শিরোনাম
প্রকাশ: ১৩:৩৩, বুধবার, ১৯ মার্চ, ২০২৫ আপডেট: ১৯:৪৯, বুধবার, ১৯ মার্চ, ২০২৫

দ্য ডিপ্লোম্যাটকে সাক্ষাৎকার

আমরা চাই না আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক: নাহিদ

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
আমরা চাই না আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক: নাহিদ

আগামী জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে দেখতে চায় না নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। 
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ডিপ্লোম্যাটের’ সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেছেন দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। 

তিনি জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে নেতৃত্বস্থানীয় ভূমিকায় ছিলেন এবং পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে একজন উপদেষ্টা হিসেবেও ছিলেন।

সাক্ষাৎকারে নাহিদ ইসলামকে প্রশ্ন করা হয়, আপনার দল কি আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে এবং পরবর্তী নির্বাচনে অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়ার পক্ষে?

জবাবে নাহিদ বলেন, “না, আমরা চাই না আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক। প্রথমত, দলের ভেতরে যারা অন্যায়ের জন্য দায়ী তাদের বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।”

সাক্ষাৎকারে আরও যেসব প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন নাহিদ ইসলাম, পাঠকদের জন্য তা তুলে ধরা হলো-

প্রশ্ন: আপনি আন্দোলন থেকে সরকারে গেছেন। পরে আবার রাজনীতিতে ফিরে এসেছেন এবং এতে সক্রিয় হয়েছেন। আপনার অভিজ্ঞতা কী?

উত্তর: সরকারকে বাইরে থেকে দেখা আর ভেতর থেকে দেখা সম্পূর্ণ ভিন্ন অভিজ্ঞতা। যখন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করে, তখন বাংলাদেশের জন্য এটি ছিল বিশেষ চ্যালেঞ্জিং সময়। আমার জন্য ছিল কঠিন অভিজ্ঞতা। সময়ের দাবির প্রতি সাড়া দিয়ে আমি পদত্যাগ করে মূলধারার রাজনীতিতে প্রবেশ করেছি। এখন, আমি এই অভিজ্ঞতাকে আমার ভবিষ্যতের রাজনৈতিক যাত্রা গঠনের জন্য ব্যবহার করব। যেহেতু সামনের পথটি কঠিন বলে মনে হচ্ছে। একটি রাজনৈতিক দল গঠন করা আমার জন্য নতুন ধরনের চ্যালেঞ্জ, তবে আমি এটি মোকাবিলা করতে প্রস্তুত।

প্রশ্ন: অন্তর্বর্তী সরকারে থাকাকালীন আপনি কতটা সংস্কার করতে পেরেছেন?

উত্তর: আমার স্বল্প মেয়াদে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। আমরা ইন্টারনেট অবকাঠামোর স্তরগুলো সংশোধন করেছি। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের জন্য একটি সংস্কার রোডম্যাপ তৈরি করেছি এবং উন্নত তথ্য প্রবাহ নিশ্চিত করতে সেন্সরশিপ আরোপকারী বিভিন্ন আইনের সমাধান করেছি। যদিও এই সংস্কারগুলোর সম্পূর্ণ প্রভাব তাৎক্ষণিকভাবে দৃশ্যমান নাও হতে পারে, তবে আমি নিশ্চিত যে এগুলো দেশের জন্য দীর্ঘমেয়াদে সুবিধা বয়ে আনবে।

প্রশ্ন: এনসিপি নিয়ে আপনার পরিকল্পনা কী? এটি কি ডানপন্থী দল হবে নাকি বামপন্থী?

উত্তর: এর কোনওটাই হবে না। এনসিপি মধ্যপন্থী (সেন্ট্রিস্ট) রাজনৈতিক দল। এই আদর্শ বজায় রাখতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে নতুন কণ্ঠস্বর, বিশেষ করে তরুণ এবং সকল সামাজিক শ্রেণির ব্যক্তিদের জন্য জায়গা তৈরি করা। যারা বছরের পর বছর ধরে ঐতিহ্যবাহী রাজনীতি থেকে বাদ পড়েছে। আমরা একটি গণপরিষদ গঠনের মাধ্যমে দ্বিতীয় প্রজাতন্ত্র (সেকেন্ড রিপাবলিক) প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য রাখি, যার মাধ্যমে আমরা একটি নতুন সংবিধান প্রবর্তন করে দেশের ক্ষমতা কাঠামো পুনর্গঠন করতে চাই। আমরা সক্রিয়ভাবে ধারণাগুলো অন্বেষণ করছি এবং আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিকে আরও স্পষ্ট রূপ দিতে মতামত সংগ্রহ করছি। 

প্রশ্ন: অনেকেই বলছেন এনসিপি ‘কিংস পার্টি’। তারা সরকারের কাছ থেকে বিশেষ সুবিধা পাচ্ছে। এটা কি সত্য?

উত্তর: যদি এনসিপি ‘কিংস পার্টি’ হতো তাহলে কি আমি সরকার থেকে পদত্যাগ করতাম? আমি থাকতে পারতাম, আমার অবস্থান ব্যবহার করতে পারতাম এবং ভেতর থেকে রাজনীতি করতে পারতাম। আমরা সরকারের কাছ থেকে কোনও বিশেষ সুবিধা পাচ্ছি না। অভ্যুত্থানে আমাদের ভূমিকার জন্য সরকার এবং রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে কেবল অনুপ্রেরণা এবং স্বীকৃতি পাচ্ছি। তাছাড়া, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কোনও একদলীয় সরকার নয়। এতে বিভিন্ন আদর্শিক পটভূমির মানুষ অন্তর্ভুক্ত। ফলত, প্রতিটি দল সরকারের কাছ থেকে একই আচরণ পাচ্ছে।

প্রশ্ন: এনসিপি কি জামায়াতে ইসলামীর ঘনিষ্ঠ? তাদের দাবিগুলোর সঙ্গে আপনাদের মিল রয়েছে বলে মনে হচ্ছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে যে, এনসিপি বাংলাদেশে মৌলবাদের বিস্তারে অবদান রাখবে।

উত্তর: বাংলাদেশ জাতীয়বাদী দল (বিএনপি), জামায়াত, এনসিপি- আমরা সকলেই আওয়ামী লীগের নেতাদের বিচারের দাবি জানাচ্ছি। এর অর্থ কি আমরা একে অপরের ঘনিষ্ঠ? মোটেও না। যদি তেমনটাই হতো তাহলে আমরা জোট গঠন করতাম।

এনসিপি এবং জামায়াত সম্পূর্ণ ভিন্ন দল। তাদের এজেন্ডা আলাদা। যার সঙ্গে আমাদের কোনও সম্পর্ক নেই। জামায়াত আমাদের ঘনিষ্ঠও নয়। আমাদের কিছু দাবি মিলে যেতে পারে। যেমন, আমরা প্রথমে সংস্কারের পক্ষে। যার মাধ্যমে গণপরিষদ প্রতিষ্ঠা এবং বৃহত্তর কাঠামোগত পরিবর্তনকে অগ্রাধিকার দিই। এক্ষেত্রে আমরা মৌলবাদের ওপর নির্ভরশীল বলে যে দাবি তোলা হয়েছে তা একটি মিথ্যা আখ্যান প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা। যেমন, কেউ কেউ জুলাই অভ্যুত্থানকে সন্ত্রাসী আন্দোলন (টেরোরিজম মুভমেন্ট) হিসেবে চিহ্নিত করছেন, যা সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর।

প্রশ্ন: আপনি কখন সাধারণ নির্বাচন চান?

উত্তর: আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে পূর্ববর্তী শাসনব্যবস্থার অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনা, দেশে স্থিতিশীল আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিশ্চিত করা এবং একটি গণপরিষদ প্রতিষ্ঠা করা। আমরা সংবিধান এবং নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কারের পক্ষে, যেন ফের ফ্যাসিবাদী শাসনের আবির্ভাব না হয়। ফলত নির্বাচন আমাদের তাৎক্ষণিক অগ্রাধিকার নয়। আমরা বর্তমানে নির্বাচনের জন্য কোনও নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করছি না।

প্রশ্ন: আপনার নতুন দলের জন্য সামনে কী কী চ্যালেঞ্জ রয়েছে? 

উত্তর: প্রথমত, বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত বহু রাজনৈতিক দল রয়েছে। এর ফলে তাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করা আমাদের জন্য বেশ কঠিন হবে। যেহেতু নির্বাচনের আগে বেশি সময় নেই। সঠিক তারিখ অনিশ্চিত হলেও, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, এটি ২০২৫ সালের শেষের দিকে অথবা ২০২৬ সালের মাঝামাঝি হতে পারে। 

দ্বিতীয়ত, তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছানো আরেকটি বড় চ্যালেঞ্জ। ক্যাম্পাস ও শহরের রাজনীতি থেকে গ্রামের রাজনীতি ভিন্নভাবে পরিচালিত হয় এবং এখানে ভিন্ন পদ্ধতিতে এগোতে হয়। আগামী মাস থেকে আমরা ঢাকার বাইরে প্রচার শুরু করতে যাচ্ছি। এছাড়া দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মধ্যে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বজায় রাখা একটি উল্লেখযোগ্য চ্যালেঞ্জ হবে। 

প্রশ্ন: বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কি দলে সমান সুযোগ পাচ্ছে?

উত্তর: হ্যাঁ। অতীতের তুলনায়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও রাজনীতিতে আরও বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে। তারা অভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। আমাদের দলে সকলের জন্য সমান সুযোগ রয়েছে। সকলের জন্য একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক স্থান নিশ্চিত করছে।

প্রশ্ন: সেকেন্ড রিপাবলিক নিয়ে এনসিপির ভাবনা কী?

উত্তর: সেকেন্ড রিপাবলিকের ক্ষেত্রে আমাদের প্রাথমিক দাবি হচ্ছে নতুন সংবিধান। যার জন্য গণপরিষদ প্রতিষ্ঠা প্রয়োজন। এই সংবিধানটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনার ভিত্তিতে গঠিত হওয়া উচিত। আমরা একটি ভারসাম্যপূর্ণ ক্ষমতা কাঠামো এবং একটি স্বাধীন বিচার বিভাগের পক্ষে। যার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সীমাহীন ক্ষমতা অপসারণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। 

প্রশ্ন: বাংলাদেশের কূটনীতির ক্ষেত্রে এনসিপির অবস্থান কী? দলটি কি দেশকেন্দ্রিক রাজনীতির সঙ্গে থাকবে?

উত্তর: সবার আগে আমরা চাই, যেকোনও বিদেশি শক্তির আধিপত্য থেকে একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও লাভজনক কূটনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে চলবে বাংলাদেশ। অতীতে আমরা বিভিন্ন সরকারকে দিল্লির প্রভাবের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল হয়ে পড়তে দেখেছি। আমরা বাংলাদেশের রাজনীতিকে ভারত বা পাকিস্তানকেন্দ্রিক হতে দেব না। এনসিপি পুরোপুরি বাংলাদেশকেন্দ্রিক থাকবে, সবার ওপরে জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দেবে।

প্রশ্ন: বিদ্যমান কোনও দল কি এনসিপির জন্য হুমকি?

উত্তর: না।

প্রশ্ন: মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ ডানপন্থী গোষ্ঠীগুলোর চাপের কারণে দলটি প্রতিষ্ঠার কয়েকদিন পরেই একজন সমকামী অধিকার কর্মীকে এনসিপি নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এনসিপি কীভাবে নিজেদের অন্তর্ভুক্তির দাবির সঙ্গে সমন্বয় করছে?

উত্তর: আমরা অন্তর্ভুক্তিতে বিশ্বাস করি। তবে আমাদের সামাজের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক সংবেদনশীলতাও বিবেচনা করতে হবে। সেই কারণেই তাকে অপসারণের এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। তবে, আমরা বৈচিত্র্যের প্রতি প্রতিশ্রুবিদ্ধ। বিভিন্ন সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে আমাদের একটি প্রশংসনীয় পথ রয়েছে।

প্রশ্ন: জুলাই অভ্যুত্থানে নারীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। আশা করা হয়েছিল যে, এর ফলে সারাদেশে নারীরা আরও বেশি নিরাপত্তা এবং স্বাধীনতা উপভোগ করবে। তবে, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে নারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা এবং মোরাল পুলিশিং বৃদ্ধি পেয়েছে। অভ্যুত্থানের একজন নেতা হিসেবে আপনি এ বিষয়টিকে কীভাবে ব্যাখ্যা করবেন?

উত্তর: নারীর প্রতি সহিংসতা বৃদ্ধি পাওয়াটা সত্যিই হতাশাজনক। এর বাইরেও, সামাজিক কিছু বিষয় সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ থেকে বিরত রেখেছে। রাজনৈতিক শূন্যতার ফলে বাংলাদেশে বিশৃঙ্খলা বৃদ্ধি পেয়েছে। ৫ আগস্টের পর পুলিশ বাহিনী ভেঙে পড়ায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থা আরও দুর্বল হয়ে পড়েছে। এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যেখানে এই ধরনের সহিংসতা নিয়ন্ত্রণহীনভাবে চলছে। সরকার কিছু ব্যবস্থা নিয়েছে, এখন দেখার বিষয় সেগুলো কার্যকর কিনা। ব্যক্তিগত এবং দলীয়ভাবে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সমস্য মোকাবিলায় সরকারকে সহযোগিতা করতে আমরা প্রস্তুত। সূত্র: দ্য ডিপ্লোম্যাট

বিডি প্রতিদিন/একেএ
 

এই বিভাগের আরও খবর
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশে পরিপূর্ণ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা পাবে : নবীউল্লাহ নবী
নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশে পরিপূর্ণ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা পাবে : নবীউল্লাহ নবী
বিশ্বব্যাপী অপতথ্য ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী
বিশ্বব্যাপী অপতথ্য ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী
দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে তারেক রহমানের নেতৃত্বে : এ্যানি
দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে তারেক রহমানের নেতৃত্বে : এ্যানি
আওয়ামী ফ্যাসিস্ট আমলে অনেকেই পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে পারেনি: মোশারফ হোসেন
আওয়ামী ফ্যাসিস্ট আমলে অনেকেই পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে পারেনি: মোশারফ হোসেন
'সাড়ে ১২ বছরের ছেলে যুদ্ধের সময়ে মানুষ খুন করতে পারে—এটা বিশ্বাসযোগ্য কথা?'
'সাড়ে ১২ বছরের ছেলে যুদ্ধের সময়ে মানুষ খুন করতে পারে—এটা বিশ্বাসযোগ্য কথা?'
ফ্যাসিবাদমুক্ত পরিবেশে এবারের ঈদ আনন্দমুখর হয়ে উঠেছে: প্রিন্স
ফ্যাসিবাদমুক্ত পরিবেশে এবারের ঈদ আনন্দমুখর হয়ে উঠেছে: প্রিন্স
সংস্কার সংস্কারের মতো, নির্বাচন নির্বাচনের মতো চলবে: মির্জা ফখরুল
সংস্কার সংস্কারের মতো, নির্বাচন নির্বাচনের মতো চলবে: মির্জা ফখরুল
যারা গুপ্ত রাজনীতি করে তাদের জন্য শুভকামনা নয় : ছাত্রদল সভাপতি
যারা গুপ্ত রাজনীতি করে তাদের জন্য শুভকামনা নয় : ছাত্রদল সভাপতি
ফ্যাসিস্টের পতনের পর এখন দেশে নির্বাচনী হাওয়া বইছে: আমীর খসরু
ফ্যাসিস্টের পতনের পর এখন দেশে নির্বাচনী হাওয়া বইছে: আমীর খসরু
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ফ্যাসিবাদবিরোধী ঐক্য ধরে রাখতে হবে : নবীউল্লাহ নবী
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ফ্যাসিবাদবিরোধী ঐক্য ধরে রাখতে হবে : নবীউল্লাহ নবী
সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : বেগম খালেদা জিয়া
সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : বেগম খালেদা জিয়া
সর্বশেষ খবর
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী

৫ মিনিট আগে | জাতীয়

বিমসটেক মেরিটাইম ট্রান্সপোর্ট কো-অপারেশন চুক্তি সই
বিমসটেক মেরিটাইম ট্রান্সপোর্ট কো-অপারেশন চুক্তি সই

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

ধলেশ্বরী নদীতে সেনা অভিযান: দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৭
ধলেশ্বরী নদীতে সেনা অভিযান: দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৭

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চাঁদপুরে উন্মুক্ত বিনোদন কেন্দ্র মোলহেডে দর্শনার্থীদের ভিড়
চাঁদপুরে উন্মুক্ত বিনোদন কেন্দ্র মোলহেডে দর্শনার্থীদের ভিড়

২৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বনশ্রীতে নারী সাংবাদিককে হেনস্তা, গ্রেফতার ৩
বনশ্রীতে নারী সাংবাদিককে হেনস্তা, গ্রেফতার ৩

৪২ মিনিট আগে | নগর জীবন

ভাঙ্গায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত অন্তত ১০
ভাঙ্গায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত অন্তত ১০

৪৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাষ্টের চেক বিতরণ
কুষ্টিয়ায় সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাষ্টের চেক বিতরণ

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নোয়াখালীতে জমজ ২ বোনকে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১
নোয়াখালীতে জমজ ২ বোনকে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১

৫৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নিষ্প্রভ মেসি, হারল মায়ামি
নিষ্প্রভ মেসি, হারল মায়ামি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, পাইলট নিহত
ভারতে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, পাইলট নিহত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চট্টগ্রাম মহানগর শ্রমিকলীগের সাবেক সভাপতি গ্রেফতার
চট্টগ্রাম মহানগর শ্রমিকলীগের সাবেক সভাপতি গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর ও ফলাফলমুখী ‘বিমসটেক’-এর ওপর গুরুত্বারোপ পররাষ্ট্র উপদেষ্টার
মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর ও ফলাফলমুখী ‘বিমসটেক’-এর ওপর গুরুত্বারোপ পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিবচরে চালককে কুপিয়ে হত্যা করে ভ্যান ছিনতাই
শিবচরে চালককে কুপিয়ে হত্যা করে ভ্যান ছিনতাই

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তাপপ্রবাহে পুড়ছে ১০ জেলা
তাপপ্রবাহে পুড়ছে ১০ জেলা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সুস্থ হয়ে দেশে ফিরছে মুসা
সুস্থ হয়ে দেশে ফিরছে মুসা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তিসি চাষে পাঁচগুণ আয়!
তিসি চাষে পাঁচগুণ আয়!

২ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

টি-টোয়েন্টি বোলারদের নতুন রাজা কিউই পেসার
টি-টোয়েন্টি বোলারদের নতুন রাজা কিউই পেসার

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় জাতিসংঘের ক্লিনিকে বোমা হামলা
গাজায় জাতিসংঘের ক্লিনিকে বোমা হামলা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আতলেতিকোকে বিদায় করে ফাইনালে বার্সা
আতলেতিকোকে বিদায় করে ফাইনালে বার্সা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্চে ইন্টারনেটে ২৯৮ অপতথ্য ছড়িয়েছে: রিউমর স্ক্যানার
মার্চে ইন্টারনেটে ২৯৮ অপতথ্য ছড়িয়েছে: রিউমর স্ক্যানার

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজার ‘বিস্তীর্ণ এলাকা’ দখলে নিতে চায় ইসরায়েল
গাজার ‘বিস্তীর্ণ এলাকা’ দখলে নিতে চায় ইসরায়েল

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে দুর্ঘটনায় নিহত ২
যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে দুর্ঘটনায় নিহত ২

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাড়তে পারে ঢাকার তাপমাত্রা
বাড়তে পারে ঢাকার তাপমাত্রা

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে
নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের
উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুলশান-বনানীর সড়ক ব্যবহারে ট্রাফিকের নতুন নির্দেশনা
গুলশান-বনানীর সড়ক ব্যবহারে ট্রাফিকের নতুন নির্দেশনা

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন
ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা
হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা

১১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ
সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরী লক্ষ্য করে হুথিদের একের পর এক হামলা
লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরী লক্ষ্য করে হুথিদের একের পর এক হামলা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার
আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় বিশাল এলাকা দখল করে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা
গাজায় বিশাল এলাকা দখল করে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিয়ানমারের ভূমিকম্প: নামাজরত অবস্থায় ৫ শতাধিক মুসল্লির মৃত্যু
মিয়ানমারের ভূমিকম্প: নামাজরত অবস্থায় ৫ শতাধিক মুসল্লির মৃত্যু

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রেস সচিব
২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রেস সচিব

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!
১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন
সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস
শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ধোঁয়াশার কিছু নেই, ডিসেম্বর-জুনের মধ্যেই নির্বাচন হবে : তথ্য উপদেষ্টা
ধোঁয়াশার কিছু নেই, ডিসেম্বর-জুনের মধ্যেই নির্বাচন হবে : তথ্য উপদেষ্টা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র
হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কাশ্মীর সীমান্তে উত্তেজনা, ৫ পাকিস্তানি সেনা হত্যার দাবি ভারতের
কাশ্মীর সীমান্তে উত্তেজনা, ৫ পাকিস্তানি সেনা হত্যার দাবি ভারতের

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কালুরঘাটে রেল ও সড়ক সেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ১৪ মে
কালুরঘাটে রেল ও সড়ক সেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ১৪ মে

১৭ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের
ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের

১৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাসিনার বিরুদ্ধে গণহত্যা মামলার খসড়া তদন্ত রিপোর্ট পেয়েছে প্রসিকিউশন
হাসিনার বিরুদ্ধে গণহত্যা মামলার খসড়া তদন্ত রিপোর্ট পেয়েছে প্রসিকিউশন

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বব্যাপী অপতথ্য ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী
বিশ্বব্যাপী অপতথ্য ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে

সম্পাদকীয়

চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই
চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সর্বত্র ভোটের আলোচনা
সর্বত্র ভোটের আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া
সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়
উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়

পেছনের পৃষ্ঠা

ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত
ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত

প্রথম পৃষ্ঠা

ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড
ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড

মাঠে ময়দানে

কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন
কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন

পেছনের পৃষ্ঠা

শাকিবের প্রশংসায় বুবলী
শাকিবের প্রশংসায় বুবলী

শোবিজ

ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল
ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল

প্রথম পৃষ্ঠা

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই

সম্পাদকীয়

৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের
৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের

প্রথম পৃষ্ঠা

রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা
রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা

নগর জীবন

ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়
ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়

প্রথম পৃষ্ঠা

গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে
গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে
বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে

প্রথম পৃষ্ঠা

চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা
চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব
মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব

দেশগ্রাম

বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ
বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ

দেশগ্রাম

মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন
মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন

প্রথম পৃষ্ঠা

আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা
আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা

রকমারি নগর পরিক্রমা

দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪
দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪

পেছনের পৃষ্ঠা

কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ

সম্পাদকীয়

দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার
দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার

দেশগ্রাম

ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ
ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট
ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট

পেছনের পৃষ্ঠা

নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন
নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন

পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন
নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন

প্রথম পৃষ্ঠা