সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও প্রজনন মৌসুমে কাঁকড়া আহরণে দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়েছে। ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।
বন বিভাগ জানায়, সুন্দরবনে জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি এ দুই মাস হচ্ছে কাঁকড়ার প্রজনন মৌসুম। এ সময়ে শিলা কাঁকড়াসহ ১৪ প্রজাতির কাঁকড়া ডিম ছেড়ে বংশ বৃদ্ধি করে।
বাগেরহাট পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) কাজী মোহম্মদ নূরুল করিম জানান, সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশে ১৪ প্রজাতির কাঁকড়া রয়েছে। এর মধ্যে বিশ্বখ্যাত রপ্তানি পণ্য শিলা কাঁকড়া রয়েছে। প্রতি বছর এ ম্যানগ্রোভ বনে পাস-পারমিট নিয়ে ১০ হাজার জেলে কাঁকড়া আহরণ করে থাকেন। সুন্দরবনের কাঁকড়া শুধু অর্থনৈতিক দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ নয়, এটি সুন্দরবনের খাদ্যশৃঙ্খল রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রজনন মৌসুমে কাঁকড়া রক্ষা করা না গেলে এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়বে জীববৈচিত্র্যের ওপর। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে বন আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।