প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করা তাদের চূড়ান্ত নীতি। পেজেশকিয়ান সরকারের ঘোষিত নীতিতেও এ বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। এ ক্ষেত্রে অনেক কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং কিছু অগ্রগতিও অর্জিত হয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাকচি এ ক্ষেত্রে খুবই তৎপর। এ কথাগুলো বলেছেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি।
কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ বিন খলিফা আলে সানি ও তার সফরসঙ্গীরা তেহরানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ কথা বলেন। খামেনি আশা প্রকাশ করে বলেন, তেহরানে সম্পাদিত চুক্তিগুলো উভয় দেশের জন্য কল্যাণকর হবে এবং উভয় পক্ষই তাদের প্রতিবেশীসুলভ দায়িত্ব-কর্তব্য আগের চেয়ে আরও বেশি পালন করতে সক্ষম হবে। আয়াতুল্লাহ খামেনি আঞ্চলিক বিষয়াদি সম্পর্কে কাতারের আমিরের বক্তব্যের প্রতি ইঙ্গিত করে আরও বলেন, আমরা কাতারকে ভ্রাতৃপ্রতিম ও বন্ধু রাষ্ট্র হিসেবে বিবেচনা করি, যদিও আমাদের মধ্যে এখনো কিছু অমীমাংসিত বিষয় রয়েছে, যেমন দক্ষিণ কোরিয়া থেকে কাতারে স্থানান্তরিত ইরানি পাওনা (অর্থ) ফিরে আসেনি। আমরা জানি এ ক্ষেত্রে যেসব সমঝোতা হয়েছিল তা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রধান বাধা হলো যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা বলেন, আমরা কাতারের জায়গায় থাকলে মার্কিন চাপ উপেক্ষা করে ইরানের পাওনা পরিশোধ করতাম। আমরা এখনো কাতারের কাছ থেকে এমন পদক্ষেপ আশা করি। বৈঠকে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ বিন খলিফা আলে সানি খামেনির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পেরে আনন্দ প্রকাশ করেন।-ইরনা নিউজ