দুর্নীতি দমন কমিশন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হলে স্বাধীনতার মাত্রা বাড়বে বলে মন্তব্য করেছেন দুদক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন। তিনি বলেন, আগের মতো নিপীড়নমূলক, নির্যাতনমূলক, শোষণমূলক, নিষ্পেষণমূলক মামলা যেগুলো হয়েছে সেই ধারা যদি অব্যাহত রাখা হয় তাহলে আমাদের (দুদক) পরিণতিও একই হবে। গতকাল দুপুরে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে সাধারণ মানুষের বিভিন্ন অভিযোগের গণশুনানি শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন। গণশুনানিতে ভূমি, স্বাস্থ্যসেবা, স্থানীয় সরকারের সেবা প্রাপ্তি ক্ষেত্রে হয়রানির ১৫২টি অভিযোগ উপস্থাপিত হয়। দুদক চেয়ারম্যান বলেন, দুদককে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে ইতোমধ্যে দুদক সংস্কার কমিশন প্রস্তাব দিয়েছে। সেটি অনুমোদন হলে দুদক দুর্নীতি প্রতিরোধে আরও ভূমিকা রাখতে পারবে। দুদকের স্বাধীনতার সীমাবদ্ধতা থাকলেও যেটুকু স্বাধীনতা আছে তার মধ্যেই যথাসাধ্য চেষ্টা করছে দুদক। সরকারি সেবাদানে মাঠপর্যায়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতে সবারই দায়বদ্ধতা রয়েছে। এখানে সাধারণের দুর্ভোগ লাঘবে কাজ করছে দুদক। পাবনায় গণশুনানিতে উপস্থাপিত বিভিন্ন অভিযোগ প্রসঙ্গে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ভুক্তভোগীদের অভিযোগের অধিকাংশই সত্য। এ সমস্যাগুলো কিছু আমরা সমাধান করেছি, আরও কিছু প্রতিকারের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মাঠপর্যায়ে সাধারণ মানুষ যেন ভোগান্তির শিকার না হন, সেবাদাতাদের সে বিষয়ে সতর্ক করতেই গণশুনানির আয়োজন। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মফিজুল ইসলামের সভাপতিত্বে এ সময় আরও বক্তব্য দেন দুদক কমিশনার (অনুসন্ধান) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহসান ফরিদ, মহাপরিচালক আখতার হোসেন, পুলিশ সুপার মোরতোজা আলী খান, জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ডা. মনোয়ার উল আজীজ ও দুদকের বিভাগীয় পরিচালক কামরুল আহসান প্রমুখ।