শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৫

আইভরি কোস্টে বাঙালির পদচিহ্ন

শিমুল মাহমুদ
প্রিন্ট ভার্সন
আইভরি কোস্টে বাঙালির পদচিহ্ন

২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারি। পশ্চিম আফ্রিকার দেশ আইভরি কোস্ট ভ্রমণের ডাক পেলাম। সেখানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের সেনা, বিমান ও পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের কার্যক্রম দেখতে যেতে হয় আইভরি কোস্টে। মিশন অ্যাসেসমেন্ট টিমের (ম্যাট) সদস্য হয়ে আমরা ১৮ ফেব্রুয়ারি জাতিসংঘের ভাড়া করা বিমানে চড়ে আকাশযাত্রায় শামিল হই। রাতের বিমানযাত্রা শেষে ভোরে আইভরি কোস্টের রাজধানী আবিদজান বিমানবন্দরে পা রেখেই মনটা ভালো হয়ে যায়। চারপাশের সবুজ গাছপালা তাদের ডাল নেড়ে বাংলাদেশে ফেলে আসা বসন্তের বাতাস বুলিয়ে দেয় আমাদের  দেহমনে। বাতাসের তো কোনো দেশকাল নেই। বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে খানিক বিশ্রাম নিয়ে আমাদের প্রথম কাজ আইডি কার্ড তৈরি। কারণ, আইভরি কোস্টে বাঙালির পদচিহ্নএখানকার নিরাপত্তা ব্যবস্থাটা এমন যে পরিচয়পত্র ছাড়া কোথাও চলাফেরার সুযোগ নেই। সেই আইডি কার্ড করতে গেলাম জাতিসংঘের মিশন সদর দপ্তরে। ছবি তোলার অল্প সময়ের মধ্যেই সেটা হাতে পাওয়া গেল। পরবর্তী দেড় সপ্তাহ সার্বক্ষণিক এ আইডি কার্ড নিয়েই চলতে হয়। আইডি কার্ড হাতে পাওয়ার আগে সেখানকার শপিং সেন্টারে কেনাকাটার সুযোগ পাওয়া গেল। ডলার ভাঙিয়ে পেলাম লাখ টাকা। পশ্চিম আফ্রিকার অনেক দেশে অভিন্ন মুদ্রা সিফা চালু রয়েছে। স্থানীয় মুদ্রায় তখন আমরা সবাই লাখপতি।

আইভরি কোস্টে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের কার্যক্রম দেখতে গিয়ে রাজধানী আবিদজানের আনাচেকানাচে রেস্তোরাঁয়, ক্লাবে, পাব-এ লেবানিজ সুন্দরীদের দেখা মেলে। সংখ্যায় প্রচুর। উপচে পড়া লাবণ্যের লেবানিজ নারীদের দেখে মনের গোপন কুঠুরিতে লেবানন যাওয়ার ইচ্ছা জেগে ওঠে। কিন্তু গাঁটের পয়সা খরচ করে কীভাবে যাওয়া যাবে লেবানন? আবিদজান থেকে ফিরে এসে সেই কথা আর মনেও পড়ে না। কিন্তু কে জানত এ অপ্রকাশিত গোপন ইচ্ছা ওপরওয়ালার দরবারে নিশ্চিত কবুল হয়ে যাবে। এর চার বছর পর দৈবচক্রে পরপর দুই বছর লেবানন ভ্রমণের সুযোগ হয়ে যায়।

দেশে ফেরার আগে আইভরি কোস্টে ভূমধ্যসাগরের এক মোহনায় ঘুরতে গিয়ে মনে হয়েছে একটু পা ডুবিয়ে যাই। জলজ বিস্তৃতির এ দুনিয়ার কোন প্রান্তে কোন অনিন্দ্যসুন্দরী ডুবসাঁতার কাটছে কে জানে। এখান থেকেই হয়তো সেই শরীর ডোবানো জলের স্পর্শে নিজেও সিক্ত হলাম। এসব বিক্ষিপ্ত ভাবনায় হাঁটু ডুবিয়ে কিছুক্ষণ বকের মতো দাঁড়িয়ে থাকতে হলো। ধ্যানমগ্ন। তখন ভর সন্ধ্যা। মনে হয়েছিল, এ আবিদজানেও কি আর কখনো আসা হবে? কিন্তু গোলাকার এ পৃথিবীতে ঠিক পাঁচ বছর পর ২০১৮ সালের ২০ মে ঘুরতে ঘুরতে আবিদজানেই কিছু সময়ের জন্য চাকা ছুঁলো বিমানের। ততদিনে আইভরি কোস্টে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের প্রয়োজন পূরণ হয়ে গেছে। দেশটিতে শান্তি প্রতিষ্ঠার পর বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরাও তাদের নির্ধারিত দায়িত্ব পালন শেষে ফিরে এসেছেন।

আইভরিকোস্টে ১০ দিনের সফরের শেষদিকে হঠাৎ জানা গেল, খুব কাছেই বেলাল মসজিদ নামে একটি মসজিদ রয়েছে। আমরা বেশ উৎসাহ নিয়ে সেই বেলাল মসজিদ দেখতে গেলাম। নবী করিম হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর অন্যতম সঙ্গী হজরত বেলালকে নিয়ে পুরো আফ্রিকার রয়েছে অনেক গর্ব। তিনি ছিলেন আফ্রিকার কোনো এক অঞ্চলের কৃষ্ণাঙ্গ কৃতদাস। পরে জানা গেল, আইভরি কোস্টে এমন অনেক বেলাল মসজিদ রয়েছে।

আইভরি কোস্টের পুরুষদের দেখে বড় হিংসা হলো আমাদের। সবাই যেন রাজবংশের লোক। কী আরামের দিনযাপন তাদের। ‘আইভরিয়ান পুরুষ হচ্ছে রাজার মতো আয়েশী, আমুদে। সমাজ-সংসারের কোনো দায়িত্ব পালন করতে হয় না তাদের। এখানকার নারীরাই স্বামী, সন্তান, সংসার, উপার্জন সবকিছু সামাল দেন। এ যেন বেগম রোকেয়ার কল্পিত ‘নারীস্থান’। এভাবেই বলছিলেন ইউএন মিশনের বাংলাদেশি এক সিনিয়র কর্মকর্তা। সেখানে রাস্তাঘাট, অফিস, হাটবাজার যেখানেই গেছি, সব জায়গাতেই দেখেছি আইভরিয়ান নারীদের আধিপত্য। আইভরিয়ান মেয়েরা তুলনামূলকভাবে ছেলেদের চেয়ে বেশি পরিশ্রমী ও দায়িত্বশীল। বাজারে, সুপার মার্কেটে ক্রেতা-বিক্রেতার ৭০ শতাংশই নারী। এমনকি কর্মক্ষেত্রেও। সিকিউরিটি গার্ড, ট্রাফিক পুলিশের মতো কঠিন কাজেও অন্তত ৫০ শতাংশ নারীকর্মী দেখা যায়। আমাদের পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি জনপদের নারীদের মতো পেছনে ছোট বাচ্চা কাপড়ে বেঁধে কর্মক্ষেত্রে যান অধিকাংশ নারী। মায়ের কাঁধেই ঘুমিয়ে পড়ে বাচ্চা। সন্তানের সব দায়িত্ব মাকেই পালন করতে হয়। সারা দিন কাজ করে সন্ধ্যায় ঘরে ফিরে আবার রান্নাসহ সাংসারিক কাজ করেন। আইভরি কোস্টে খ্রিস্টান নারী-পুরুষের সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিয়ে কোনো বাধ্যতামূলক বিষয় নয়। যাকে যখন ভালো লাগে তার সঙ্গেই থাকতে পারেন যে কেউ। বিয়েবহির্ভূত সম্পর্ক কিংবা মাতৃত্ব কোনোটাই অস্বাভাবিক কিছু নয়। মাঝপথে সংসার বা সম্পর্ক ভেঙে গেলে সন্তানের পুরো দায়িত্ব মাকেই পালন করতে হয়। পুরুষটি সন্তানের কোনো খোঁজও নেন না। গড় তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রির কাছাকাছি। এজন্য মেয়েরা অধিকাংশই হাতাকাটা খোলা গেঞ্জি পরে ঘুরে বেড়ান। মুসলিম মেয়েরা অবশ্য কিছুটা বাড়তি পোশাক রাখেন শরীরে।

বাংলাদেশে ১৯৮৮ সালের বন্যার সময় সবচেয়ে বেশি সাহায্যদানকারী দেশ ছিল আইভরি কোস্ট। সেই দেশ এখন গৃহযুদ্ধের কারণে বিপর্যস্ত। ফরাসি, চাইনিজ, ইন্ডিয়ানদের বাণিজ্যক্ষেত্র হয়ে উঠেছে আইভরি কোস্ট। পাশের দেশ মালির সঙ্গে আইভরি কোস্টের দীর্ঘ সীমান্ত। আমরা ১৮ ফেব্রুয়ারি আইভরি কোস্টে নামার পরই মালিতে ঘটল অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষের ঘটনা। তা দমনে আবিদজান বিমানবন্দর থেকে ফরাসি সেনারা দুটি বিমানে করে মালিতে অপারেশন চালান। দুই দিন পর ফরাসি সেনারা কর্দমাক্ত শরীরে ফিরে আসেন। শোনা যায়, মালিতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন পাঠাতে পারে। প্রায় ২৫ হাজার সৈন্যের প্রয়োজন হবে। সেখানে ফ্রেন্স জানা দেশের সৈন্যরাই অগ্রাধিকার পাবেন।

আমাদের মিডিয়া সমন্বয়কারী লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী ইফতেখার উল আলমকে (বর্তমানে মেজর জেনারেল, অবসরপ্রাপ্ত) বললাম, ফ্রেন্স ভাষা জানা এত সৈন্য কোথায় পাবে জাতিসংঘ? নিশ্চয়ই এ যাত্রায়ও বাংলাদেশ মালিতে শান্তিরক্ষী পাঠাতে পারবে। আবার শান্তিরক্ষী হিসেবে শীর্ষস্থানে উঠে আসতে পারবে বাংলাদেশ। হয়তো একেই বলে কারও সর্বনাশ, কারও পৌষ মাস। মালির দাঙ্গাবিক্ষুব্ধ জনগণের এ দুর্দিনে আমরা সেখানে সৈন্য পাঠানোর স্বপ্ন দেখছি! অবশ্য সেই স্বপ্ন অল্প সময়ের মধ্যেই বাস্তবে রূপ নিয়েছে। বাংলাদেশ আবারও জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী হিসেবে শীর্ষস্থানে অবস্থান নেয়। মালিতে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে দেশটিতে শান্তি ফিরিয়ে আনে। সেখানে আমাদেরও আবার মালি শান্তিরক্ষা মিশন ভিজিটে যেতে হয় ২০১৮ সালের মে মাসে।

আটলান্টিক মহাসাগরের কোলঘেঁষে গড়ে ওঠা দেশটিতে পানি অত্যন্ত ব্যয়বহুল। বোতলজাত এক লিটার পানির দাম বাংলাদেশি ১৮০ টাকা। তুলনামূলকভাবে পানির চেয়ে সস্তা বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মদ। ব্যবসাবাণিজ্য ফরাসি ও লেবানিজদের দখলে। ‘কালো’ মানুষের ভিড়ে তাই বেশ চোখে পড়ে দীর্ঘদেহী সাদা লেবানিজদের। লেবানিজ মেয়েরা খুবই সুন্দরী। কৃষ্ণাঙ্গদের অনেকেই কিছুটা খোলামেলা। দেশটিতে পানি উৎপাদনের দায়িত্ব ফরাসি কোম্পানির। এক সময়ের ফরাসি উপনিবেশ এ দেশটিতে এখনো ফ্রান্সের সেনা রয়েছে। ফরাসিরা এখনো আইভরি কোস্টের অনেক কিছু নিয়ন্ত্রণ করে। বিশ্বব্যাপী চকোলেট উৎপাদনের মূল কাঁচামাল কোকোয়ার ৮০ শতাংশ উৎপাদন হয় আইভরি কোস্টে। ফ্রান্সের অর্থনীতিতে এ দেশের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। বলা হয়ে থাকে, ফ্রান্সের জাতীয় বাজেটের একটা বড় অংশের জোগান যায় আইভরি কোস্ট থেকে।

আইভরি কোস্টের এক গ্রামের নাম রূপসী বাংলা। বাংলাদেশ থেকে ১৪ হাজার কিলোমিটার দূরে পশ্চিম আফ্রিকার গিনি, মালি ও লাইবেরিয়া সীমান্তসংলগ্ন আইভরি কোস্টের কৃষ্ণাঙ্গ মানুষের গ্রাম। এক শুক্রবার বিকালে রূপসী বাংলার বাসিন্দারা নেচে গেয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে আমাদের স্বাগত জানান। দেশটির পশ্চিমাঞ্চলের মান এলাকায়। দেশের প্রায় অর্ধেক এলাকার নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত বাংলাদেশ ব্যাটালিয়নের সাত শতাধিক সদস্য সেখানে কাজ করেন। এ এলাকায়ই রয়েছে আইভরি কোস্টের সোনার খনিটি।

ঢেঁকি নাকি স্বর্গে গেলেও ধান ভানার কাজই করে। বাংলাদেশের হারিয়ে যাওয়া ঢেঁকির দেখা পাওয়া গেল আইভরি কোস্টে। সেখানে গিয়ে ধান ভানার কাজ করছে বাংলাদেশের ঢেঁকি। দেশটির মান এলাকায় কয়েক বছর আগে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করে ঢেঁকির প্রচলন করা হয়েছে। প্রযুক্তির ছোঁয়াবঞ্চিত এ অঞ্চলের মানুষ বাংলাদেশি ঢেঁকিতে ধান ভানছে। কাসাভা গুঁড়ো করছে। এ প্রযুক্তি তাদের কষ্টের জীবনযাত্রা অনেক সহজ করে দিয়েছে। আটলান্টিক মহাসাগরের কোলঘেঁষে অবস্থিত আইভরি কোস্টে অভ্যন্তরীণ পানির উৎস খুবই সীমিত। খাবার ও গোসলের পানির তীব্র সংকট। নামাজের আগে দেখা যায়, এক বদনা পানিতে কয়েকজন শেয়ার করে অজু করে। ধর্মীয় বিধিবিধান পালনে এখানকার মুসলমানরা বেশ নিষ্ঠাবান।

অসংখ্য প্রাকৃতিক সম্পদের আধার আইভরি কোস্টে ডাব খুবই সস্তা পানীয়। প্রতিটি ডাবের দাম ৬০/৭০ সিফা। বাংলাদেশি টাকায় ১২-১৪ টাকা। অথচ ঢাকায় এখন ১০০ টাকার কমে ডাব পাওয়া কঠিন। আইভরি কোস্টে নেমে ডলার ভাঙিয়ে স্থানীয় মুদ্রা সিফায় পরিবর্তন করতে গিয়েই মনে হলো বাংলাদেশি টাকা কতটা শক্তিশালী।

আইভরি কোস্টের প্রায় সব জায়গাতেই বাংলাদেশি সেনা ও পুলিশ কর্মীদের উদ্ভাবনী তৎপরতা দৃষ্টি কাড়ল। শান্তিরক্ষীরা এক বছরের জন্য ইউএন মিশনে যান। পরের বছর নতুন সমানসংখ্যক সদস্য তাদের জায়গায় রিপ্লেস হন। এই এক বছরের মধ্যেই অনেকে তার পদচিহ্ন রেখে আসতে চান মিশনের মাটিতে। ইয়ামুতসুক্রোতে বাংলাদেশের পুলিশ সদস্যরা দেশ থেকে বিভিন্ন ফলফলাদি এমনকি শাকসবজির চারা নিয়ে লাগিয়েছেন।  আইভরি কোস্টের উর্বর মাটিতে পুঁইশাক, বেগুন, ঢেঁড়স লাগিয়েছেন তারা। এক জায়গায় দেখলাম, মাচায় ঝুলছে বাংলাদেশি লাউ। নিজেদের প্রয়োজনীয় সামগ্রী নিজেরাই উৎপন্ন করেন তারা। বাংলাদেশ ব্যাটালিয়নের কয়েকটি জায়গায় কাঁঠাল গাছের দেখা মিলল। তখনো গাছে গাছে কাঁচা কাঁঠাল শোভা পাচ্ছিল। এখন নিশ্চয়ই অচেনা এ সুস্বাদু কাঁঠাল জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে আফ্রিকার এ দেশটিতে।

♦ লেখক : সাংবাদিক 

ইমেইল [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
স্বস্তিদায়ক ঈদ
স্বস্তিদায়ক ঈদ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক
ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পবিত্র ঈদুল ফিতর
ঈদুল ফিতরে করণীয়
ঈদুল ফিতরে করণীয়
সত্যিকার ঈদ আসুক জীবনে
সত্যিকার ঈদ আসুক জীবনে
রোহিঙ্গাদের আগামী ঈদ প্রসঙ্গ
রোহিঙ্গাদের আগামী ঈদ প্রসঙ্গ
বিএনপি-জামায়াত কি ভুল পথে হাঁটছে
বিএনপি-জামায়াত কি ভুল পথে হাঁটছে
সর্বশেষ খবর
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

বিমসটেক মেরিটাইম ট্রান্সপোর্ট কো-অপারেশন চুক্তি সই
বিমসটেক মেরিটাইম ট্রান্সপোর্ট কো-অপারেশন চুক্তি সই

১০ মিনিট আগে | জাতীয়

ধলেশ্বরী নদীতে সেনা অভিযান: দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৭
ধলেশ্বরী নদীতে সেনা অভিযান: দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৭

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চাঁদপুরে উন্মুক্ত বিনোদন কেন্দ্র মোলহেডে দর্শনার্থীদের ভিড়
চাঁদপুরে উন্মুক্ত বিনোদন কেন্দ্র মোলহেডে দর্শনার্থীদের ভিড়

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বনশ্রীতে নারী সাংবাদিককে হেনস্তা, গ্রেফতার ৩
বনশ্রীতে নারী সাংবাদিককে হেনস্তা, গ্রেফতার ৩

৩৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

ভাঙ্গায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত অন্তত ১০
ভাঙ্গায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত অন্তত ১০

৩৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাষ্টের চেক বিতরণ
কুষ্টিয়ায় সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাষ্টের চেক বিতরণ

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নোয়াখালীতে জমজ ২ বোনকে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১
নোয়াখালীতে জমজ ২ বোনকে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নিষ্প্রভ মেসি, হারল মায়ামি
নিষ্প্রভ মেসি, হারল মায়ামি

৫৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, পাইলট নিহত
ভারতে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, পাইলট নিহত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চট্টগ্রাম মহানগর শ্রমিকলীগের সাবেক সভাপতি গ্রেফতার
চট্টগ্রাম মহানগর শ্রমিকলীগের সাবেক সভাপতি গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর ও ফলাফলমুখী ‘বিমসটেক’-এর ওপর গুরুত্বারোপ পররাষ্ট্র উপদেষ্টার
মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর ও ফলাফলমুখী ‘বিমসটেক’-এর ওপর গুরুত্বারোপ পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিবচরে চালককে কুপিয়ে হত্যা করে ভ্যান ছিনতাই
শিবচরে চালককে কুপিয়ে হত্যা করে ভ্যান ছিনতাই

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তাপপ্রবাহে পুড়ছে ১০ জেলা
তাপপ্রবাহে পুড়ছে ১০ জেলা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সুস্থ হয়ে দেশে ফিরছে মুসা
সুস্থ হয়ে দেশে ফিরছে মুসা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তিসি চাষে পাঁচগুণ আয়!
তিসি চাষে পাঁচগুণ আয়!

২ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

টি-টোয়েন্টি বোলারদের নতুন রাজা কিউই পেসার
টি-টোয়েন্টি বোলারদের নতুন রাজা কিউই পেসার

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় জাতিসংঘের ক্লিনিকে বোমা হামলা
গাজায় জাতিসংঘের ক্লিনিকে বোমা হামলা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আতলেতিকোকে বিদায় করে ফাইনালে বার্সা
আতলেতিকোকে বিদায় করে ফাইনালে বার্সা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্চে ইন্টারনেটে ২৯৮ অপতথ্য ছড়িয়েছে: রিউমর স্ক্যানার
মার্চে ইন্টারনেটে ২৯৮ অপতথ্য ছড়িয়েছে: রিউমর স্ক্যানার

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজার ‘বিস্তীর্ণ এলাকা’ দখলে নিতে চায় ইসরায়েল
গাজার ‘বিস্তীর্ণ এলাকা’ দখলে নিতে চায় ইসরায়েল

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে দুর্ঘটনায় নিহত ২
যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে দুর্ঘটনায় নিহত ২

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাড়তে পারে ঢাকার তাপমাত্রা
বাড়তে পারে ঢাকার তাপমাত্রা

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে
নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের
উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুলশান-বনানীর সড়ক ব্যবহারে ট্রাফিকের নতুন নির্দেশনা
গুলশান-বনানীর সড়ক ব্যবহারে ট্রাফিকের নতুন নির্দেশনা

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন
ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা
হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা

১১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ
সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরী লক্ষ্য করে হুথিদের একের পর এক হামলা
লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরী লক্ষ্য করে হুথিদের একের পর এক হামলা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার
আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় বিশাল এলাকা দখল করে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা
গাজায় বিশাল এলাকা দখল করে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিয়ানমারের ভূমিকম্প: নামাজরত অবস্থায় ৫ শতাধিক মুসল্লির মৃত্যু
মিয়ানমারের ভূমিকম্প: নামাজরত অবস্থায় ৫ শতাধিক মুসল্লির মৃত্যু

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রেস সচিব
২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রেস সচিব

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!
১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন
সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস
শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ধোঁয়াশার কিছু নেই, ডিসেম্বর-জুনের মধ্যেই নির্বাচন হবে : তথ্য উপদেষ্টা
ধোঁয়াশার কিছু নেই, ডিসেম্বর-জুনের মধ্যেই নির্বাচন হবে : তথ্য উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র
হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কাশ্মীর সীমান্তে উত্তেজনা, ৫ পাকিস্তানি সেনা হত্যার দাবি ভারতের
কাশ্মীর সীমান্তে উত্তেজনা, ৫ পাকিস্তানি সেনা হত্যার দাবি ভারতের

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কালুরঘাটে রেল ও সড়ক সেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ১৪ মে
কালুরঘাটে রেল ও সড়ক সেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ১৪ মে

১৭ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের
ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাসিনার বিরুদ্ধে গণহত্যা মামলার খসড়া তদন্ত রিপোর্ট পেয়েছে প্রসিকিউশন
হাসিনার বিরুদ্ধে গণহত্যা মামলার খসড়া তদন্ত রিপোর্ট পেয়েছে প্রসিকিউশন

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বব্যাপী অপতথ্য ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী
বিশ্বব্যাপী অপতথ্য ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে

সম্পাদকীয়

চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই
চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সর্বত্র ভোটের আলোচনা
সর্বত্র ভোটের আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া
সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়
উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়

পেছনের পৃষ্ঠা

ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত
ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত

প্রথম পৃষ্ঠা

ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড
ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড

মাঠে ময়দানে

কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন
কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন

পেছনের পৃষ্ঠা

শাকিবের প্রশংসায় বুবলী
শাকিবের প্রশংসায় বুবলী

শোবিজ

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই

সম্পাদকীয়

ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল
ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল

প্রথম পৃষ্ঠা

৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের
৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের

প্রথম পৃষ্ঠা

রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা
রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা

নগর জীবন

ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়
ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়

প্রথম পৃষ্ঠা

গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে
গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে
বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে

প্রথম পৃষ্ঠা

চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা
চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব
মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব

দেশগ্রাম

বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ
বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ

দেশগ্রাম

মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন
মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন

প্রথম পৃষ্ঠা

আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা
আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা

রকমারি নগর পরিক্রমা

দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪
দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪

পেছনের পৃষ্ঠা

কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ

সম্পাদকীয়

দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার
দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার

দেশগ্রাম

ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ
ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট
ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট

পেছনের পৃষ্ঠা

নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন
নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন

পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন
নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন

প্রথম পৃষ্ঠা