হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার সীমান্তবর্তী বাল্লা স্থলবন্দরের পশ্চিম দিকে বাংলাদেশি নাগরিক জহুর আলীকে (৬০) হত্যা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বিএসএফ। হত্যার পর সেই লাশও নিয়ে গেছে তারা। ফলে তাকে গুলি করে না পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে তা
জানা যায়নি। চুনারুঘাট থানার (ওসি) মো. নুর আলম গতকাল হত্যাকান্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আমরা বিজিবিকে সঙ্গে নিয়ে লাশ উদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। জহুর আলী চুনারুঘাট উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের পশ্চিম ডুলনা গ্রামের মনসুব উল্লাহর ছেলে। উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আবদুল মালেক চৌধুরী বলেন, জহুর আলী ঢাকায় একটি কোম্পানিতে সিকিউরিটি গার্ডের চাকরি করতেন। গত তিন দিন আগে তিনি বাড়িতে আসেন। স্বজনদের বরাতে তিনি জানান, আসার সময় তিনি বেশ কিছু লুঙ্গি সঙ্গে নিয়ে এসেছিলেন। তারপর সোমবার বিকালে বাড়ির পার্শ্ববর্তী নালুয়া বাগান এলাকায় যান। তখন পরিবারের সদস্যদের বলে যান, লুঙ্গিগুলো বিক্রি করে ঘরে ফিরবেন। কিন্তু আর ফেরেননি।
স্থানীয়রা জানান, সীমান্ত এলাকা থেকে তাকে হয়তো ধরে নিয়ে যায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী-বিএসএফের সদস্যরা। এর পর তাকে গুলি করে অথবা পিটিয়ে হত্যা করে তার লাশও তারা নিয়ে যায়। স্থানীয়রা বলেন- জহুর আলী একজন ভালো ও বয়স্ক মানুষ। তাকে কেন এমনভাবে হত্যা করা হলো তা বোধগম্য নয়। আমরা এ হত্যাকান্ডের সুষ্ঠু বিচার চাই। চুনারুঘাট থানার (ওসি) মো. নুর আলম বলেন, বিষয়টি জানার পর আমরা বিজিবিকে সঙ্গে নিয়ে লাশ উদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। ঘটনাস্থলে আমাদের পুলিশ সদস্যরা রয়েছেন।