বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলের কোচ পিটার জেমস বাটলারের তত্ত্বাবধানে আর খেলবেন না ফুটবলাররা। আর বাংলাদেশের ফুটবলও কারও কাছে জিম্মি নয় বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সিনিয়র সহসভাপতি ইমরুল হাসান। কোচের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ এনে পদত্যাগ চান সাবিনা খাতুনরা। বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে তা স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়ে সাবিনারা বলেন, অন্যথায় গণ অবসরে যাবেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল ইমরুল হাসান বলেন, ‘ফুটবল কারও কাছেই জিম্মি হয়ে থাকতে পারে না। সেটা খেলোয়াড়, কোচ, কর্মকর্তা যেই হোক না কেন।’ বৃহস্পতিবার এর সমাধানের লক্ষ্যে বাফুফের জরুরি সভায় ৭ সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি গঠন হয়েছে। সেই কমিটির প্রধান বাফুফের সিনিয়র সহসভাপতি ইমরুল হাসান। আজ বাফুফে ভবনে কমিটির প্রথম সভার কথা রয়েছে। সাত দিনের মধ্যে অভিযোগ ও দাবি-দাওয়া পর্যালোচনা করে প্রতিবেদন দাখিল করবে এই কমিটি।
গতকাল নারী ফুটবলের সংকট নিরসনে আশাবাদ পোষণ করে বিশেষ কমিটির প্রধান ইমরুল হাসান বলেন, ‘মেয়েদের অবশ্যই বাংলাদেশের ফুটবলে একটা ভালো অবদান রয়েছে। কিন্তু ভালো অবদান থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশের ফুটবল জিম্মি হয়ে থাকবে, সেটাও কিন্তু ঠিক না। আমরা আশা করছি, একটা সুন্দর সমাধানে পৌঁছাতে পারব।’ এ ছাড়া ফুটবলের মূল স্টেকহোল্ডার ফুটবলার হলেও এর সঙ্গে কোচ, কর্মকর্তাও জড়িত। অনেক ঘটনায় কোচ-কর্মকর্তাদের দায় থাকে। ইমরুল সেই বিষয়টিও পরিষ্কার করে বলেন, ‘কোচ ও ফুটবলারদের থেকে তো শুনবই। নারী উইংয়ের কর্মকর্তা, অন্য কোচিং স্টাফসহ সংশ্লিষ্ট সবার কাছ থেকেই আমরা প্রকৃত তথ্য জেনে সংকট সমাধানের চেষ্টা করব।’