২০১৫ সালের ৩০ অক্টোবর খুলনার শীর্ষ চরমপন্থি নেতা শহীদুল ইসলাম ওরফে হুজি শহীদকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ওই হত্যাকাণ্ডের এজাহারভুক্ত ২০ আসামির মধ্যে এ পর্যন্ত তিনজন টার্গেট কিলিংয়ের শিকার হয়েছেন।
শনিবার মধ্যরাতে নগরীর বাগমারা এলাকায় চরমপন্থি শাহীনুল হক ওরফে বড় শাহীনকে মাথায় গুলি চালিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। তিনি চরমপন্থি নেতা টাইগার খোকনের সহযোগী ছিলেন।
এর আগে ৯ জানুয়ারি কক্সবাজারে হুজি শহীদ হত্যার আরেক আসামি কেসিসি ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর গোলাম রব্বানী টিপু ও ২০২২ সালের ৩০ জুন মুজগুন্নি এলাকায় জুলকার নাঈম মুন্নাকে একইভাবে মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
নিহত শাহীন দৌলতপুর কার্তিককুল এলাকার আবদুর রশিদের ছেলে।
খুলনা থানার ওসি সানোয়ার হোসেন মাসুম বলেন, ৫ আগস্টের পর আত্মগোপনে থাকা চরমপন্থিরা এলাকায় ফিরে আসে।
তাদের বিরুদ্ধে বিচার-সালিশিতে হস্তক্ষেপসহ প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে পরিচিতজনের মাধ্যমে বড় শাহীনকে বাগমারা এলাকায় ডেকে এনে হত্যা করা হয়। তার মাথায় দুটি গুলির চিহ্ন রয়েছে। ময়নাতদন্তের পর লাশ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।