বেসরকারি এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ দাবির আন্দোলনে গতকাল ১২তম দিন পার করেছেন শিক্ষক-কর্মচারীরা। একই সঙ্গে তারা গতকাল টানা তৃতীয় দিনের মতো প্রতীকী অনশন শেষ করেছেন। জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে তাদের এই টানা কর্মসূচি চলছে। আজ সোমবার তারা প্রতীকী অনশনের পাশাপাশি বিক্ষোভ মিছিল করবেন। মঙ্গলবার আন্দোলনরত শিক্ষক-কর্মচারীরা সচিবালয় অভিমুখে পদযাত্রা করবেন বলে জানা গেছে।। তাদের আন্দোলনের কারণে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা সরকারি নিয়মে বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ভাতা, শতভাগ উৎসব ভাতা ও সর্বজনীন (প্রতিষ্ঠান প্রধান থেকে কর্মচারী পর্যন্ত) বদলির দাবি করেছেন।
আন্দোলনরত শিক্ষক জোটের সদস্যসচিব প্রিন্সিপাল দেলাওয়ার হোসেন আজীজী গতকাল বলেন, শিক্ষা উপদেষ্টা আমাদের দাবির ব্যাপারে মৌখিক আশ্বাস দিয়েছেন। কিন্তু আমরা আশ্বাসের ওপর বিশ্বাস করে আবারও প্রতারিত হতে চাই না। তিনি বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা মাসিক ১০০০ টাকা বাড়িভাড়া, ৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা ও ২৫ শতাংশ উৎসব ভাতা পেয়ে থাকেন, যা অত্যন্ত অযৌক্তিক ও অমানবিক। শিক্ষকরা বলেন, ২৫ শতাংশ উৎসব ভাতা হিসেবে একজন এন্ট্রি লেভেলের শিক্ষক ৩১২৫ টাকা উৎসব ভাতা পেয়ে থাকেন, যা দিয়ে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এ বাজারে কোনোভাবেই একজন শিক্ষকের পক্ষে ঈদ উৎসব উদযাপন করা সম্ভব নয়।