মেডিকেল ভর্তিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় উত্তীর্ণ ৬২ ভাগ কাগজপত্র যাচাইবাছাইয়ে বাদ পড়েছেন। ১৯৩ জনের মধ্যে ৪৯ জন সাক্ষাৎকারে উপস্থিত হননি, বাদ পড়া বাকি ৭২ জন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান নন, নাতিনাতনি। তবে অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের আবারও সুযোগ দিতে চায় অধিদপ্তর। সাক্ষাৎকারের জন্য রবিবার ডাকা হয়েছে তাদের।
এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী অধ্যাপক সায়েদুর রহমান বলেন, ‘যেসব শিক্ষার্থী বাদ পড়েছেন তাদের বেশির ভাগই মুক্তিযোদ্ধার নাতিনাতনি। অনেকে সাক্ষাৎকারের জন্য উপস্থিত হননি।’ জানা যায়, এ বছরের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় ১৭ জানুয়ারি। দুই দিন পরই দেওয়া হয় ফলাফল। এতে সর্বোচ্চ নম্বর ছিল ৯০ এবং সর্বনিম্ন ৭৩।
সরকারি মেডিকেলে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বরাদ্দ ২৬৯ আসন। এর মধ্যে পাস করেন ১৯৩ জন। অনেকে ৪০ নম্বর পেয়েও পাস করেন। বিষয়টি নিয়ে শুরু হয় সমালোচনা। এমনকি আন্দোলনেও যান অনেক শিক্ষার্থী। এরপর মুক্তিযোদ্ধা কোটায় পাস করা ১৯৩ জনের কাগজপত্র যাচাইবাছাইয়ের সিদ্ধান্ত নেয় স্বাস্থ্য বিভাগ। সোমবার, মঙ্গলবার ও বুধবার স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরে ডাকা হয় তাদের। এ সাক্ষাৎকারে উপস্থিতই হননি ৪৯ জন। ৭২ জনের কাগজপত্র সঠিক পাওয়া গেছে। এবারের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় মুক্তিযোদ্ধার নাতিনাতনিদের কোটা বাদ দেওয়া হয়েছে। শুধু সন্তানরা সুযোগ পাচ্ছেন। ফলে বাদ যাওয়া ১২১ জনের মধ্যে বেশির ভাগই মুক্তিযোদ্ধার নাতিনাতনি। সাক্ষাৎকারে অনুপস্থিত ৪৯ জনকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে রবিবার আবারও ডাকা হয়েছে। সেদিন কেউ উপস্থিত না হলে চূড়ান্ত তালিকায় বাদ পড়বেন তারা।