অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার বিরল প্রজাতির ছয়টি শকুনের ঠাঁই হয় বীরগঞ্জের পরিচর্যা ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে। অনেকটাই সুস্থ হয়ে এখন তারা মুক্ত আকাশে ওড়ার অপেক্ষায়। উত্তারাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা থেকে শকুনগুলো উদ্ধার হয়েছে। পুরোপুরি সুস্থ হলে মার্চ-এপ্রিলে প্রকৃতিতে অবমুক্ত করা হবে। বীরগঞ্জের সিংড়া জাতীয় উদ্যানে পরিচর্যা ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন ছয়টি শকুনের খাবারের জন্য প্রতিদিন বয়লার মুরগি দেওয়া হয়। এ ছাড়া স্যালাইন, পানি ওষুধ দেওয়া হয় জানান শকুনের দেখভালের দায়িত্বে থাকা বেলাল হোসেন। অনেকে শকুনগুলো দেখতে আসছেন।
সিংড়া জাতীয় উদ্যানের বনবিট কর্মকর্তা গয়া প্রসাদ পাল জানান, হিমালয় এবং ভুটানে শীতের প্রকোপ বাড়লে দল বেঁধে শকুনগুলো আসে এবং বড় বড় গাছে আশ্রয় নেয়। বিলুপ্ত প্রায় এ শকুন বিশেষ করে শীতের সময় অন্য এলাকা থেকে দিনাজপুরসহ এ অঞ্চলে অসুস্থ বা খাদ্যাভাবে ক্লান্ত অবস্থায় আসে। ঠিকমতো উড়তে না পারায় উদ্ধার করে দিনাজপুরের বীরগঞ্জের সিংড়া জাতীয় উদ্যানে পরিচর্যা ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে আনা হয়। এক সময় পুরোপুরি সুস্থ হলে ছেড়ে দেওয়া হয় প্রকৃতিতে। বর্তমানে এখানে এ ধরনের ছয়টি শকুন রয়েছে। বীরগঞ্জ সিংড়া জাতীয় উদ্যানে সাত বছর ধরে বিলুপ্ত ও বিপন্নপ্রায় শকুনকে বাঁচাতে আইইউসিএন বাংলাদেশ ও বনবিভাগ যৌথভাবে একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।