বিশ্ব ইজতেমা ইসলামি উম্মাহর ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ সুদৃঢ়ীকরণে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম। গতকাল গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, মুসলিমের অন্যতম বৃহৎ সমাবেশ বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষে আমি দেশবাসী এবং বিশ্বের সব মুসলমানকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ। রাজধানী ঢাকার উপকণ্ঠে টঙ্গীর তুরাগ নদের তীরে এই বিশ্ব ইজতেমা ইসলাম প্রচার ও প্রসারের ক্ষেত্রে যুগ যুগ ধরে তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। পীর চরমোনাই বলেন, বাংলাদেশ প্রতি বছর সফলভাবে বিশ্ব ইজতেমা আয়োজন করে বিশ্ব দরবারে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছে। এ জন্য আমি মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া জানাই। তিনি বলেন, ইসলাম শান্তির ধর্ম ও পরিপূর্ণ জীবন বিধান। ইসলামের সুমহান আদর্শ সমগ্র মানবজাতির চলার পথের পাথেয়। আমরা ইসলামের সঠিক আদর্শ অনুসরণের মাধ্যমে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয়ভাবে সামগ্রিক কল্যাণ অর্জন করতে পারি। বিশ্ব ইজতেমায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত মুসল্লিদের সঙ্গে দেশের নানা প্রান্ত থেকে আসা মুসল্লিদের যে সম্মিলন ঘটে তাতে ইসলামকে জানার ও বোঝার পথ অনেক সুগম হয়। মুসলিম বিশ্বের বিজ্ঞ আলেমদের আলোচনা হতে এতে অংশগ্রহণকারীরা রুহানিয়াত অর্জনে ও মুসলমানদের জন্য করণীয় সম্পর্কে দিকনির্দেশনা পেয়ে থাকেন।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির বলেন, ইজতেমায় আগত বিদেশি মেহমানদের মাধ্যমে আবহমানকাল ধরে উম্মাহর লালিত, অকৃত্রিম সরলতা ও অতিথিপরায়ণতা এবং সহিষ্ণুতার আলোকবার্তা বিশ্ব দরবারে পৌঁছে যাবে। এ বৃহত্তম সমাবেশ বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে অনন্য ভূমিকা রাখবে। দেশ ও বিশ্বের সর্বস্তরের মানুষ ও মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, সংহতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করবে বলে আমি আশাবাদী।