের চর্চা প্রতিস্থাপন করে এমন একটি রাজনৈতিক ও সামাজিক সমাজব্যবস্থার বন্দোবস্ত করে, যা সে দেশের জনগণের জীবন পরিপূর্ণ করে তোলে। অন্যদিকে গণতন্ত্রের নামে তৈরি করা একটি ত্রুটিপূর্ণ সংবিধান দেশে নানা বিরোধ ও সমস্যা তৈরি করে দেশকে বিপর্যস্ত করে তোলে।

এর প্রমাণ মেলে আমাদের সাংবিধানিক ইতিহাসের পাতা উল্টালেই। ১৯৭২ সালে যে সংবিধানটি রচিত হয়েছিল, তা মুক্তিযুদ্ধোত্তর জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা ধারণ করতে ব্যর্থ হয়েছিল। এক সম্মোহনী ব্যক্তিকে সম্মুখে রেখে এমন সংবিধান রচিত হয়েছিল, যা শাসককে স্বৈরাচারে রূপান্তর করতে সময় লাগেনি। এবং যিনি মুক্তিযুদ্ধের সব চেতনা বিসর্জন দিয়ে পরিবর্তিত সংবিধানের দ্বারা তৈরি করেছিলেন একদলীয় শাসনব্যবস্থা।

পরে সংবিধানে নানা ধারা সংযোজন করে গণতন্ত্রকে জীবিত রাখার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু তা সফল হয়নি। সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী দ্বারা এই দলিলকে এমন এক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হয় যে তথাকথিত সাংবিধানিক ব্যবস্থায়ই ক্রমান্বয়ে বাংলাদেশে এক ফ্যাসিস্ট সরকারের অভ্যুত্থান হয়, যার জাঁতাকলে জনগণ নিষ্পেষিত হয় দীর্ঘ পনেরো বছর। জুলাই বিপ্লবোত্তর দাবি তাই, যা পূর্বেই বলা হয়েছে, এক নতুন সংবিধানের। এখন অনুধাবন করা প্রয়োজন যে ছাত্র-জনতার এই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে দুটি ভিন্ন মতবাদ লক্ষণীয়।

ছাত্র-জনতা প্রথম থেকে দাবি তুলেছে সংবিধান পুনর্লিখনের। উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তী সরকারের শপথ নেওয়ার পরপরই অন্যতম ছাত্র সমন্বয়ক এবং তথ্য ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম ঘোষণা দিয়েছিলেন, একটি নির্বাচিত গণপরিষদ সংবিধান রচনা ও গ্রহণ করবে। বর্তমান সংবিধান সংস্কার কমিশনের (সিআরসি) চেয়ারম্যান ড. আলী রীয়াজও সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজের এক সভায় একই মত পোষণ করেন। পরে অবশ্য তিনি সেই মত থেকে সরে আসেন। এ ছাড়া রাষ্ট্র সংস্কার ও গণপরিষদের মতো সংগঠন এবং বিশিষ্ট চিন্তক ফরহাদ মজহার, আনু মুহাম্মদ প্রমুখও একটি নতুন সংবিধানের সুপারিশ করেন। প্রণিধানযোগ্য যে নতুন সংবিধান রচনার জন্য চাই একটি গণপরিষদ। বলাই বাহুল্য, গণপরিষদ, যা জনগণের প্রতিনিধি দ্বারা গঠিত, তাদের  রচিত ও গৃহীত সংবিধানে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে সাফল্যজনকভাবে সন্নিবেশ করতে পারে। এটাই উত্তম পন্থা বলে বিবেচিত।

যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, নেপাল এবং আরো অনেক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সংবিধান গণপরিষদ দ্বারা রচিত ও গৃহীত। বাংলাদেশের ১৯৭২ সালের সংবিধান মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী জনগণের দ্বারা নির্বাচিত গণপরিষদ দ্বারা রচিত হয়নি, তাই এই সংবিধান কার্যকর হয়নি। তবে গণপরিষদ দ্বারা রচিত সংবিধান রচনা ও গ্রহণ সময়সাপেক্ষ এবং বেশ অনিশ্চয়তায় পরিপূর্ণ। নেপালের গণপরিষদ সংবিধান রচনা করতে লাগিয়েছে আট বছর। অখণ্ডিত পাকিস্তানেও আট বছর। যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত এসব দেশের রাজনৈতিক দলগুলো সুসংহত ও উন্নত গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি ধারণ করে, তাই তারা দুই বছরে সংবিধান রচনা করতে পেরেছে। বাংলাদেশের মতো দেশে, যে দেশে গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি রাজনৈতিক দলে ও সমাজে অনুপস্থিত, গণপরিষদের মাধ্যমে সংবিধান করতে তাহলে কয় বছর লাগবে?

নির্মোহ বিশ্লেষণদ্বিতীয় পন্থাটি বা মতবাদ হলো বর্তমান সংবিধানে সংযোজন/সংস্থাপন করে এটিকে একটি গণতান্ত্রিক সংবিধানে পরিণত করা। প্রতীয়মান হয় যে অন্তর্বর্তীক সরকার হয়তো বা রাজনৈতিক দলগুলোর চাপে পড়ে দ্বিতীয় পথটি বেছে নিয়েছে এবং গত ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৪ একটি সংবিধান সংস্কার কমিশন গঠন করেছে, যার উদ্দেশ্য হলো গত সংবিধানের ব্যর্থতার কারণগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো উপযুক্ত অনুচ্ছেদ দ্বারা প্রতিস্থাপন করা এবং রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনর্বিবেচনা ও সংস্কার করা। প্রতিবেদন তৈরি ছাড়াও কমিশন বিশেষ করে নির্বাচনপ্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত আইন ও আনুষঙ্গিক প্রক্রিয়াসমূহ পর্যালোচনা করবে।

রাজনৈতিক দলসমূহ ছাড়াও অন্যান্য অংশীদার এই কমিশনকে স্বাগত জানিয়েছে। তবে পরিতাপের বিষয় হলো এই যে ৯ সংখ্যাবিশিষ্ট এই কমিশনে দুজন লেখক ও একজন ছাত্র প্রতিনিধি ছাড়া বাকি সবাই আইন বিশেষজ্ঞ। যদিও সংবিধান রচনায় বিশিষ্ট আইনজ্ঞদেরও প্রয়োজন হয় এবং কমিশনের আইনজ্ঞ সদস্যরা নিজ নিজ জীবনে জ্ঞান ও প্রজ্ঞার অধিকারী, তবু যৌক্তিক কারণেই Millenial এবং Gen Z-এর যথাযথ প্রতিনিধিত্ব না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ছাত্র প্রতিনিধিরা। যেখানে দেশের জনসংখ্যার ৬৫ শতাংশ ৩৫ বছরের নিচে এবং যে তরুণরা জীবন বাজি রেখে রক্ত দিয়ে এক অত্যাচারী, নিপীড়নকারী ও নির্মম শাসকের পতন ঘটিয়ে এক নতুন বাংলাদেশ গড়ার সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে, সেখানে ছাত্র প্রতিনিধি অপ্রতুল থাকায় কমিশনের প্রতিবেদনে ছাত্র-জনতার আশা-আকাঙ্ক্ষার কতটা প্রতিফলন ঘটবে তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

বর্তমানে এই কমিশন সাতটি উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ শুরু করেছে : ১. বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা; ২. অংশগ্রহণমূলক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে জন-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটানো; ৩. রাজনীতি ও রাষ্ট্র পরিচালনায় সর্বস্তরে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণের ব্যবস্থা; ৪. ভবিষ্যতে যেকোনো ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার উত্থান রোধ; ৫. রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গের পৃথক্করণ ও ক্ষমতার ভারসাম্য আনা; ৬. রাষ্ট্রের সংবিধান ও আইন দ্বারা সৃষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকর স্বাধীনতা ও স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিতকরণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা, প্রতিষ্ঠানগুলোর বিকেন্দ্রীকরণ ও পর্যাপ্ত ক্ষমতায়ন; ৭. রাষ্ট্রীয় সাংবিধানিক ও আইন দ্বারা সৃষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকর স্বাধীনতা ও স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিতকরণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা। এই পরিপ্রেক্ষিতে কমিশন ক্রমান্বয়ে রাজনৈতিক দল ও জোট, বিভিন্ন সংগঠন, সংবিধান বিশেষজ্ঞ, বিশিষ্ট নাগরিক, তরুণ চিন্তাবিদ, ওয়েবসাইটের মাধ্যমে মতামত, পরিসংখ্যান ব্যুরো দ্বারা সংস্কার বিষয়ক জরিপ দ্বারা জনগণকে সম্পৃক্ত করতে শুরু করেছে। তবে জনগণের সম্পৃক্ততা আরো বেশি গভীর হওয়া প্রয়োজন। কারণ যেকোনো সংবিধানের সাফল্য নির্ভর করে যদি তা জনগণের মতামতের দ্বারা রচিত হয়।

উপরোক্ত আলোচনায় আশা করা যায় যে কমিশন একটি ইতিবাচক প্রতিবেদন তৈরি করবে। এখানেই কিন্তু নতুন সংবিধান তৈরির কাজ শেষ হয়ে যায় না। এটিকে একটি স্বীকৃত আইনে বা দেশের সর্বোচ্চ আইনে পরিবর্তন করতে হলে এই প্রতিবেদনটিতে জনগণের প্রত্যক্ষ মতামতের প্রয়োজন। যেমন—গণভোট। কারণ এমনকি জনগণের প্রতিনিধি দ্বারা নির্বাচিত গণপরিষদ দ্বারা রচিত সংবিধানের খসড়ায়ও গণভোটের প্রয়োজন হয়। যেমন করেছে নেপাল বা যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু বাংলাদেশের সাংবিধানিক জটিলতার কারণে এবং যে কারণে গণপরিষদ গঠন করে সংবিধান দলিলের খসড়া করা হয়নি, সিআরসি তৈরি প্রতিবেদনটি কার্যকর অত সহজ হবে না বলে মনে হয়। এ ব্যাপারে বিভিন্ন মতামত রয়েছে।

কিছু বিশ্লেষক মনে করেন, পরবর্তী নির্বাচিত ত্রয়োদশ সংসদ সংবিধান সংস্কার করে গণভোটের সাহায্যে নতুন সংবিধান গ্রহণ সম্ভব। অথবা একটি দুই বছর মেয়াদি বিশেষ সংসদ তৈরি করে খসড়া গণভোটের দ্বারা সংবিধান হিসেবে গ্রহণ করা যেতে পারে। তবে যেহেতু উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেছেন, নতুন সংবিধানটি এই সরকারই বাস্তবায়ন করবে, সে ক্ষেত্রে হতে পারে যে সিআরসি তৈরি প্রতিবেদন মাথায় রেখে অন্তর্বর্তী সরকার একটি অধ্যাদেশ দ্বারা তৈরি লিগ্যাল ফ্রেমওয়ার্কের ভিত্তিতে প্রণীত দুই বছর মেয়াদি গণপরিষদ গঠন করা যেতে পারে, যা একটি অস্থায়ী সংসদ হিসেবে কাজ করবে এবং সিআরসি প্রণীত সুপারিশমালা পর্যালোচনা করে সংযোজন/বিয়োজন দ্বারা চূড়ান্ত খসড়া প্রস্তুত ও গ্রহণ করবে। পরে এটি গণভোটের দ্বারা অনুমোদিত হবে। এই প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক দল, সুধীসমাজ, সমাজের বিভিন্ন অংশীদার, জনগণের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করা যাবে। এবং একটি নিয়মিত গণপরিষদ গঠনের দ্বারা প্রবর্তিত নতুন সংবিধান বা দ্বিতীয় প্রজাতন্ত্র গঠন করা, যা সময়সাপেক্ষ ও অনিশ্চয়তার হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। স্মরণ রাখা প্রয়োজন, সেই সংবিধানই কার্যকর হয় ও মান্যতা পায়, যেটি সমাজের সমালোচনামূলক শক্তিগুলোর ঐকমত্যের দ্বারা রচিত হয়। তৃতীয় পন্থাটি দ্বারা সে উদ্দেশ্য সফল হবে বলেই ধারণা হয়।

লেখক : রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও রাজনীতি বিশ্লেষক।

এই বিভাগের আরও খবর
প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি
প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, জাতীয় স্বার্থ ও গণঅভ্যুত্থানের পুনর্জাগরণ
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, জাতীয় স্বার্থ ও গণঅভ্যুত্থানের পুনর্জাগরণ
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষিত
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষিত
সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
তামাক নীতিমালা : সংকটে ভোক্তা অধিকার
তামাক নীতিমালা : সংকটে ভোক্তা অধিকার
তুম উধার হাম ইধার
তুম উধার হাম ইধার
সবার উপর একাত্তর, আমাদের স্বাধীনতা
সবার উপর একাত্তর, আমাদের স্বাধীনতা
সর্বশেষ খবর
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

২ মিনিট আগে | রাজনীতি

সন্ধ্যায় জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
সন্ধ্যায় জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১০ মিনিট আগে | জাতীয়

মুখের গড়ন বুঝে হতে হবে হেয়ার কাট
মুখের গড়ন বুঝে হতে হবে হেয়ার কাট

১৬ মিনিট আগে | জীবন ধারা

অভিনেতাসহ গ্রেপ্তার ১১, তুরস্কে বয়কট আন্দোলন
অভিনেতাসহ গ্রেপ্তার ১১, তুরস্কে বয়কট আন্দোলন

১৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙ্গায় কিশোর ও গৃহবধূর লাশ উদ্ধার
ভাঙ্গায় কিশোর ও গৃহবধূর লাশ উদ্ধার

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গরমে মেকআপ যেন না গলে
গরমে মেকআপ যেন না গলে

১৯ মিনিট আগে | জীবন ধারা

কিশোরগঞ্জে অষ্টমী স্নানে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল
কিশোরগঞ্জে অষ্টমী স্নানে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবালো নিউজিল্যান্ড
পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবালো নিউজিল্যান্ড

২৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

‘স্বতন্ত্র সচিবালয়’ প্রতিষ্ঠার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে : প্রধান বিচারপতি
‘স্বতন্ত্র সচিবালয়’ প্রতিষ্ঠার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে : প্রধান বিচারপতি

৩৪ মিনিট আগে | জাতীয়

বগুড়ায় শহীদ জিয়া ফুটবল টুর্নামেন্টের সেমি-ফাইনাল অনুষ্ঠিত
বগুড়ায় শহীদ জিয়া ফুটবল টুর্নামেন্টের সেমি-ফাইনাল অনুষ্ঠিত

৩৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাস-অটোরিকাশয়ার সংঘর্ষে নারী নিহত, শিশুসহ আহত ৪
বাস-অটোরিকাশয়ার সংঘর্ষে নারী নিহত, শিশুসহ আহত ৪

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কানাডায় ভারতীয় নাগরিক খুন
কানাডায় ভারতীয় নাগরিক খুন

৪৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জয়পুরহাটে রামদেও বাজলা প্রিমিয়ার লীগের ফাইনাল অনুষ্ঠিত
জয়পুরহাটে রামদেও বাজলা প্রিমিয়ার লীগের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

৪৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

৫৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

লাঙ্গলবন্দের স্নান ঘিরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট
লাঙ্গলবন্দের স্নান ঘিরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট

৫৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

৫৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চিরচেনা কার্তিককে দেখা গেল অন্যরূপে
চিরচেনা কার্তিককে দেখা গেল অন্যরূপে

৫৭ মিনিট আগে | শোবিজ

বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কোথাও নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কোথাও নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে দুই ভাইকে কুপিয়ে জখম
অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে দুই ভাইকে কুপিয়ে জখম

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার
প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

কাল থেকে খুলছে সরকারি অফিস
কাল থেকে খুলছে সরকারি অফিস

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজায় প্রতিদিন ১০০ শিশু নিহত বা আহত হচ্ছে: জাতিসংঘ কর্মকর্তা
গাজায় প্রতিদিন ১০০ শিশু নিহত বা আহত হচ্ছে: জাতিসংঘ কর্মকর্তা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পদ্মায় ঘুরতে গিয়ে নৌকাডুবিতে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু
পদ্মায় ঘুরতে গিয়ে নৌকাডুবিতে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘আমাদের শক্তির ওপর জোর দেওয়াই আমার লক্ষ্য’
‘আমাদের শক্তির ওপর জোর দেওয়াই আমার লক্ষ্য’

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শুল্ক বৃদ্ধি ‘দুর্বল ও দরিদ্রদের ক্ষতি করে’: জাতিসংঘ
শুল্ক বৃদ্ধি ‘দুর্বল ও দরিদ্রদের ক্ষতি করে’: জাতিসংঘ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিঙ্গাপুরে ডেঙ্গু দমনের প্রধান হাতিয়ার ‘ওলবাকিয়া’
সিঙ্গাপুরে ডেঙ্গু দমনের প্রধান হাতিয়ার ‘ওলবাকিয়া’

১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা
পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ম্যান সিটি ছাড়ছেন ডি ব্রুইনা
ম্যান সিটি ছাড়ছেন ডি ব্রুইনা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মাথায় গুলি নিয়ে চলে গেল জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধা হৃদয়
মাথায় গুলি নিয়ে চলে গেল জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধা হৃদয়

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

১৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

১৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

২২ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

৫ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত
দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত

পেছনের পৃষ্ঠা

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে
মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে

মাঠে ময়দানে