শিরোনাম
প্রকাশ: ১৬:৫৫, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ১৭:৩৭, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

এফ-১৬ রক্ষণাবেক্ষণে পাকিস্তানকে ৪০০ মিলিয়ন ডলার যুক্তরাষ্ট্রের, দুশ্চিন্তায় দিল্লি

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
এফ-১৬ রক্ষণাবেক্ষণে পাকিস্তানকে ৪০০ মিলিয়ন ডলার যুক্তরাষ্ট্রের, দুশ্চিন্তায় দিল্লি

পাকিস্তানকে এফ-১৬ যুদ্ধবিমান রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ডলার অনুদান দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। আর সেই খবর প্রকাশ্যে আসতেই বিষয়টিতে প্রমাদ গুনেছে নয়াদিল্লি। 

অন্যদিকে একে নরেন্দ্র মোদি সরকারের কূটনৈতিক পরাজয় বলে উল্লেখ করে সুর চড়িয়েছে দেশটির অন্যতম বিরোধী দল কংগ্রেস।

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এফ-১৬ যুদ্ধবিমানের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য এবার ওয়াশিংটনের থেকে ৩৯৭ মিলিয়ন ডলার পাচ্ছে ইসলামাবাদ। তবে এই অর্থ দেওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ শর্ত চাপিয়েছে আমেরিকা। সেখানে বলা হয়েছে, এই লড়াকু জেট কেবলমাত্র সন্ত্রাসবাদ দমনে ব্যবহার করতে পারবেন রাওয়ালপিন্ডির সেনাকর্তারা।

ওয়াশিংটনের শর্তে আরও একটি বিষয় স্পষ্ট করা হয়েছে। কোনও অবস্থাতেই এফ-১৬ ভারতের বিরুদ্ধে ব্যবহার বা মোতায়েন করা যাবে না বলে পাকিস্তানি সেনাকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন। মার্কিন তদারকি কর্মসূচির অধীনে ইসলামাবাদকে এফ-১৬ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য অর্থ দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। আমেরিকার এই কঠোর বিধিনিষেধ রাওয়ালপিন্ডির সেনাকর্তারা কতটা মেনে চলবেন, তা নিয়ে অবশ্য যথেষ্ট সন্দিহান প্রতিরক্ষা মহল।

গত শতাব্দীর ৬০-এর দশক থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উন্নয়নমূলক কর্মসূচির জন্য আর্থিক সাহায্য দিয়ে আসছে আমেরিকা। এর জন্য ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা’র (ইউনাইটেড স্টেটস এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট বা ইউএসএআইডি) মাধ্যমে প্রতি বছর কোটি কোটি ডলার প্রদান করত ওয়াশিংটন। গত ২০ জানুয়ারি প্রেসিডেন্টের শপথ নিয়েই সাময়িকভাবে তা স্থগিত করার নির্দেশ দেন ট্রাম্প।

ইউএসএআইডি অবশ্য দু’টি দেশের ক্ষেত্রে বন্ধ করেননি যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্ট। তারা হল, ইসরায়েল এবং মিসর। এছাড়া বিদেশের নিরাপত্তা সংক্রান্ত কিছু ক্ষেত্রে ৫৩০ কোটি ডলার অনুদান বিলির অনুমতি দিয়েছেন ট্রাম্প। পাকিস্তান নিয়ে তিনি বা তার কিচেন ক্যাবিনেটের সদস্যদের ইতিবাচক কোনও কথা বলতে শোনা যায়নি। এই অবস্থায় হঠাৎ করে এফ-১৬ যুদ্ধবিমানের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ইসলামাবাদের হাতে ওয়াশিংটনের বিপুল ডলার গুঁজে দেওয়াকে সন্দেহের চোখে দেখছেন অনেকেই।

২০১৭ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের প্রথম শাসনকালে ওয়াশিংটনের সঙ্গে ইসলামাবাদের সম্পর্কের ব্যাপক অবনতি ঘটেছিল। ওই সময়ে সন্ত্রাসবাদ দমনে যথোপযুক্ত পদক্ষেপ না করায় পাকিস্তান সরকারের উপর বেজায় চটেছিলেন এই বর্ষীয়ান রিপাবলিকান নেতা। ২০১৮ সালে কলমের এক খোঁচায় রাওয়ালপিন্ডির সেনাকর্তাদের নিরাপত্তা সহায়তা দেওয়া বন্ধ করে দেন তিনি।

ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত বাতিল করেন পরবর্তী প্রেসিডেন্ট তথা ডেমোক্রেটিক নেতা জো বাইডেন। ২০২২ সালে সেপ্টেম্বরে এফ-১৬ লড়াকু জেটের বহর বজায় রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের থেকে ৪৫ কোটি ডলার পায় ইসলামাবাদ। এর জন্য নয়াদিল্লির কড়া সমালোচনার মুখে পড়েছিল বাইডেন প্রশাসন।

অবস্থা বেগতিক দেখে এ ব্যাপারে বিবৃতি দেয় ওয়াশিংটন। সেখানে বলা হয়েছিল, ইসলামাবাদের এফ-১৬ বহরকে অত্যাধুনিক করা হচ্ছে না। তবে চুক্তি অনুযায়ী এর রক্ষণাবেক্ষণের জন্য অর্থ দিতে বাধ্য যুক্তরাষ্ট্রের সরকার। কিন্তু কয়েক দিনের মধ্যে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, লড়াকু জেটটির জন্য নতুন ধরনের একটি ক্ষেপণাস্ত্র পাকিস্তান বিমানবাহিনীকে সরবরাহ করবে আমেরিকার প্রতিরক্ষা সরদ দফতর পেন্টাগন।

এক ইঞ্জিন বিশিষ্ট যুক্তরাষ্ট্রের সুপারসনিক যুদ্ধবিমান এফ-১৬-এর দু’টি কোড নাম রয়েছে। একটি হল, ‘ফাইটিং ফ্যালকন’ এবং অপরটি ‘ভাইপার’। ১৯৭৪ সালে এর নির্মাণকাজ শুরু করে জেনারেল ডায়নামিক্স। পরবর্তীকালে লড়াকু জেটটির উৎপাদনের দায়িত্ব পায় লকহিড মার্টিন নামের মার্কিন প্রতিরক্ষা সংস্থা। এখন পর্যন্ত সাড়ে চার হাজারের বেশি এই যুদ্ধবিমান তৈরি করেছে আমেরিকা।

বর্তমানে পাকিস্তান বিমানবাহিনীর কাছে রয়েছে ৮৫টি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান। এর মধ্যে ৭৫টি ব্যবহার করছে তারা। যুক্তরাষ্ট্রের লড়াকু জেটকে ইসলামাবাদের বিমানবাহিনীর শিরদাঁড়া বলা যেতে পারে। কিন্তু, বারবার এর সাহায্যে ভারত বা আফগানিস্তানের নিরীহ নাগরিকদের নিশানা করা হয়েছে বলে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে।

২০১৯ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামায় সিআরপিএফের কনভয়ে আত্মঘাতী হামলা চালায় পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ। এর ১২ দিনের মাথায় নিয়ন্ত্রণরেখা এব‌ং পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর পেরিয়ে খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের বালাকোটে বিমান হামলা চালায় ভারতীয় বিমান বাহিনী। জইশের জঙ্গি ঘাঁটিগুলোকেই নিশানা করেন তারা।

ওই ঘটনার পরের দিনই এফ-১৬ বিমান নিয়ে ভারতের আকাশসীমায় ঢোকে পাকিস্তানি বিমান বাহিনী। বিষয়টি নজরে আসতেই রুশ লড়াকু জেট মিগ-২১ বাইসন নিয়ে তাদের তাড়া করেন ভারতীয় বিমান বাহিনীর উইং কম্যান্ডার অভিনন্দন বর্তমান। এ সময় পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে তাকে বন্দি করে ইসলামাবাদের সেনারা।

ভারতের উইং কম্যান্ডারকে অবশ্য বেশি দিন আটকে রাখেনি পাকিস্তান সরকার। তাকে দ্রুতই ছেড়ে দেয় তারা।

অন্যদিকে ২০২১ সালে আফগানিস্তান থেকে আমেরিকা সেনা প্রত্যাহার করলে সেখানে দ্বিতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় ফেরে তালেবান। এরপরই আফগানিস্তানের সঙ্গে পাকিস্তানের সীমান্ত সংঘাত তীব্র হয়েছে। কারণ দুই দেশের মধ্যে থাকা ডুরান্ড লাইনকে আন্তর্জাতিক সীমান্ত বলে মানতে নারাজ তালেবান নেতৃত্ব।

এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তান সেনা নিশানা করছে তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তানকে (টিটিপি)। মূলত খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশটিকে নিয়ে স্বাধীন ‘পাশতুনিস্তান’ তৈরির স্বপ্ন দেখছে এই সশস্ত্র গোষ্ঠী। ইসলামাবাদ অবশ্য টিটিপিকে জঙ্গি সংগঠনের তকমা দিয়েছে। আফগানিস্তানের তালেবান সরকার তাদের পূর্ণ মদত দিচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে শেহবাজ শরিফ সরকারের।

গত বছরের ডিসেম্বরে টিটিপির কোমর ভাঙতে সীমান্ত লাগোয়া আফগানিস্তানের পাকতিকা প্রদেশে বিমান হামলা চালায় পাকিস্তান। এই অপারেশনেও এফ-১৬ লড়াকু জেট ব্যবহার করে ইসলামাবাদের বিমান বাহিনী। এতে শিশু, মহিলাসহ বেশ কিছু নিরীহ নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করে শেহবাজ সরকারকে কড়া হুঁশিয়ারি দেয় তালেবান সরকার।

গত বছরের অক্টোবর-নভেম্বর থেকে আফগানিস্তান সীমান্তে পাকিস্তান বিমান বাহিনীর উপর আক্রমণের ঝাঁজ বাড়িয়েছে টিটিপি। ঠিক সেই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের থেকে এফ-১৬ বহরের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ইসলামাবাদের অর্থ প্রাপ্তিকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের দাবি, এর ফলে আফগানিস্তানের ভিতরে আরও বেশি করে বিমান হামলা চালাবে পাকিস্তান।

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বাইডেনের সময়ে ইসলামাবাদকে গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক নিরাপত্তার অংশীদার বলে উল্লেখ করে আমেরিকা। ২০২২ সালের মার্চে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর থেকে প্রকাশিত একটি নথিতে আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহারের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। আর সেই কারণেই নিরাপত্তার ক্ষেত্রে পাকিস্তানের গুরুত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছিল আমেরিকা।

বাইডেন প্রশাসনের যুক্তি ছিল পাকিস্তান বাহিনীকে আর্থিক সাহায্য করলে দক্ষিণ এশিয়ার সামরিক ভারসাম্য নষ্ট হবে না। ট্রাম্পের আমলে সেটা কতটা বজায় থাকবে, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। কারণ বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করেন, এফ-১৬ বহরের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য দেওয়া অনুদান বন্ধ করার ব্যাপারে যখন-তখন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বর্ষীয়ান রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট।

চলতি বছরে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ভারত সফরে আসার কথা রয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে তার সম্পর্ক যথেষ্ট ভাল। আর সেটাকে কাজে লাগিয়েই যুক্তরাষ্ট্রের উপর নয়াদিল্লি যে কূটনৈতিক চাপ তৈরি করবে তা বলাই বাহুল্য। অন্যদিকে এ ব্যাপারে আফগানিস্তান কীভাবে প্রতিক্রিয়া দেয়, সেদিকেও তাকিয়ে রয়েছে কূটনৈতিক মহল। সূত্র: রয়টার্স, আনন্দবাজার

বিডি প্রতিদিন/একেএ
 

এই বিভাগের আরও খবর
ভারতে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, পাইলট নিহত
ভারতে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, পাইলট নিহত
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
গাজায় জাতিসংঘের ক্লিনিকে বোমা হামলা
গাজায় জাতিসংঘের ক্লিনিকে বোমা হামলা
গাজার ‘বিস্তীর্ণ এলাকা’ দখলে নিতে চায় ইসরায়েল
গাজার ‘বিস্তীর্ণ এলাকা’ দখলে নিতে চায় ইসরায়েল
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
ইসরায়েলি হামলায় আরও ৭৭ ফিলিস্তিনি নিহত
ইসরায়েলি হামলায় আরও ৭৭ ফিলিস্তিনি নিহত
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
ভারতে আতশবাজির কারখানায় বিস্ফোরণ, নিহত ২১
ভারতে আতশবাজির কারখানায় বিস্ফোরণ, নিহত ২১
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের
উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের
সর্বশেষ খবর
পঞ্চগড়ে বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে মানুষের ঢল
পঞ্চগড়ে বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে মানুষের ঢল

৫৫ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী

১৩ মিনিট আগে | জাতীয়

বিমসটেক মেরিটাইম ট্রান্সপোর্ট কো-অপারেশন চুক্তি সই
বিমসটেক মেরিটাইম ট্রান্সপোর্ট কো-অপারেশন চুক্তি সই

২৩ মিনিট আগে | জাতীয়

ধলেশ্বরী নদীতে সেনা অভিযান: দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৭
ধলেশ্বরী নদীতে সেনা অভিযান: দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৭

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চাঁদপুরে উন্মুক্ত বিনোদন কেন্দ্র মোলহেডে দর্শনার্থীদের ভিড়
চাঁদপুরে উন্মুক্ত বিনোদন কেন্দ্র মোলহেডে দর্শনার্থীদের ভিড়

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বনশ্রীতে নারী সাংবাদিককে হেনস্তা, গ্রেফতার ৩
বনশ্রীতে নারী সাংবাদিককে হেনস্তা, গ্রেফতার ৩

৫০ মিনিট আগে | নগর জীবন

ভাঙ্গায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত অন্তত ১০
ভাঙ্গায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত অন্তত ১০

৫১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাষ্টের চেক বিতরণ
কুষ্টিয়ায় সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাষ্টের চেক বিতরণ

৫৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নোয়াখালীতে জমজ ২ বোনকে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১
নোয়াখালীতে জমজ ২ বোনকে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নিষ্প্রভ মেসি, হারল মায়ামি
নিষ্প্রভ মেসি, হারল মায়ামি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, পাইলট নিহত
ভারতে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, পাইলট নিহত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চট্টগ্রাম মহানগর শ্রমিকলীগের সাবেক সভাপতি গ্রেফতার
চট্টগ্রাম মহানগর শ্রমিকলীগের সাবেক সভাপতি গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর ও ফলাফলমুখী ‘বিমসটেক’-এর ওপর গুরুত্বারোপ পররাষ্ট্র উপদেষ্টার
মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর ও ফলাফলমুখী ‘বিমসটেক’-এর ওপর গুরুত্বারোপ পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিবচরে চালককে কুপিয়ে হত্যা করে ভ্যান ছিনতাই
শিবচরে চালককে কুপিয়ে হত্যা করে ভ্যান ছিনতাই

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তাপপ্রবাহে পুড়ছে ১০ জেলা
তাপপ্রবাহে পুড়ছে ১০ জেলা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সুস্থ হয়ে দেশে ফিরছে মুসা
সুস্থ হয়ে দেশে ফিরছে মুসা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তিসি চাষে পাঁচগুণ আয়!
তিসি চাষে পাঁচগুণ আয়!

২ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

টি-টোয়েন্টি বোলারদের নতুন রাজা কিউই পেসার
টি-টোয়েন্টি বোলারদের নতুন রাজা কিউই পেসার

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় জাতিসংঘের ক্লিনিকে বোমা হামলা
গাজায় জাতিসংঘের ক্লিনিকে বোমা হামলা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আতলেতিকোকে বিদায় করে ফাইনালে বার্সা
আতলেতিকোকে বিদায় করে ফাইনালে বার্সা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্চে ইন্টারনেটে ২৯৮ অপতথ্য ছড়িয়েছে: রিউমর স্ক্যানার
মার্চে ইন্টারনেটে ২৯৮ অপতথ্য ছড়িয়েছে: রিউমর স্ক্যানার

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজার ‘বিস্তীর্ণ এলাকা’ দখলে নিতে চায় ইসরায়েল
গাজার ‘বিস্তীর্ণ এলাকা’ দখলে নিতে চায় ইসরায়েল

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে দুর্ঘটনায় নিহত ২
যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে দুর্ঘটনায় নিহত ২

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাড়তে পারে ঢাকার তাপমাত্রা
বাড়তে পারে ঢাকার তাপমাত্রা

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে
নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের
উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুলশান-বনানীর সড়ক ব্যবহারে ট্রাফিকের নতুন নির্দেশনা
গুলশান-বনানীর সড়ক ব্যবহারে ট্রাফিকের নতুন নির্দেশনা

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন
ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা
হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা

১১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ
সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরী লক্ষ্য করে হুথিদের একের পর এক হামলা
লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরী লক্ষ্য করে হুথিদের একের পর এক হামলা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার
আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় বিশাল এলাকা দখল করে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা
গাজায় বিশাল এলাকা দখল করে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিয়ানমারের ভূমিকম্প: নামাজরত অবস্থায় ৫ শতাধিক মুসল্লির মৃত্যু
মিয়ানমারের ভূমিকম্প: নামাজরত অবস্থায় ৫ শতাধিক মুসল্লির মৃত্যু

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রেস সচিব
২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রেস সচিব

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!
১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন
সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস
শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ধোঁয়াশার কিছু নেই, ডিসেম্বর-জুনের মধ্যেই নির্বাচন হবে : তথ্য উপদেষ্টা
ধোঁয়াশার কিছু নেই, ডিসেম্বর-জুনের মধ্যেই নির্বাচন হবে : তথ্য উপদেষ্টা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র
হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কাশ্মীর সীমান্তে উত্তেজনা, ৫ পাকিস্তানি সেনা হত্যার দাবি ভারতের
কাশ্মীর সীমান্তে উত্তেজনা, ৫ পাকিস্তানি সেনা হত্যার দাবি ভারতের

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কালুরঘাটে রেল ও সড়ক সেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ১৪ মে
কালুরঘাটে রেল ও সড়ক সেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ১৪ মে

১৭ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের
ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের

১৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাসিনার বিরুদ্ধে গণহত্যা মামলার খসড়া তদন্ত রিপোর্ট পেয়েছে প্রসিকিউশন
হাসিনার বিরুদ্ধে গণহত্যা মামলার খসড়া তদন্ত রিপোর্ট পেয়েছে প্রসিকিউশন

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বব্যাপী অপতথ্য ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী
বিশ্বব্যাপী অপতথ্য ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে

সম্পাদকীয়

চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই
চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সর্বত্র ভোটের আলোচনা
সর্বত্র ভোটের আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া
সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়
উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়

পেছনের পৃষ্ঠা

ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত
ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত

প্রথম পৃষ্ঠা

ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড
ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড

মাঠে ময়দানে

কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন
কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন

পেছনের পৃষ্ঠা

শাকিবের প্রশংসায় বুবলী
শাকিবের প্রশংসায় বুবলী

শোবিজ

ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল
ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল

প্রথম পৃষ্ঠা

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই

সম্পাদকীয়

৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের
৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের

প্রথম পৃষ্ঠা

রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা
রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা

নগর জীবন

ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়
ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়

প্রথম পৃষ্ঠা

গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে
গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে
বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে

প্রথম পৃষ্ঠা

চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা
চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব
মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব

দেশগ্রাম

বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ
বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ

দেশগ্রাম

মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন
মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন

প্রথম পৃষ্ঠা

আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা
আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা

রকমারি নগর পরিক্রমা

দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪
দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪

পেছনের পৃষ্ঠা

কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ

সম্পাদকীয়

দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার
দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার

দেশগ্রাম

ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ
ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট
ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট

পেছনের পৃষ্ঠা

নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন
নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন

পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন
নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন

প্রথম পৃষ্ঠা