কুতুবদিয়ার আলী আকবর ডেইল ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড খুদিয়ারটেক। এখন শুধু কাগজে কলমেই আছে এর অস্তিত্ব। নানা সংকটে এখানকার অন্তত ৩০ হাজার বাসিন্দার ঠাঁই হয়েছে শত কিলোমিটার দূরে কক্সবাজার শহরে। কেবল ১৫টি পরিবার থাকে খুদিয়ারটেকের পাশের তাবলের চরের বেড়িবাঁধে। শুধু খুদিয়ারটেকই নয়, কুতুবদিয়ার কৈয়ারবিল, উত্তর ধুরুং, দক্ষিণ ধুরুং, লেমশীখালী ও বড়ঘোপ থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে গত তিন দশকে আরও অন্তত ৩০ হাজার মানুষ দ্বীপ ছেড়েছে। তারা কক্সবাজার শহরের সমুদ্রোপকূলীয় সরকারি জমির পাশাপাশি চকরিয়া, রামু, পেকুয়া, টেকনাফ, বান্দরবানের লামা, আলীকদম, চট্টগ্রামের বাঁশখালী, মিরসরাই, রাউজান, সাতকানিয়া ও লোহাগাড়ায় আশ্রয় নিয়েছে। জানা যায়, প্যারাবন ধ্বংসের কারণে ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ে দ্বীপের বেড়িবাঁধের ব্যাপক ক্ষতি হয়। এরপর ভাঙা বাঁধ সংস্কারের নামে প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা খরচ করলেও দুর্নীতির কারণে টেকসই বাঁধ আর হয়নি। এ ছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে এ উপজেলায় মানুষের জীবনধারণও কঠিন হয়ে পড়েছে। লোনা পানির আগ্রাসনে ফলছে না ফসল, পাওয়া যাচ্ছে না সুপেয় পানি। উপজেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, ১৮৭২ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত পাঁচটি বড় ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে কুতুবদিয়ার অনেকটা অংশ বিলীন হয়েছে। খুদিয়ারটেক ও রাজাখালী নামে দুটি মৌজা মুছে গেছে মানচিত্র থেকে। প্যারাবনকে উপকূলের রক্ষাকবচ বলেছেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা), কুতুবদিয়ার সভাপতি শহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘প্যারাবন ধ্বংসের কারণে বেড়িবাঁধের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।