সিনিয়র সাংবাদিক, বাংলাদেশ প্রতিদিনের জ্যেষ্ঠ সহসম্পাদক মোস্তফা কাজল আর নেই। গতকাল বেলা ১টার দিকে রাজধানীর মিরপুরে নিজ বাসভবনে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৮ বছর। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, আত্মীয়স্বজনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
মোস্তফা কাজল দীর্ঘদিন ধরে কিডনিজনিত রোগে ভুগছিলেন। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুর খবরে শোক নেমে এসে বাংলাদেশ প্রতিদিন পরিবারে। সহকর্মীরা ছুটে যান তাঁর বাসভবনে। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান। তিনি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
মোস্তফা কাজল প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বাংলাদেশ প্রতিদিনের সঙ্গে সংযুক্ত ছিলেন। ২০১০ সালে স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে বাংলাদেশ প্রতিদিনে যোগ দেন। পরে মফস্বল সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি আজকের কাগজ, মানবজমিন, ভোরের ডাকসহ বিভিন্ন দৈনিকে কাজ করেন। মোস্তফা কাজলের প্রথম নামাজে জানাজা বাদ আসর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)-তে অনুষ্ঠিত হয়। বাদ এশা কর্মস্থল বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় বাংলাদেশ প্রতিদিন কার্যালয় প্রাঙ্গণে দ্বিতীয় জানাজা ও মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তৃতীয় জানাজা শেষে সেখানে তাঁকে দাফন করা হয়।
বাংলাদেশ প্রতিদিন কার্যালয়ে নামাজে জানাজায় উপস্থিত ছিলেন কালের কণ্ঠ সম্পাদক হাসান হাফিজ, বাংলাদেশ প্রতিদিনের নির্বাহী সম্পাদক মন্জুরুল ইসলাম, যুগ্মসম্পাদক মাহমুদ হাসান, উপসম্পাদক শিমুল মাহমুদ, বার্তা সম্পাদক নাহিদুল ইসলাম, চিফ রিপোর্টার জুলকার নাইনসহ পত্রিকা, অনলাইন, মাল্টিমিডিয়া বিভাগের কর্মীরা। এ ছাড়া কালের কণ্ঠের নির্বাহী সম্পাদক হায়দার আলী, অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলানিউজ টোয়েন্টিফোর, রেডিও ক্যাপিট্যালসহ ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের কর্মীরা জানাজায় অংশগ্রহণ করেন।
মোস্তফা কাজলের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)-এর সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল। বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব)-এর সভাপতি মির্জা মেহেদী তমাল ও সাধারণ সম্পাদক এম বাদশাহ বিবৃতিতে শোক প্রকাশ করেন।