বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, ভাঙা সুটকেস ও ছেঁড়া গেঞ্জি পরিহিত জিয়াউর রহমানের দল বিএনপির কর্মীরা চাঁদাবাজিতে লিপ্ত হতে পারে না। চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও দখলবাজি করলে কেউ ছাড় পাবে না। সাধু সাবধান, প্রমাণ পেলে সঙ্গে সঙ্গে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। শনিবার দুপুরে সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, একটি দল ইতোমধ্যে বলতে শুরু করেছে- আওয়ামী লীগ খেয়েছে, আরেক দল খাবার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। অথচ এ দলও চাঁদাবাজি করছে। তারা সিরাজগঞ্জের স্পিনিং মিল দখল করেছে। এসিআই মিলে মোটরসাইকেল নিয়ে যাতায়াত করছে। সেখানে বিএনপির কোনো নেতা-কর্মী যাচ্ছে না। অথচ তাদের নাম হচ্ছে না। কারণ, তারা বেহেস্তের টিকিট বিক্রি করছে। আর আমরা তো বেহেস্তের টিকিট বিক্রি করি না। ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, আগামীতে বিএনপির সব কমিটিতে ত্যাগীরা স্থান পাবে। যারা বিগত সময়ে মামলা, জেল-জুলুম, অত্যাচার নির্যাতন সহ্য করেছে তারাই শুধু সম্মেলনে প্রার্থী হতে পারবেন। তারাই ভোটের মাধ্যমে নেতা নির্বাচিত হবেন। তিনি বলেন, মিছিলে থাকা শেষ ছেলেটিও মূল্যায়িত হবে। সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক ও বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় কমিটির সহসাংগঠনিক সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলিমের সভাপতিত্বে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি রুমানা মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু প্রমুখ।