শিরোনাম
প্রকাশ: ০৭:৪৭, বৃহস্পতিবার, ০৬ মার্চ, ২০২৫

মহানবী (সা.)-এর সাহরি ও ইফতার

আসআদ শাহীন
অনলাইন ভার্সন
মহানবী (সা.)-এর সাহরি ও ইফতার

সাহরি খাওয়া সুন্নত এবং এতে অফুরন্ত বরকত আছে। সাহরি খাওয়ার ফলে মানুষ শারীরিক শক্তি ও কর্মশক্তি লাভ করে, যা সারা দিনের রোজা পালনে সহায়ক হয়। সাহরির সর্বোত্তম সময় হলো ফজরের আজানের প্রায় ১৫ থেকে ২০ মিনিট আগে। এই সময়ে সাহরি খাওয়ার অন্যতম বড় উপকারিতা হলো, এতে ফজরের নামাজ জামায়াতে আদায় করার সুযোগ সহজ হয়।

তবে মনে রাখতে হবে, সাহরি মানেই যে বাহারি খাবার কিংবা নানা আয়োজন থাকতে হবে, এমন নয়। বরং কারো যদি খাওয়ার ইচ্ছা না থাকে, তবু অন্তত একটি খেজুর বা কয়েক ঢোক পানি সাহরির নিয়তে গ্রহণ করলেও সাহরির বরকত লাভ করা সম্ভব।
কেননা রমজান মাসে রোজার সূচনা করতেন আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সা.) সাহরির মাধ্যমে। তিনি নিজে সাহরি করতেন এবং সাহাবাদেরও এর প্রতি বিশেষভাবে উৎসাহিত করতেন।


তিনি বলেন, সাহরি করো, কেননা সাহরির মধ্যে আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ বরকত নিহিত রয়েছে। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১৯২৩, সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১০৯৫)
অন্য বর্ণনায় এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, সাহরির খাবার তোমাদের দিনভর রোজা রাখার শক্তি ও সামর্থ্য এনে দেবে। (মুসতাদরিকে হাকিম, খণ্ড-১, পৃষ্ঠা-৪৩৫)

সাহরির প্রতি উৎসাহ জাগিয়ে তিনি কখনো এ কথাও বলতেন, আল্লাহ তাআলা এবং তাঁর ফেরেশতাগণ সাহরি খাওয়াদের জন্য রহমতের দোয়া করেন।

(সহিহ ইবনে হিব্বান, হাদিস : ৩৪৬৭)

প্রিয় নবী (সা.) সাহরির খাবারকে বরকতময় আহার বলে অভিহিত করেছেন।


(সুনানে আবি দাউদ, হাদিস : ২৩৪৪)
তিনি বিশেষ করে খেজুরকে সাহরির জন্য উত্তম খাদ্য হিসেবে পছন্দ করতেন।

(সুনানে আবি দাউদ, হাদিস : ২৩৪৫)

রাসুল (সা.)-এর ব্যক্তিগত সাহরি ছিল একেবারে সহজ-সরল ও পরিমিত—অল্প কয়েকটি খেজুর ও এক গ্লাস পানি দিয়েই সাহরির সে আয়োজন সম্পন্ন হতো। তবে তিনি কখনো একা একা সাহরি করতেন না; বরং সাহাবাদেরও আহ্বান জানাতেন, যেন সবাই একসঙ্গে এই বরকতময় খাবারে অংশ নেয়। (মুসনাদে আহমদ, হাদিস : ১৩০৬; সুনানে আবি দাউদ, হাদিস : ২৩৪৪)

আর সময়ের হিসাবেও ছিল অপূর্ব দূরদর্শিতা। তিনি সাহরি করতেন রাতের একেবারে শেষ প্রহরে, যখন সুবহে সাদিকের আলো উদ্ভাসিত হওয়ার ঠিক দ্বারপ্রান্তে।


এভাবে সাহরির মাধ্যমে নবী (সা.) আমাদের শিখিয়ে গেছেন রোজার প্রস্তুতি কিভাবে করতে হয়, আর কিভাবে এই ছোট্ট আহারও আল্লাহর অফুরন্ত রহমত ও বরকতের মাধ্যম হতে পারে। হজরত জায়েদ বিন সাবিত (রা.) বর্ণনা করেন, আমরা আল্লাহর রাসুল (সা.)-এর সঙ্গে সাহরি খেলাম। তারপর আমরা মসজিদে গেলাম, আর সেখানে গিয়ে দেখি—সঙ্গে সঙ্গেই নামাজের জামাত দাঁড়িয়ে গেল। (বর্ণনাকারী বলেন) আমি তখন জিজ্ঞাসা করলাম, সাহরি আর নামাজের মধ্যে কতটুকু বিরতি ছিল? তিনি (জায়েদ) জবাব দিলেন, এতটুকু সময়, যতটুকুতে একজন মানুষ ৫০টি আয়াত তিলাওয়াত করতে পারে।
(মুসনাদে আহমদ, হাদিস : ২১৯১৮)

এই বর্ণনার মধ্যে ফুটে ওঠে নবীজির (সা.) সুন্নতি জীবনযাপন এবং সাহরির সময় নির্ধারণে তাঁর অনুপম প্রজ্ঞা। সাহরি শেষ করার পর নামাজের প্রস্তুতি নিতে খুব বেশি সময় নিতেন না, বরং সুবহে সাদিকের ঠিক আগে সাহরি শেষ করে মসজিদে গিয়ে জামাতে অংশ নিতেন।

সুবহে সাদিকের সেই আবহে, আকাশের কোলে ভোরের প্রথম আলো ঠিকরে পড়ার আগে, রাসুল (সা.)-এর সঙ্গী হয়ে সাহাবিরা শিখে নিতেন—সময়ের প্রতি যত্নশীলতা, ইবাদতের প্রতি আন্তরিকতা, আর জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে আল্লাহর স্মরণে রাঙিয়ে তোলার শিক্ষা।

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ইফতার

রাসুলুল্লাহ (সা.) ইফতারের ব্যাপারে বিশেষ যত্নবান ছিলেন এবং সাহাবাদের এর প্রতি উৎসাহ দিতেন। তিনি বলেন, সূর্যাস্তের পর দেরি না করে অবিলম্বে ইফতার করো। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১৯৫৭, সহিহ মুসলিম,

হাদিস : ১০৯৮)

তিনি (সা.) আরো বলতেন : যত দিন মানুষ দ্রুত ইফতার করতে থাকবে, তত দিন তারা কল্যাণের পথে থাকবে। আর ইফতারের সময় অযথা বিলম্ব করাকে তিনি ইহুদি-নাসারাদের অভ্যাস হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন।

(সুনানে আবি দাউদ, হাদিস : ২৩৫৩)

রাসুলুল্লাহ (সা.) ইফতারে খেজুরকে অগ্রাধিকার দিতেন এবং বলতেন, এতে বরকত রয়েছে। আর যদি খেজুর না মেলে, তবে পানি দিয়ে ইফতার করাকে তিনি উত্তম মনে করতেন, কারণ পানি হলো পবিত্রতার প্রতীক।

(সুনানে আবি দাউদ, হাদিস : ২৩৫৫, জামে তিরমিজি হাদিস : ৬৭৮)

ইফতারের সময় রাসুল (সা.) এই দোয়া পাঠ করতেন, ‘আল্লাহুম্মা লাকা ছুমতু ওয়া আলা রিজকিকা আফতারতু।’ অর্থ : হে আল্লাহ! আমি তোমার জন্য রোজা রেখেছি এবং তোমারই রিজিকের মাধ্যমে ইফতার করছি।

(সুনানে আবি দাউদ, হাদিস : ২৩৫৮)

রাসুল (সা.) কখনো কখনো সাহাবিদের বাসায় গিয়ে ইফতার করতেন এবং তখন এই দোয়া পড়তেন, ‘আফতারা ইনদাকুমুস সায়িমুন ওয়া আকালা তাআমাকুমুল আবরার ওয়া নাজালাত আলাইকুমুল মালাইকাহ।’ অর্থ : তোমাদের ঘরে রোজাদাররা ইফতার করুক, তোমাদের খাবার যেন নেককার লোকেরা ভক্ষণ করে, আর তোমাদের ওপর ফেরেশতারা রহমত নিয়ে অবতরণ করুক। (সুনানে দারেমি, হাদিস : ১৭৭২)

রাসুল (সা.) অন্যদের ইফতার করানোর ব্যাপারেও বিশেষভাবে উৎসাহ দিতেন। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি কোনো রোজাদারকে ইফতার করায়, কিংবা কোনো মুজাহিদকে (আল্লাহর পথে যুদ্ধকারী) সাহায্য করে, তার জন্যও রোজা ও জিহাদের সমান সওয়াব লেখা হবে। (জামে আত-তিরমিজি, হাদিস: ৮০৭; সুনানে নাসাঈ, হাদিস : ৩৩৩১)

এ কথা শুনে এক সাহাবি বলেন, হে আল্লাহর রাসুল! আমাদের তো এত কিছু নেই, যাতে অন্যদের ইফতার করাতে পারি। তখন তিনি বলেন, এই সওয়াব তো সেই ব্যক্তিও পাবে, যে একজন রোজাদারকে এক ঢোক দুধ, একটি খেজুর বা এক ঢোক পানি দিয়েও ইফতার করায়। (শুআবুল ঈমান লিল বায়হাকি, হাদিস : ৩৬০৮)

ওলামায়ে কিরামের দৃষ্টিতে সাহরি ও ইফতার

ইমাম নববী (রহ.) বলেন, সব আলেম একমত যে সাহরি করা সুন্নত। সাহরির মধ্যে যে বরকত রয়েছে, তা স্পষ্ট; কেননা সাহরি খেলে রোজা রাখা সহজ হয়, সারা দিন শরীর কর্মক্ষম থাকে। তদুপরি, সাহরির কল্যাণে রোজার কষ্ট অনুভূত হয় কম, যার ফলে আরো রোজা রাখার আগ্রহ জাগে। আর এটিই সাহরির বরকতের প্রকৃত অর্থ ও রহস্য। (শারহুল মুসলিম, খণ্ড-৭, পৃষ্ঠা-২০৬)

আল মাউসুয়াতুল ফিকহিয়া গ্রন্থে বলা হয়েছে, রোজাদারের জন্য সাহরি করা সুন্নত। ইবনু মুনযির (রহ.) এ বিষয়ে ইজমা বা সর্বসম্মত মত উল্লেখ করেছেন।

(আল মাউসুয়াতুল ফিকহিয়া, খণ্ড-২৪, পৃষ্ঠা-২৭০)

ইবনে হাজার আসকালানি (রহ.) বলেন, সাহরির মধ্যে বহু দিক থেকে বরকত নিহিত রয়েছে। প্রথমত, এতে রয়েছে সুন্নতের অনুসরণ; দ্বিতীয়ত, এতে রয়েছে আহলে কিতাবের বিরোধিতা; তৃতীয়ত, ইবাদতের জন্য শক্তি ও প্রেরণা লাভ; চতুর্থত, সারা দিন রোজার মাধ্যমে উদ্যম ধরে রাখার সুযোগ; পঞ্চমত, ক্ষুধার কারণে যে খিটখিটে মেজাজ তৈরি হয় তা থেকে রক্ষা পাওয়া। এর পাশাপাশি, সাহরির সময়ে কেউ যদি খাবার চায় তবে তাকে খাবার দেওয়ার বা নিজের সঙ্গে বসিয়ে খাওয়ানোর সৌভাগ্য অর্জনের সুযোগ থাকে। এ ছাড়া রয়েছে এই সময়ে আল্লাহর জিকির ও দোয়ার সুযোগ, আর এই সময়টি এমনিতেই দোয়া কবুলের বিশেষ মুহূর্ত। তদুপরি, রাতে কেউ যদি রোজার নিয়ত না করে থাকে, তবে সাহরির সময়ে সে সহজেই নিয়ত করার সুযোগ পায়।

(ফাতহুল বারি, খণ্ড-৪, পৃষ্ঠা-১৪০)

তবে সাহরি করা ফরজ বা ওয়াজিব নয়; তাই কেউ যদি সাহরি না খেয়ে রোজা রাখে, তবু তার রোজা শুদ্ধ হয়ে যাবে। কেননা এটি মুস্তাহাব আমল। তবে কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়া সাহরি ছেড়ে দেওয়া ঠিক নয়; বরং এই বরকতময় সুন্নতকে গুরুত্বের সঙ্গে পালন করাই উত্তম। (তুহফাতুল ফুকাহা, খণ্ড-১, পৃষ্ঠা-৩৬৫)

 বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফতোয়া প্রদানে সতর্কতা ও আবশ্যিক শর্ত
ফতোয়া প্রদানে সতর্কতা ও আবশ্যিক শর্ত
সন্তানের দ্বিনি শিক্ষা নিশ্চিত করা আবশ্যক
সন্তানের দ্বিনি শিক্ষা নিশ্চিত করা আবশ্যক
যেসব আচরণ শিখিয়ে গেল মাহে রমজান
যেসব আচরণ শিখিয়ে গেল মাহে রমজান
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
একাধিক মসজিদের আজান শোনা গেলে যা করব
একাধিক মসজিদের আজান শোনা গেলে যা করব
মুমিন যেভাবে আল্লাহর প্রিয় হয়
মুমিন যেভাবে আল্লাহর প্রিয় হয়
ইসলামপূর্ব আরবের ধর্মবিশ্বাস
ইসলামপূর্ব আরবের ধর্মবিশ্বাস
রমজান-পরবর্তী সময়ে মুমিনের করণীয়
রমজান-পরবর্তী সময়ে মুমিনের করণীয়
আমানতের খেয়ানত মারাত্মক অপরাধ
আমানতের খেয়ানত মারাত্মক অপরাধ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
রমজানের অর্জন ধরে রাখা আবশ্যক
রমজানের অর্জন ধরে রাখা আবশ্যক
সর্বশেষ খবর
গাজীপুরে ট্রাকের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
গাজীপুরে ট্রাকের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

শাহবাগে ফুলের দোকানের আগুন নিয়ন্ত্রণে
শাহবাগে ফুলের দোকানের আগুন নিয়ন্ত্রণে

২৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

শাহবাগে ফুলের দোকানে আগুন
শাহবাগে ফুলের দোকানে আগুন

৩৭ মিনিট আগে | নগর জীবন

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ইয়াসিনের পরিবারের পাশে তারেক রহমান
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ইয়াসিনের পরিবারের পাশে তারেক রহমান

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কু-প্রস্তাবে অসম্মতি জানানোয় বিধবাকে পিটিয়ে আহত, বসতবাড়ি ভাঙচুর
কু-প্রস্তাবে অসম্মতি জানানোয় বিধবাকে পিটিয়ে আহত, বসতবাড়ি ভাঙচুর

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপি ক্ষমতার পাগল নয়, ক্ষমতা বিএনপির প্রাপ্য : ফজলুর রহমান
বিএনপি ক্ষমতার পাগল নয়, ক্ষমতা বিএনপির প্রাপ্য : ফজলুর রহমান

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শুধু মানুষের নয়, বানরও অর্থবহ ভাষা তৈরি করতে সক্ষম : গবেষণা
শুধু মানুষের নয়, বানরও অর্থবহ ভাষা তৈরি করতে সক্ষম : গবেষণা

২ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা
শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা

২ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক
যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ
ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‌‘দেশে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করেছি’
‌‘দেশে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করেছি’

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের
শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র-কানাডার শিক্ষার্থীদের জন্য চ্যাটজিপিটি প্লাস ফ্রি, চলবে মে মাস পর্যন্ত
যুক্তরাষ্ট্র-কানাডার শিক্ষার্থীদের জন্য চ্যাটজিপিটি প্লাস ফ্রি, চলবে মে মাস পর্যন্ত

৩ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বদরগঞ্জে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪০
বদরগঞ্জে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪০

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মাঠজুড়ে সূর্যমুখী ফুলের সমারোহ
মাঠজুড়ে সূর্যমুখী ফুলের সমারোহ

৩ ঘণ্টা আগে | প্রকৃতি ও পরিবেশ

ভুরুঙ্গামারীতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার
ভুরুঙ্গামারীতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাকৃবিতে উন্নত জাতের টমেটোর জাত উদ্ভাবন
বাকৃবিতে উন্নত জাতের টমেটোর জাত উদ্ভাবন

৩ ঘণ্টা আগে | প্রকৃতি ও পরিবেশ

১২ এপ্রিল নিউইয়র্কে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’
১২ এপ্রিল নিউইয়র্কে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’

৩ ঘণ্টা আগে | পরবাস

টাঙ্গাইলে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন
টাঙ্গাইলে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাওনা টাকা চাওয়ায় হামলা, ঘটনার ৪ দিন পর যুবকের মৃত্যু
পাওনা টাকা চাওয়ায় হামলা, ঘটনার ৪ দিন পর যুবকের মৃত্যু

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিলেটে ৯ দিনে ২৮৭ নরমাল ডেলিভারি
সিলেটে ৯ দিনে ২৮৭ নরমাল ডেলিভারি

৪ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

মহাকাশ থেকে পৃথিবীতে পড়েছে ১২০০ বস্তুর ধ্বংসাবশেষ
মহাকাশ থেকে পৃথিবীতে পড়েছে ১২০০ বস্তুর ধ্বংসাবশেষ

৪ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি
ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শরীরে একাধিক কোপ, ডোবা থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার
শরীরে একাধিক কোপ, ডোবা থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অক্টোবরেই অচল ২৪ কোটি কম্পিউটার, বিকল্প কী?
অক্টোবরেই অচল ২৪ কোটি কম্পিউটার, বিকল্প কী?

৪ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

যৌন হেনস্তার অভিযোগে ‘স্কুইড গেম’ তারকার সাজা
যৌন হেনস্তার অভিযোগে ‘স্কুইড গেম’ তারকার সাজা

৪ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

চাঁদপুরে ৬৪ যানবাহনে তল্লাশি ও জরিমানা
চাঁদপুরে ৬৪ যানবাহনে তল্লাশি ও জরিমানা

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত
বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে
কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি
হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি

৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

১৪ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

২২ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা
পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি
ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার
প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার

১০ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা
আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা
কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

গাজায় প্রতিদিন ১০০ শিশু হতাহতের শিকার
গাজায় প্রতিদিন ১০০ শিশু হতাহতের শিকার

পূর্ব-পশ্চিম

একই দিনে দুই বিয়ে
একই দিনে দুই বিয়ে

শোবিজ

ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে

সম্পাদকীয়

বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক
বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক

শোবিজ

বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তার সিংহভাগ যুক্তরাষ্ট্র আর বহন করবে না
বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তার সিংহভাগ যুক্তরাষ্ট্র আর বহন করবে না

পূর্ব-পশ্চিম

লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি
লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি

দেশগ্রাম

রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে

সম্পাদকীয়

মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা এখন ৩৩৫৪
মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা এখন ৩৩৫৪

পূর্ব-পশ্চিম

তেহরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প
তেহরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প

পূর্ব-পশ্চিম

ট্রেন্ডিংয়ে শীর্ষে তোমাদের গল্প
ট্রেন্ডিংয়ে শীর্ষে তোমাদের গল্প

শোবিজ

অভিযোগের জবাবে পরী
অভিযোগের জবাবে পরী

শোবিজ

আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে

পূর্ব-পশ্চিম

অস্টিওপোরোসিস কী ধরনের রোগ
অস্টিওপোরোসিস কী ধরনের রোগ

স্বাস্থ্য

জংলি নিয়ে দর্শকদের সাড়া দেখে আমি আনন্দিত
জংলি নিয়ে দর্শকদের সাড়া দেখে আমি আনন্দিত

শোবিজ

ডলি সায়ন্তনীর এই জমানার মেয়ে
ডলি সায়ন্তনীর এই জমানার মেয়ে

শোবিজ

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

পূর্ব-পশ্চিম

অতিরিক্ত গরম ও হিটস্ট্রোক
অতিরিক্ত গরম ও হিটস্ট্রোক

স্বাস্থ্য

পূজার আক্ষেপ
পূজার আক্ষেপ

শোবিজ

দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়
দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়

সম্পাদকীয়

ব্রোকেন হার্ট সিনড্রোম ভগ্ন হৃদয়ের কথা
ব্রোকেন হার্ট সিনড্রোম ভগ্ন হৃদয়ের কথা

স্বাস্থ্য

আহা! ডিজিটাল বাংলাদেশ
আহা! ডিজিটাল বাংলাদেশ

সম্পাদকীয়

হিককাপ অব মাইন্ড কী
হিককাপ অব মাইন্ড কী

স্বাস্থ্য

তরমুজ-শসা খান
তরমুজ-শসা খান

সম্পাদকীয়

ইউনূস-মোদি বৈঠক
ইউনূস-মোদি বৈঠক

সম্পাদকীয়

বেহাল রাস্তায় দুর্ভোগ পথচারীদের
বেহাল রাস্তায় দুর্ভোগ পথচারীদের

দেশগ্রাম

আলোচনায় আল্লু অর্জুন
আলোচনায় আল্লু অর্জুন

শোবিজ

বিশ্বখ্যাত যত মসজিদের শহর
বিশ্বখ্যাত যত মসজিদের শহর

রকমারি

তামাক চাষে ঝোক, বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি
তামাক চাষে ঝোক, বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি

দেশগ্রাম

ঈদ-পরবর্তী স্বাস্থ্য পরিচর্যা
ঈদ-পরবর্তী স্বাস্থ্য পরিচর্যা

স্বাস্থ্য