ঘন কুয়াশা ও কনকনে ঠান্ডা থেকে বোরো বীজতলা রক্ষার আপ্রাণ চেষ্টা করছেন দিনাজপুরের চাষিরা। মাঠে মাঠে বীজতলা তৈরি ও চারা পরিচর্যায় ব্যস্ত তারা। জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বীজতলা রক্ষায় চাষিরা ব্যবহার করছেন পলিথিন। চারা পলিথিনে ঢেকে রাখায় যেমন কুয়াশা ও ঠান্ডা থেকে রক্ষা পাচ্ছে, তেমনি চারাগুলো থাকছে সতেজ-জানান কৃষকরা। বীজতাল নিয়ে ভয়ের কিছু নেই জানায় কৃষিবিভাগ। কাহারোল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, এ উপজেলায় চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫ হাজার ৫৫০ হেক্টর জমি। সেই অনুযায়ী বীজতলা করা হবে ২৭৮ হেক্টরে। রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের ঈশানপুর গ্রামের চাষি সামসুল ইসলাম জানান, চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে ছয় একর জমিতে বোরো চাষাবাদ করবেন তিনি। আগাম জাতের বীজ বপন করেছেন।
শীত ও ঘন কুয়াশায় হাত থেকে রক্ষার জন্য বীজগুলো পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখছেন। কাহারোল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মল্লিকা রানী সেহানবীশ জানান, একটানা বেশি দিন ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীত থাকলে বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এমন পরিস্থিতি এখনো তৈরি হয়নি। কৃষকদের ভয়ের কিছু নেই। বীজতলা পলিথিন দিয়ে ঢেকে দেওয়াসহ নানা পরামর্শ দিচ্ছে কৃষি বিভাগ।
বিভিন্ন মাঠে দেখা যায়, বিকালের পর থেকে বেড়ে যাচ্ছে কুয়াশার মাত্রা। রাতে কুয়াশায় একেবারে ঢেকে যায়। সকাল থেকে শুরু করে সূর্যের দেখা পাওয়া পর্যন্ত বোরো বীজতলা পরিচর্যা করতে দেখা যায় কৃষকদের। কেউ ধানের চারা পলিথিন দিয়ে ঢেকে রেখেছে। কেউ চারায় জমে থাকা শিশির মুছে দিচ্ছেন।