বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সাবেক সভাপতি ফারুক হাসান বলেছেন, ‘নতুন এ শুল্কনীতি যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের (আরএমজি) চাহিদা ও আমাদের বিক্রি কমে যাবে। যার প্রভাব পড়বে বাংলাদেশের রপ্তানিকারকদের ওপর। ফারুক হাসান বলেন, আরেকটা প্রভাব পড়বে সেটা হলো; ক্রেতারা এখন আমাদের বলবে শুল্ক বাড়ার ফলে দাম অনেক বেড়ে গেছে। আমদানি করে পণ্য বিক্রি করতে পারছি না, পারব না। সুতরাং দাম কমাও। তখন আমাদের চাপ দিয়ে দাম কমাবে। একদিকে ব্যবহার কমে যাবে, অন্যদিকে দাম কম পাব। তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে সুবিধা পেতে আমরা এখন ১৫-১৬ শতাংশ ট্যারিফ দিচ্ছি। এর মধ্যে ৩৭ শতাংশ শুল্ক বৃদ্ধি কার্যকর হলে বড় একটা আঘাত হয়ে আসবে। যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ শুল্ক বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্পকে চরমভাবে প্রভাবিত করবে। শুল্ক বৃদ্ধির ফলে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের সেই সব দেশের কাতারে পড়েছে, যাদের পণ্যের ওপর সর্বোচ্চ শুল্ক আরোপ করা হচ্ছে। এই বৃদ্ধি কার্যকর হলে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের ওপর শুল্কহার তুলা জাতীয় পোশাকপণ্যের ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে চীনের সমান পর্যায়ে পৌঁছে যাবে।
সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি