শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৫

সংস্কারে গুরুত্ব পাক দুর্নীতি দমন

শিকদার এম. আনোয়ারুল ইসলাম
প্রিন্ট ভার্সন
সংস্কারে গুরুত্ব পাক দুর্নীতি দমন

বাংলাদেশ দুর্নীতিতে কয়েকবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ২০০১ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত দুর্নীতিতে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের ইনডেক্স অনুযায়ী এক নম্বরে ছিল। গত ৫০ বছরে দেশ থেকে ১১ লাখ ৯২ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়েছে। দেশের একটা শ্রেণি ফুলে-ফেঁপে উঠেছে দুর্নীতির টাকায়। স্বাধীনতার ৫০ বছরে দল-মতনির্বিশেষে তারা গরিবের হক চুষে খেয়ে অর্থবিত্তের মালিক হয়েছে। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ব্যক্তিগত সম্পত্তি বানিয়ে বাংলাদেশের মুক্তিকামী মানুষকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য পরোক্ষভাবে বিদেশি প্রভুদের হাতে দেশের অর্থনীতি তুলে দেওয়া হয়েছে।

দুর্নীতি প্রলম্বিত করার জন্য, ছাত্র-জনতার ওপর এরশাদবিরোধী আন্দোলনে ট্রাক তুলে দেওয়া হয়েছিল। এর জন্য সেলিম, দেলোয়ারের মৃত্যু হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাউফুন বসুনিয়া, ডাক্তার মিলন, পাগলা শহীদ, তৎকালীন ছাত্রদলের প্রভাবশালী নেতা সানাউল হক নীরুর সহোদর মাহবুবুল হক বাবলু প্রমুখ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের জন্য শহীদ হয়েছেন। এরশাদবিরোধী আন্দোলনের রাজনৈতিক মৃত্যু হয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের মাধ্যমে। যদিও এই ধারা পরবর্তী সময়ে ক্ষমতায় টিকে থাকার অন্তরায় হওয়ায় আদালতের ঘাড়ে বন্দুক রেখে বাতিল করে দেওয়া হয়। এই আন্দোলন ছিল একটি স্বৈরাচারকে পতনের মাধ্যমে, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা। ৯০-থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত কোন গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয়েছে, দেশের মানুষ তা ভালো করেই জানে।

উন্নয়নশীল দেশগুলোতে নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনযাত্রা নির্বাহে চাহিদা অনেক। দুবেলা দুমুঠো ভাতের জন্যই তাদের প্রাণান্ত সংগ্রাম করতে হয়। বাংলাদেশের মতো ১,৪৮,১৭০ বর্গকিলোমিটারের একটি দেশে প্রায় ১৮ কোটি জনগণ। ফলে ভোগ্যপণ্যের যে বিশাল বাজার রয়েছে, তাকে পুঁজি করে দেশের একটি শ্রেণি বিশাল সম্পদের মালিক হয়েছে- পরিকল্পিত বাজার সিন্ডিফিকেশনের মাধ্যমে। যার সঙ্গে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের যোগসূত্র সব সময়ই পাওয়া গেছে।

বাংলাদেশের রাজনীতি এবং অর্থনীতিতে দুর্নীতি একটা বড় সমস্যা। বলা যায় এটাই সব সমস্যার মূল। গত ১৫ বছরে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার সরকার যে উন্নয়ন করেছে, বিশেষ করে পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল তার মধ্যে অন্যতম। আসলে এসব উন্নয়ন প্রকল্প পুঁজি পাহাড়সম দুর্নীতিই ছিল ফ্যাসিস্ট সরকারের মূল উদ্দেশ্য। তার দলবলের সীমাহীন দুর্নীতি, মুদ্রা পাচার, জনগণের সরকারকে ব্যক্তিগত সরকার বানিয়ে নিজেদের স্বৈরাচারের দোসর হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে। বিদেশি শক্তির উসকানিতে নিজের দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে ক্ষমতায় থাকার জন্য এমন কোনো বিতর্কিত কাজ নেই, যা শেখ হাসিনা বা তাঁর দল করেনি। গুম, খুনসহ বিচারবহির্ভূত হত্যা তিনি সজ্ঞানে করিয়েছেন। ক্ষমতার শীর্ষে থেকে শেখ হাসিনার পুরো পরিবার আকণ্ঠ দুর্নীতিতে ডুবে গেছে। এমনকি তাঁর ভাগ্নি টিউলিপ সিদ্দিক ব্রিটিশ সরকারের দুর্নীতিবিষয়ক মন্ত্রী হলেও, তাঁর পরিবারের দুর্নীতির আঁচ তাঁর ঘাড়ে পড়েছে। অনৈতিক সুবিধা ও লেনদেনের অভিযোগ মাথায় নিয়ে তাঁকে পদত্যাগ করতে হয়েছে। শেখ হাসিনাকে দেশ থেকে পালিয়ে যেতে হয়েছে। এটি পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। আর তাঁর দলের নেতারা হয় বন্দি অথবা পালিয়ে গেছেন বা আত্মগোপনে আছেন, ইঁদুরের গর্তে লুকিয়ে থাকার মতো।

দেশের প্রতিটি রাজনৈতিক দলেরই কমবেশি দুর্নীতির ইতিহাস আছে। দুর্নীতি থেকে দূরে থাকার জন্য কোনো রাজনৈতিক দলই নিজের দলকে সংস্কার বা মনোনয়ন বাণিজ্য থেকে সরে আসতে পারেনি। বস্তুত বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলের কাঠামোতে নানা সমস্যা আছে। রাজনৈতিক দলগুলোর আর্থিক হিসাব জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয় না। তাদের নির্বাচনি ব্যয় নির্ভর করে প্রার্থীর সক্ষমতার ওপর। এমন নজির বিশ্বের কোনো সভ্য দেশে থাকতে পারে না। বিগত ৫৩ বছরে গণতন্ত্রের নামে দুর্নীতিকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে পেট মোটা অজগরে পরিণত করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৫ বছরে ২০০ বিলিয়নের অধিক পরিমাণ অর্থসম্পদ বিদেশে পাচার হয়ে গেছে। বেগমপাড়ায় যারা মুদ্রা পাচার করেছে, তাদের ব্যাপারে অন্তর্র্বর্তী সরকারের উদ্যোগ খুবই সীমিত।

বাংলাদেশের জনগণের জন্য একটি বড় প্রশ্ন হচ্ছে, অন্তর্র্বর্তী সরকারের প্রধান এজেন্ডা কী? সংস্কার, নাকি অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা? সংস্কারের মধ্যে ২০২৪-এর ছাত্র-জনতার গণ আন্দোলনে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিচারের জন্য কঠোর অবস্থান নেওয়া হলেও, দেশের রাজনীতি এবং অর্থনীতির, বিশেষ করে জাতীয় নিরাপত্তার প্রধান শত্রু দুর্নীতিকে দৃঢ়তার সঙ্গে চিহ্নিত এবং নির্মূলের প্রক্রিয়ায় আরও গতি সঞ্চার প্রয়োজন।

বাংলাদেশের গড়ে সাড়ে ৬.৫% প্রবৃদ্ধির ১% চলে যায় নানা অনিয়মে দুর্নীতিবাজদের পকেটে। ১.৫% যায় ভোগ্যপণ্য ক্রয়ে। ১% খরচ হয় বৈদেশিক ঋণের দেনা পরিশোধে। ২% সরকারি ব্যয়। .০৫% উন্নয়ন। .০৫% সামাজিক ব্যয় বা দারিদ্র্য উন্নয়ন। এটি মোটামুটি একটি হিসাব। সামান্য হেরফের হতেই পারে।

ফলে দুর্নীতির কারণে যে সামাজিক ক্ষতি হয়, বিশেষ করে যে সামাজিক বৈষম্য তৈরি হয়, তার ফলে বাজারে মুদ্রাস্ফীতি বেড়ে যায়। বিলাসদ্রব্যের আমদানি বাড়ে, নৈতিক অবক্ষয়ের কারণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে। এবং সামাজিক ন্যায়বিচারের মানদণ্ডগুলো ব্যক্তিগত ইচ্ছা-অনিচ্ছার দাস হয়ে যায়। অতীত তিক্ত অভিজ্ঞতা বলে- বাংলাদেশে অর্থনীতিতে দুর্নীতিকে উপেক্ষা করে বৈষম্যবিরোধী সমাজ প্রতিষ্ঠা করা একেবারেই অসম্ভব না হলেও বেশ শক্ত। সমন্বয়কদের মধ্য থেকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আরও তীব্র ও উচ্চকণ্ঠ সামাজিক আন্দোলনের পদক্ষেপ আশা জাতি। জনগণ এই তরুণ তুর্কিদের নিয়ে বড় করে স্বপ্ন দেখে। আশা করে তাদের ইমেজে কোনো কলুষ স্পর্শ করবে না।

বাংলাদেশের রাজনীতি এবং অর্থনীতির প্রধান সমস্যা হচ্ছে দুর্নীতির মাধ্যমে ক্ষমতায় টিকে থাকা এবং বিদেশি শক্তিকে নানা রকম দেশবিরোধী চুক্তি এবং ব্যবসায়িক সুবিধা দিয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকার কৌশল। পালিয়ে যাওয়া ফ্যাসিস্ট সরকারপ্রধান পর্বত পরিমাণ উন্নয়নের দাবি করলেও, মূলত দুর্নীতি দুরাচার-দুঃশাসনের কারণে জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। ফলে আগামী দিনগুলোতে অন্তর্র্বর্তী সরকারের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ বেশ স্পষ্ট। যেনতেন প্রকারের সংস্কার করে একটি লোকদেখানো নির্বাচন দিয়ে ক্ষমতা ছেড়ে চলে যাওয়া, হয়তো তারা তাদের জন্য সেভ এক্সিট মনে করতে পারেন, কিন্তু বাংলাদেশের ছাত্র-জনতার আশা-আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়ন হবে না।

গণতন্ত্রের বিকল্প নেই। সামাজিক মানদণ্ডে গণতন্ত্র ছাড়া আর কোনো ভালো সামাজিক মানদণ্ড দৃশ্যমান নয়। ফলে দেশে গণতন্ত্রকে সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠার পদক্ষেপ নিতে হবে। দেশের সাধারণ জনগণ আগামীতে একটি অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচনে ক্ষমতায় আসা সরকারকে স্বাগত জানালেও দুর্নীতি সহ্য করবে না। বর্তমান অন্তর্র্বর্তী সরকার দুর্নীতি নির্মূলে শতভাগ সফল না হলেও জন-আকাঙ্ক্ষার আগুন ছাইচাপা পড়বে না।

দেশে ভোগ্যপণ্যের মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, অর্থনৈতিক স্থিরতা, বিনিয়োগে কর্মচাঞ্চল্য, বেকার সমস্যার সমাধান এবং শিক্ষার উন্নয়ন এসব এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে গেলে, দুর্নীতি এবং দুর্নীতিবাজদের ছাড় দিয়ে রাজনৈতিক পালাবদল হলেও ফ্যাসিস্ট তৈরির ফ্যাক্টরি বন্ধ হবে না।

গত ১৫ বছরের স্বৈরশাসনের বাংলাদেশের সব সরকারি প্রতিষ্ঠান দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে জনগণের আস্থা হারিয়েছে। এমনকি বিগত সরকারের ৫৩ জন সচিব মামলার শিকার হয়েছেন। আমলাতন্ত্রের জন্য এ এক লজ্জাজনক গ্লানি। ৯০-এর গণ আন্দোলনের পর চব্বিশের ছাত্র-জনতার গণ আন্দোলন জাতিকে অনেক শিক্ষা দিয়েছে। জানান দিয়েছে, দুর্নীতি-দুঃশাসনই জাতির বড় শত্রু। গণতন্ত্রের নামে স্বৈরাচার জনগণের জন্য দানব সমান। তার পতন হয়েছে। এখন অন্তর্বর্তী সরকার সাম্য, সম্প্রীতি, মর্যাদার একটা নতুন বাংলাদেশ গড়ার কাজ করছে। রাষ্ট্র সংস্কার চলছে। এই কর্মযজ্ঞ সফল হোক। দেশে প্রকৃত গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা শুরু হোক এবং তা শুরু হোক যৌক্তিক দ্রুততায়।

লেখক : বিভাগীয় প্রধান, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগ, রবীন্দ্র সৃজনকলা বিশ্ববিদ্যালয়

এই বিভাগের আরও খবর
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
স্বস্তিদায়ক ঈদ
স্বস্তিদায়ক ঈদ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক
ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পবিত্র ঈদুল ফিতর
ঈদুল ফিতরে করণীয়
ঈদুল ফিতরে করণীয়
সত্যিকার ঈদ আসুক জীবনে
সত্যিকার ঈদ আসুক জীবনে
রোহিঙ্গাদের আগামী ঈদ প্রসঙ্গ
রোহিঙ্গাদের আগামী ঈদ প্রসঙ্গ
বিএনপি-জামায়াত কি ভুল পথে হাঁটছে
বিএনপি-জামায়াত কি ভুল পথে হাঁটছে
সর্বশেষ খবর
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

বিমসটেক মেরিটাইম ট্রান্সপোর্ট কো-অপারেশন চুক্তি সই
বিমসটেক মেরিটাইম ট্রান্সপোর্ট কো-অপারেশন চুক্তি সই

১০ মিনিট আগে | জাতীয়

ধলেশ্বরী নদীতে সেনা অভিযান: দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৭
ধলেশ্বরী নদীতে সেনা অভিযান: দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৭

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চাঁদপুরে উন্মুক্ত বিনোদন কেন্দ্র মোলহেডে দর্শনার্থীদের ভিড়
চাঁদপুরে উন্মুক্ত বিনোদন কেন্দ্র মোলহেডে দর্শনার্থীদের ভিড়

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বনশ্রীতে নারী সাংবাদিককে হেনস্তা, গ্রেফতার ৩
বনশ্রীতে নারী সাংবাদিককে হেনস্তা, গ্রেফতার ৩

৩৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

ভাঙ্গায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত অন্তত ১০
ভাঙ্গায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত অন্তত ১০

৩৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাষ্টের চেক বিতরণ
কুষ্টিয়ায় সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাষ্টের চেক বিতরণ

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নোয়াখালীতে জমজ ২ বোনকে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১
নোয়াখালীতে জমজ ২ বোনকে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নিষ্প্রভ মেসি, হারল মায়ামি
নিষ্প্রভ মেসি, হারল মায়ামি

৫৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, পাইলট নিহত
ভারতে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, পাইলট নিহত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চট্টগ্রাম মহানগর শ্রমিকলীগের সাবেক সভাপতি গ্রেফতার
চট্টগ্রাম মহানগর শ্রমিকলীগের সাবেক সভাপতি গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর ও ফলাফলমুখী ‘বিমসটেক’-এর ওপর গুরুত্বারোপ পররাষ্ট্র উপদেষ্টার
মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর ও ফলাফলমুখী ‘বিমসটেক’-এর ওপর গুরুত্বারোপ পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিবচরে চালককে কুপিয়ে হত্যা করে ভ্যান ছিনতাই
শিবচরে চালককে কুপিয়ে হত্যা করে ভ্যান ছিনতাই

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তাপপ্রবাহে পুড়ছে ১০ জেলা
তাপপ্রবাহে পুড়ছে ১০ জেলা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সুস্থ হয়ে দেশে ফিরছে মুসা
সুস্থ হয়ে দেশে ফিরছে মুসা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তিসি চাষে পাঁচগুণ আয়!
তিসি চাষে পাঁচগুণ আয়!

২ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

টি-টোয়েন্টি বোলারদের নতুন রাজা কিউই পেসার
টি-টোয়েন্টি বোলারদের নতুন রাজা কিউই পেসার

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় জাতিসংঘের ক্লিনিকে বোমা হামলা
গাজায় জাতিসংঘের ক্লিনিকে বোমা হামলা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আতলেতিকোকে বিদায় করে ফাইনালে বার্সা
আতলেতিকোকে বিদায় করে ফাইনালে বার্সা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্চে ইন্টারনেটে ২৯৮ অপতথ্য ছড়িয়েছে: রিউমর স্ক্যানার
মার্চে ইন্টারনেটে ২৯৮ অপতথ্য ছড়িয়েছে: রিউমর স্ক্যানার

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজার ‘বিস্তীর্ণ এলাকা’ দখলে নিতে চায় ইসরায়েল
গাজার ‘বিস্তীর্ণ এলাকা’ দখলে নিতে চায় ইসরায়েল

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে দুর্ঘটনায় নিহত ২
যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে দুর্ঘটনায় নিহত ২

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাড়তে পারে ঢাকার তাপমাত্রা
বাড়তে পারে ঢাকার তাপমাত্রা

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে
নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের
উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুলশান-বনানীর সড়ক ব্যবহারে ট্রাফিকের নতুন নির্দেশনা
গুলশান-বনানীর সড়ক ব্যবহারে ট্রাফিকের নতুন নির্দেশনা

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন
ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা
হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা

১১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ
সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরী লক্ষ্য করে হুথিদের একের পর এক হামলা
লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরী লক্ষ্য করে হুথিদের একের পর এক হামলা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার
আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় বিশাল এলাকা দখল করে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা
গাজায় বিশাল এলাকা দখল করে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিয়ানমারের ভূমিকম্প: নামাজরত অবস্থায় ৫ শতাধিক মুসল্লির মৃত্যু
মিয়ানমারের ভূমিকম্প: নামাজরত অবস্থায় ৫ শতাধিক মুসল্লির মৃত্যু

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রেস সচিব
২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রেস সচিব

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!
১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন
সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস
শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ধোঁয়াশার কিছু নেই, ডিসেম্বর-জুনের মধ্যেই নির্বাচন হবে : তথ্য উপদেষ্টা
ধোঁয়াশার কিছু নেই, ডিসেম্বর-জুনের মধ্যেই নির্বাচন হবে : তথ্য উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র
হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কাশ্মীর সীমান্তে উত্তেজনা, ৫ পাকিস্তানি সেনা হত্যার দাবি ভারতের
কাশ্মীর সীমান্তে উত্তেজনা, ৫ পাকিস্তানি সেনা হত্যার দাবি ভারতের

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কালুরঘাটে রেল ও সড়ক সেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ১৪ মে
কালুরঘাটে রেল ও সড়ক সেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ১৪ মে

১৭ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের
ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাসিনার বিরুদ্ধে গণহত্যা মামলার খসড়া তদন্ত রিপোর্ট পেয়েছে প্রসিকিউশন
হাসিনার বিরুদ্ধে গণহত্যা মামলার খসড়া তদন্ত রিপোর্ট পেয়েছে প্রসিকিউশন

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বব্যাপী অপতথ্য ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী
বিশ্বব্যাপী অপতথ্য ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে

সম্পাদকীয়

চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই
চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সর্বত্র ভোটের আলোচনা
সর্বত্র ভোটের আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া
সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়
উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়

পেছনের পৃষ্ঠা

ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত
ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত

প্রথম পৃষ্ঠা

ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড
ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড

মাঠে ময়দানে

কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন
কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন

পেছনের পৃষ্ঠা

শাকিবের প্রশংসায় বুবলী
শাকিবের প্রশংসায় বুবলী

শোবিজ

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই

সম্পাদকীয়

ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল
ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল

প্রথম পৃষ্ঠা

৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের
৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের

প্রথম পৃষ্ঠা

রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা
রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা

নগর জীবন

ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়
ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়

প্রথম পৃষ্ঠা

গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে
গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে
বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে

প্রথম পৃষ্ঠা

চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা
চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব
মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব

দেশগ্রাম

বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ
বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ

দেশগ্রাম

মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন
মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন

প্রথম পৃষ্ঠা

আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা
আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা

রকমারি নগর পরিক্রমা

দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪
দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪

পেছনের পৃষ্ঠা

কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ

সম্পাদকীয়

দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার
দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার

দেশগ্রাম

ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ
ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট
ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট

পেছনের পৃষ্ঠা

নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন
নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন

পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন
নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন

প্রথম পৃষ্ঠা