মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের সমর্থক হিসেবে বিবেচিত বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভিসা বাতিলের পরিকল্পনা করছে। বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র দপ্তরের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে অ্যাক্সিওস।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এআই-চালিত ‘ক্যাচ অ্যান্ড রিভোক’ প্রচেষ্টায় হাজার হাজার স্টুডেন্ট ভিসাধারীর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট এই এআই-সহায়তা পর্যালোচনা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এ পদক্ষেপ নিয়েছেন। রুবিও পরে এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ ‘সন্ত্রাসী’ সংগঠনগুলোর সমর্থনকারীদের নিন্দা জানানো হয়েছে। রুবিও লিখেছেন, ‘যারা হামাসসহ অন্য সংগঠনগুলোকে সমর্থন করে তারা আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ। সন্ত্রাসীদের সমর্থনকারী বিদেশি দর্শনার্থীদের প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শূন্য সহনশীলতা পোষণ করে। আন্তর্জাতিক ছাত্রসহ মার্কিন আইন লঙ্ঘনকারীদের ভিসা প্রত্যাখ্যান বা প্রত্যাহার এবং নির্বাসনের মুখোমুখি হতে হবে।’
এদিকে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে ইসরায়েলি বিমান হামলায় এক ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এ হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও একজন। তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি তাদের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে। খবরে বলা হয়, বৃহস্পতিবার গাজা সিটিতে এ হামলার ঘটনাটি ঘটে। যুদ্ধবিরতি চুক্তি সত্ত্বেও ইসরায়েল প্রতিদিনই গাজায় হামলা চালাচ্ছে এবং এতে বাড়ছে হতাহতের সংখ্যা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, শুজাইয়াপাড়ার পূর্ব অংশে তাদের বাড়িতে যাওয়ার সময় একটি ইসরায়েলি ড্রোন বেসামরিক নাগরিকদের একটি দলকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে এবং এতেই ঘটে হতাহতের ঘটনা। গাজায় গত ১৯ জানুয়ারি থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও গাজার স্থানীয় কর্তৃপক্ষ প্রতিদিনই ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দ্বারা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের খবর দিয়েছে। -আনাদোলু