বগুড়ার সারিয়াকান্দি ও ধুনট উপজেলাতে পৃথক ঘটনায় বিএনপির ১৮ জন আহত হয়েছেন। শনিবার রাত ৮টার দিকে সারিয়াকান্দি উপজেলার কড়িতলা বাজারে মেলা বসানোকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১৩ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অপরদিকে রবিবার সকাল ১১টায় ধুনট হুকুমআলী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মিছিল করাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে পাঁচজন আহত হওয়ার ঘটনা ঘটে।
কামালপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম ঠান্ডু জানান, কড়িতলা হাটের ইজারা নিয়ে এবং ঐতিহাসিক পোড়াদহ মেলা বসানোকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। শনিবার রাত ৮টার দিকে মেলা বসানোকে কেন্দ্র করে কামালপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি মোখলেছুর রহমান হিল্টুর নেতৃত্বে বিএনপি এবং আওয়ামী লীগের কয়েকজন তার লোকজনের ওপর হামলা চালায়। এতে তার গ্রুপের সাতজন আহত হন। বর্তমানে তারা বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অপরদিকে ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি মোখলেছুর রহমান হিল্টু জানান, তার লোকজন বাজারে চা পান করছিলেন। এমন সময় সভাপতি রেজাউল করিম ঠান্ডুর নেতৃত্বে বেশ কয়েকজন তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে তার গ্রুপের ছয়জন আহত হন। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং কয়েকজন অন্য হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। সারিয়াকান্দি থানার অফিসার ওসি জামিরুল ইসলাম বলেন, আগামী বুধবার গাবতলীতে ঐতিহাসিক পোড়াদহের মেলা। গত কয়েক বছর ধরে মেলার দিন বিভিন্ন এলাকায় মাছের মেলা বসে। কড়িতলা বাজারেও মাছের মেলা বসানোকে কেন্দ্র করে মারামারির ঘটনা ঘটে। এদিকে বগুড়ার ধুনটে মিছিল করাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে পাঁচজন আহত হয়েছেন। রবিবার সকাল ১১টায় ধুনট হুকুমআলী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে ধুনট উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আপেল মাহমুদ (৫০), তার ছেলে আবির মাহমুদ উৎস (২৭), উপজেলা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক নূরুন্নবী তালুকদার (৪৫), জাসাস নেতা আলমগীর হোসেন (৪০) ও নূরুন্নবী তালুকদারের স্ত্রী আয়েশা আকতার (২৮)। আহতদের মধ্যে আপেল মাহমুদ ও তার ছেলে উৎস হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে এবং অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।