শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ০৯ মার্চ, ২০২৫

প্রথমে জাতীয় না স্থানীয় নির্বাচন?

মেজর নাসির উদ্দিন আহাম্মেদ (অব.) পিএইচডি
প্রিন্ট ভার্সন
প্রথমে জাতীয় না স্থানীয় নির্বাচন?

সপ্তাহজুড়ে বেশ কিছু প্রশ্ন নিয়ে সরগরম ছিল দেশের মূলধারা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। পট পরিবর্তনের প্রথম দিকে এই অন্তর্বর্তী সরকার কত দিন ক্ষমতায় থাকবে এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচন আদৌ হবে কি না, কিংবা হলেও তা কবে নাগাদ হবে, এমন প্রশ্ন বড় হয়ে উঠেছিল। প্রায় ছয় মাস আগেই সেনাপ্রধান কর্তৃক ১৮ মাসের মধ্যে নির্বাচনের সম্ভাবনা ঘোষণা এবং বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন দায়িত্বশীল মহল থেকে স্বল্প সংস্কার চাইলে এ বছর ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন এবং বেশি সংস্কার চাইলে জুন ২০২৬-এর মধ্যে নির্বাচনের কথা বলা হয়। মূলত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিকে ইঙ্গিত করেই এই পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল।

তবে জুলাই থেকে মার্চ, এই ৯ মাসে দেশের নানাবিধ পরিবর্তন এবং উূ¢ত পরিস্থিতিতে এখন নির্বাচন আদৌ হবে কি না, এমন প্রশ্নটি সম্ভবত তেমন জোরালো নয়। বরং জোরালো হলো এমন প্রশ্ন- প্রথমে কোন নির্বাচন হবে? এ ক্ষেত্রে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনের মধ্যে কোনটি আগে হবে বা হওয়া উচিত এমন প্রশ্নে প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলসহ বিভিন্ন মহল দুটি ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। বর্তমান নির্বাচন কমিশন নতুনভাবে গঠিত হয়েছে। তাদের কাছে দেশবাসীর প্রত্যাশা অনেক বেশি। একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠান করে এই কমিশন জাতির প্রত্যাশা পূরণ করবে- এমনটা সবার আকাক্সক্ষা। এই আকাক্সক্ষা পূরণে ব্যর্থ হলে বর্তমান কমিশনকেও কলঙ্ক নিয়ে বিদায় নিতে হবে।

তা ছাড়া দেশে পুলিশ প্রশাসন মুখ থুবড়ে পড়েছে। শত শত অভিজ্ঞ পুলিশ সদস্য হয় পালিয়েছেন না হয় চাকরিচ্যুত, আটক এবং ওএসডি (ক্লোজ) অবস্থায় গণহত্যাসহ নানাবিধ অপরাধের দায়ে বিচারিক প্রক্রিয়ায় রয়েছেন। মব বা জনরোষ নিয়ন্ত্রণে পুলিশ বারবার ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। এ সপ্তাহে ছাত্র-জনতার নামে খোদ গুলশানের অভিজাত ও স্পর্শকাতর এলাকায় দুর্বৃত্তরা ঢুকে পড়ে এক বাড়িতে। তারা আসবাবসহ সবকিছু তল্লাশি করে। গুলশানে এমন নৈরাজ্য চললেও দীর্ঘ সময়ে পুলিশ বা মাঠে ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ারসহ মোতায়েন সেনাবাহিনী তা জানতে পারেনি। আর জানলেও সময়মতো সেখানে পৌঁছাতে পারেনি। দেরিতে পৌঁছলেও তাৎক্ষণিকভাবে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া বা তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে গ্রেপ্তার করার মতো দৃঢ়তা দেখাতে পারেনি। বরং জনমনে তীব্র প্রতিক্রিয়ার মুখে পরদিন তিনজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এমন ঘটনা কেবল রাজধানী গুলশানেই নয়, দেশের বহু অঞ্চলে ঘটেছে, ঘটছে এবং ভবিষ্যতেও ঘটবে বলে আশঙ্কা করা যায়। দেশের কোথাও কোথাও মব জাস্টিসের অভিশাপে অপ্রকৃতস্থ, ভবঘুরেসহ নিরীহ মানুষের প্রাণ ঝরেছে। দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো যে রকম দুর্বলতার পরিচয় দিয়েছে, তাতে প্রতীয়মান হয়, একই দিনে সারা দেশে একযোগে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে এখনো প্রস্তুত নয় দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো।

সরগরম অতীতে বিতর্কিত, কলঙ্কিত ও অগ্রহণযোগ্য জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য মাঠপর্যায়ে কাজ করা শতাধিক সরকারি কর্মকর্তা, পুলিশ কর্মকর্তা,  নির্বাচন কমিশন কর্মকর্তাসহ অনেকেই প্রশাসনিক ব্যবস্থা ও বিচারের সম্মুখীন। অনেকেই পলাতক ও জেলে অন্তরীণ। এমতাবস্থায় মাঠপর্যায়ের প্রশাসন একই দিনে লাখো নির্বাচন কেন্দ্রে কার্যকর জনবল নিয়োগ ও সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনার জন্য কতটা আত্মবিশ্বাসী, তা প্রশ্নসাপেক্ষ। যদিও সব জেলার পরিস্থিতি এক রকম নয়, তবু মাঠের পরিস্থিতি স্পষ্টই প্রমাণ করে যে প্রশাসনের পক্ষে প্রথমে একই দিনে সারা দেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজন করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ একটি বিষয় হয়ে দাঁড়াবে। এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ্য, পুলিশ প্রশাসন তাদের নিজস্ব নিয়মেই চলে। নির্বাচনের সময় পুলিশ জেলা প্রশাসন বা নির্বাচন কমিশন কর্মকর্তাদের অধীনে থাকলেও বাস্তবতা হলো পুলিশ তার ওপর অর্পিত যেকোনো দায়িত্ব আন্তরিকতার সঙ্গে পালন অথবা বর্জনের জন্য এক শ একটি কারণ বা অজুহাত দাঁড় করাতে পারে। দেশে একই দিনে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা বিধানের সক্ষমতা বর্তমান পুলিশের নেই বলে ধরা চলে। দেশের বিরাজমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তার সুস্পষ্ট প্রমাণ। এমতাবস্থায় কোনো কেন্দ্র বা জেলায় নির্বাচনকালে অব্যবস্থাপনার জন্য সরকারি কর্মকর্তা বা নির্বাচন কমিশন পুলিশকে দোষারোপ করবে, এটাই স্বাভাবিক। পুলিশও তার সীমাবদ্ধতা বা অন্য কোনো কারণ দাঁড় করাবে। ছোট্ট উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, রাজধানীতে বর্তমানে নিয়োজিত অধিকাংশ পুলিশ সদস্যই এসেছেন মফস্বল থেকে। তারা এখনো শহরের অলিগলি, অপরাধপ্রবণ এলাকা এবং এমন অভিজাত শহরের মানুষের জীবনাচারের সঙ্গে পরিচিত হয়ে উঠতে পারেনি। এ ক্ষেত্রে তাদের অসহায়ত্ব বা শহরের জটিলতা অনুধাবনে দুর্বলতা প্রকাশ্যে আলোচিত হচ্ছে আজকাল। সুতরাং প্রথমবারই একই দিনে সারা দেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন এই পুলিশ বাহিনী এবং মাঠপর্যায়ের প্রশাসকদের জন্য এক বড় চ্যালেঞ্জ। বিশেষত এমন এক সময়ে, যখন আগের প্রশাসকরা নির্বাচন অব্যবস্থাপনার দায়ে অনুকরণীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা ও শাস্তির সম্মুখীন।

প্রথমে জাতীয় সংসদ নির্বাচন কিংবা স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের আগ্রহ বা আপত্তির নেপথ্যে রাজনৈতিক সমীকরণও বেশ জটিল। স্থানীয় সরকার নির্বাচন নির্দলীয় ও দলীয় প্রতীকের বাইরে আয়োজনের কথা বলা হলেও বাস্তবতা হলো, এই নির্বাচন একটি নির্বাচনি এলাকায় দলীয় অবস্থানের জানান দেয়। ক্যাডারভিত্তিক রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রায় নির্বিঘ্নে তার প্রার্থিতা ঘোষণা করতে পারবে বলে ধরে নেওয়া যায়। কিন্তু অন্য যেকোনো দল, এমনকি নবগঠিত ছাত্রদের দলটিও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী নির্বাচন করতে মাঠে নামলেই দলীয় বিভক্তি, বিদ্রোহী প্রার্থী সৃষ্টি, বহিষ্কার, পাল্টা বহিষ্কার, অবাঞ্ছিত ঘোষণা, রাস্তাঘাট অবরোধ, হরতাল, অরাজকতা এমনকি সহিংসতা জড়িয়ে পড়বে। দলীয় হাইকমান্ড বা পুলিশ এমন পরিস্থিতি সামাল দিতে পারবে না। আর রাজনৈতিক দলগুলোও এমন বিভক্তি হোক, তা মনেপ্রাণে চায় না। তাই জামায়াতে ইসলামী ছাড়া সব দলের সম্ভাব্য লক্ষ্য সবাইকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে মূল্যায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত দলীয় ঐক্য ও চেতনা ধরে রাখা এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেই সুফল ঘরে তোলা।

আবার অতীতের অভিজ্ঞতায় দেখা যায়, প্রথমে কেউ একটি এলাকার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে তিনিই নির্ধারণ করেন কে হবেন স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি। দল তার কথা ফেলতে পারে না। তার ও দলের আস্ফালনে স্থানীয় ভদ্রসমাজের কেউ তখন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে চায় না। তদুপরি একজন সংসদ সদস্যের আত্মীয়স্বজনই যখন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রার্থীরূপে মাঠে নামেন, তখন পরিস্থিতি হয় একপেশে। পুলিশ ও মাঠ প্রশাসন তখন মুখে মুখে যতই নিরপেক্ষ ভূমিকার কথা বলুক না কেন, বাস্তবে ও মননে যে দল ক্ষমতায় এবং যে দলের সংসদ সদস্য এলাকার দায়িত্বে থাকেন, তার তালুবন্দি হয়ে পড়েন। আর সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে তার নানাবিধ সরকারি বরাদ্দ প্রদানের সুযোগ থাকে, যা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রভাব ফেলে এবং লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড বলতে তখন আর কিছুই থাকে না। আর স্থানীয় পর্যায়ে অবৈধ ও অলিখিত আয়ের উৎস থাকে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সরকারি দলের হাতে। ফলে কালোটাকার প্রভাব পড়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে। এই যুক্তিতে অনেকেই সোচ্চার দলীয় প্রভাব বিশেষত সংসদ সদস্যের খবরদারি শুরুর আগেই স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দাবিতে।

অতীতে জামায়াতের একজন নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও  টেকনোক্র্যাট কোটায় আরেকজন দুটি মন্ত্রণালয় পরিচালনা করেছেন। দুই মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে এই দুইজন জামায়াত নেতা সততার অনন্য নজির স্থাপন করেছেন, যা জামায়াতবিরোধীরাও স্বীকার করেন। স্থানীয় সরকার পর্যায়ে জামায়াতের সদস্যরা নির্বাচিত হলে তারাও সততা ও জনসেবার নজির স্থাপন করে নিজ দলের সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থীর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি করবেন, এমন আশাবাদ করতেই পারে জামায়াতে ইসলামী।

অন্যদিকে পতিত সরকারের বহু সুবিধাভোগী, অন্ধ সমর্থক ও তাদের অবৈধ টাকার বিষয়টি অস্বীকার করার উপায় নেই। তারা অবশ্যই চাইবে আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হোক এবং তাদের সমর্থকরা অন্তত এই উপলক্ষে চাঙা হোক।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন দিয়েই নিজেদের অস্তিত্ব ও জনপ্রিয়তার স্বাক্ষর রাখতে সচেষ্ট হবে ক্ষমতা হারানো আওয়ামী লীগ। বিশেষত তাদের দুর্গ বলে পরিচিত কিছু এলাকা ও সংখ্যালঘু-অধ্যুষিত এলাকায় তারা এই সুযোগ নিয়ে ভবিষ্যতে এই সাফল্য সম্প্রসারণ করতে সচেষ্ট হবে। একই সময়ে সংখ্যালঘুদের প্রার্থী সাজিয়ে এবং তাদের ওপর নিজেদের লোকজন দিয়েই আক্রমণ ও সহিংসতা সাজিয়ে বিশ্ব দরবারে ও পাশের দেশে সংখ্যালঘুদের অসহায়ত্ব তুলে ধরতে পারে এই দল। সুতরাং আওয়ামী লীগকে এই সুযোগ যারা দিতে চায় না, তারাও আগে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পক্ষে। এ ছাড়াও আওয়ামী লীগ সমর্থক ও সংখ্যালঘুদের নীরব ভোট বর্তমান পরিস্থিতিতে এবং আওয়ামী লীগের মাঠে অনুপস্থিতির সুযোগে নিজেদের দিকে টানতে চায় কোনো কোনো দল। অন্য সব রাজনৈতিক দলগুলো জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে তাদের এই উপস্থিতি প্রমাণের সুযোগ দিতে চায় না।

এমন রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যেই তৃতীয় স্রোত তৈরি করেছে গণপরিষদ নির্বাচন ও সেকেন্ড রিপাবলিক প্রসঙ্গ, যা নিয়ে পরবর্তী সময়ে লেখার প্রত্যাশা রইল।

সব মিলিয়ে বলা যায়, রাজনীতি ও প্রশাসনের এক জটিল সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে আজকের বাংলাদেশ। এই সময়ে যেকোনো ভুল সিদ্ধান্তের কঠোর খেসারত গুনতে হবে সমগ্র জাতিকে। তাই ব্যক্তি ও দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে সবার জন্য মঙ্গলজনক সিদ্ধান্তে পৌঁছতে প্রয়োজন সব অংশীজনের অংশগ্রহণে ফলপ্রসূ আলোচনা ও প্রথমে কোন নির্বাচন প্রয়োজন, এ বিষয়ে বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত। সেটাই হবে মহান জুলাই বিপ্লবের সার্থকতা।

লেখক : গবেষক, বিশ্লেষক ও কলামিস্ট

ইমেইল : [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
স্বস্তিদায়ক ঈদ
স্বস্তিদায়ক ঈদ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক
ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পবিত্র ঈদুল ফিতর
ঈদুল ফিতরে করণীয়
ঈদুল ফিতরে করণীয়
সত্যিকার ঈদ আসুক জীবনে
সত্যিকার ঈদ আসুক জীবনে
রোহিঙ্গাদের আগামী ঈদ প্রসঙ্গ
রোহিঙ্গাদের আগামী ঈদ প্রসঙ্গ
বিএনপি-জামায়াত কি ভুল পথে হাঁটছে
বিএনপি-জামায়াত কি ভুল পথে হাঁটছে
সর্বশেষ খবর
বিমসটেক মেরিটাইম ট্রান্সপোর্ট কো-অপারেশন চুক্তি সই
বিমসটেক মেরিটাইম ট্রান্সপোর্ট কো-অপারেশন চুক্তি সই

এই মাত্র | জাতীয়

ধলেশ্বরী নদীতে সেনা অভিযান: দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৭
ধলেশ্বরী নদীতে সেনা অভিযান: দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৭

৪৫ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

চাঁদপুরে উন্মুক্ত বিনোদন কেন্দ্র মোলহেডে দর্শনার্থীদের ভিড়
চাঁদপুরে উন্মুক্ত বিনোদন কেন্দ্র মোলহেডে দর্শনার্থীদের ভিড়

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বনশ্রীতে নারী সাংবাদিককে হেনস্তা, গ্রেফতার ৩
বনশ্রীতে নারী সাংবাদিককে হেনস্তা, গ্রেফতার ৩

২৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

ভাঙ্গায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত অন্তত ১০
ভাঙ্গায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত অন্তত ১০

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাষ্টের চেক বিতরণ
কুষ্টিয়ায় সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাষ্টের চেক বিতরণ

৩৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নোয়াখালীতে জমজ ২ বোনকে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১
নোয়াখালীতে জমজ ২ বোনকে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নিষ্প্রভ মেসি, হারল মায়ামি
নিষ্প্রভ মেসি, হারল মায়ামি

৪৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, পাইলট নিহত
ভারতে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, পাইলট নিহত

৫৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চট্টগ্রাম মহানগর শ্রমিকলীগের সাবেক সভাপতি গ্রেফতার
চট্টগ্রাম মহানগর শ্রমিকলীগের সাবেক সভাপতি গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর ও ফলাফলমুখী ‘বিমসটেক’-এর ওপর গুরুত্বারোপ পররাষ্ট্র উপদেষ্টার
মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর ও ফলাফলমুখী ‘বিমসটেক’-এর ওপর গুরুত্বারোপ পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিবচরে চালককে কুপিয়ে হত্যা করে ভ্যান ছিনতাই
শিবচরে চালককে কুপিয়ে হত্যা করে ভ্যান ছিনতাই

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তাপপ্রবাহে পুড়ছে ১০ জেলা
তাপপ্রবাহে পুড়ছে ১০ জেলা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সুস্থ হয়ে দেশে ফিরছে মুসা
সুস্থ হয়ে দেশে ফিরছে মুসা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তিসি চাষে পাঁচগুণ আয়!
তিসি চাষে পাঁচগুণ আয়!

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

টি-টোয়েন্টি বোলারদের নতুন রাজা কিউই পেসার
টি-টোয়েন্টি বোলারদের নতুন রাজা কিউই পেসার

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় জাতিসংঘের ক্লিনিকে বোমা হামলা
গাজায় জাতিসংঘের ক্লিনিকে বোমা হামলা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আতলেতিকোকে বিদায় করে ফাইনালে বার্সা
আতলেতিকোকে বিদায় করে ফাইনালে বার্সা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্চে ইন্টারনেটে ২৯৮ অপতথ্য ছড়িয়েছে: রিউমর স্ক্যানার
মার্চে ইন্টারনেটে ২৯৮ অপতথ্য ছড়িয়েছে: রিউমর স্ক্যানার

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজার ‘বিস্তীর্ণ এলাকা’ দখলে নিতে চায় ইসরায়েল
গাজার ‘বিস্তীর্ণ এলাকা’ দখলে নিতে চায় ইসরায়েল

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে দুর্ঘটনায় নিহত ২
যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে দুর্ঘটনায় নিহত ২

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাড়তে পারে ঢাকার তাপমাত্রা
বাড়তে পারে ঢাকার তাপমাত্রা

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বগুড়ায় স্বাধীনতা কনসার্ট 'সবার আগে বাংলাদেশ'র ভেন্যু পরিদর্শন
বগুড়ায় স্বাধীনতা কনসার্ট 'সবার আগে বাংলাদেশ'র ভেন্যু পরিদর্শন

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে
নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের
উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুলশান-বনানীর সড়ক ব্যবহারে ট্রাফিকের নতুন নির্দেশনা
গুলশান-বনানীর সড়ক ব্যবহারে ট্রাফিকের নতুন নির্দেশনা

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন
ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা
হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা

১১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ
সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরী লক্ষ্য করে হুথিদের একের পর এক হামলা
লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরী লক্ষ্য করে হুথিদের একের পর এক হামলা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার
আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় বিশাল এলাকা দখল করে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা
গাজায় বিশাল এলাকা দখল করে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিয়ানমারের ভূমিকম্প: নামাজরত অবস্থায় ৫ শতাধিক মুসল্লির মৃত্যু
মিয়ানমারের ভূমিকম্প: নামাজরত অবস্থায় ৫ শতাধিক মুসল্লির মৃত্যু

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রেস সচিব
২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রেস সচিব

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!
১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন
সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস
শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ধোঁয়াশার কিছু নেই, ডিসেম্বর-জুনের মধ্যেই নির্বাচন হবে : তথ্য উপদেষ্টা
ধোঁয়াশার কিছু নেই, ডিসেম্বর-জুনের মধ্যেই নির্বাচন হবে : তথ্য উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র
হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কাশ্মীর সীমান্তে উত্তেজনা, ৫ পাকিস্তানি সেনা হত্যার দাবি ভারতের
কাশ্মীর সীমান্তে উত্তেজনা, ৫ পাকিস্তানি সেনা হত্যার দাবি ভারতের

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কালুরঘাটে রেল ও সড়ক সেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ১৪ মে
কালুরঘাটে রেল ও সড়ক সেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ১৪ মে

১৭ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের
ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাসিনার বিরুদ্ধে গণহত্যা মামলার খসড়া তদন্ত রিপোর্ট পেয়েছে প্রসিকিউশন
হাসিনার বিরুদ্ধে গণহত্যা মামলার খসড়া তদন্ত রিপোর্ট পেয়েছে প্রসিকিউশন

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বব্যাপী অপতথ্য ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী
বিশ্বব্যাপী অপতথ্য ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে

সম্পাদকীয়

চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই
চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সর্বত্র ভোটের আলোচনা
সর্বত্র ভোটের আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া
সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়
উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়

পেছনের পৃষ্ঠা

ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত
ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত

প্রথম পৃষ্ঠা

ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড
ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড

মাঠে ময়দানে

কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন
কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন

পেছনের পৃষ্ঠা

শাকিবের প্রশংসায় বুবলী
শাকিবের প্রশংসায় বুবলী

শোবিজ

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই

সম্পাদকীয়

ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল
ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল

প্রথম পৃষ্ঠা

৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের
৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের

প্রথম পৃষ্ঠা

রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা
রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা

নগর জীবন

ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়
ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়

প্রথম পৃষ্ঠা

গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে
গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে
বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে

প্রথম পৃষ্ঠা

চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা
চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব
মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব

দেশগ্রাম

বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ
বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ

দেশগ্রাম

মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন
মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন

প্রথম পৃষ্ঠা

আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা
আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা

রকমারি নগর পরিক্রমা

দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪
দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪

পেছনের পৃষ্ঠা

কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ

সম্পাদকীয়

দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার
দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার

দেশগ্রাম

ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ
ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন
নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন

পূর্ব-পশ্চিম

ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট
ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন
নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন

প্রথম পৃষ্ঠা