আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি বিদ্বেষপূর্ণ মন্তব্য করার অভিযোগে ওয়াশিংটনের নিযুক্ত দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রদূত ইব্রাহিত রাসুলকে বহিষ্কার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এ পদক্ষেপের ঘোষণা দেওয়া মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, ‘আমাদের মহান দেশে তিনি (রাসুল) আর বাঞ্ছিত নন।’ ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছিল, তার মধ্যে রাষ্ট্রদূত বহিষ্কারের এই বিরল পদক্ষেপ এলো। -রয়টার্স
এক্সে দেওয়া পোস্টে রুবিও ডানপন্থিদের গণমাধ্যম ব্রেইটবার্টের একটি লিংকও যুক্ত করে দেন, যেখানে এক অনলাইন বক্তৃতায় ট্রাম্প প্রশাসনে নিয়ে রাসুলের সাম্প্রতিক কিছু মন্তব্য সংকলিত হয়েছে। ওই বক্তৃতায় রাসুল বলেছিলেন, ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প যা শুরু করছেন তা হলো ক্ষমতায় থাকা ব্যক্তিদের ওপর আক্রমণ, দেশে এবং বিদেশে ক্ষমতায় থাকা ব্যক্তিদের ওপর শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদকে চাপিয়ে দেওয়া।’ যুক্তরাষ্ট্রে যে বড় ধরনের জনমিতিক পরিবর্তন ঘটেছে, ট্রাম্পের ‘মেইক আমেরিকা গ্রেট অ্যাগেইন’ তার প্রতিক্রিয়া, বলেছেন তিনি। তথ্যউপাত্তেই জনমিতিক এ পরিবর্তন ধরা পড়ছে, এর ফলে ইলেকটোরেট ভোটিংয়ে শ্বেতাঙ্গদের সংখ্যা ৪৮ শতাংশে যাবে বলে অনুমান করা হচ্ছে, ভাষ্য রাসুলের। এর প্রতিক্রিয়ায় রুবিও তাকে ‘পারসোনা নন গ্রাটা’ বা ‘অবাঞ্ছিত ব্যক্তি’ ঘোষণা করেন। ট্রাম্প দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ আফ্রিকা সম্পর্ক অবনতির দিকে যাচ্ছে। গত মাসে ট্রাম্প শ্বেতাঙ্গ আফ্রিকানার্সদের ওপর ‘অন্যায্য বর্ণবাদী বৈষম্যের’ অভিযোগ তুলে দক্ষিণ আফ্রিকায় সহায়তা বন্ধ করে দেন। এই আফ্রিকানার্সরা মূলত ডাচ বসতি স্থাপনকারীদের বংশধর।